শ্রেণি : একাদশ - দ্বাদশ || অধ্যায় - ৩
সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস
জ্ঞান ও অনুধাবন মুলক প্রশ্ন
শ্রেণি : একাদশ - দ্বাদশ || অধ্যায় - ৩
সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস
জ্ঞান ও অনুধাবন মুলক প্রশ্ন
জ্ঞান মুলক প্রশ্ন
১. সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উত্তর: সংখ্যাকে গণনা এবং প্রকাশ করার পদ্ধতি হচ্ছে সংখ্যা পদ্ধতি।
২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উত্তর: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে চিহ্ন বা প্রতীক কোন অবস্থানে ব্যবহার করা হচ্ছে তার উপর মান নির্ভর করে, সে পদ্ধতি হচ্ছে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।
৩. নন পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উত্তর: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতীক বা চিহ্নগুলো যেখানেই ব্যবহার করা হোক তার মান একই থাকে, সে পদ্ধতি হচ্ছে নন পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।
৪. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কী?
উত্তর: ০ এবং 1 এ দুই চিহ্ন ব্যবহার করে গড়ে ওঠা সংখ্যা পদ্ধতিই বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি।
৫. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উত্তর: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7 ব্যবহৃত হয় তা হচ্ছে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি।
৬. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি কী?
উত্তর: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 ও 9 অঙ্ক বা চিহ্ন বা প্রতীক নিয়ে আলোচনা করা হয় তাই
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
৭. হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতি কী?
উত্তর: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ১৬টি অঙ্ক বা - প্রতীক ব্যবহৃত হয়, সেই সংখ্যা পদ্ধতি হচ্ছে হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতি।
৮. MSB এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: MSB এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Most Significant Bit.
৯. LSB এর পূর্ণরূপ কি?
উত্তর: LSB এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Least Significant Bit.
১০. র্যাডিক্স বিন্দু কী?
উত্তর: পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কোনো সংখ্যার পূর্ণসংখ্যা ও ভগ্নাংশকে যে চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয় তাই র্যাডিক্স বিন্দু।
১১. সংখ্যা পদ্ধতির বেজ কী?
উত্তর: কোনো সংখ্যা পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা বোঝানোর জন্য সর্বমোট যতগুলো অঙ্ক ব্যবহার করতে হয় সেটি হচ্ছে সংখ্যাটির ভিত্তি বা বেজ।
১২. ডিজিট / অংক বলতে কী বুঝ?
উত্তর: কোনো সংখ্যা পদ্ধতি লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সমস্ত মৌলিক চিহ্ন বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে ডিজিট বা অংক বলে।
১৩. সংখ্যা / নাম্বার বলতে কি বুঝ?
উত্তর: সংখ্যা হলো একটি গাণিতিক ধারণা যা কোনো পরিমাণকে নির্দেশ করে। এটি এক বা একাধিক অংকের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
১৪. বিট ও বাইট কী?
উত্তর: বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি ডিজিট অর্থাৎ ০ ও ১ কে বিট বলে। এরকম ৮ বিটে হয় ১ বাইট।
১৫. ক্যারি বিট কী?
উত্তর: অতিরিক্ত বিট বা হাতে থাকা বিটকে ক্যারি বিট বলা হয়।
১৬. চিহ্নযুক্ত সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তর: ধনাত্মক ও ঋণাত্মক সংখ্যা বুঝানোর জন্য সংখ্যার পূর্বে +/- চিহ্ন দিতে হয়। চিহ্ন বা সাইনযুক্ত সংখ্যাকে চিহ্নযুক্ত সংখ্যা বা সাইন্ড নাম্বার বলে।
১৭. 1 এর পরিপূরক কী?
উত্তর: বাইনারি সংখ্যায় 0 এর স্থানে 1 এবং 1 এর স্থানে 0 বসিয়ে, অর্থাৎ সংখ্যার বিটগুলোকে উল্টিয়ে যে বাইনারি সংখ্যা গঠন করা হয় তা হচ্ছে 1-এর পরিপূরক।
১৮. ২' এর পরিপূরক কী?
