বাংলা ব্যাকরণে, পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি অর্থবোধক শব্দ, যা নির্দিষ্ট বিভক্তিযুক্ত হয়ে বাক্যের গঠন ও অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়; পদ মূলত পাঁচ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয় পদ, যা বাক্যের বিভিন্ন অংশকে বোঝায়।
পদ কাকে বলে?
সহজ কথায়, বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দকে পদ (Parts of Speech) বলে।
শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন সেটির সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বা সম্পর্ক স্থাপন করে পদে রূপান্তরিত হয়, যেমন—"রহিম স্কুলে যাচ্ছে।" এখানে 'রহিম', 'স্কুলে', 'যাচ্ছে'—প্রতিটিই এক একটি পদ।
পুরাতন ব্যাকরণ অনুযায়ী, পদকে প্রথমে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: সব্যয় ও অব্যয়। মোট ৮টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
১. সব্যয়:
সহজ কথায়, সব্যয় (Declinable) মানে হলো যার পরিবর্তন বা ব্যয় হয়। ব্যাকরণের ভাষায়, যেসব পদের রূপ লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা পুরুষভেদে পরিবর্তিত হয়, তাদের সব্যয় পদ বলা হয়। অর্থাৎ, বাক্যে ব্যবহারের সময় এই পদগুলোর চেহারা বদলে যেতে পারে।
সব্যয় পদের উদাহরণ ও পরিবর্তন:
সব্যয় পদের রূপ কীভাবে বদলায় তা নিচের উদাহরণ থেকে বুঝুন:
বিশেষ্য (Noun): 'মানুষ' একটি সব্যয় পদ। এটি পরিবর্তন হয়ে 'মানুষকে', 'মানুষের' বা 'মানুষেরা' হতে পারে।
সর্বনাম (Pronoun): 'সে' একটি সব্যয় পদ। এটি পরিবর্তন হয়ে 'তাকে', 'তারা' বা 'তাদের' হতে পারে।
ক্রিয়া (Verb): 'কর' একটি সব্যয় পদ। এটি কাল ভেদে 'করি', 'করেছে' বা 'করব' হতে পারে।
সব্যয় পদের প্রকারভেদ:
পুরাতন ব্যাকরণ অনুযায়ী, পদ ৫ প্রকার হলেও তার মধ্যে প্রথম ৪টিই হলো সব্যয় পদ:
১. বিশেষ্য (Noun): যেমন— রহিম, ঢাকা। (পরিবর্তন: রহিমকে, রহিমের)।
২. বিশেষণ (Adjective): যেমন— ভালো, মন্দ। (পরিবর্তন: ভালোকে, ভালোর)।
৩. সর্বনাম (Pronoun): যেমন— সে, আমি। (পরিবর্তন: তাকে, তারা, আমার)।
৪. ক্রিয়া (Verb): যেমন— করা, যাওয়া। (পরিবর্তন: করি, করেছি, করবে)।
(নোট: পদের বাকি ১টি প্রকার অর্থাৎ 'অব্যয়' এর কোনো পরিবর্তন হয় না বলেই তাকে 'অ-ব্যয়' বলা হয়।)
২.অব্যয়:
অব্যয় (Indeclinable) শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো— যার 'ব্যয়' বা পরিবর্তন নেই। ব্যাকরণের ভাষায়, যেসব পদ লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা পুরুষভেদে কখনোই পরিবর্তিত হয় না (অর্থাৎ সবসময় একই রূপ থাকে), তাদের অব্যয় পদ বলে। বাক্যের সৌন্দর্য বাড়াতে বা দুটি পদের মধ্যে সংযোগ ঘটাতে এগুলো ব্যবহৃত হয়।
অব্যয় পদের বৈশিষ্ট্য:
১. এদের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না।
২. এদের একবচন বা বহুবচন হয় না।
৩. স্ত্রী বা পুরুষবাচকতা অনুযায়ী এদের রূপ বদলায় না।
উদাহরণ:
এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা, নতুবা, হঠাৎ, ছিঃ, ওগো, আলবাত, যদি, যথা, তথা ইত্যাদি।
