শ্রেণি : নবম - দশম || অধ্যায় - ৪
আমার লেখালেখি ও হিসাব
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
শ্রেণি : নবম - দশম || অধ্যায় - ৪
আমার লেখালেখি ও হিসাব
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. অফিস সফটওয়্যার কী? উদাহরণ দাও।
উত্তর: অফিস সফটওয়্যার হলো কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে ব্যবহৃত এমন এক ধরনের সফটওয়্যার, যা লেখালেখি, হিসাব-নিকাশ এবং ডকুমেন্ট প্রস্তুতির কাজ সহজ করে। যেমন- ওয়ার্ড প্রসেসর, স্প্রেডশিট এনালাইসিস সফটওয়্যার ইত্যাদি।
২. লেখালেখি ও হিসাবের কাজে ব্যবহৃত দুটি সফটওয়্যারের নাম লেখ।
উত্তর: লেখালেখির কাজে ব্যবহৃত হয় ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যেমন- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড।
হিসাবের কাজে ব্যবহৃত হয় স্প্রেডশিট এনালাইসিস সফটওয়্যার, যেমন- মাইক্রোসফট এক্সেল।
৩. ওয়ার্ড প্রসেসর কী? দুইটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: ওয়ার্ড প্রসেসর হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ডকুমেন্ট তৈরি, সম্পাদনা, ফরমেটিং এবং মুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। দুইটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার হলো-
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও
ওয়ার্ড পারফেক্ট।
৪. আধুনিক জীবনে ওয়ার্ড প্রসেসর গুরুত্বপূর্ণ কেন?
উত্তর: আধুনিক জীবনে ওয়ার্ড প্রসেসর অপরিহার্য একটি সফটওয়্যার, কারণ এটি লেখালেখি ও ডকুমেন্ট প্রস্তুত করার কাজকে দ্রুত, সহজ ও নির্ভুল করে তোলে। এতে লেখা সম্পাদানা, পুনর্বিন্যাস, ছবি, গ্রাফ, টেবিল ইত্যাদি সংযোজন করে ডকুমেন্ট নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করা যায়। তথ্য সংরক্ষণ, পুনরায় ব্যবহার সুবিধা ও সময় সাশ্রয়ী বলেই আধুনিক জীবনে ওয়ার্ড প্রসেসর গুরুত্বপূর্ণ।
৫. ডকুমেন্ট টেমপ্লেট আকারে সংরক্ষণ করার সুবিধা কী?
উত্তর : একই ধরনের কাজ বারবার তৈরি না করে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য ডকুমেন্ট টেমপ্লেট আকারে সংরক্ষণ করে রাখা যায়। এতে করে যেকোনো প্রয়োজনে যে কোনো সময়ে সেটি পুনরায় ব্যবহার করা যায়, যা সময় সাশ্রয়ী ও সহজ।
৬. ফাইন্ড-রিপ্লেস কমান্ডের কাজ কী?
উত্তর: ওয়ার্ড প্রসেসরে ফাইন্ড-রিপ্লেস কমান্ড ব্যবহার করে বড় কোনো ডকুমেন্ট থেকে সহজে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য, শব্দ বা বাক্যাংশ অল্প সময়ে খোঁজা যায় এবং তা প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিস্থাপন করা যায়।
৭. গবেষণাপত্রে ওয়ার্ড প্রসেসরের সাহায্যে কী ধরনের কাজ করা যায়?
উত্তর: গবেষণাপত্রে ওয়ার্ড প্রসেসরের অনেক ব্যবহার দেখা যায়। বিষয়বস্তুর সারণি, রেফারেন্স, ছবির তালিকা তৈরি, গ্রন্থপঞ্জি ইত্যাদি কাজ খুব সহজে ও স্বল্প সময়ে সম্পাদন করা যায়।
৮. স্পেল চেকার কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: স্পেল চেকার হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারে সংযুক্ত একটি টুল যা ডকুমেন্টে ব্যবহৃত শব্দগুলোর বানান পরীক্ষা করে। এটি ভুল বানান চিহ্নিত করে সঠিক বানান প্রস্তাব করে। এর সাহায্যে সহজেই ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বানান সংশোধন করা যায়।
৯. কম্পিউটারে ডুকমেন্ট সংরক্ষণ করে রাখার দুটি সুবিধা উল্লেখ কর।
উত্তর: কম্পিউটারে ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করে রাখার দুটি সুবিধা হলো-
সংরক্ষিত ডকুমেন্ট প্রয়োজনে যেকোনো সময় ব্যবহার করা যায়।
ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করে তা যেকোনো সময়, যতবার ইচ্ছা ততবার প্রিন্ট করা যায়।
১০. ওয়ার্ড প্রসেসর ও স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের মধ্যে দুইটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর: ওয়ার্ড প্রসেসর ও স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের মধ্যে দুইটি পার্থক্য নিম্নরূপ:
ওয়ার্ড প্রসেসর
ওয়ার্ড প্রসেসর হলো লেখালেখির সফটওয়্যার।
এটি ব্যবহার করে গবেষণাপত্রে বিষয়বস্তুর সারণি, গ্রন্থপঞ্জি, রেফারেন্স ইত্যাদি কাজ অল্প সময়ে করা যায়।
স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো হিসাব-নিকাশ করার সফটওয়্যার।
এর সাহায্যে দৈনন্দিন হিসাব- নিকাশ, বাজারের হিসাব, আয়কর, বাজেট 'প্রণয়ন ইত্যাদি কাজ অল্প সময়ে করা যায়।
১১. মাইক্রোসফট অফিস কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: মাইক্রোসফট অফিস হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন কাজ, যেমন- ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা, স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ, প্রেজেন্টেশন প্রস্তুতি এবং ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মাইক্রোসফট কর্পোরেশন দ্বারা তৈরি জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
১২. মাইক্রোসফট অফিস সফটওয়্যারের জনপ্রিয়তার কারণ কী?
