বাক্যের বা শব্দের ক্ষুদ্রতম উচ্চারণ একককে অক্ষর (Syllable) বলা হয়। নিঃশ্বাসের এক স্বল্পতম প্রয়াসে বা এক ঝোঁকে কোনো শব্দের যতটুকু অংশ উচ্চারণ করা যায়, তাকেই অক্ষর বলে।
অক্ষর মূলত ২ প্রকার:
১. মুক্তাক্ষর (Open Syllable): যে অক্ষরের শেষে স্বরধ্বনি থাকে এবং উচ্চারণ টেনে লম্বা করা যায়, তাকে মুক্তাক্ষর বলে। একে বোঝাতে চন্দ্রবিন্দু ( ˇ ) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ: 'মা', 'পা', 'চা'। 'কলম' শব্দে 'ক' একটি মুক্তাক্ষর।
২. বদ্ধাক্ষর (Closed Syllable): যে অক্ষরের শেষে ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে এবং উচ্চারণ টেনে লম্বা করা যায় না, তাকে বদ্ধাক্ষর বলে। একে বোঝাতে ড্যাস ( — ) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ: 'বন', 'হাত'। 'কলম' শব্দের 'লম্' অংশটি বদ্ধাক্ষর।
একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি: বর্ণ (Letter) এবং অক্ষর (Syllable) এক নয়। যেমন: 'কলম' শব্দে বর্ণ আছে ৩টি (ক, ল, ম), কিন্তু অক্ষর আছে ২টি (ক + লম্)।
মুক্তাক্ষর (বা বিবৃত অক্ষর) বলতে বোঝায় সেই অক্ষরকে, যার শেষে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে না, বরং একটি স্বরধ্বনি থাকে। উচ্চারণের সময় এই অক্ষরগুলোকে টেনে লম্বা করা যায়, তাই একে 'মুক্ত' বা 'খোলা' অক্ষর বলা হয়।
এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
উচ্চারণ: এটি স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হয়।
চিহ্ন: ছন্দশাস্ত্রে মুক্তাক্ষর বোঝাতে সাধারণত একটি বাঁকা চিহ্ন (◡) বা চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ:
'মা' (ম + আ) — এখানে 'আ' স্বরধ্বনি থাকায় এটি মুক্তাক্ষর।
'খোকা' (খো + কা) — এখানে 'খো' এবং 'কা' দুটিই মুক্তাক্ষর।
'কলম' শব্দের প্রথম অংশ 'ক' (ক + অ) একটি মুক্তাক্ষর।
সহজ কথায়, যে অক্ষর উচ্চারণ করার সময় মুখ খোলা থাকে এবং বাতাস বাধাহীনভাবে বের হয়ে আসে, তাকেই বিবৃত বা মুক্তাক্ষর বলে।
যেহেতু এই অক্ষরের শেষে একটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে (ব্যঞ্জন + অন্ত = ব্যঞ্জনাস্ত), তাই একে ব্যঞ্জনাস্ত অক্ষর বলা হয়। একে ইংরেজিতে Closed Syllable বলে।
এর বৈশিষ্ট্য:
এই অক্ষরের শেষে সাধারণত হসন্ত (্) থাকে।
এর উচ্চারণ টেনে লম্বা করা যায় না, হঠাৎ থেমে যায়।
উদাহরণ: 'গান' (গান্), 'চট্', 'জল্'। 'কলম' শব্দের শেষ অংশ 'লম্' একটি ব্যঞ্জনাস্ত বা বদ্ধাক্ষর।
মনে রাখার সহজ উপায়: 'সংবৃত' মানে যা আবৃত বা বন্ধ। অর্থাৎ, যে অক্ষরের শেষটা ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে আটকে যায়, তাকেই সংবৃত অক্ষর বলে।
অক্ষর (Syllable) নির্ণয় করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো উচ্চারণের ঝোঁক খেয়াল করা। শব্দটিকে ভেঙে ভেঙে উচ্চারণ করলেই বোঝা যায় তাতে কয়টি অক্ষর আছে।
মনে রাখবেন: 'বর্ণ' আর 'অক্ষর' এক নয়। যেমন: 'জল' শব্দে বর্ণ ২টি (জ, ল), কিন্তু অক্ষর ১টি (জল্), কারণ এটি এক ঝোঁকেই উচ্চারণ করা যায়।
অক্ষর নির্ণয়ের ৩টি সহজ টেকনিক নিচে দেওয়া হলো:
উচ্চারণের ঝোঁক বা তালি পদ্ধতি (Clapping Method) হলো অক্ষর (Syllable) চেনার সবচেয়ে সহজ ও ব্যবহারিক উপায়। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
এই পদ্ধতিটি কীভাবে কাজ করে?
