প্রাক্তনের_সাথে_আমার_যোগাযোগ_আছে
আমি জানি না, আপনাদের প্রাক্তনের সাথে আপনাদের যোগাযোগ আছে কিনা! আমার প্রাক্তনের সাথে আমার যোগাযোগ আছে এখনো....
আমরা দুজনেই খুব ব্যস্ত, তবুও আমরা একে অপরের খোঁজ রাখি, মাঝেমধ্যে ফোন টোন করে জিজ্ঞেস করি শরীর কেমন আছে!....
এখনো একে অপরের শরীর খারাপের খবর শুনলে বুক কাঁপে....
কেউ আর কারোর প্রতি কোনো রাগ, ঘৃণা, দুঃখ, ব্যথা পুষে রাখিনি....
সম্পর্ক থাকাকালীন অনেক ভুল বোঝাবুঝি, সন্দেহ, বাজে কথা, ঝগড়াঝাটি, কান্নাকাটি হয়েছে কিন্তু সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর কেউ আর কারোর প্রতি কোনো তিক্ততা পুষে রাখিনি....
আমার মনে হয় আমরা যদি একটু চেষ্টা করি, তাহলে শুরুর মতোই শেষটাও সুন্দর হতে পারে....
একটা সম্পর্ক অনেক অনেক কারণে ভাঙে, কিন্তু সম্পর্ক থাকাকালীন যে মানুষটার সাথে হাত ধরে হেঁটেছিলাম কোনো এক ফাঁকা রাস্তায়, যে মানুষটাকে নিজের হাতে খাইয়ে দিয়েছিলাম, যে মানুষটাকে কোনো এক ঝড়ের সন্ধেয় অন্ধকার গলিতে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছিলাম....
যে মানুষটার গায়ের গন্ধ মেখেছিলাম নিজের শরীরে, যে মানুষটার বুকে মাথা রেখে সংসার করার স্বপ্ন দেখেছিলাম, যে মানুষটার সামান্য সর্দি কাশি হলে সারারাত জেগে থাকতাম....
যে মানুষটার জন্মদিনে নিজের হাতে পায়েস রান্না করতাম, যে মানুষটার সাথে ভোরের শিশির কুড়িয়েছি, মাঝরাতে যে মানুষটার সাথে জানলা খুলে বৃষ্টি ছুঁয়েছি....
বিচ্ছেদের পর সেই মানুষটাকে সত্যি কি এতটা ঘেন্না করা সম্ভব? বছরের পর বছর একটা মানুষকে ভালোবাসার চেয়ে কি এক মুহূর্তের বিচ্ছেদ বড় হয়ে যায়?
যে মুহূর্তগুলো আমরা একসঙ্গে কাটিয়েছিলাম, তার কি কোনো দাম থাকে না?
আমি মনে করি সম্পর্ক শেষ হোক, কিন্তু বিচ্ছেদের পরেও দুজনেরই দুজনের প্রতি সম্মান জানানোটা হলো নিজেদের সম্পর্ক ও নিজেদের একসাথে কাটানো মুহূর্তকে সম্মান জানানো....
একটা মানুষের প্রতি যতবেশি অভিমান আমরা পুষে রাখবো, ততই বেশি মানুষটাকে নিয়ে চিন্তা করবো। মানুষটার প্রতি অভিযোগ পুষে রাখলে, মানুষটার থেকে কোনোদিনই মুক্তি পাবো না....
সম্পর্ক খারাপ হলে দুটো মানুষ ছটফট করে, তখন তাদের মুক্তির প্রয়োজন হয়....
দুজনেই মুক্তি পাক, দুজনেরই কথা কমে যাক, দুজনেরই যোগাযোগ কমে যাক, কিন্তু অন্তত একে অপরকে নূন্যতম সম্মান করাটা যেন না কমে....
বিচ্ছেদের পর মানুষটার সাথে মুখোমুখি দেখা হলে যেন চোখ নামিয়ে পালাতে না হয়....
চোখ উঠিয়ে যেন কথা বলা যায় মানুষটার সাথে, মুখে হাসি রেখে তার সাথে দুই একটা বাক্য বিনিময় যেন করা যায়....