উত্তর: মাইক্রোসফট অফিস পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার। এটির সহজ ব্যবহারযোগ্যতা ও বহুমুখী কার্যক্ষমতার কারণে বিশ্বের বহু মানুষ এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে। সাধারণত অফিস ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষাক্ষেত্রে এর বহুল ব্যবহার লেখা যায়।
১৩. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর ওপেন কৌশল বর্ণনা কর।
উত্তর: নিচে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ওপেন কৌশল বর্ণনা করা হলো:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ওপেন করার জন্য প্রথমে কম্পিউটার ডেস্কটপের start বোতামে ক্লিক করতে হবে।
এরপর All programms এ ক্লিক করে microsofft office 2007 এ ক্লিক করলে মাইক্রোসফট অফিস সফটওয়্যারের অন্তর্গত প্রোগ্রামসমূহ দেখা যাবে।
এসব প্রোগ্রামের মধ্য থেকে microsoft office ward এ ক্লিক করলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড প্রোগ্রামটি ওপেন হয়ে যাবে।
১৪. ওয়ার্ড ২০০৭ চালু করলে রিবনে ফোন ট্যাবগুলো দেখা যায়?
উত্তর: ওয়ার্ড ২০০৭ চালু করার পর একটি উইন্ডো দেখা যায়। এ উইন্ডোর রিবনে নির্দিষ্ট কাজের জন্য বিভিন্ন ট্যাব দেখা যায়। যেমন- Home, Insert, Page Layout, Refererices, Mailings, Review, View এবং Add-Ins. এক
১৫. সেইভ ও সেইভ এজ অপশনদ্বয়ের প্রধান পার্থক্য কী?
উত্তর: কোনো ডকুমেন্টকে প্রথমবার সংরক্ষণ করতে সেইভ এবং একই ডকুমেন্টকে ভিন্ন নামে সংরক্ষণ করতে অর্থাৎ, ডকুমেন্টকে অপরিবর্তিত রেখে নতুন নামে সংরক্ষণ করতে সেইভ এজ অপশনে ক্লিক করতে হয়।
১৬. ওয়ার্ড প্রসেসরে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় অপশনগুলোর কাজের ভিত্তিতে বর্ণনা প্রদান কর।
উত্তর: নিচে ওয়ার্ড প্রসেসরে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় অপশনগুলোর কাজের ভিত্তিতে বর্ণনা করা হলো:
নিউ (New): কোনো নতুন ডকুমেন্ট খুলতে এটি ক্লিক করতে হয়।
ওপেন (open): পূর্বে সংরক্ষিত কোনো document খুলতে এ অপশনটি ব্যবহার করা হয়।
সেইভ (Save): ওয়ার্ড প্রসেসরে document সংরক্ষণে এ অপশনটি ব্যবহৃত হয়।
সেইভ এজ (Save As): একই ডকুমেন্টকে ভিন্ন নামে সংরক্ষণ করতে এ অপশনে ক্লিক করতে হয়। এর মাধ্যমে কোনো ডকুমেন্টকে অপরিবর্তিত রেখে নতুন নামে সংরক্ষণ করে তার উপর কাজ করা যায়।
ক্লোজ (Close): খোলা document বন্ধ করার জন্য এখানে ক্লিক করতে হয়।
১৭. ফরমেটিং টেক্সট বলতে কী বুঝায়?
