শ্রেণি : নবম - দশম || অধ্যায় - ২
কম্পিউটার রক্ষনাবেক্ষন ও সাইবার নিরাপত্তা
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
শ্রেণি : নবম - দশম || অধ্যায় - ২
কম্পিউটার রক্ষনাবেক্ষন ও সাইবার নিরাপত্তা
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কম্পিউটারকে ভালো অবস্থায় ও কাজের উপযোগী রাখতে গৃহীত পদক্ষেপকে বোঝায়। এর মধ্যে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সুরক্ষা ও আপডেট অন্তর্ভুক্ত। এটি বাইরের নিয়ামক যেমন তাপমাত্রা, ধূলিকণা, বিদ্যুৎ ক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র, পানি প্রভৃতি থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করে।
২. কম্পিউটারের জন্য বাইরের নিয়ামকগুলো কীভাবে ক্ষতিকর?
উত্তর: অর্দ্রেতা, তাপমাত্রা, ধূলিকণা, ধোঁয়া এবং পানি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এগুলো সার্কিটের শর্ট সার্কিট বা যন্ত্রাংশ যেমন- কীবোর্ড, মনিটর, সিপিইউ ইত্যাদি নষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে।
৩. প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ হলো কম্পিউটারে কোনো সমস্যা হওয়ার আগে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ। এটি ব্যবহারকারী নিজেই করতে পারেন, যেমন- ভাইরাস স্ক্যান, ডিস্ক ক্লিন, ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন, সফটওয়্যার আপডেট ইত্যাদি। এটি কম্পিউটারের স্থায়িত্ব ও কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
৪. সংশোধনমূলক রক্ষণাবেক্ষণ কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: সংশোধনমূলক রক্ষণাবেক্ষণ হলো কোনো ফল্ট বা সমস্যা দেখা দিলে তা মেরামত বা পরিবর্তন করে কম্পিউটারকে পুনরায় কর্মক্ষম করা। সাধারণত কম্পিউটার টেকনিশিয়ানের সাহায্যে এই কাজটি করা হয়।
৫. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে আর্থিং কেন প্রয়োজন?
উত্তর: কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে আর্থিং প্রয়োজন, কারণ এটি কম্পিউটারের মেটাল অংশে স্পর্শ লেগে ইলেকট্রিক 'শক থেকে রক্ষা করে। বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুৰ্ঘটনা এড়াতে আর্থিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৬. সফটওয়্যার আপডেটের প্রয়োজনীয়তা কী?
উত্তর: সফটওয়্যার আপডেট কম্পিউটারের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং নতুন ফিচার যুক্ত করে। এটি পুরনো বাগ ঠিক করে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি হ্রাস করে। অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার হালনাগাদ বা আপডেট করে কম্পিউটারের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখা হয়।
৭. কম্পিউটারের কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে?
উত্তর : কম্পিউটারের কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য নিম্নরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে:
১. কম্পিউটার যন্ত্রপাতি তথা হার্ডওয়্যারসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।
২. কম্পিউটারকে গতিশীল এবং সচল রাখার জন্য মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিনআপ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
৩. অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে।
৪. সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটারের টেম্পোরারি ফাইলসমূহ মুছে দিতে হবে। এতে হার্ডডিস্কের জায়গা খালি হয়ে কম্পিউটারের কাজ করার গতি বেড়ে যাবে।
৮. অপ্রতুল রক্ষণাবেক্ষণের ফলে কী ঘটতে পারে?
উত্তর: অপ্রতুল রক্ষণাবেক্ষণে কম্পিউটারের স্বাভাবিক গতি কমে যায়। কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস আক্রান্ত হয়, হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। যন্ত্রটি ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে যেতে পারে। এতে কাজের সমস্যা হয় এবং নতুন যন্ত্র কেনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
৯. বিনামূল্যে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার কীভাবে সম্ভব?
উত্তর: ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ডাউনলোড করা যায়। এগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়মিত আপডেট করা সম্ভব। এটি কম্পিউটারকে ভাইরাস ও ম্যালওয়য়ার থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।
১০. আইসিটি যন্ত্র কেনার পর কীভাবে সফটওয়্যার ইনস্টল করা হয়?
