২০২৪ সালের রমজানের শুরুতে আমরা ৩ জন বন্ধু সিদ্ধান্ত নেই – “এবার আমরা নিজেরা কিছু করবো, মানুষের পাশে দাঁড়াবো।”
মাত্র ২০০ টাকা করে চাঁদা তুলে বন্ধুমহল থেকে ১০ জনকে নিয়ে আমরা একটি ছোট ইফতার ডোনেশন করি। সেদিন ২০০+ মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করতে পেরেছিলাম।
সেই মানুষগুলোর মুখে হাসি দেখে আমাদের ভিতরে এক অদ্ভুত শান্তি ও ভালো লাগা কাজ করছিল। তখনই ঠিক করলাম — শুধু একদিন না, আমাদের নিয়মিত কিছু করা দরকার।
আমরা তখন মাত্র SSC দিয়েছিলাম। না ছিল অভিজ্ঞতা, না ছিল পরিচিতি — শুধু ছিল ইচ্ছা।
২০২৪ সালের মধ্যেই আমরা ১০+ প্রজেক্ট করে ফেললাম।
টিম ছিল মাত্র ৭ জন, সবাই বন্ধু। আমরা একসাথে করেছি:
ফ্রি শরবত বিতরণ
বন্যায় ত্রাণ
এতিমখানায় খাবার
কম্বল বিতরণ
বই ডোনেশন
শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তা
আমরা কখনো ভাবিনি, এই বয়সে এত কিছু করতে পারবো।
কখনো স্পন্সর পাইনি, তবুও আল্লাহর রহমতে একটার পর একটা কাজ করেছি।
আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিদিনের খরচ থেকে যদি ১০ টাকা করেও সঞ্চয় করা যায়, তাহলে একজন মানুষকে সাহায্য করার মতো কিছু আমরা করতেই পারি।
এই বিশ্বাস থেকেই শুরু হলো GoodCause Foundation।
আমরা প্রমাণ করেছি — পড়াশোনার পাশাপাশি ভালো কিছু করাও সম্ভব।
কেন GoodCause?
বর্তমানে অনেক সংগঠন কাজ করছে — কিন্তু আমরা সবসময় কোয়ালিটির দিকে নজর দিই।
আমরা বিশ্বাস করি, “শুধু ছবি তোলা বা পোস্ট করার জন্য নয়, বরং বাস্তব প্রভাব তৈরির জন্য কাজ করা উচিত।”
আমরা ইভেন্ট-সেন্ট্রিক নই, আমরা প্রভাব-সেন্ট্রিক।
আমরা কাজ করি মন থেকে, শান্তির জন্য — স্পন্সরের জন্য নয়।
আজকের তরুণ সমাজে অনেকেই মোবাইল গেম, আসক্তি ও বাজে অভ্যাসে ডুবে যাচ্ছে।
GoodCause সেই পথ থেকে সরিয়ে এনে তরুণদের “ভালো কিছু করার প্ল্যাটফর্ম” হিসেবে কাজ করছে।
আমরা জানি না কে কতদিন বাঁচবো।
তাই আমরা দেরি করি না — যখন সময় আছে, তখনই কিছু করি।
আমাদের লক্ষ্য, প্রতিটি ছোট উদ্যোগে একজন মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।
🧾 সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান (পর্যন্ত জুলাই ২০২৫)
✅ ১৭টি সফল প্রজেক্ট
✅ ৬০০+ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ
✅ প্রজেক্ট স্পন্সর ছাড়াই
✅ সম্পূর্ণ ছাত্র-নেতৃত্বাধীন টিম
✅ একটাই লক্ষ্য: মানুষের মুখে হাসি