উত্তর: ফরমেটিং টেক্সট বলতে লেখার সাজসজ্জা করার প্রক্রিয়াকে বুঝায়। এর মাধ্যমে লেখার ফন্ট স্টাইল, সাইজ, রং, স্পেসিং ইত্যাদি পরিবর্তন করা হয়। অর্থাৎ, লেখাকে সাজিয়ে গুছিয়ে আকর্ষণীয় ও পেশাদারভাবে উপস্থাপন করার কাজই হলো ফরমেটিং টেক্সট।
১৮. ডকুমেন্টের সাজসজ্জায় ব্যবহৃত ইনসার্ট ট্যাবের গ্রুপগুলোর নাম লেখ।
উত্তর: ইনসার্ট ট্যাবের ব্যবহার করে বিভিন্ন উপায়ে ডকুমেন্টের সাজসজ্জা করা যায়। গ্রুপগুলোর নাম হলো- Pages, Tables, Illustrations, Links, Header & Footer, Text এবং Symbols.
১৯. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৭-এ টেবিল কীভাবে যোগ করা হয়?
উত্তর: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৭-এ টেবিল বা সারণি যোগ করার জন্য-
রিবনের ইনসার্ট ট্যাবে ক্লিক করতে হবে।
টেবিল অপশনে ক্লিক করতে হবে।
ইনসার্ট টেবিল ক্লিক করে ডায়লগ বক্সে কলাম ও রো (সারি)-এর সংখ্যা ঠিক করে প্রয়োজনীয় টেবিল যোগ করা যাবে।
২০. MS Word ২০০৭-এ ডকুমেন্টে ছবি যোগ করার ধাপগুলো লেখ।
উত্তর: ডকুমেন্টে ছবি যোগ করার ধাপসমূহ হলো-
ইনসার্ট ট্যাবে ক্লিক করতে হবে।
ইলাস্ট্রেশন গ্রুপের পিকচার আইকনে ক্লিক করতে হবে।
ডায়লগ বক্স থেকে ছবি নির্বাচন করে ডকুমেন্টে সংযুক্ত করতে হবে।
২১. ডকুমেন্টের লেখায় ওয়ার্ড আর্ট কীভাবে যোগ করা যায়?
উত্তর: ডকুমেন্টে ওয়ার্ড আর্ট যোগ করতে ইনসার্ট ট্যাবের টেক্সট গ্রুপে ওয়ার্ড আর্ট অপশনে ক্লিক করে পছন্দমতো স্টাইল নির্বাচন করতে হবে। এরপর ডায়লগ বক্সে ফন্ট ঠিক করে লেখা দিলে তা কাঙ্খিত স্টাইলে প্রদর্শিত হবে।
২২. ডকুমেন্টে কাস্টম মার্জিন নির্ধারণের ধাপগুলো লেখ।
উত্তর: ডকুমেন্টে কাস্টম মার্জিন নির্ধারণের জন্য রিবনের পেইজ লেআউট ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। মার্জিন আইকনে ক্লিক করে বিভিন্ন অপশন থেকে কাস্টম মার্জিনে ক্লিক করতে হবে। সবশেষে প্রয়োজন অনুযায়ী মান বসিয়ে OK বোতামে ক্লিক করতে হবে।
২৩. হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহার সুবিধাজনক এবং কেন ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সবচেয়ে সুবিধাজনক সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট এক্সেল। মাইক্রোসফট এক্সেল হলো এক ধরনের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার। এ সফটওয়্যারে বিভিন্ন রকমের সংখ্যা এবং উপাত্ত নিয়ে কাজ করা যায়। গুণ করা, ভাগ করা, শতকরা নির্ণয় করা, যোগ-বিয়োগ করা ইত্যাদি যেকোনো ধরনের হিসাবের জন্য সুবিধাজনক এ সফটওয়্যার। সূত্র ব্যবহারের সুযোগ থাকায় অনেক বেশি উপাত্ত নিয়ে কাজ করা যায়। বিভিন্ন ধরনের ফাংশন সূত্রাকারে ব্যবহার করে সহজে উপাত্ত বিশ্লেষণ করা যায়। তাই হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যবহার সুবিধাজনক।
২৪. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহারের দুইটি সুবিধা লেখ।
উত্তর: হিসাবের ক্ষেত্রে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহারের দুইটি সুবিধা হলো-
কলাম ও সারি থাকার কারণে বিভিন্ন সংখ্যা ও অক্ষরভিত্তিক উপাত্ত শ্রেণিকরণ সহজ হয়েছে।
বিভিন্ন ফাংশন এবং সূত্র ব্যবহার করে সহজে উপাত্ত বিশ্লেষণ করা যায়।
২৫. স্প্রেডশিট বিশ্লেষণের দুইটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।
উত্তর: স্প্রেডশিট বিশ্লেষণের দুইটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:
সূত্র ব্যবহারের সুযোগ থাকায় যেকোনো ধরনের হিসাব সুবিধাজনক।
আকর্ষণীয় চার্ট, গ্রাফ ব্যবহার করে উপাত্ত উপস্থাপন করা যায়।
২৬. স্প্রেডশিটে ফাংশন এবং গ্রাফ-চার্ট ব্যবহারের সুবিধা কী?
