সংস্কৃতজনেরা সংস্কৃতিকে অসংখ্য সংস্কারবদ্ধ সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করবেন। কিন্তু আমি নিতান্তই সাধারণ মানুষ। তাই আমার কাছে সংস্কৃতির সংজ্ঞাও অতি সাধারণ। আমার আমিই আমার কাছে আমার সংস্কৃতি। সংস্কৃতি মানে সত্ত্বা। তাই তো অন্য দেশের সংস্কৃতি আমাদের কাছে পরদেশী সংস্কৃতি, নিজস্ব নয়। কেননা সেটা আমারা যতই অনুসরণের চেষ্টা করি না কেনো, সেটা হয় ধার করা পালক লাগানোর মত।
বিশ্বায়নের যুগে পুরো পৃথিবী চলে এসেছে হাতের মুঠোয়, পৃথিবীর দুই প্রান্তকে যেন এখন এক সুতোয় বাঁধা যায়। তবুও পৃথিবীর আনাচে কানাচে টিকে আছে অগণিত-অসংখ্য সংস্কৃতি। বরং সংস্কৃতির বেড়েছে প্রসার, পেয়েছে যেন বিশ্বদুয়ারে নবমর্যাদা।
সংস্কৃতি হলো মানুষের শিকড়ের মত। গাছ যেমন শিকড়কে ভিত্তি করে বড় হয়, ছড়িয়ে দেয় ডালপালা। মানব সভ্যতাও তেমন ছড়িয়ে পড়ে তার সংস্কৃতির উপর দাড়িয়ে। বৃক্ষের যেমন প্রয়োজন সূর্যের আলো-পানি, তেমনি সংস্কৃতিকেও লালন করতে হয় মমতায়-ভালোবাসায়। সংস্কৃতির বসবাস নিজ সত্ত্বায়।
আসুন না, আমারা আমাদের আমি কে একটু খুঁজে দেখি। ঘেটে দেখি নিজ অস্তিত্ব বিকাশের ইতিহাস। চলুন, উঁকি দেই নিজ সত্ত্বায়। তবেই বেঁচে থাকবে সংস্কৃতি আর মাথা উঁচু করে নিজ পরিচয়ে বাঁচতে পারবো আমারা।