খেজুর একটি পুষ্টিকর ফল যা শক্তি বাড়ায়, পরিপাকতন্ত্রের উন্নতি করে এবং হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এতে থাকা ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ হৃদরোগ ও রক্তাল্পতার ঝুঁকি কমায়, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক।
শক্তি বৃদ্ধি: খেজুরে প্রচুর শর্করা এবং ক্যালোরি থাকে, যা দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।
হৃদরোগ প্রতিরোধ: এটি রক্তনালী পরিষ্কার রাখতে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
রক্তাল্পতা দূরীকরণ: খেজুরে থাকা আয়রন হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করে।
হজমে সহায়তা: এতে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য: খেজুর ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ সমৃদ্ধ, যা হাড় ও দাঁতকে শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি: এটি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং স্মৃতির উন্নতিতে সাহায্য করে।
ভালো ঘুম: খেজুর মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণ বাড়াতে সাহায্য করে, যা ভালো ঘুম হতে সহায়তা করে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুরক্ষা: এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়।
খেজুর অতি মিষ্টিজাত ফল। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালোরি এবং রয়েছে প্রচুর খাদ্যগুণ, যেমন ভিটামিন-বি,-সি, আয়রন এবং প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন-কে।
খেজুরে উচ্চ পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি ও ক্যালোরি থাকে, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়।
অতিরিক্ত খেলে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে এবং গ্যাস বা পেট ফাঁপার সমস্যা হতে পারে।