উত্তর: কোনো বাইনারি সংখ্যার 1 কে ০ এবং ০ কে 1 দিয়ে পরিবর্তন করে (বা 1 এর পরিপূরক) নিয়ে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, তার সাথে 1 যোগ করে যে বাইনারি সংখ্যা গঠন করা হয় তা হচ্ছে 2 এর পরিপূরক।
১৯. কোড কী?
উত্তর: কম্পিউটারে বর্ণ, অক্ষর, শব্দ বা চিহ্নকে বাইনারিতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে কোড।
২০. আলফানিউমেরিক কোড কী?
উত্তর: যে কোডিংয়ে সংখ্যার সাথে সাথে অক্ষর, যতিচিহ্ন, গাণিতিক চিহ্ন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় সেগুলো হচ্ছে আলফা নিউমেরিক কোড।
২১. BCD (Binary Coded Decimal) কী?
উত্তর: একটি দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অঙ্ককে আলাদাভাবে চারটি বাইনারি বিট দিয়ে প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
২২. ASCII কী?
উত্তর: ASCII একটি বহুল প্রচলিত বিট কোড। ASCII এর পূর্ণনাম American Standard Code for Information Interchange
২৩. ইউনিকোড কী?
উত্তর: ইউনিকোড হচ্ছে পৃথিবীর প্রায় সব ভাষার লেখালেখিকে একটি পদ্ধতিতে সমন্বিত করার কোড।
২৪. UTF এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: UTF এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Unicode Transformation Formal.
২৫. বুলিয়ান অ্যালজেবরা কী?
উত্তর: যে অ্যালজেবরায় AND, OR ও NOT এই তিনটি মৌলিক নিয়ম নিয়ে কাজ করা হয় তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
২৬. বুলিয়ান ধ্রুবক কী?
উত্তর: বুলিয়ান অ্যালজেবরায় ব্যবহৃত কোন রাশির মান যদি শুধুমাত্র 0 বা 1 নির্দেশ করে তবে তাকে বুলিয়ান ধ্রুবক বলা হয়।
২৭. বুলিয়ান চলক কী?
উত্তর: কোনো বুলিয়ান চলকের মান এক বা একাধিক স্বাধীন চলকের উপর নির্ভর করলে, নির্ভরশীল চলককে বুলিয়ান চলক বলা হয়।
২৮. বুলিয়ান পূরক কী?
উত্তর: বুলিয়ান অ্যালজেবরায় চলকের দুটি সম্ভাব্য মান এ ০ এবং 1 কে একটি অপরটির বুলিয়ান পূরক বলা হয়।
২৯. সত্যক সারণি কী?
উত্তর: একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় কোন ইনপুটের জন্য কোন আউটপুট পাওয়া যায় সেটি যদি একটি সারণি বা টেবিল দিয়ে পুরোপুরিভাবে প্রকাশ করা হয় সেটি হচ্ছে সত্যক সারণি বা ট্রুথ টেবিল।
৩০. লজিক গেইট কী?
উত্তর: বুলিয়ান অ্যালজেবরায় মৌলিক কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য যে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনী ব্যবহার করা হয়, তাই লজিক গেইট।
৩১. মৌলিক গেইট কী?
উত্তর: যেসব গেইট অন্য কোনো গেইটের সাহায্য ছাড়া তৈরি করা যায় তাই মৌলিক গেইট।
৩২. যৌগিক গেট কী?
উত্তর: যে সকল গেইট এক বা একাধিক মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় তাই যৌগিক গেইট।
৩৩. AND গেইট কী?
উত্তর: যে গেইট বুলিয়ান অ্যালজেবরায় গুনের কাজ করে তাকে AND গেইট বলে। AND গেইটের আউটপুট 1 হওয়ার জন্য সকল ইনপুটকে 1 হতে হয়।
৩৪. OR গেইট বলতে কী বুঝ?
উত্তর: যে গেইট বুলিয়ান অ্যালজেবরায় লজিক্যাল যোগের কাজ করে তাকে OR গেইট বলে। OR গেইটের আউটপুট 1 হওয়ার জন্য যে কোন একটি অথবা সকল ইনপুট 1 হতে হয়।
৩৫. NOT গেট কী?
উত্তর: যে গেট একটি ইনপুটের বিপরীত অবস্থান তৈরি করে, সেটি হচ্ছে NOT গেট।
৩৬. সার্বজনীন গেইট কী / Universal গেট কী?