উত্তর: আইসিটি যন্ত্র কেনার পর বিক্রেতা প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল করে দেয়। এতে অপারেটিং সিস্টেমসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত থাকে। ব্যবহারকারীরা এ সফটওয়্যারগুলো তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন।
১. অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার ইনস্টল করতে কী প্রয়োজন?
উত্তর: অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার ইনস্টল করা একটি জটিল প্রক্রিয়া। এর জন্য বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয়। সঠিকভাবে ইনস্টল করলে আইসিটি যন্ত্রটি কার্যক্ষম হয় না। সাধারণত এ ধরনের কাজে পারদর্শী ব্যক্তি অথবা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানগুলো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে দেয়।
১২. সফটওয়্যার ইনস্টল করার আগে কোন বিষয়গুলো লক্ষ রাখা উচিত?
উত্তর: সফটওয়্যার ইনস্টল করার আগে সফটওয়্যারটি যন্ত্রের হার্ডওয়্যার সাপোর্ট করে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। read me ফাইল পড়ে নির্দেশনাগুলো জানা প্রয়োজন। এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার বন্ধ রয়েছে কিনা এবং অপারেটিং সিস্টেমের এডমিনিস্ট্রেটরের অনুমতি আছে কিনা তা যাচাই করতে হবে। ইনস্টলের সময় অন্য সকল কাজ বন্ধ আছে কিনা তাও দেখে নিতে হবে।
১৩. অ্যান্ড্রয়েড চালিত যন্ত্রে সফটওয়্যার কীভাবে আনইনস্টল করা হয়?
উত্তর: অ্যান্ড্রয়েড চালিত যন্ত্র বিশেষ করে হাতের আঙ্গুলের স্পর্শ দ্বারা পরিচালিত অর্থাৎ টাচস্ক্রিন স্মার্টফোনগুলো থেকে সফটওয়্যার আনইনস্টল করা খুবই সহজ। অ্যান্ড্রয়েড সেটিংস থেকে অ্যাপ্লিকেশন সিলেক্ট করে নির্দিষ্ট সফটওয়্যারটি নির্বাচন করতে হয়। পর্দার মেনু থেকে আনইনস্টল অপশনে টাচ করলেই সফটওয়্যারটি আনইনস্টল হয়ে যাবে।
১৪. সফটওয়্যার আনইনস্টল করার ধাপসমূহ লেখ।
উত্তর: সফটওয়্যার আনইনস্টল করার ধাপসমূহ-
১. স্টার্ট বাটন থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে যেতে হবে।
২. ডাবল ক্লিক করে 'অ্যাড অর রিমুভ' অথবা 'আনইনস্টল প্রোগ্রাম' এ ঢুকতে হবে।
৩. নির্দিষ্ট প্রোগ্রামটি খুঁজে আনইনস্টলে ক্লিক করতে হবে।
৪. আনইনস্টল করার পর কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে হবে।
১৫. অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার কীভাবে আনইনস্টল প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে?
উত্তর: অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো আনইনস্টল করার জন্য ব্যবহারকারীকে নির্দেশনা প্রদান করে। এটি প্রাসঙ্গিক মেনুতে অ্যাপ্লিকেশন নির্বাচন করে আনইনস্টল করতে সাহায্য করে। প্রায় সব অপারেটিং সিস্টেমে একই উপায়ে আনইনস্টল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
১৬. সফটওয়্যার আনইনস্টল করার সময় আমাদের কোন বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত?
উত্তর: সফটওয়্যার আনইনস্টল করার সময় আমাদের সতর্ক থাকা উচিত যেন ভুল করে প্রয়োজনীয় কোনো সফটওয়্যার আনইনস্টল বা ডিলিট না হয়ে যায়। ভুল সফটওয়্যার আনইনস্টল করলে, পনুরায় ইনস্টল করা ছাড়া কম্পিউটারে তা চালানো সম্ভব হয় না। তাই এক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
১৭. নিয়ম মেনে সফটওয়্যার ডিলিট করার সুবিধা কী?
