শ্রেণি : সপ্তম || অধ্যায় - ৫
শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
শ্রেণি : সপ্তম || অধ্যায় - ৫
শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. কোনো পাঠ্যবই হারিয়ে গেলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে সে সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায়?
উত্তর: NCTB (National Curriculum and Textbook Board)-এর ওয়েবসাইটে সব পাঠ্যপুস্তক রেখে দেওয়া আছে। যে কেউ সেখান থেকে বই ডাউনলোড করে নিতে পারে। শুধু তাই নয়, প্রিন্টারে প্রিন্ট করে সেটাকে বাঁধিয়ে নিলে সেটা পুরোপুরি সত্যিকারের পাঠ্যপুস্তকের মতো হয়ে যায়। এভাবে কোনো পাঠ্যবই হারিয়ে গেলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে সে সমস্যা সমাধান করা যায়।
২. ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেকোনো প্রশ্নের উত্তর পাওয়া সম্ভব- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ইন্টারনেট হলো তথ্যের এক বিশাল ভান্ডার। যে কোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে ইন্টারনেটের সাহায্য নেওয়া যায়। সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে যে কোনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া সম্ভব। শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইতিহাস, ভূগোল, সাহিত্যসহ প্রায় সকল বিষয়ের তথ্যই ইন্টারনেটে পাওয়া যায়।
৩. অনলাইন ফোরাম ব্যবহার করে কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান পাওয়া যায় কিভাবে?
উত্তর: অনলাইন ফোরাম হলো এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা করা হয়। কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে, সেই বিষয়ের উপর ভিত্তি করে একটি ফোরাম খুঁজে - নিতে হয়। সেখানে অন্য ব্যবহারকারীরা যেসব সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছেন, সেগুলো দেখা যায়। এছাড়াও, নিজের সমস্যাটি = ফোরামে পোস্ট করে অন্যদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া যায়।
৪. নিজের পরীক্ষা প্রস্তুতি যাচাইয়ে ইন্টারনেট কিভাবে সহযোগিতা করে?
উত্তর: চূড়ান্ত পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি মাধ্যম হলো ইন্টারনেট। অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে অসংখ্য প্রশ্নপত্র, - মডেল টেস্ট এবং ভিডিও লেকচার পাওয়া যায়। এগুলো ব্যবহার করে নিজের জ্ঞান পরীক্ষা করে দেখা যায় এবং দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা যায়। - এছাড়াও, অনলাইনে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট এবং অ্যাপস রয়েছে যা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে।
৫. ইন্টারনেটের মাধ্যমে জটিল বিষয়ের কোর্স করা সম্ভব- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: অনলাইনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কোর্সের ব্যবস্থা রাখে। এই কোর্সগুলোতে ভিডিও লেকচার, অ্যাসাইনমেন্ট এবং লেকচার নোট থাকে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোর্স করার সুবিধা হলো, যেকোনো সময় এবং যেকোনো জায়গা থেকে পড়াশোনা করা যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে জটিল বিষয়ের কোর্স করা সম্ভব।
৬. শিক্ষা ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের পরিধি কীরূপ?
উত্তর: শিক্ষাক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হলো ইন্টারনেট। ইন্টারনেট শুধু যে সরাসরি শিক্ষার ব্যাপারে সাহায্য করে তা কিন্তু নয়। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যেন ঠিকমতো কাজ করতে পারে সেখানেও পরোক্ষভাবে ইন্টারনেট সাহায্য করে। অর্থাৎ শিক্ষা ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের পরিধি অনেক বিস্তৃত।
৭. পরীক্ষার ফলাফল জানার বিষয়টি ইন্টারনেট কিভাবে সহজ করেছে?