উত্তর: যে সকল গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ অন্যান্য সকল প্রকার গেইট তৈরি বা বাস্তবায়ন করা যায় সেসব গেইট হচ্ছে সার্বজনীন গেইট।
৩৭. NAND গেইট কী?
উত্তর: AND গেইটের আউটপুটের সাথে NOT গেইট যুক্ত করে যে গেইট তৈরি করা হয় তাই NAND গেইট।
৩৮. NOR গেট কী?
উত্তর: OR গেইটের আউটপুটের সাথে NOT গেইট যুক্ত করে যে গেইট তৈরি করা হয় তাই NOT গেইট।
৩৯. বিশেষ গেইট / সমন্বিত বর্তনী কী?
উত্তর: সকল মৌলিক গেটের সমন্বয়ে যে গেট গঠিত হয় তাকে বিশেষ গেট বলে।
৪০. এক্স-অর গেইট কী?
উত্তর: যে গেটে বিজোড় সংখ্যক ইনপুট “সত্য" (1) হলে আউটপুট “সত্য" (1) হয়, অন্যথায় আউটপুট “মিথ্যা" (0) হয় তাকে এক্সঅর গেইট বলে।
৪১. এক্স-নর গেইট কী?
উত্তর: যে গেটে বিজোড় সংখ্যক ইনপুট “সত্য" (1) হলে আউটপুট “মিথ্যা" (0) হয়, অন্যথায় আউটপুট “সত্য" (1) হয় তাকে এক্স-নর গেইট বলে।
৪২. এনকোডার কী?
উত্তর: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের সার্কিট যা আলাদা আলাদা লাইনের সিগন্যালকে এনকোড করে আউটপুট হিসেবে বাইনারি সংখ্যা প্রদান করে।
৪৩. ডিকোডার কী?
উত্তর: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের সার্কিট যার ইনপুটে বাইনারি কোন সংখ্যা দিলে আউটপুটে সেই সংখ্যার লাইনটিতে একটি সিগন্যাল প্রদান করে।
৪৪. অ্যাডার কী?
উত্তর: যে ডিজিটাল সার্কিটের মাধ্যমে বাইনারি সংখ্যা যোগ করা যায় তা হচ্ছে অ্যাডার।
৪৫. হাফ-অ্যাডার কী / অর্ধযোগ কী / বাইনারি অ্যাডার কাকে বলে?
উত্তর: যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকে সংখ্যা বা ক্যারি বের করতে পারে তাই হাফ অ্যাডার।
৪৬. ফুল অ্যাডার কাকে বলে?
উত্তর: যে বর্তনীর সাহায্যে তিনটি বাইনারি যোগ করার পর দুটি আউটপুট সংকেত যার একটি যোগফল এবং আউটপুট ক্যারি পাওয়া যায় তাকে ফুল অ্যাডার বলে।
৪৭. রেজিস্টার কী?
উত্তর: রেজিস্টার হলো মাইক্রো প্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত উচ্চ গতিসম্পন্ন মেমোরি।
৪৮. কাউন্টার কী?
উত্তর: কাউন্টার এক ধরনের ডিজিটাল সার্কিট যেটি গণনা করতে পারে।
৪৯. ফ্লিপ-ফ্লপ কী?