বাক্যে প্রয়োগ ও অপরিবর্তনীয়তা:
নিচের বাক্য দুটি খেয়াল করুন:
রহিম এবং করিম স্কুলে যায়।
মেয়েরা এবং শিক্ষকেরা মাঠে আছেন।
এখানে খেয়াল করুন, বাক্যের কর্তা একবচন হোক বা বহুবচন, কিংবা পুরুষ হোক বা স্ত্রী— 'এবং' শব্দটি কিন্তু সব জায়গায় একই আছে। এর কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই 'এবং' শব্দটিই হলো অব্যয়।
অব্যয় পদের প্রকারভেদ (পুরাতন ব্যাকরণ অনুযায়ী):
অব্যয় পদকে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা যায়:
১. সমুচ্চয়ী অব্যয়: যা দুটি পদ বা বাক্যকে যুক্ত করে (যেমন: এবং, ও, কিন্তু)।
২. অনন্বয়ী অব্যয়: যা মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে (যেমন: বাহ্!, উফ!, ছিঃ!)।
৩. অনুসর্গ অব্যয়: যা বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে (যেমন: জন্য, বিনা, হতে)।
৪. অনুকৃতি বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়: যা কোনো কিছুর কাল্পনিক ধ্বনি বা অবস্থা বোঝায় (যেমন: করকর, টুপটুপ, মড়মড়)।
আধুনিক ব্যাকরণে মনে রাখা জরুরি:
আধুনিক ব্যাকরণে এই 'অব্যয়' পদটিকে ভেঙে অনুসর্গ, যোজক এবং আবেগ শব্দ—এই তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে।
সব্যয় ও অব্যয়ের মূল পার্থক্য:
সব্যয়: এর রূপ বদল হয় (যেমন: 'ছেলে' থেকে 'ছেলেরা' বা 'ছেলেকে' হতে পারে)।
অব্যয়: এর রূপ কখনো বদল হয় না (যেমন: 'এবং', 'কিন্তু'— এগুলো সব সময় একই থাকে)।
আধুনিক ব্যাকরণ অনুযায়ীপদের প্রকারভেদ:
আধুনিক ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দশ্রেণি বা পদের ৮টি প্রকারভেদ নিচে বিস্তারিত উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো:
১. বিশেষ্য (Noun): যা দিয়ে কোনো ব্যক্তি, স্থান, বস্তু, প্রাণী, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়।
উদাহরণ: নজরুল (ব্যক্তি), ঢাকা (স্থান), বই (বস্তু), সততা (গুণ)।
বাক্য: পদ্মা বাংলাদেশের একটি বড় নদী।
২. সর্বনাম (Pronoun): বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: আমি, তুমি, সে, তিনি, তারা, কে, নিজে।
বাক্য: রহিম ভালো ছেলে, সে প্রতিদিন স্কুলে যায়।
৩. বিশেষণ (Adjective): যে শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনামের গুণ, দোষ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে।
উদাহরণ: নীল (রঙ), ভালো (গুণ), দশ (সংখ্যা), সুস্থ (অবস্থা)।
বাক্য: আকাশে নীল মেঘ দেখা যাচ্ছে।
৪. ক্রিয়া (Verb): যে শব্দ দিয়ে কোনো কাজ করা, হওয়া বা থাকা বোঝায়।
উদাহরণ: পড়া, যাওয়া, খাওয়া, দেখা, হওয়া।
বাক্য: ছেলেরা মাঠে ফুটবল খেলছে।
৫. ক্রিয়াবিশেষণ (Adverb): যে শব্দ ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ধরন, সময় বা স্থান নির্দেশ করে ।
উদাহরণ: দ্রুত, ধীরে, সকালে, সেখানে, খুব।
বাক্য: ট্রেনটি খুব দ্রুত চলছে। (এখানে 'দ্রুত' শব্দটি চলার ধরন বোঝাচ্ছে)।
৬. অনুসর্গ (Preposition/Postposition): যে শব্দগুলো বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে।