একবার বিচ্ছেদ ঘটলে কে কাকে ঠকিয়েছিলো, কে কার সাথে কি করেছিলো, কে কতটা ভুল করেছিলো এগুলো আর কোনো ম্যাটার করে না....
তখন শুধু মানুষটার প্রতি একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস বাকি থেকে যায়....
তাই মানুষটাকে ভুলতে গেলে মানুষটার প্রতি আর কোনো ক্ষোভ পুষে রাখতে নেই, বরং দেখা হলে "কেমন আছো? শরীর ভালো তো?" জিজ্ঞেস করতে হয়....
সম্পর্ক থাকাকালীন দুটো মানুষ একে অপরকে যতটা সম্মান করতো, সম্পর্ক শেষের পরেও যেন ঠিক ততটাই সম্মান জানাতে পারে, তবেই মানুষ মুক্তি পায় বাজে সম্পর্কের বেড়াজাল থেকে....
** সম্পর্ক শেষ হবার পর,যে আমাদের নিয়ে কোনো নোংরা মন্তব্য করে না!তাঁর সাথে যোগাযোগ না থাকলেও,তাঁকে শ্রদ্ধা করা যায়
((তবে আজকাল সম্পর্ক শেষ মানেই, নিন্দা করা আর তার বিরুদ্ধে বাজে কথা রটিয়ে বেড়ানো। মানে নিজেও ভালো ভাবে না থাকা আর অপর মানুষটিকেও ভালো না থাকতে দেওয়া। আজকাল কেউ কারোর শ্রদ্ধাই করতে পারে না তাই ধীরে ধীরে এই "সম্পর্ক" আর "ভালোবাসা " এই দুটি শব্দ বড়ো সস্তার হয়ে গেছে ))
**ভালোবাসায় স্বীকৃতি দিতে না পারলে প্রতিশ্রুতিও দিও না। অভিমান বাড়ে তাতে...
স্বীকৃতি হোক আর প্রতিশ্রুতি, এর থেকে বেশি মন ভাঙে প্রিয় মানুষের অপমান অনেকটা ভালোবাসার পর। কিছু মানুষ সুন্দর গুছিয়ে অপমান করতে পারে।যখন আমরা তাদের লজ্জার কারণ হয়ে যাই খুব কষ্ট হয়।
---------------------------------------------------------------02 -------------------------------------------------------------
কাল আমার প্রাক্তন (এক্স ওয়াই জেড বলতে ভালো লাগেনা) ফোন করেছিলেন অনেকদিন পর। ও কলকাতার বাইরে থাকে, আমাদের ছাড়াছাড়ি মোটেই মিউচুয়ালি হয়নি।
কামড়াকামড়ি, মাঝরাস্তায় অপমান, বন্ধুদের ফোন করে করে একে অপরের নামে গালাগালি, দুই পরিবার জড়িয়ে যাওয়া, সবই হয়েছে প্রায়। আরো কত কি!
যাইহোক গতকাল তিনি ফোন করে আমার হালচাল জিগ্যেস করলেন, নিদেনপক্ষে আমাকেও জিগ্যেস করতে হলো। তারপর টুকটাক কথা, ওর বাবা মা ঠাকুমার খোঁজ খবর নেওয়া, আমায় জিগ্যেস করলেন আমি জব পেলাম কিনা। প্রায় পনেরো কুড়ি মিনিট কথা হলো, সত্যি বলতে বেশ ভালো লাগলো.....
সম্পর্ক থাকাকালীন যে কথাগুলোতে বড্ড বিরক্ত হতাম, শোনার আগেই দুজনে দুজনের ফোন রেখে দিতাম, সেগুলোই সবচেয়ে বেশি করে শুনেছি কাল, বারবার শুনেছি একই কথা বারবার...