উত্তর: ফ্লিপফ্লপ এক ধরনের সার্কিট যেখানে একটি ইনপুট দিয়ে সেই ইনপুটের মান সংরক্ষণ করা যায়।
অনুধাবন মুলক প্রশ্ন
১. (169) 10 সংখ্যাকে কম্পিউটার সরাসরি গ্রহণ করে না- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: (169) 10 একটি দশমিক পদ্ধতির সংখ্যা যা কম্পিউটার সরাসরি গ্রহণ করে না। কারণ কম্পিউটার কাজ করে ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের সাহায্যে। অর্থাৎ ডিজিটাল সিগন্যালে । কে OFF এবং । কে ON হিসেবে বিবেচনা করলে সহজে বোধগম্য হয় বিধায় কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। বাইনারি সংকেত ০ ও 1 কে খুব সহজেই ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল বুঝতে পারে। কিন্তু ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের সাহায্যে দশমিক সংখ্যার দশটি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9) ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা প্রকাশ করা খুব কঠিন ও ব্যায়বহুল। তাই কম্পিউটার দশমিক সংখ্যাকে সরাসরি গ্রহণ করে না কিন্তু বাইনারিতে রূপান্তরিত হয়ে পরিবর্তিত রূপে প্রকাশ পায়।
২. কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিগন্যাল উপযোগী কেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিগন্যাল উপযোগী কারণ ডিজিটাল সিগনালে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো সহজেই ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের সাহায্যে প্রকাশ করা যায়। কম্পিউটার ডিজাইনে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ডিজিটাল যন্ত্রাংশ বাইনারি মোডে কাজ করে। ডিজিটাল সিগন্যালে একটি সুইচ অন, অফ হতে পারে অথবা সিগনাল উপস্থিত, অনুপস্থিত থাকতে পারে। এগুলোর সাথে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মিল রয়েছে। তাই কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিগন্যাল উপযোগী।
৩. "BCD কোড কোনো সংখ্যা পদ্ধতি নয়"- বর্ণনা কর।
উত্তর: BCD এর পূর্ণরূপ হলো- Binary Coded Decimal। দশমিক সংখ্যা প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করলে তাকে বিসিডি কোড বলে। দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা প্রকাশের নিমিত্তে এ কোড ব্যবহার হয়। দশমিক, বাইনারি, অক্টাল হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতির মতো বিসিডি কোনো সংখ্যা পদ্ধতি নয়। এটা আসলে দশমিক পদ্ধতি যার প্রতিটি অংক তার সমতুল্য বাইনারিতে এনকোডেড করা হয়।
৪. NOR গেইট একটি সর্বজনীন গেইট- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: যে গেইট দিয়ে মৌলিক গেইট সহ সকল গেইট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সর্বজনীন গেইট বলে। NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইট অর্থাৎ AND, OR ও NOT গেইট সহ যেকোন গেইট বাস্তবায়ন করা যায়। এজন্য NOR গেইটকে সর্বজনীন গেইট বলা হয়।
৫. বুলিয়ান অ্যালজেবরার ভিত্তিগুলো ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগ ও গুণের ক্ষেত্রে কতকগুলো নিয়ম মেনে চলে। এ নিয়মগুলোকে বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ বা ভিত্তি বলা হয়। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগের ক্ষেত্রে ইনপুটে । এর উপস্থিতি থাকলে ফলাফল। আসবে। অন্যথায় ফলাফল 0 হবে। যেমন- 0+0=0, 0+1=1, 1+0=1, 1+1=1 বুলিয়ান অ্যালজেবরায় গুণের ক্ষেত্রে ইনপুটে ০ এর উপস্থিতি থাকলে ফলাফল 0 আসবে। অন্যথায় ফলাফল। হবে। যেমন- 0.0 = 0, 0.1 = 0, 1.0 = 0, 1.1 = 1।