উদাহরণ: জন্য, দিয়ে, হতে, থেকে, চেয়ে, বিনা।
বাক্য: তোমার জন্য উপহার এনেছি।
৭. যোজক (Conjunction): যে শব্দ একাধিক শব্দ, পদগুচ্ছ বা বাক্যকে যুক্ত করে।
উদাহরণ: ও, এবং, কিন্তু, অথবা, নতুবা।
বাক্য: রহিম ও করিম দুই ভাই। সে গরিব কিন্তু সৎ।
৮. আবেগ শব্দ (Interjection): যে শব্দ দিয়ে মনের আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময়, ঘৃণা বা ভয় প্রকাশ পায়।
উদাহরণ: বাহ্!, উফ!, ছিঃ!, হায়!, আহা!।
বাক্য: সাবাস! তোমরা খেলায় জিতেছ।
মনে রাখার সহজ উপায়:
নতুন ব্যাকরণে শুধু মনে রাখবেন যে পুরাতন 'অব্যয়' পদটিকে ভেঙে অনুসর্গ, যোজক ও আবেগ শব্দ—এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। আর ক্রিয়াবিশেষণ-কে আলাদা করা হয়েছে।
পুরানো বনাম নতুন ব্যাকরণের পার্থক্য:
নতুন ব্যাকরণে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হয়েছে 'অব্যয়' পদের ক্ষেত্রে। পুরানো নিয়মে অনুসর্গ, যোজক এবং আবেগ শব্দ—সবই 'অব্যয়' ছিল। কিন্তু আধুনিক ব্যাকরণে এই তিনটিকে আলাদা আলাদা শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এছাড়া ক্রিয়াবিশেষণ-কেও বিশেষণের ভেতর থেকে বের করে আলাদা একটি শ্রেণি হিসেবে ধরা হয়েছে।
পদ পরিবর্তন বলতে সাধারণত একটি পদকে (যেমন বিশেষ্য, বিশেষণ, ক্রিয়া) অন্য পদে রূপান্তর করাকে বোঝায়, যা প্রধানত বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়—এই পাঁচ প্রকার পদের মধ্যে ঘটে থাকে। যেমন, 'মধুর' (বিশেষণ) থেকে 'মধু' (বিশেষ্য) বা 'সক্ষম' (বিশেষণ) থেকে 'সমর্থতা' (বিশেষ্য) করা। এটি শব্দকে বাক্যে ভিন্ন ভূমিকা দিতে এবং অর্থের গভীরতা বাড়াতে সাহায্য করে।
পদ পরিবর্তনের প্রকার ও উদাহরণ:
'মধু' (বিশেষ্য) → 'মধুর' (মধুর ফল)
'শক্তি' (বিশেষ্য) → 'শক্তিশালী' (শক্তিশালী লোক)
'মধুর' (বিশেষণ) → 'মধু' (ফলের মধু)
'সমর্থ' (বিশেষণ) → 'সমর্থতা' (তাঁর সমর্থতা ছিল)
'সচল' (বিশেষণ) → 'সচল রাখা' (কাজটি সচল রাখা)
'কর' (ক্রিয়া) → 'কর্ম' (তাঁর কর্ম ভালো)
'চল' (ক্রিয়া) → 'চলন' (তাঁর চলন সুন্দর)
'ভয়' (বিশেষ্য) → 'ভয় পাওয়া' (সে ভয় পেল)
'হাস' (বিশেষ্য) → 'হাসা' (সে হাসল)
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
বাংলায় মূল পদগুলো হলো বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়।
পদ পরিবর্তন শব্দকে বাক্যে নতুন অর্থ ও সম্পর্ক প্রদান করে, যা ভাষাকে সমৃদ্ধ করে।
সুতরাং, পদ পরিবর্তন হলো শব্দকে এক পদ থেকে অন্য পদে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে শব্দের রূপ ও ভূমিকা বদলে যায়, কিন্তু মূল অর্থ প্রায় অক্ষুণ্ণ থাকে।
'কি' (হ্রস্ব ই-কার) এবং 'কী' (দীর্ঘ ঈ-কার)-এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো এদের ব্যবহারের ক্ষেত্র; 'কি' সাধারণত হ্যাঁ/না সূচক প্রশ্নে ব্যবহৃত হয় ('আপনি কি যাবেন?'), যার উত্তর এককথায় দেওয়া যায়, আর 'কী' বিস্তারিত উত্তর বা ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও বিস্ময় প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয় ('আপনি কী খাবেন?', 'কী সুন্দর!')। 'কি'-এর উত্তরে ক্রিয়া বিশেষণ এবং 'কী'-এর উত্তরে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ পাওয়া যায়।