একটি শব্দ উচ্চারণ করার সময় আপনি যতবার আপনার হাতের তালু দিয়ে তালি দেবেন অথবা আপনার চিবুক (Chin) যতবার নিচে নামবে, সেই শব্দে ঠিক ততগুলোই অক্ষর আছে।
উদাহরণ দিয়ে বুঝে নিই:
১. এক-অক্ষর (Monosyllable):
মা: উচ্চারণ করার সময় আমরা একবারই তালি দিই। (মা = ১টি অক্ষর)
ভাত: ভাত্ (এক ঝোঁকে উচ্চারণ হয়, ১টি তালি = ১টি অক্ষর)
২. দুই-অক্ষর (Disyllable):
বাবা: বা (১টি তালি) + বা (১টি তালি) = ২ টি অক্ষর।
কলম: ক (১টি তালি) + লম্ (১টি তালি) = ২ টি অক্ষর।
৩. তিন-অক্ষর (Trisyllable):
কবিতা: ক (১) + বি (১) + তা (১) = ৩ টি অক্ষর।
বাগান: বা (১) + গা (১) + ন্ (১) — এখানে খেয়াল করুন, 'বাগান' শব্দে ঝোঁক কিন্তু দুটি: বা-গান্। তাই এখানে অক্ষর ২ টি।
৪. বহু-অক্ষর (Polysyllable):
বিমাতা: বি + মা + তা (৩ টি অক্ষর)
বিশ্ববিদ্যালয়: বিস্-শ-বিদ্-দা-লয় (৫ টি ঝোঁক বা তালি = ৫ টি অক্ষর)
মনে রাখার টিপস:
তালি দেওয়ার সময় খেয়াল করবেন যেখানে আপনার উচ্চারণ একটু থামছে বা ঝোঁক নিচ্ছে, সেখানেই একটি অক্ষর শেষ হচ্ছে।
বর্ণ আর অক্ষর গুলিয়ে ফেলবেন না: 'জল' শব্দে বর্ণ ২টি (জ, ল) হলেও তালি পড়ে ১টি (জল্), তাই অক্ষর ১টি।
এই পদ্ধতিটি মূলত ছোট বাচ্চাদের বা নতুন ভাষা শিখছেন এমন কাউকে অক্ষর চেনানোর জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়।
স্বরধ্বনি (Vowel Sound) গণনা পদ্ধতি হলো অক্ষর বা Syllable চেনার সবচেয়ে বৈজ্ঞানিক উপায়। একটি শব্দের ভেতর ঠিক যতগুলো উচ্চারিত স্বরধ্বনি থাকে, সেই শব্দে ঠিক ততগুলোই অক্ষর থাকে।
নিচে এই পদ্ধতিটি সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:
মূল নিয়ম:
একটি অক্ষরের প্রাণ হলো স্বরধ্বনি। স্বরধ্বনি ছাড়া কোনো অক্ষর গঠিত হতে পারে না। তাই কোনো শব্দ উচ্চারণ করার সময় আমরা কয়টি স্বরধ্বনি শুনতে পাচ্ছি, তা গুনলেই অক্ষরের সংখ্যা পাওয়া যায়।
উদাহরণ দিয়ে বুঝে নিই:
১. মা (M-a):
এখানে একটি স্বরধ্বনি শোনা যাচ্ছে: 'আ'।
তাই অক্ষর সংখ্যা: ১টি।
২. বাবা (Ba-ba):
এখানে দুটি স্বরধ্বনি শোনা যাচ্ছে: 'আ' + 'আ' (ব্+আ, ব্+আ)।
তাই অক্ষর সংখ্যা: ২টি।
৩. কলম (Ko-lom):
