মধু খাওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, সর্দি, কাশি ও ফ্লু থেকে আরাম দেয় এবং হজম ও বিপাক ক্রিয়াকে উন্নত করে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণসম্পন্ন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালীর স্বাস্থ্য ভালো রাখে, ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং ঘুমের সমস্যা ও একজিমা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: মধু একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক এবং ইমিউনিটি বুস্টার যা শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
সর্দি ও কাশি উপশম: এটি সর্দি, ফ্লু এবং কাশির মতো শ্বাসকষ্টজনিত রোগ থেকে দ্রুত আরাম দিতে পারে।
হজম ও বিপাক ক্রিয়া উন্নতি: নিয়মিত মধু সেবন করলে হজম এবং বিপাক ক্রিয়া সক্রিয় থাকে, যা পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালীর স্বাস্থ্য: মধুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রক্তনালীর কার্যকারিতা উন্নত করে এবং সিস্টোলিক রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: মধু মস্তিষ্কে সুগার লেভেল বৃদ্ধি করে এবং মেদ কমানোর জন্য হরমোন নিঃসরণে চাপ সৃষ্টি করে, যা ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে।
অনিদ্রা ও একজিমা: মধু অনিদ্রা এবং একজিমা নিরাময়ে প্রাকৃতিক সহায়তা হিসেবে কাজ করে।
প্রাকৃতিক শক্তি প্রদান: এটি একটি প্রাকৃতিক শক্তিদায়ক, যা দিনের শুরুতে শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়।
ক্ষত নিরাময়: মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য দ্রুত ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে।
ত্বকের যত্নে: মধু ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
মন-মেজাজ ভালো রাখে: মধু মন-মেজাজ ফুরফুরে রাখতে সহায়তা করে।
প্রায় ৪৫ টি খাদ্য উপাদান রয়েছে মধুতে। ফুলের পরাগ থেকে সংগ্রহ করা মধুতে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ পাওয়া যায়। এছাড়াও ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ পাওয়া যায় মধুতে। ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি ৫ থেকে ১২ শতাংশ মন্টোজ পাওয়া যায়। এছাড়াও এই মধুতে পাওয়া যায়, ২২ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ ভাগ এনজাইম। ১০০ গ্রাম মধুতে ২৮৮ ক্যালরি পাওয়া যায়। মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি ১, ভিটামিন বি ২, ভিটামিন বি ৩, ভিটামিন বি ৫, ভিটামিন বি ৬, আয়োডিন, কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। মধুতে কোন রকম চর্বি ও প্রোটিন নেই।