উত্তর: কিছুদিন আগেও পরীক্ষার ফলাফল জানার বিষয়টি ছিল অনেক কঠিন। গ্রামে বা প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল জানার জন্য অনেক পথ পাড়ি দিয়ে শহরে আসতে হতো। কিন্তু প্রযুক্তির সুবাদে আজকাল মোবাইল ফোনের একটি মেসেজ বা ইন্টারনেটে এক ক্লিকেই পরীক্ষার ফলাফল জেনে নেওয়া যায়।
৮. ভর্তির কার্যক্রমে বাংলাদেশের ইন্টারনেটের ব্যবহার ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যাপারেও ইন্টারনেট অনেক ভূমিকা রাখে। মোবাইল টেলিফোন দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি রেজিস্ট্রেশন করা যায়। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়া হয়। বর্তমানে স্কুল, কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রেও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করে আবেদন করতে হয়। আমাদের দেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতেও ইন্টারনেটের ব্যবহার দেখা যায়।
৯. কোনো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য খুঁজে পেতে ইন্টারনেট কিভাবে সহায়ক?
উত্তর: একটা প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পূর্বে সবাই সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে একটু তথ্য জানতে চায়। আগে সেই তথ্য জানার জন্য একজন মানুষকে অনেক দূর থেকে সেই প্রতিষ্ঠানে আসতে হতো। কিন্তু বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য ঘরে বসেই জেনে নেওয়া যায়। সুতরাং ইন্টারনেট অর্থ ও সময় বাঁচিয়ে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত তথ্য জানতে সহায়ক।
১০. বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ভার্চুয়াল ক্লাসরুমের ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম তৈরি হতে যাচ্ছে। এই ক্লাসরুমগুলো সারা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত হবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষক যখন পড়াবেন তখন সেটি শুধু তার ক্লাসরুমে আসা অল্প কয়েকজন ছাত্রছাত্রী তার সামনে বসে সেটি শুনবে না, বরং ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বসে হয়তো সারা দেশের অনেক ছাত্রছাত্রী সেটা শুনবে।
১১. ভার্চুয়াল ক্লাসরুমের সুবিধা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ভার্চুয়াল ক্লাসরুম ব্যবহারে ব্যাপক সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন- ভার্চুয়াল ক্লাসরুম ব্যবহার করে মেডিকেল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা জটিল অপারেশন নিজের চোখে দেখতে পারবে। দূর পাহাড়ের উপর বসানো একটা টেলিস্কোপের ভেতর দিয়ে একজন শিক্ষার্থী মহাকাশের কোনো গ্রহ বা নক্ষত্রকে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। অনেক আধুনিক একটা ল্যাবরেটরির কোনো একটা এক্সপেরিমেন্ট একজন ছাত্র তার ঘরে বসে করে ফেলতে পারবে। স্কুল লাইব্রেরিতে যে বইটি নেই মুহূর্তের মধ্যে সেই বইটিও একজন শিক্ষার্থী পড়ার জন্য নিয়ে আসতে পারবে। ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুসন্ধান।
১২. ইন্টারনেটকে তথ্যের ভান্ডার বলা হয় কেন?
উত্তর: দুনিয়ার এমন কোনো বিষয় নেই যা সম্পর্কে ইন্টারনেটে কোনো তথ্য নেই। শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, ধর্ম প্রায় সব বিষয়েই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে নানান তথ্য। শিক্ষা তথা শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষার ধরন এবং শিক্ষাক্রমের বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য ইন্টারনেটে খুঁজলে পাওয়া যায়। এ কারণে ইন্টারনেটকে তথ্যের ভান্ডার বলা হয়।