উচ্চারণ করলে পাওয়া যায়: ক (অ) + লম্ (অ)। (লম্-এর শেষে স্বরধ্বনি নেই, কিন্তু 'ল' এর সাথে একটি 'অ' ধ্বনি আছে)।
স্বরধ্বনি শোনা গেল ২টি, তাই অক্ষর সংখ্যা: ২টি।
৪. বই (Bo-i):
এখানে দুটি স্বরধ্বনি স্পষ্ট: 'ও' (ব্+ও) + 'ই'।
তাই অক্ষর সংখ্যা: ২টি।
একটি বিশেষ সতর্কতা:
মনে রাখবেন, আমরা লেখার বর্ণ গুনব না, বরং উচ্চারণের ধ্বনি গুনব।
যেমন: 'জল' লিখতে বর্ণ ২টি (জ, ল), কিন্তু উচ্চারণ করলে স্বরধ্বনি শোনা যায় মাত্র ১টি— 'অ' (জ+অ+ল্)। ল-এর পর আর কোনো স্বরধ্বনি নেই। তাই 'জল' শব্দে অক্ষর ১টি।
ইংরেজি Syllable-এর ক্ষেত্রে:
ইংরেজিতেও একই নিয়ম খাটে। যেমন: 'Apple'।
উচ্চারণ: Ap (অ্যা) + ple (অল)।
এখানে দুটি ভাওয়েল সাউন্ড শোনা যাচ্ছে, তাই Syllable ২টি। (মনে রাখবেন, শেষে থাকা 'e' যদি উচ্চারিত না হয়, তবে সেটি অক্ষর হিসেবে গণ্য হয় না)।
সহজ কথা: একটি শব্দে যতগুলো স্বরধ্বনির ধাক্কা বা উপস্থিতি থাকবে, অক্ষর সংখ্যা ঠিক ততটিই হবে।
৩. লিখে নির্ণয় করার নিয়ম (মুক্ত বনাম বদ্ধ)
শব্দটিকে ভেঙে লিখলে যদি শেষে স্বরধ্বনি থাকে তবে সেটি মুক্তাক্ষর, আর ব্যঞ্জনধ্বনি (বা হসন্ত) থাকলে সেটি বদ্ধাক্ষর।
শব্দ- বিশ্লেষণ (উচ্চারণ অনুযায়ী)- অক্ষরের সংখ্যা- প্রকারভেদ
মা- মা- ১টি- মুক্তাক্ষর
হাত- হাত্- ১টি- বদ্ধাক্ষর
পাগল- পা-গল্- ২ট- পা (মুক্ত), গল্ (বদ্ধ)
কবিতা- ক-বি-তা- ৩টি- ৩টিই মুক্তাক্ষর
শ্রেণিবিভাগসহ ৫০টি প্রধান উদাহরণ
অক্ষর (Syllable) সাধারণত ১ থেকে ৫ বা তার বেশি হতে পারে। নিচে উদাহরণগুলো দেওয়া হলো:
১. এক-অক্ষরের শব্দ (Monosyllable) - ১০টি
এই শব্দগুলো এক ঝোঁকেই উচ্চারিত হয়।
১. মা (মুক্ত)
২. বাবা (বা-বা, ২ অক্ষর) - দুঃখিত, এটি হবে: মা, ভাই, বই, খই, গা, পা (মুক্তাক্ষর)
৩. জল্, ফল্, চল্, বল্, হাত্, কান্, দান্ (বদ্ধাক্ষর)
২. দুই-অক্ষরের শব্দ (Disyllable) - ১০টি
১১. বাবা (বা-বা)
১২. কলম (ক-লম্)
১৩. পাগল (পা-গল্)
১৪. আকাশ (আ-কাশ্)
১৫. ঢাকা (ঢা-কা)
১৬. মানুষ (মা-নুষ্প)
১৭. চশমা (চশ্-মা)
১৮. টেবিল (টে-বিল্)
১৯. খাতা (খা-তা)
২০. কলস (ক-লস্)
৩. তিন-অক্ষরের শব্দ (Trisyllable) - ১০টি
২১. কবিতা (ক-বি-তা)
২২. বাগান (বা-গা-ন্) - ভুল, উচ্চারণ হবে: বা-গা-ন্ (২ অক্ষর)। সঠিক হবে: বা-গি-চা (বা-গি-চা)