উত্তর: নিয়ম মেনে সফটওয়্যার ডিলিট করলে সফটওয়্যারটির অবশিষ্ট ফাইলগুলো সম্পূর্ণরূপে মুছে যায়। এতে অপারেটিং সিস্টেমের গতি ও কার্যক্ষমতা ঠিক থাকে এবং নতুন সফটওয়্যার ইনস্টল করতেও সমস্যা হয় না। তবে কাজটি করতে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
১৮. রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস সংরক্ষণ করে রাখে। কোনো রেজিস্ট্রি সম্পাদনার সময় ভুল হলে ব্যাকআপ ব্যবহার করে সিস্টেমকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। এটি সিস্টেমের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
১৯. সফটওয়্যার ডিলিট করার শেষে F3 ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তর: সফটওয়্যার ডিলিট করার পরে F3 বাটন চেপে রেজিস্ট্রির মধ্যে একই নাম বা সংশ্লিষ্ট এন্ট্রি খুঁজে বের করা হয়। একটি এন্ট্রি ডিলিট করার পর, রেজিস্ট্রির অন্য জায়গায় থাকা একই এন্ট্রিগুলো এভাবে খুঁজে নিয়ে মুছে দিতে হয়। এটি নিশ্চিত করে সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণরূপে ডিলিট করা হয়েছে।
২০. আনইনস্টল ও ডিলিটের মধ্যে দুইটি পার্থক্য লিখ।
উত্তর: আনইনস্টল ও ডিলিটের মধ্যে দুইটি পার্থক্য নিম্নরূপ:
আনইনস্টল
১. সফটওয়্যার আনইনস্টল করা মানে কোনো সফটওয়্যারকে কম্পিউটার বা যন্ত্র থেকে প্রায় মুছে ফেলা।
২. আনইনস্টল করার পর সফটওয়্যার মেমোরি খালি করে কিন্তু OS এর রেজিস্ট্রি ফাইলে থেকে যেতে পারে।
ডিলিট
১. সফটওয়্যার ডিলিট করার অর্থ হলো সফটওয়্যারকে কম্পিউটার বা ICT যন্ত্র থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা।
২. ডিলিট করা হলে সফটওয়্যার মেমোরি এবং রেজিস্ট্রি ফাইল থেকে সম্পূর্ণরূপে মুছে
২১. ট্রাবলশুটিং কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ট্রাবলশুটিং হলো সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ের প্রক্রিয়া। এতে সাধারণত কিছু প্রশ্ন উপস্থাপন করা হয় এবং এর সমাধান দেওয়া থাকে। ব্যবহারকারী তার সমস্যার প্রকৃতি অনুযায়ী সমাধান অনুসরণ করে সমস্যাটি সমাধান করতে পারে। মূলত ট্রাবলশুটিং হচ্ছে এমন কিছু যা, একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকে করতে হয়।
২২. 'সিস্টেম চালু হচ্ছে না'- এ সমস্যটির সমাধান কৌশল ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: 'সিস্টেম চালু হচ্ছে না'- এ সমস্যাটির সমাধান কৌশল নিম্নরূপ-
ক. মেইন পাওয়ার ক্যাবলের সংযোগটি loose বা ঢিলে কিনা দেখতে হবে
খ. মেইন বোর্ডে পাওয়ার আসছে কিনা দেখতে হবে।
গ. মেইন বোর্ডে যদি পাওয়ার না আসে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট পরিবর্তন করতে হবে।
ঘ. স্থানীয় কোনো সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দেখাতে হবে।
২৩. 'সিস্টেম চালু থাকলেও মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছে না'- সমস্যাটির সমাধানে কী কী পরীক্ষা করতে হবে?
উত্তর: 'সিস্টেম চালু থাকলেও মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছে না' সমস্যাটির সমাধানে-
১. মনিটরের বাতি জ্বলছে কিনা পরীক্ষা করতে হবে।
২. মনিটরের ডেটা ক্যাবলটি লুজ বা খোলা কিনা পরীক্ষা করতে হবে।
৩. র্যাম পুনরায় ইনস্টল করলে Beep সাউন্ড হচ্ছে কিনা পরীক্ষা করতে হবে।
২৪. র্যাম সমস্যাযুক্ত হলে কী ঘটে?
