.০ জিরো)-এর কোন নিজস্ব মান নাই। লক্ষ -কোটি জিরোর যোগফল, বিয়োগফল, গুনফল, ভাগফল জিরোই হয়। জিরো শুধু অন্য সংখ্যার পাশে বসে তার মান বাড়ায়। যেমন- ১ এর পাশে ০ বসলে ১০, ১০০, ১০০০ এভাবে অভাবনীয় ও বিস্ময়করভাবে মান বাড়ে।
এবার দেখুন-সংখ্যা ৯ এর সবচেয়ে চমকপ্রদ ধর্ম হলো—৯ দিয়ে গুণ করলে প্রাপ্ত সংখ্যার অঙ্কগুলোর যোগফল সবসময় ৯ হয়। যেমন-:
৯ × ১ = ৯ → ৯
৯ × ২ = ১৮ → ১+৮ = ৯
৯ × ৭ = ৬৩ → ৬+৩ = ৯
৯ × ১২ = ১০৮ → ১+০+৮ = ৯
৯ × ৯৯ = ৮৯১ → ৮+৯+১ = ১৮ → ১+৮ = ৯
আবার জ্যামিতিতে বৃত্তের সম্পূর্ণ কোণ হলো ৩৬০ ডিগ্রি (৩ + ৬ + ০ = ৯)
কিংবা সমকোণী ত্রিভুজের যোগফল ৯০ ডিগ্রি (৯ + ০ = ৯ )
বা অর্ধসমকোণী ত্রিভুজের যোগফল ৪৫ ডিগ্রি (৪ + ৫ = ৯ )
অর্থাৎ ৯ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে পাওয়ারফুল সংখ্যা। বিবাহ বা উপহারে ৯ সংখ্যাটি দীর্ঘায়ু ও চিরস্থায়ী সম্পর্কের কামনা হিসেবে ব্যবহৃত হয় । ৯ কে বলা হয় মানবতাবাদ, আধ্যাত্মিক জ্ঞান, সহানুভূতি ও পূর্ণতার সংখ্যা। ইংরেজিতে "cloud nine" বাক্যাংশটি চরম আনন্দ বা তৃপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৯ সম্ভবত মানুষের গর্ভধারণকালের নয় মাসের সাথে সম্পর্কিত বলে প্রায়শই সম্পূর্ণতা, বা পূর্ণাঙ্গ চক্রের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
এবার একটা অতি সংক্ষিপ্ত গল্প শোনা যাক। ক্লাসে ০(জিরো) থেকে ৯(নয়) সব ধরনের মেধাবী ছাত্ররা উপস্থিত। ৯-এর মধ্যে ক্ষমতার দম্ভ অহংকার অনেক বেশি, তাই হঠাৎ করে সে চড় মেরে বসলো ৮ সংখ্যাকে। ৮ অবাক হয়ে বলল- কি হলো,তুমি আমাকে মারলে কেন? ৯ বলল- আমি তোমার বড়, আমি তোমাকে মারতেই পারি। এবার ৮ কোনো কিছু না ভেবে ৭-কে মেরে বসলো এবং একই কথা বলল।এভাবে চলতে থাকলো এবং শেষে এলো ১-এর পালা। কিন্তু সবাই অবাক হয়ে দেখল ১(এক) ০ (জিরো)-কে চড় মারল না। সে জিরোকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে সবাইকে বলল- দেখো, আমরা দুজনে মিলে এখন সবার চেয়ে বড় হয়ে গেছি।
শিক্ষা হচ্ছে- যদি তুমি সবার চেয়ে বড় হতে চাও, তবে সবাইকে কাছে টেনে নাও। ধনী-গরিব,মূর্খ -পন্ডিত সবাইকে ধারণ করতে হবে। প্রতিযোগিতা নিজের সাথে, সহযোগিতা সবার সাথে। বিস্তারিত- উৎস মানুষ