উত্তর: স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে বিভিন্ন ফাংশন সূত্রাকারে ব্যবহার করে সহজে উপাত্ত বিশ্লেষণ করা যায়, যা হিসাব-নিকাশে সহায়তা করে। আবার, গ্রাফ-চার্ট ব্যবহার করে উপাত্ত আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা যায়, যা বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক।
২৭. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার কী? দুইটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হচ্ছে এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা তালিকাবদ্ধভাবে ডেটা বিন্যাস, বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। দুইটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো-
মাইক্রোসফট এক্সেল ও
লোটাস ১-২-৩.
২৮. একটি স্ট্যান্ডার্ড স্প্রেডশিট প্যাকেজের ব্যবহার লিখ।
উত্তর: একটি স্ট্যান্ডার্ড স্প্রেডশিটের ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো-
দৈনন্দিন হিসাব করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
বাজেট প্রণয়নের কাজে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাংকিং সিস্টেম পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়।
অফিসে কর্মচারীদের বেতনের হিসাব নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
স্কুলল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
ব্যবসায় মজুরদের পরিমাণ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়
২৯. স্প্রেডশিটে ভাগ করার প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: স্প্রেডশিটে ভাগ করার কাজটি সূত্র দিয়ে করতে হয়। এক্ষেত্রে / চিহ্নটি ভাগ চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। A1 সেলকে B1 সেল দিয়ে ভাগ করার জন্য ফলাফল সেলে A1/B1 লিখতে হয়।
৩০. স্প্রেডশিটে ক্রয়মূল্য A3 সেলে এবং লাভের হার B.3 সেলে রাখলে লাভের পরিমাণ ও বিক্রয়মূল্য নির্ণয়ের সূত্র দুইটি নির্ণয় কর।
উত্তর: ক্রয়মূল্য A3 সেলে এবং লাভের হার B3 সেলে রাখলে লাভের পরিমাণ নির্ণয়ের সূত্রটি হবে= A3 B3% এবং বিক্রয়মূল্য নির্ণয়ের জন্য ক্রয়মূল্য ও লাভের পরিমাণ যোগ করতে হবে। অর্থাৎ সূত্রটি হবে= A3* B3% + A31 ।
৩১. ৪০০ টাকার জন্য ১৫% হারে করের পরিমাণ নির্ণয় কর।
উত্তর: ৪০০ টাকার জন্য ১৫% হারে করের পরিমাণ নিচে নির্ণয় করে দেখানো হলো-
এ সমস্যাটি সমাধানের ক্ষেত্রে ফলাফল সেল C3 তে করের পরিমাণ ৬০ নির্ণয় করতে এ সেলে = A3/B3% সূত্রটি প্রয়োগ করতে হবে। সূত্রটি কীবোর্ড ব্যবহার করে ফলাফল সেলে লেখার নিয়ম হলো প্রথমে চিহ্ন দিয়ে ৪০০ লিখা সেলে ক্লিক করতে হবে। তারপর কীবোর্ডে * চাপতে হবে তারপর ১৫ লেখা সেলে ক্লিক করতে হবে। এরপর কীবোর্ড থেকে % (শিফট কী চোপে ৫) লিখে এন্টার দিতে হবে। তাতেই ভাগফল হিসেবে করের পরিমাণ ৬০ টাকা পাওয়া যাবে।
৩২. একজন ব্যক্তির মাসিক আয় ৫০,০০০ টাকা। তার দৈনিক আয় বের করতে স্প্রেডশিটে কিভাবে সূত্রের ব্যবহার করা যায় বর্ণনা কর।
উত্তর: একজন ব্যক্তির মাসিক আয় ৫০,০০০ টাকা। তার দৈনিক আয় বের করতে স্প্রেডশিটে সূত্রের ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে দৈনিক আয় বের করতে স্প্রেডশিটে ভাগের সূত্র ব্যবহার করতে হয়। ভাগচিহ্ন হিসেবে "/" চিহ্নটি ব্যবহৃত হয়। আর সূত্র লেখার প্রথমেই "=" চিহ্নের ব্যবহার করতে হয়। এখন ব্যক্তির মাসিক আয়ের পরিমাণ ৫০,০০০ টাকা যদি স্প্রেডশিটের A1 সেলে লেখা হয় এবং দিনসংখ্যা ৩০ যদি BI সেলে লেখা হয় ও ফলাফল সেল অর্থাৎ দৈনিক আয় নির্ণয়ের সেল যদি CI হয় তবে C1 সেলে = A1/B1 এ সূত্রটি লিখতে হয়। এতে করে ঐ ব্যক্তির দৈনিক আয়ের পরিমাণ ১৭০০ টাকা পাওয়া যাবে।