৬. এনকোডার ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যাপক ভূমিকা রাখে- বুঝিয়ে লিখ।
উত্তর: ডিজিটাল সার্কিট দিয়ে তৈরি যন্ত্রপাতিকে ডিজিটাল ডিভাইস বলে। এনকোডার হচ্ছে এমন এক ধরনের লজিক সার্কিট, যা আমাদের ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে। এনকোডারের সাহায্যে যে কোন আলফানিউমেরিক বর্ণকে বিসিডি কোড, অ্যাস্কি, ইউনিকোড ইত্যাদি কোডে পরিণত করা যায়। সেজন্য ইনপুট ব্যবস্থায় বর্ণের এনকোডিং করার জন্য কী-বোর্ড, মাউস, বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসে এনকোডার ব্যবহৃত হয়। তাই এনকোডার ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
৭. ২-এর পরিপূরক গঠনের গুরুত্ব আলোচনা কর।
উত্তর: ২ এর পরিপূরক গঠনের গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলো-
২ এর পরিপূরক গঠনের ফলে সাইন বিট দিয়ে সংখ্যার পজেটিভ এবং নেগেটিভ প্রকাশ করার জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
২ এর পরিপূরক গঠনের ফলে বিয়োগের কাজ যোগের মাধ্যমে করা যায়।
২ এর পরিপূরক গঠনে যোগ ও বিয়োগের জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়।
২ এর পরিপূরক গঠন ব্যবহার করে সরল লজিক বর্তনী তৈরি করা যায়। যা দামে সস্তা ও দ্রুত গতিতে কাজ করে।
৮. ৩-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: যে সংখ্যা পদ্ধতি ৩টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে ৩- ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। ৩-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিতে 0, 1 ও 2 এ তিনটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। এ সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৩।
৯. বুলিয়ান ধ্রুবক বলতে কী বুঝায়?
উত্তর: বুলিয়ান ধ্রুবক হচ্ছে অপরিবর্তিত মান। বুলিয়ান এলজেবরায় ব্যবহৃত কোনো রাশির মান যদি শুধুমাত্র 0 বা 1 নির্দেশ করে তাকে বুলিয়ান ধ্রুবক বলা হয়। যেমন A = 0 অথবা । হলে A বুলিয়ান ধ্রুবক হবে।
১০. ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহৃত সংখ্যা পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহৃত সংখ্যা পদ্ধতি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দুটি অঙ্ক বা চিহ্ন (0, 1) ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো সরলতম গণনা পদ্ধতি। এ পদ্ধতির ডিজিট দুটিকে সহজে ইলেকট্রনিক উপায়ে নির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়েছে বলে কম্পিউটারসহ অনেক ইলেকট্রনিক যন্ত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
১১. FF-এর পরের সংখ্যাটি 100- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: এটি একটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির যোগ। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে FF + 1 = 100 হয়। এখানে F এর সাথে 1 যোগ করলে যোগফল হিসেবে নামবে 0 এবং ক্যারি হবে 1। এখন আবার 1 এর সাথে F যোগ করলে যোগফল হিসেবে নামবে 0 এবং ক্যারি 1,0 এর আগে বসবে। অর্থাৎ FF এর পরের সংখ্যাটি হবে 100।