২৩. জানালা (জা-না-লা)
২৪. বিছানা (বি-ছা-না)
২৫. পৃথিবী (পৃ-থি-বী)
২৬. জনতা (জ-ন-তা)
২৭. বসতি (ব-স-তি)
২৮. সিনেমা (সি-নে-মা)
২৯. পত্রিকা (প-ত্রি-কা)
৩০. ক্যামেরা (ক্যাম্-এ-রা)
৪. চার-অক্ষরের শব্দ (Tetrasyllable) - ১০টি
৩১. আলোচনা (আ-লো-চ-না)
৩২. মহানগর (ম-হা-ন-গর্)
৩৩. সহযোগিতা (স-হ-যো-গি-তা)
৩৪. প্রজাপতি (প্র-জা-প-তি)
৩৫. এলাকা (এ-লা-কা) - এটি ৩ অক্ষর। সঠিক: অহংকার (অ-হং-কা-র্)
৩৬. টেলিফোন (টে-লি-ফো-ন্)
৩৭. টেলিভিশন (টে-লি-ভি-শন্)
৩৮. হিমালয় (হি-মা-ল-য়্)
৩৯. অপরাধ (অ-প-রা-ধ্)
৪০. অভিনন্দন (অ-ভি-নন্-দন্)
৫. পাঁচ বা ততোধিক অক্ষরের শব্দ (Polysyllable) - ১০টি
৪১. বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্-শ-বিদ্-দা-লয়্) - ৫টি
৪২. আন্তর্জাতিক (আন্-তর্-জা-ত-তিক্) - ৫টি
৪৩. উত্তরাধিকার (উত্-ত-রা-ধি-কা-র্) - ৫টি
৪৪. পরোপকারিতা (প-রো-প-কা-রি-তা) - ৬টি
৪৫. মহাসমাবেশ (ম-হা-স-মা-বে-শ্) - ৫টি
৪৬. কৌতূহলবশত (কৌ-তূ-হল-ব-শ-ত) - ৬টি
৪৭. অকল্পনীয় (অ-কল্-প-নী-য়) - ৫টি
৪৮. আশ্চর্যজনক (আশ্-চর্-জ-জ-নক্) - ৫টি
৪৯. বৈচিত্র্যময় (বৈ-চিত্-ত্র-ময়্) - ৪টি
৫০. সৃজনশীলতা (সৃ-জন্-শী-ল-তা) - ৫টি
সহজ টিপস: আপনি যদি ১০০০টি উদাহরণ চান, তবে যেকোনো বাংলা অভিধান খুলুন। প্রতিটি শব্দকে উচ্চারণের ঝোঁক অনুযায়ী (তালি দিয়ে) ভাঙলেই আপনি নতুন নতুন অক্ষরের উদাহরণ পেয়ে যাবেন। যেমন: 'অ' (১), 'অজ' (১), 'অজগর' (অ-জ-গর্ = ৩)। এভাবে আপনি শব্দ বাড়িয়ে ১০০০ পূর্ণ করতে পারবেন।
শ্রেণিবিভাগসহ ২০০টি উদাহরণ
নিচে শ্রেণিবিভাগসহ ২০০টি প্রধান শব্দের অক্ষর (Syllable) বিশ্লেষণ তালিকার আকারে দেওয়া হলো:
১. এক-অক্ষরের শব্দ (Monosyllable) - ৫০টি
এগুলো এক ঝোঁকে বা এক তালিতে উচ্চারিত হয়।
মা
বাবা (ভুল, এটি ২ অক্ষর) → ভাই
বোন
খই
দই
বই
মই
খই
গা
পা
চা
না
যা
খা
দে
নে
সে
কে
কি
ছি
জল্
ফল্
বল্
চল্
দল্
তল্
কল্
মল্
ঘর্
পর্
কর্
ধর্
সর্
মড়্
ঝড়্
হাত্
পা্ (মুক্ত)
নাক্
কান্
চোখ্
মুখ্
দাঁত্
চুল্
নখ্
ঘাড়্
বুক্
পিঠ্
পেট্
ঘাম্
প্রাণ্
২. দুই-অক্ষরের শব্দ (Disyllable) - ৫০টি
এগুলো দুই ঝোঁকে বা দুই তালিতে উচ্চারিত হয়।
বা-বা
দা-দা
না-না
মা-মা