প্রায় আট দশ বছরের সম্পর্কেও ন্যূনতম ভালোবাসা থাকে না। আবার সম্পর্ক না থেকেও ভালোবাসার রেশ থেকে যায় দীর্ঘদিন। সম্পর্কে থাকাকালীন যে মানুষটার সম্পর্কে কুৎসা রটিয়ে আনন্দ পাই, যে মানুষটাকে বীভৎস অপমান করি। বিচ্ছেদের পর সেই মানুষটার সম্পর্কে ভাবলে কেমন কেমন কান্না পায় যেন....
কোনো এক রাস্তায় হেঁটে যাওয়া সন্ধের কথা মনে পড়লে মানুষটার মাথায় হাত বোলাতে ইচ্ছে হয়। দুপুরের ভাতঘুমে তাকে ভেবে দু এক ফোঁটা জল গড়িয়ে যায় চোখের কোন বেয়ে। চোখকে ভোলানো সহজ কিন্তু যে বুকে একবার শীত নেমে আসে, সে বরাবরই উষ্ণতা চায়, একটু আশ্রয় চায়, এক মুঠো রোদ, এক টুকরো আলো মাখা বিকেল চায়.....
যে কোনো সম্পর্কের তথাকথিত নাম মুছে দিলে দায়িত্ব, কর্তব্য, অধিকার সবটাই মিইয়ে আসে, শুধু দুটো শহরের আলাদা আলাদা প্রান্তে দুটো মানুষ নিঃস্ব হয়ে দাঁড়ায় হাত পেতে।
আসলে খুব ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকলে মানুষের ভেতরের অন্ধকারগুলোও ভীষণ প্রকট হয়ে ওঠে, তাই হয়তো তীব্র ভালোবাসার মতো রাগঅভিমানঘেন্নার পরিমাণও তীব্র হয়....
কিন্তু এই যে ছাড়াছাড়ি, ঘর পাল্টে ফেলা, হাতের রেখায় লেখা প্রিয় ডাক ঘষে ঘষে তুলে ফেলা, এক ঝটকায় সব আছে থেকে "নেই" হয়ে যাওয়া, এরপর আর ওই মানুষটার প্রতি স্রেফ করুণা, আর একটু আধটু মায়া ছাড়া আর কিচ্ছু পড়ে থাকে না।
ব্রেকআপের পর একই মানুষের সাথে একই সম্পর্কে কখনোই যাওয়া উচিত নয়, ইভেন কোনো রকম সম্পর্কই রাখা উচিত নয়, যা একবার চলে যায় তা আর আগের মতো করে কখনোই ফেরে না.....
কিন্তু বিচ্ছেদের ব্যথাটুকুও তো একটা সুতোর মতো দুটো মানুষকে গোটা জীবন বেঁধে রাখে, ওটুকু থাক বরং। মাঝেমধ্যে দেখা হওয়া, দু চারটে কথা বলা, ভালো মন্দ খোঁজ খবর নেওয়া, চোখে চোখ রেখে দুজনেই দুজনের প্রতি সম্মান বজায় রাখা, এটুকুর খুব দরকার, খুবই....
---------------------------------------------------------------03 -------------------------------------------------------------
ছেড়ে যাওয়ার পর কিছু মানুষকে আর একটুও মনে পড়ে না, তারা কোথায় যেন হারিয়ে যায়। সাবানের গ্যাজার মতো হয় কিছু মানুষ, যতক্ষণ গায়ের মধ্যে ঘষি, ততক্ষণই গ্যাজা হয়, ধুয়ে নিলেই আর কিচ্ছু থাকে না....
ছেড়ে যাওয়ার পর এক একটা মানুষের গায়ের গন্ধ, কাছে আসার স্পর্শটুকুও আর মনে থাকে না, কেমন যেন সব থিতিয়ে যায়। অথচ মানুষটা থাকাকালীন যতবার ছেড়ে যেতে চেয়েছে, আমরা কান্নাকাটি করেছি, বৃষ্টির দিনে একসাথে ভিজেছি, লম্বা ঘাসের উপর বসে একে অপরের চোখের দিকে ঘন্টার পর ঘন্টা তাকিয়ে থেকেছি....
কত কথা বলেছি, যা কিছু কোনোদিন কাউকে বলিনি, সব সবটা বলেছি….