'কি' (হ্রস্ব ই-কার) এর ব্যবহার:
হ্যাঁ/না প্রশ্নের জন্য: সংশয়সূচক প্রশ্নবাচক শব্দ যার উত্তর 'হ্যাঁ' কিংবা 'না' হলে 'কি' বসে। যেমন :
"তুমি কি ভাত খাবে?" (উত্তর: হ্যাঁ/না)।
"সে কি এসেছে?" (উত্তর: হ্যাঁ/না)।
"সে কি আসবে?" (উত্তর: হ্যাঁ/না)।
"তুমি কি কেবলই ছবি?" (উত্তর: হ্যাঁ/না)।
"তুমি কি সেই আগের মতোই আছো?" (উত্তর: হ্যাঁ/না)।
"সখী, ভালোবাসা কারে কয়? সে কি কেবলই যাতনাময়?" (উত্তর: হ্যাঁ/না)।
"আমার ছোট তরি; বলো, যাবে কি?" (উত্তর: হ্যাঁ/না)।
"আমি যা দেখি, তুমি কি তা দ্যাখো?" (উত্তর: হ্যাঁ/না)।
তবে বাক্যে অব্যয় পদ হিশেবে ব্যবহৃত হলে 'কি' লিখতে হবে। যেমন :
i) কি ব্যাটিং, কি বোলিং— সাকিব দুটোতেই বিশ্বসেরা।
ii) কি গণিত, কি ইংরেজি— দুটোতেই সে সমান পারদর্শী।
iii) দিন কি রাতে, সাঁঝ-প্রভাতে; তোমারই আছি এই তো।
'কী' (দীর্ঘ ঈ-কার) এর ব্যবহার:
সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ, যোজক, আবেগ (বিস্ময়সূচক) পদরূপে বাক্যে 'কী' বসে। যেমন:
কী করি আজ ভেবে না পাই!
পাগলে কী না বলে, ছাগলে কী না খায়!
কী গান শোনাব, ওগো বন্ধু?
কী এমন দুঃখ তোমার?
তোমাকে দেয়ার মতো কীই বা আছে আমার!
বিস্তারিত উত্তরের জন্য: যেসব প্রশ্নের উত্তর ব্যাখ্যা করে দিতে হয়, সেখানে 'কী' বসে। যেমন :
"তুমি কী খাবে?" (উত্তর: আমি ভাত খাবো)।
"আপনার নাম কী?" (উত্তর: আমার নাম ____)।
বিস্ময় বা আবেগ প্রকাশে: বিস্ময়সূচক বাক্যে বিশেষণ কিংবা ক্রিয়াবিশেষণ হিশেবে ব্যবহৃত হলে অব্যয় হিসেবে 'কী' লিখতে হবে। যেমন :
"কী সুন্দর!" (What a beauty!)।
"কী আশ্চর্য!" (How surprising!)।
সে কী, দাদা! অর্ধেকটা ডিমের পুরোটাই খেয়ে ফেললেন!
আহা! কী যে ভালো লাগল!
সময় কী দ্রুতই না কেটে যায়!
মুস্তাফিজ রোহিতকে কী নাকানিচুবানিটাই না খাওয়াল!
এ কী! হচ্ছেটা কী!
কী ঘুমটাই না ঘুমালাম! কী শান্তি!
রূপভেদ:
কি: নাকি, কি-না, এমনকি, কিসে, বৈকি ইত্যাদি শব্দে ক-এ ই-কার বসবে।
কী: কীসের, কীভাবে ইত্যাদি।
বিবিধ উদাহরণ :
ক. i) তুমি কি খাবে? তুমি না খেলে খাবারটা ভিখিরিকে দিয়ে দেবো।
ii) তুমি কী খাবে— ভাত না রুটি?
খ. i) তোমার নাম কী— রনি না জনি ?
ii) তোমার বাবার নাম কি জহির?
গ. i) তুমি কী চাও— শার্ট না পাঞ্জাবি?
ii) তুমি কি চাও আমি তোমাকে পাঞ্জাবি কিনে দেই?
ঘ. i) কিছু ফেলে গেলেন কি?
ii) কী ফেলে গেলেন?
ঙ. i) দ্রব্যমূল্য যে বাড়ল, এর কি কোনো যৌক্তিক কারণ আছে?
ii) কী কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ল?
চ. i) তুমি কি গান গাও? না নাচো?
ii) তুমি কী গান গাও— আধুনিক গান না ব্যান্ডের গান?
এখানে ক থেকে চ পর্যন্ত যে ছয় সেট উদাহরণ দেখলাম; সেখানে i-চিহ্নিত প্রশ্নগুলোর উত্তর হ্যাঁ বা না দ্বারা দেওয়া যায় বলে সেগুলোতে 'কি' বসেছে, আর ii-চিহ্নিত প্রশ্নগুলোর উত্তর হ্যাঁ বা না দ্বারা দেওয়া যায় না বলে সেগুলোতে 'কী' বসেছে।