১২. "'2'র পরিপূরক করলে সংখ্যার শুধুমাত্র চিহ্নের পরিবর্তন হয়"- বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর: এর পরিপূরক করলে সংখ্যার শুধুমাত্র চিহ্নের পরিবর্তন হয়। ডিজিটাল বর্তনীতে সরল করে 2 এর পরিপূরক গঠনে চিহ্নযুক্ত সংখ্যা এবং চিহ্নবিহীন সংখ্যা যোগ করার জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়। 2 এর পরিপূরকের উদ্দেশ্য হলো ঋণাত্মক সংখ্যার বাইনারি মান বের করা। অর্থাৎ কোনো সংখ্যার 2 এর পরিপূরক করলে যে মান পাওয়া যায় তা উহার ঋণাত্মক মানের সমান। তাই বলা যায়, 2 এর পরিপূরক করলে সংখ্যার শুধুমাত্র চিহ্নের পরিবর্তন হয়।
১৩. কম্পিউটারের ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তরের সার্কিটটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: কম্পিউটারে ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তরের সার্কিটটি ডিকোডার। ডিজিটাল বর্তনীর সাহায্যে কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করার পদ্ধতিকে ডিকোডার বলে। কম্পিউটারের আউটপুট ইউনিটে কোড ভাষায় লেখা তথ্যকে সাধারণ আকারে প্রকাশ করতে ডিকোডারের প্রয়োজন হয়। কন্ট্রোল ইউনিটে বিভিন্ন নির্দেশ, মেমোরি অ্যাড্রেস, কাউন্টারের বাইনারি সংখ্যা ইত্যাদি ডিকোড করতে ডিকোডারের সাহায্য লাগে। ডিকোডার মেমোরি নয় কিন্তু মেমোরির মতো কাজ করে। কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
১৪. "1+1+1=1" ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: 1+1+1=1 এটি একটি লজিক্যাল বা যৌক্তিক যোগ যা OR(+) গেইট দ্বারা বাস্তবায়ন করা যায়। OR (+) গেইট ইনপুটগুলোর মধ্যে যে কোনো একটি ইনপুটের মান 1 হলেই আউটপুট 1 হয়।
১৫. M(M+N) = M ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: M (M+N)
=MM+MN
= M+MN
=M(1+N)
= M + 1 [: N + 1 = 1]
=M
১৬. 9+7=10 সম্ভব কি-না? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: 9+7 = 10 এটি একটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির যোগ। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে 9 + 7 = 16 হয়। কিন্তু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির যোগ করলে 10 হয়। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে 15 এর পরবর্তী সংখ্যা 10 যা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির সমতুল্য মান 16।
১৭. কোডেড ডেটাকে আনকোডেড ডেটায় রূপান্তরের ডিভাইসটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: কোডেড ডেটাকে আনকোডেড ডেটায় রূপান্তরের ডিভাইস হলো ডিকোডার। ডিজিটাল বর্তনীর সাহায্যে কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করার পদ্ধতিকে ডিকোডার বলে। কম্পিউটারের আউটপুট ইউনিটে কোড ভাষায় লেখা তথ্যকে সাধারণ আকারে প্রকাশ করতে ডিকোডারের প্রয়োজন হয়। কন্ট্রোল ইউনিটে বিভিন্ন নির্দেশ, মেমোরি অ্যাড্রেস, কাউন্টারের বাইনারি সংখ্যা ইত্যাদি ডিকোড করতে ডিকোডারের সাহায্য লাগে। ডিকোডার মেমোরি নয় কিন্তু মেমোরির মতো কাজ করে।
১৮. ২-এর পরিপূরক ডিজিটাল বর্তনীকে সরল করে- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাধ্যমে যোগ ও বিয়োগের কাজ করতে হলে যোগের জন্য Adder Circuit এবং বিয়োগের জন্য Subtractor Circuit পৃথক পৃথকভাবে ব্যবহার করতে হয়। এতে করে ডিজিটাল বর্তনীর জটিলতা বাড়ে এবং সর্বোপরি মূল্যও বৃদ্ধি পায়। এ সকল অসুবিধাসমূহ দূর করার জন্য ২'এর পরিপূরক ব্যবহার করা হয়। ফলে ডিজিটাল বর্তনীটি সরল হয়।
১৯. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বড় ধরনের সংখ্যা প্রকাশের উপযোগী নয় কেন?