কিন্তু মানুষটা আল্টিমেটলি যখন বিচ্ছিরিভাবে ছেড়ে যায়, তখন স্রেফ দুদিন মনখারাপ হয়, জ্বর আসে, ভাত খাওয়ার সময় গলা ধরে আসে, রাতে ঘুম পায় না, কান্না পায়, কিন্তু তারপর আর একটুও মনে থাকে না...
তার কাছে আসাও মনে থাকে না, ছেড়ে যাওয়াও মনে থাকে না, এমনকি তার দেওয়া উপহার দেখলেও খুব আবছা কিছু স্মৃতি মনে পড়ে, ভালো করে তার মুখটাও আর মনে পড়ে না....
কিছু মানুষ জড়িয়ে পড়তে জানে না, তাই তারা ছেড়ে যাওয়ার পরও তেমন কোনো আক্ষেপ থাকে না, তাদের ফিরে আসার অপেক্ষাও না....
খুব সহজেই কিছু মানুষকে আমরা ভুলে যাই, তারা আমাদের অভিমানে, অভিযোগে, প্রার্থনায়, কোথাওই থাকে না....
-ভালোবাসা মরে গেলেও মানুষ মায়ার টানে একটা মানুষের কাছে অনেকসময় পড়ে থেকে যায়। দীর্ঘদিন একসাথে থাকলে অনেকক্ষেত্রে ভালোবাসা মরে গেলেও মায়া থেকে যায়, গোটা জীবন মানুষটার দায়িত্ব নিতে ভালো লাগে...
কিন্তু একটা মানুষের প্রতি বিরক্ত হতে হতে মায়া মরে গেলে সেখানে আর থাকা যায় না, তখন ছেড়ে ইম্মিডিয়েট বেরিয়ে আসতে মন চায়।
তখন উল্টোদিকের মানুষটা কাঁদলো, না হাসলো, নাকি মরলো না বাঁচলো, কোনোকিছুতেই আর তেমন ফারাক পড়ে না, মানুষটার প্রতি কোনো অনুভূতিই বেঁচে থাকে না, স্রেফ মানুষটাকে ছেড়ে বেরিয়ে আসতে ইচ্ছে হয়....
---------------------------------------------------------------04 -------------------------------------------------------------
**নিজের সবটুকু উজাড় করে দেবার পরও কিছু মানুষ সারাটাজীবন নিজের পরিবার ও প্রিয়জনের কাছে অযোগ্য হয়ে থেকে যায়
**নিজেকে এমনভাবে ভালোবাসতে শেখো!যে কেউ তোমায় ভেঙেচুরে গেলেও তুমি নিজেকে আবার গড়ে নিতে পারো🌸
নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করার ভেতরেও একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে গেলে মানুষকে বারবার পুড়ে সোনা হতে হয়
**
কিছু_প্রেম_অভিশাপ_হয়ে_যায়
যেসব ছেলে মেয়েরা তাদের প্রেমিক প্রেমিকাকে অত্যন্ত সন্দেহ করে, সবসময় নিজের হাতের মুঠোয় রাখতে চায়, সারাক্ষণ নজরদারি চালায় তাদের প্রেমিক প্রেমিকা কোথায় কি করছে! কার সাথে মিশছে, কতক্ষন ফেসবুকে অনলাইন আছে, রাতে কটা অবধি জেগে আছে বারবার চেক করে....
সারাদিন ফোনের ভেতর চিপকে থাকে, অন্য কোনো বন্ধু ফোন করলে ভয়ঙ্কর ভাবে নিজের প্রেমিক প্রেমিকাকে অপমান করে, রাগ করে, অভিমানে ফেটে পড়ে।
সবসময় "আদর করো, চুমু দাও, একটু ভালোবাসো" এই কথাগুলোই ঘ্যানঘ্যান করে বলতে থাকে, তাদের সাথে একটা সময়ের পর প্রেম করার ইচ্ছেটাই মরে যায়....
