জটিল ও সংক্রামক ব্যাধি থেকে সবাই রক্ষা পেতে এবং সুস্হ থাকতে আমাদের সবাইকে পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে ও স্বাস্হ্য-সদাচার মেনে চলতে হবে৷ কম খেলে মানুষ মরে না, দূষিত পরিবেশে বেশী ও ভালো খেলেও মানুষ সবল হয়ে বাঁচে না।
"একই জলে বারবার
হরেক জিনিষ ধোওয়া
মরণ-কণা বহন করে
পরিচ্ছন্ন রওয়া।"
শ্রীশ্রীঠাকুর
যেখানে সেখানে অসদাচারী লোকের হাতে খাওয়া ভলো নয়। এই নিয়ম মেনে চললে মানুষের চেতনার জাগরণ ঘটবে, মানুষ সজাগ হয়ে তার আচরণকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এর ফলে মানুষের গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে। অসদাচারী ব্যক্তি আত্মীয় হলেও তার হাতে খাওয়া ভালো নয়। সদাচারী ব্যক্তি তথাকথিত নীচু জাতি হলেও ক্ষতি নাই। এই ক্ষেত্রে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন-
ইষ্টনিষ্ঠ সদাচারী
নীচু জাতিও হলে
অন্ন পানীয়ে কমই দোষ
জাত যায় না ছুঁলে।
মানুষের মধ্যে সৰ্ববিষয়ে গুণগত মান বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য যা জরুরী, তাদের মন সেদিকে রাখা অভিভাবকেরও দায়িত্ব। "ছাত্রানাং অধ্যয়নং তপঃ" অথচ তারা অন্য তপে ব্যস্ত। বড়দেরও মন লাইনে থাকা জরুরী। এর ফলে মনশুদ্ধি থাকবে। মনশুদ্ধি না হলে কৰ্মশুদ্ধি সম্ভব নয়। আর এটা সম্ভব হচ্ছে না বলে সৰ্বক্ষেত্রে ক্যামেরার আধিক্য দেখা দিচ্ছে এবং তাতেও সমস্যার সমাধান আসবে না। ময়লার স্তুপ যেমন ক্ষতিকর, মনের মধ্যে জেঁকে বসা স্তুপীকৃত বিষয়গুলোও ক্ষতিকর। কতিপয় বিষয় আছে যেগুলো মানুষের মনকে গ্রাস করে বসে। সে তখন ভালোর দিকে মনোনিবেশ করতে পারে না।
মনকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখে এমন বিষয় স্বাস্হ্যের জন্য ক্ষতিকর, সাধনার জন্য ক্ষতিকর৷ বড় বড় তপস্বীর তপস্যা ভঙ্গ হয়েছিল তাতে৷ আমি যদি আরও বৃদ্ধ হতাম তখন এসব বিষয় আমার মুখে ভালো মানাতো৷ তবে রাষ্ট্রে যা অনুমোদিত হয় তা ছোটরাও দেখতে পাই৷ সবাই দেখতে পাই৷