উত্তর: নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যায় উপস্থাপিত প্রতীকসমূহের অবস্থান সংখ্যার মানে কোনো পরিবর্তন আনে না বা কোনো রকম প্রভাব বিস্তার করে না। সংখ্যামান উপস্থাপিত প্রতীকগুলো নির্দেশিত মানের যোগফলের সমান এবং ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর কোন বেজ থাকে না। স্থানীয় মান এবং নিজস্ব মান থাকে না। অপরদিকে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা যে প্রতীকগুলো দিয়ে প্রকাশ করা হয় সেই প্রতীকগুলো দিয়ে প্রকাশ করা হয় সেই প্রতীকগুলোর সংখ্যার অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে সংখ্যার মান কম-বেশি হতে পারে। তাই নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বড় ধরনের সংখ্যা প্রকাশে উপযোগী নয়।
২০. বাইনারি 1+1 ও বুলিয়ান 1+1 একই নয়—ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: যখন বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের সময় যে সমস্ত নিয়ম মেনে চলে তখন 1 1+1 = 1 হয়। যাকে যোগের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ বলা হয় বুলিয়ান অ্যালজেবরায় এ যোগ চিহ্নকে Logical OR হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগের (OR) ক্ষেত্রে যেকোনো একটির মান 1 হলে যোগফল । হবে অন্যথায় হয়। আর বাইনারি যোগের ক্ষেত্রে 1 + 1 = 10 হয়। কারণ বাইনারি যোগ ও দশমিক যোগ চিহ্ন একই রকম নয়। দশমিক যোগ 1 + 1 = 2 হয়। কিন্তু বাইনারি যোগে 1 + 1 = 10 হবে, কারণ 2 এর সমতুল্য বাইনারি মান হচ্ছে 10।
২১. বহুল ব্যবহৃত ৮ বিট কোডটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: বহুল প্রচলিত ৪ বিট কোডটি হলো EBCDIC. EBCDIC এর পূর্ণ নাম Extended Binary Coded Decimal Interchange Code । এটি একটি ৪ বিট বিসিডি কোড। যে কোডে ০ থেকে 9 অঙ্কের জন্য 1111, A থেকে Z বর্ণের জন্য 1100 1101 ও 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 জোন বিট হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাকে ইবিসিডিআইসি কোড বলে। এ কোডে 2ª বা 256টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড হিসেবে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে। এ কোডটি সাধারণত আইবিএম এবং এর সমকক্ষ কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
২২. 5+3=10 ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: এটি একটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির যোগ। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে 5+3 = ৪ হয়। কিন্তু অক্টাল পদ্ধতিতে যোগ করলে 5+3 = 10 হয়। অক্টাল পদ্ধতিতে 7 এর পরবর্তী সংখ্যা 10 বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির সমতুল্য মান ৪।
২৩. (14)10 এর সমকক্ষ BCD কোড এবং বাইনারি সংখ্যার মধ্যে কোনটিতে বেশি বিট প্রয়োজন? বুঝিয়ে লিখ।
উত্তর: প্রতিটি দশমিক সংখ্যা প্রকাশ করার জন্য বিসিডি কোডে চারটি বাইনারি বিটের বিন্যাস ব্যবহার করা হয়। 1 এর বিসিডি কোড 0001 এবং 4 এর বিসিডি কোড 0100. সুতরাং (14)10 এর সমকক্ষ বিসিডি কোড 00010100 যেখানে সর্বমোট ৪ টি বাইনারি বিটের প্রয়োজন হয়েছে। আবার (14)10 এর সমতুল্য বাইনারি মান 1110 যেখানে সর্বমোট 4 টি বাইনারি বিটের প্রয়োজন পড়েছে। সুতরাং (14)10 এর সমকক্ষ বিসিডি কোড এ বেশি বিট প্রয়োজন।
২৪. ASCII কোড একটি আলফানিউমেরিক কোড- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: কম্পিউটারে সংখ্যার সাথে সাথে বর্ণ, যতিচিহ্ন, গাণিতিক চিহ্ন ইত্যাদি ব্যবহার করতে হয়। যে কোডিংয়ে সংখ্যার সাথে সাথে অক্ষর, যতিচিহ্ন, গাণিতিক চিহ্ন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় সেগুলোতে আলফা নিউমেরিক কোড ব্যবহার করা হয়। ASCII একটি সাত বিটের আলফানিউমেরিক কোড। ASCII কোডে ছোট হাতের, বড় হাতের ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, যতি চিহ্ন, গাণিতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। তাই ASCII কোড একটি আলফানিউমেরিক কোড।
২৫. "কোডেড ডেটাকে আনকোডেড ডেটায় রূপান্তর করা সম্ভব।"- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ডিকোডারের মাধ্যমে কোডেড ডেটাকে আনকোডেড ডেটায় রূপান্তর করা সম্ভব। ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডকে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাটে রূপান্তরিত করে। ডিকোডার একটি বহুল ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক যন্ত্র। এর মাধ্যমে বাইনারি সংখ্যাকে সমতুল্য দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা, বিভিন্ন ভাষায় লিখিত সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা, ASCII ও EBCDIC কোডকে আলফানিউমেরিক কোডে রূপান্তর করা সহ নানারকম ডিকোডিং এর কাজ করা যায়।
২৬. 18 কী একটি অক্টাল সংখ্যা?