১৩. ইন্টারনেটে উপস্থিত শিক্ষামূলক ভিডিও কনটেন্ট সম্পর্কে যা জানো লেখ।
উত্তর: ইন্টারনেটে উপস্থিত শিক্ষামূলক ভিডিও কনটেন্ট হলো এমন ভিডিও যা বিভিন্ন বিষয়ের উপর লেকচার, টিউটোরিয়াল, ডকুস্টোরি এবং অ্যানিমেশন আকার থাকতে পারে। এই ভিডিওগুলো বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতারা তৈরি করে থাকেন। ইউটিউব হলো শিক্ষামূলক ভিডিওর সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম এছাড়াও, অনলাইন শিক্ষার প্ল্যাটফর্মগুলোতেও বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক ভিডিও পাওয়া যায়।
১৪. ইন্টারনেটে বিভিন্ন কোর্স কিভাবে পাওয়া যায়?।
উত্তর: বর্তমানে ইন্টারনেটে অনেক কোর্সে নিবন্ধন করে ক্লাস করা যায় এবং কোর্স শেষে পরীক্ষা দেওয়া যায়। ইংরেজি ভাষাতে চালু এরকম কয়েকটি সাইট হলো- www.coursera.org, www.edx.org. alison.com ইত্যাদি। বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) তাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কোর্স অফার করে থাকে। ocw.mit.edu এই সাইটে গিয়ে পৃথিবীর যেকোনো দেশ থেকে রেজিস্ট্রেশন করে কোর্স সম্পন্ন করা যায়।
১৫. বাংলাদেশে ইন্টারনেট শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে স্কুল পর্যায়ের সব পাঠ্যপুস্তক এখন www.nctb.gov.bd সাইটে ই-বুক আকারে পাওয়া যায়। এছাড়া বাংলা ভাষাতে এখন শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কোর্স চালু হয়েছে। এরকম একটি সাইট হলো http://shikkhok.com এখানে গণিত, পরিবেশবিজ্ঞান, কম্পিউটার কৌশল ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন কোর্স করার সুযোগ আছে।
১৬. শিক্ষা সহায়ক হিসেবে NCTB ওয়েবসাইট কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: NCTB ওয়েবসাইট বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাদেশের শিক্ষাক্রম অনুযায়ী সকল শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক, নোট এবং বিভিন্ন শিক্ষা সামগ্রী পাওয়া যায়। শিক্ষার্থীরা এখান থেকে সহজেই তাদের পড়াশোনার সহায়তা নিতে পারে। এ কারণে শিক্ষা সহায়ক হিসেবে NCTB ওয়েবসাইট গুরুত্বপূর্ণ।
১৭. ই-বুক ব্যবহারের সুবিধাসমূহ লেখ।
উত্তর: ই-বুক ডিজিটাল বই হওয়ায় কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের পর্দায় পড়া যায়। পড়ার সময় যেকোনো পাতায় সরাসরি চলে যাওয়া যায়। পাতা উল্টানো যায়। এমনকি ই-বুক ওয়েবসাইট থেকে নিজের ক্লাসের বা পছন্দ মতো প্রয়োজনীয় বই ডাউনলোড করে যেকোনো স্থানেই পড়া ফেলা যায়। সহজে ব্যবহার, বহন ও সময় সাশ্রয়ী হওয়ায় ই-বুক পড়া খুব সুবিধাজনক।কোনো গ্রহ বা নক্ষত্রকে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। অনেক আধুনিক একটা ল্যাবরেটরির কোনো একটা এক্সপেরিমেন্ট একজন ছাত্র তার ঘরে বসে করে ফেলতে পারবে। স্কুল লাইব্রেরিতে যে বইটি নেই মুহূর্তের মধ্যে সেই বইটিও একজন শিক্ষার্থী পড়ার জন্য নিয়ে আসতে পারবে।
১৮. ই-বুক বলতে কী বোঝ? বাংলাদেশের একটি ই-বুক সাইটের নাম লিখ।
উত্তর: ই-বুক হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ বা ডিজিটাল সংস্করণ। ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয় বলে শব্দ, অডিও ও অ্যানিমেশন যুক্ত করা যায়। এ ধরনের বই কেবল কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা বিশেষ ধরনের রিডারে পড়া যায়। একটি ই-বুকে কয়েক হাজার বই ধারণ করে রাখা যায়। শিক্ষার্থী যখন খুশি যেখানে খুশি এটি পড়তে পারে। বাংলাদেশে এই রকম একটি ই-বুক সাইটের নাম হলো: http://www.nctb.gov.bd।
১৯. বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে কি কি তথ্য পাওয়া যায়?