উত্তর: র্যাম সমস্যাযুক্ত হলে-
১. Beep সাউন্ড শুনতে পাওয়া যায়।
২. কম্পিউটার সঠিকভাবে চললেও মনিটরে কিছু দেখা যায় না।
৩. কম্পিউটার ধীরে গতিতে কাজ করে।
২৫. Heat Sink-এ প্রচুর ধুলোবালি জমলে কী সমস্যা দেখা দেয়?
উত্তর: Heat Sink-এ প্রচুর ধুলোবালি জমলে বায়ু চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়। এতে করে CPU ঠান্ডা হতে পারে না। ফলে সিস্টেম অত্যন্ত গরম হয়ে যায় এবং অস্বাভাবিকভাবে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়।
২৬. কম্পিউটার ঘন ঘন হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয়ে যায়- এ সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান কী হতে পারে?
উত্তর: কম্পিউটার ঘন ঘন হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয়ে যায়- এ সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে-
১. কম্পিউটারের পাওয়ার অফ করে কেসিং খুলে কুলিং ফ্যান চেক করা, প্রয়োজন হলে নতুন ফ্যান স্থাপন করা।
২. আপগ্রেড এন্টিভাইরাস দ্বারা কম্পিউটার হার্ডডিস্কের প্রতিটি ড্রাইভ ক্লিন করা। এবং
৩. নতুন ইনস্টলকৃত প্রোগ্রামটি আনইনস্টল করা।
২৭. মাদারবোর্ডে সংযুক্ত CMOS ব্যাটারি কার্যক্ষমতা হারালে কী ঘটে?
উত্তর : মাদারবোর্ডে সংযুক্ত CMOS ব্যাটারি কার্যক্ষমতা হারালে-
১. কম্পিউটারের তারিখ ও সময় ঠিক থাকে না।
২. বায়োসের কোনো অপশন পরিবর্তন করলে তা সেভ হয় না।
২৮. মনিটরে পাওয়ার না থাকার কারণগুলো লেখ।
উত্তর: মনিটরে পাওয়ার না থাকার কারণগুলো হলো-
১. পাওয়ার বোতাম বা সুইচ অফ থাকা।
২. AC পাওয়ার কর্ডটি মনিটরের পেছনে ও পাওয়ার আউটলেটে সংযুক্ত না থাকা।
২৯. মনিটরের পাওয়ার অন কিন্তু পর্দায় কোন ছবি নেই- সমস্যার সমাধান উল্লেখ কর।
উত্তর: মনিটরের পাওয়ার অন কিন্তু পর্দায় কোন ছবি নেই- সমস্যার সমাধান হলো-
১. মনিটর সংলগ্ন ভিডিও ক্যাবলটি দৃঢ়ভাবে কম্পিউটারের পেছনে লাগিয়ে দেওয়া।
২. ব্রাইটনেস এবং কনট্রাস্ট ঠিক করা।
৩০. প্রিন্টারে প্রিন্ট না হওয়ার চারটি কারণ লেখ।
উত্তর: প্রিন্টারে প্রিন্ট না হওয়ার চারটি কারণ হলো-
১. প্রিন্টার সংযুক্ত পাওয়ার ক্যাবল লুজ থাকা।
২. কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টারের ডেটা ক্যাবল লুজ বা খোলা থাকা।
৩. প্রিন্টারের ভেতরে অন্য কোনো কাগজ আটকে থাকা।
৪. প্রিন্টারের কার্টিজে কালি না থাকা।
৩১. প্রিন্টারে প্রিন্ট হচ্ছে না- সমস্যাটির সমাধান উল্লেখ কর।
উত্তর: প্রিন্টারে প্রিন্ট হচ্ছে না- সমস্যাটির সমাধান উল্লেখ করা হলো-
১. প্রিন্টার সঠিকভাবে অন করা।
২. প্রিন্টারের সাথে পাওয়ার ক্যাবল সঠিকভাবে কানেক্ট করা।
৩. প্রিন্টার চালুর পর লাল বা হলুদ ব্লিংকিং বাতি জ্বললে রিসেট বাটনে চাপ দেওয়া।
৪. প্রয়োজনীয় ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টল করা।