উত্তর: 18 সংখ্যাটি অকটাল সংখ্যা নয়। কারণ অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে অঙ্কগুলো হলো 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 ও 7। মোট 8 টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। অকটাল সংখ্যার বেজ 8। অকটাল পদ্ধতিতে যেকোনো সংখ্যা লিখতে গেলে 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করে লিখতে হয়।
২৭. ইউনিকোড একটি আলফানিউমেরিক কোড- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: যে কোডিংয়ে সংখ্যার সাথে সাথে অক্ষর, যতিচিহ্ন, সাংকেতিক চিহ্ন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় তাকে আলফানিউমেরিক কোড বলে। ইউনিকোড হলো প্রাচীন মিশরীয় হায়ারোগ্লিফিক্স থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের অক্ষর, বর্ণ, চিহ্ন, ইমোজি ইত্যাদির এনকোডিং পদ্ধতি। এই পদ্ধতির ৮, ১৬ ও ৩২ বিট এককের তিনটি বহুল প্রচলিত সংস্করণ রয়েছে যেখানে প্রত্যেক সংখ্যা, অক্ষর ও চিহ্নের জন্য একটি করে নির্দিষ্ট হেক্সাডেসিমাল কোড রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের ১৫৪টি ভাষার সব অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন এতে ব্যবহার করা যায়। তাই ইউনিকোড একটি আলফানিউমেরিক কোড।
২৮. বিশ্বের সকল ভাষাকে কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে-ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ইউনিকোডের মাধ্যমে পৃথিবীর সকল ভাষাকে কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ইউনিকোড হচ্ছে পৃথিবীর প্রায় সব ভাষার লেখালেখিকে একটি পদ্ধতিতে সমন্বিত করার কোড। 2020 সালে ইউনিকোডের 13 সংস্করণে 154 টি ভাষা স্থান পেয়েছে। ইউনিকোডে প্রতিটি ভাষার জন্য 65,536 টি স্থান সংরক্ষণ করা আছে। সেজন্য আগে যে সমস্ত ভাষা কয়েক হাজার চিত্রকল্প দিয়ে লিখতে হতো (চীনা, জাপানি কিংবা কোরিয়ান) বলে কম্পিউটারে প্রক্রিয়া করা কঠিন ছিল, সেগুলোও এখন ইউনিকোডে সংকুলান করা গেছে।
২৯. 10+10=100 সম্ভব কী? দেখাও।
উত্তর: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে 10+ 10 = 100 সম্ভব। কারণ, এই সংখ্যা পদ্ধতিতে দুইটি অংক 0 ও। ব্যবহার করা হয়। বাইনারি পদ্ধতিতে যোগের নিয়ম অনুযায়ী, 0+0=0 এবং 1+1= 0, হাতে 1 এখন, 10+10= 100।
৩০. 11+1=100 হতে পারে- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: 11 + 1 = 100 হতে পারে। কারণ বাইনারিতে শুধুমাত্র 0 ও 1 দুটি সংখ্যা রয়েছে। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে 11 + 1 = 12 হয়। কিন্তু বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে 11 + 1 = 100 হয় এবং বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে 100 যা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির সমতুল্য 5। তাই 11+1 = 100 হয়।
৩১. 7 এর পরবর্তী সংখ্যাটি 10 ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: দশমিক পদ্ধতিতে 7 এর পরবর্তী সংখ্যা অথবা 7+1=8 হয়। কিন্তু অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে 7 এর সাথে 1 যোগ করলে যোগফল 7+1= (10)8 হয়। কারণ 7 হলো অকটাল সংখ্যা পদ্ধতির সর্বোচ্চ অঙ্ক। তাই অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে 7 এর পরবর্তী সংখ্যাটি 10।