উত্তর: বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট হলো www.moedu.gov.bd। এই ওয়েবসাইটে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সংক্রান্ত সকল নীতিনির্ধারণী বিষয় সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করা হয়ে থাকে। শিক্ষানীতি, সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতি, বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা শুরু বা এর ফলাফল ঘোষণার তারিখ ইত্যাদি এই সাইট থেকে জানা যায়।
২০. উইকিপিডিয়া কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উইকিপিডিয়া হলো একটি মুক্ত বিশ্বকোষ। এখানে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। কোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে উইকিপিডিয়ায় সার্চ করে তা জানা যায়। প্রায় দুইশরও বেশি ভাষায় এটি চালু রয়েছে। উইকিপিডিয়া ব্যবহারকারীদের দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাই এখানকার তথ্য সর্বদা আপডেট থাকে। ইংরেজি অষায় উইকিপিডিয়াতে প্রায় ৭০ লক্ষ নিবন্ধন রয়েছে। উল্লেখ কর।
২১. শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট হিসেবে খান একাডেমি এর ভূমিকা
উত্তর : শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট হিসেবে খান একাডেমি এর ভূমিকা প্রশংসনীয়। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষাবিদ সালমান খান ২০০৬ সালে খান একাডেমি সাইটটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই সাইটে তিনি প্রায় ১০ হাজার ছোট ছোট ভিডিওর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় ব্যাখ্যা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে গণিত, ইতিহাস, স্বাস্থ্যসেবা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, অর্থনীতি, মহাকাশ বিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রভৃতি। এর ওয়েবসাইটটি হলো- www.khanacademy.org অনুশীলনমূলক কাজের সমাধান পাঠ্যব
২২. বাংলা ভাষায় খান একাডেমি ওয়েবসাইট থেকে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়?
উত্তর : খান একাডেমির ইংরেজি ভাষার ডিভিওগুলো bn.khanacademy.org ওয়েবসাইটে বাংলা ভাষায় অনূদিত আকারে পাওয়া যায়। বাংলা ভাষায়, ভিডিও সংখ্যাও অনেক। জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও জৈবরসায়ন এই চার ভাগে বিজ্ঞানের সকল ভিডিও পাওয়া যায়। প্রত্যেক লিংকের শুরুর তালিকা থেকে এ ভিডিওগুলো উপভোগ করা যায়। বীজগণিত, পাটিগণিত, পরিসংখ্যান, ত্রিকোণমিতি ইত্যাদির বাংলা ভাষার ভিডিও দেখাও ডাউনলোড করা যায়, যা শিক্ষাক্ষেত্রে বহুল সহায়ক।
২৩. বিবিসি জানালা ওয়েবসাইট শিক্ষার কোন ক্ষেত্রে সহায়ক?
উত্তর: বিবিসি জানালা একটি ইংরেজি ভাষা শেখার সাইট। এই সাইটে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বেশকিছু চমৎকার কোর্স রয়েছে। ইন্টারনেটে বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে যে কেউ খুব সহজেই এই কোর্সগুলোতে অংশ নিতে পারে। কোর্স শেষে কোর্স রিপোর্ট বা কোর্স সমাপনী সার্টিফিকেট প্রিন্ট করে নেওয়া যায়।
২৪. গণিত বিষয়ের জন্য TheMathDoctor ওয়েবসাইটটির কার্যকারিতা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: The Math Doctor জনপ্রিয় গণিত বিষয়ক একটি সাইট। এই সাইটে স্কুল পর্যায়ের গণিতের বিভিন্ন বিষয় সহজ করে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যথেষ্ট উদাহরণ এবং বিভিন্নভাবে বীজগণিত, জ্যামিতি, ক্যালকুলাসের নানান বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এই সাইটে কোনো বিষয় পাওয়া না গেলে তা জানার জন্য Dr Math কে প্রশ্ন করা যায়।
২৫. বাংলাদেশের গণিতবিষয়ক প্রশ্নোত্তর ও আলোচনার সাইট ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: https://matholympiad.org.bd একটি গণিতবিষয়ক প্রশ্নোত্তর ও আলোচনার সাইট। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবকগণ এটি পরিচালনা করেন। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যা নিয়ে এই ফোরামটিতে আলোচনা করা হয়ে থাকে। এছাড়া এখানে বিভিন্ন সময় প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়।