আমার প্যানপ্যানানি টাইপের প্রেম কোনোদিন পছন্দ নয়, যেখানে একটা মানুষ একটা মানুষের জন্য চুপচাপ অপেক্ষা করতে জানে না, যেখানে একটা মানুষ একটা মানুষকে ব্যক্তিগত জায়গা দেয় না, যেখানে একটা মানুষ একটা মানুষকে ছাড়তে জানে না, একজন অপরজনের স্বাধীনতায় বারবার হস্তক্ষেপ করে,
একটা মানুষ একটা মানুষকে বিশ্বাস করে না, সারাটাক্ষণ নিজের ঘেরাটোপের মধ্যে রাখে, বন্দিশালায় বন্দি করে রাখে, সেখানে আর যাই হোক প্রেম হতে পারে না, ভালোবাসা ধীরে ধীরে মরে যায়...
পজেসিভনেস একটা সময় পর্যন্ত ভালো লাগে, তারপর আর নয়...
প্রেম একটা খোলামেলা ছাদের মতো, যেখানে স্বেচ্ছায় দুটো মানুষ মাদুর পেতে খানিক বসতে পারে, গল্প করতে পারে, বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে পারে, রাষ্ট্রদেশসমাজযৌনতাসম্পর্কসুখদুঃখবন্ধুবান্ধব নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারে....
বৃষ্টিতে গা ভিজিয়ে ঠায় বসে একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারে, একে অপরের ভুল ত্রুটি গুলো ধীরে ধীরে শুধরে দিতে পারে। প্রখর রোদে বেরিয়ে একসঙ্গে মিলে বাজারটা করতে পারে, একে অপরের অসুবিধে, সমস্যায় পাশে থাকতে পারে...
.
এরকম খোলামেলা মানুষের সাথে প্রেম করলে মানুষ নিজেকে উন্নত করতে শেখে...
যে মানুষটা পাশে থাকলে একটা আলসেমি ল্যাদখোর জীবন ভুলে আমাদের ভেতর দারুণ একটা জেদ কাজ করে, সারাটা দিন প্রচুর কাজ করেও ক্লান্তি আসে না চোখে মুখে, রাতের খাবারটা বেড়ে যে মানুষটা অপেক্ষা করতে জানে....
সেই মানুষটাকে পাশে পেলে জীবনটা সুন্দর হয়ে ওঠে....
নাচ শেখার যে ইচ্ছেটা মরে গিয়েছিল ভেতর ভেতর, সেই ইচ্ছেটাকে জাগিয়ে তুলতে পারে যে মানুষটা, সাঁতার কাটতে ভয় পাওয়া মানুষটাকে যে মানুষটা হাত ধরে জলে নামাতে পারে, পাহাড়ে উঠতে ভয় পাওয়া মানুষটাকে যে পাহাড়ে উঠিয়ে সূর্য ছোঁয়াতে পারে,
রান্না না জানা মানুষটাকে যে মানুষটা হাতে ধরে রান্না শেখাতে পারে, খুব অগোছালো জীবন যাপন করা মানুষটাকে যে মানুষটা ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠিয়ে কুয়াশা ভেজা ঘাসে হাঁটতে শেখায়,
সেরকম মানুষের সাথে ভালোবেসে সংসার করা হলো সৌভাগ্যের ব্যাপার, সবার কপালে জোটে না....
*প্রেম বা সম্পর্ক হলো হাইপো থেটিক্যাল ব্যাপার। ভাবলে আছে না ভাবলে নেই। কিন্তু এই হাইপো থেটিক্যাল ব্যাপারটার থেকে প্রেম কখন বেরিয়ে এসে বাস্তবে একটা সংসার গড়ে তোলে জানেন? যখন দুজনেই দুজনের দায়িত্ব ভালোবেসে বহন করে। মুখে কেউ কিছু না বললেও মাংসে ঝাল কম দেয় কারণ কাছের মানুষটা ঝালটা খেতে পারে না। মুখে কিছু না বললেও ঠিক রোজ রাতে বিছানাটা ঝেড়ে দেয় কারণ চাদর এলোমেলো থাকলে ঠিক ঘুম আসে না উল্টোদিকের মানুষটার