কা-কা
চাচা (চা-চা)
দিদি (দি-দি)
মাসি (মা-সি)
পিসি (পি-সি)
ভাই-য়া
বোন-টি
ছা-তা
জা-মা
জু-তা
মো-জা
টু-পি
ঘ-ড়ি
চু-ড়ি
মা-লা
থা-লা
বা-টি
হাড়্-ড়ি
মা-টি
পা-খি
মা-ছ্
গ-রু
ঘো-ড়া
হাতী (হা-তী)
বা-ঘ্
সি-ঙহ্
আ-কাশ্
বা-তাশ্
পা-হাড়্
স-গর
ন-দী
খা-ল্
বি-ল্
ধান্-ক্ষেত্
বা-গান্
ক-লম্
খা-তা
পেন্-সিল্
র-বার্
স্কুল্ (১ অক্ষর) → ইস্-কুল্
বা-ড়ি
গা-ড়ি
রাস্-তা
ব-ন
ম-ন
জ-ল্ (২ অক্ষর হিসেবে ধরলে জ-ল)
৩. তিন-অক্ষরের শব্দ (Trisyllable) - ৫০টি
এগুলো তিন ঝোঁকে উচ্চারিত হয়।
ক-বি-তা
ব-নি-তা
জ-ন-তা
ম-ম-তা
স-ম-তা
জ-ন-নী
ধ-র-ণী
র-জ-নী
ত-র-ণী
ক-পা-ল্
ব-স-তি
বি-ছা-না
জা-না-লা
দ-র-জা
আ-লো-না
র-চ-না
ঘট-না
আ-কা-শী
বা-তা-সী
পা-তা-লি
স-কা-ল্-বেলা
দ-পু-র্-বেলা
বি-কা-ল্-বেলা
স-ন্ধ্যা-বেলা
রা-ত্-রি-বেলা
বা-গি-চা
সি-নে-মা
ক্যা-মে-রা
প-ত্রি-কা
না-টি-কা
ক-হি-নী
ম-হি-মা
গ-রি-মা
স-হি-ষ্ণু
পৃ-থি-বী
আ-কা-শ
বা-তা-স
অ-তি-থি
ভি-খা-রি
বে-পারী (বে-পা-রী)
আ-না-রস (আ-না-রস্)
ক-ম-লা
আ-ঙগু-র
পে-য়া-রা
পেঁ-পে-টি
ক-দ-ম
ব-কুল-টি
শাপ-লা-টি
জ-বা-টি
গো-লা-প
৪. চার ও ততোধিক অক্ষরের শব্দ (Poly-syllable) - ৫০টি
এগুলো চার বা তার বেশি ঝোঁকে উচ্চারিত হয়।
আ-লো-চ-না (৪)
আ-রা-ধ-না (৪)
উপ-াস-না (৪)
স-মা-ধ-না (৪)
স-হা-য়-তা (৪)
স-হ-ম-মিতা (৫)
ম-হা-ন-গর (৪)
ম-হা-রা-জা (৪)
প্রজ-া-প-তি (৪)
বা-রো-মা-সী (৪)
অ-হং-কা-রী (৪)
প-রা-কা-ষ্ঠা (৪)
ধা-রা-বা-হিক (৫)
সা-ধা-রণ-ত (৫)
স্বা-ভা-বিক-তা (৫)
বৈ-চিত্র্য-ম-য় (৪)
অ-কল্প-নী-য় (৫)
অ-সা-ধা-রণ (৫)
অ-প্র-তি-ভ (৪)
স-ত্য-বা-দি-তা (৫)
মি-থ্যা-বা-দি-তা (৫)
বি-দ্যুৎ-বে-গি (৪)
হি-মা-ল-য় (৪)
ম-হা-কা-ব্য (৪)
টে-লি-ভি-শন (৪)
ক-ম্পি-উ-টার (৪)
টে-লি-ফো-ন (৪)
ম-হা-স-মু-দ্র (৫)
উ-প-কূ-ল (৪)
আ-স্ত-র্-জা-তিক (৫)
বি-শ্ব-বি-দ্যা-লয় (৫)
অ-ভি-ন-ন্দ-ন (৫)
অ-নু-প্র-বে-শ (৫)
প-রি-বে-শ-না (৫)
উ-দা-হ-রণ (৪)
স-মা-বে-শ (৪)
অ-ভি-মান-িনী (৫)
বি-লা-সী-তা (৪)
স-হি-ষ্ণু-তা (৪)
বি-চ-ক্ষণ-তা (৫)
প্র-শা-স-নিক (৫)
গ-ণ-তান্ত্-রিক (৪)
ঐ-তি-হা-সিক (৫)
অ-প-রা-ধি (৪)
স-মা-জ-ত-ন্ত্র (৫)
প-রি-চ-য় (৪)
উ-দা-র-তা (৪)
কৃ-ত-জ্ঞ-তা (৪)
স-ফল-তা (৪)
আ-কা-ঙ্-খি-ত (৪)