পার্ক সিটি এডুটেইনমেন্ট একাডেমি (Park City Edutainment Academy ) — এমন এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে সবাই শেখে আনন্দের মধ্য দিয়ে।
Accession No.: 2025/001
সারাংশ:
লোকেরা মনে করে আপনি যখন আপনার জীবন পরিবর্তন করতে চান তখন আপনাকে বড় ভাবতে হবে । কিন্তু বিশ্ববিখ্যাত অভ্যাস বিশেষজ্ঞ জেমস ক্লিয়ার আবিষ্কার করেছেন ভিন্ন উপায়। তিনি জানেন যে প্রকৃত পরিবর্তন আসে দিনে দুটি পুশপু -আপ করা , পাঁচ মিনিট আগে জেগে ওঠা বা আরও একটি পৃষ্ঠা পড়ার শত শত ছোট সিদ্ধান্তের যৌগিক প্রভাব থেকে । সে এগুলো কে এটমিক হ্যাবিটস বলে । ‘একটি বিশেষ বই যা আপনার দৃষ্টিদৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করবে আপনার দিন এবং আপনার জীবন যাপন করার।” এই ছোট পরিবর্তনগুলি আপনার ক্যারিয়ার, আপনার সম্পর্ক এবং আপনার জীবনে একটি রূপান্তরমূলমূক প্রভাব ফেলবে । ‘এই আকর্ষক, বইটি হাতে -কলমে আপনার খারাপ রুটিন ভাঙতে এবং ভালোটা তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় গাইড।'
Accession No.: 2025/002
সারাংশ:
ধনী বা উচ্চবিত্তের বাবারা তাদের সন্তানদের অর্থ সম্পর্কে কি শিখায়? যা গরীব ও মধ্যবিত্তরা শেখায় না ? -রবার্ট টি কিয়োসাকি .. রিচ ড্যাড, পুওপুর ড্যাড, যে কারো জন্য একটি স্টার্টিং পয়েন্ট। যারা নিজেদের ফিনান্সিয়াল ভবিষ্যৎ এর নিয়ন্ত্রন নিতে চায়’। -ইউএসএ টুডে ফি ন্যা ন্সিয়ালী শীর্ষে উঠতে আপনা কে অবশ্যই ‘রিচ ড্যাড, পুওপু র ড্যাড’ বইটি পড়তে হবে । এটা এক সাধারণ জ্ঞান এবং আপনার ফিনান্সিয়াল ভবিষ্যৎ গড়তে ও মার্কেটকে ভালোভাবে বুঝতে পারা ’ -জিগ জাগলার, বিশ্বের নামকরা লেখক ও বক্তা ।
Accession No.: 2025/003
সারাংশ:
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি দীর্ঘআয়ু মানুষের দেখা পাওয়া যায় জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে আর সেই সব মানুষের দীর্ঘ ও সুখী জীবনের রহস্য নিয়ে লেখা ‘ইকিগা ই’ এই বইটি । আর সে জন্য সুখী ও দীর্ঘ জীবন যাপনের রহস্য জানার জন্য এই বইটি সবার পড়া উচিত। যা আপনার সুখী জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে ।
আমরা মানুষ , আমাদের প্রত্যেকের জীবনের ‘ইকিগাই’ ভিন্ন রকম, কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই জীবনের অর্থ খুঁজতে থাকি । যখন আমরা নিজেদের ‘ইকিগা ই’-এর সাথে যুক্ত হতে পারি তখন আমাদের কাছে জীবন অর্থপূর্ণ বলে মনে হয় এবং কাজ আমাদের আনন্দ দিতে শুরু করে । যখন আমাদের ‘ইকিগাই’-এর সাথে সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়, তখন আমাদের কাছে জীবন অর্থহীন হয়ে ওঠে ।
আধুনিক জীবন আমাদেরকে আমাদের প্রকৃত স্বভাব থেকে দূরে নিয়ে যায়। পয়সা , ক্ষমতা ও পদোন্নতি আমাদের মূল স্বভাবের থেকে দূরে নিয়ে যায়। এই তিনটি জিনিসকে কখনই নিজের জীবনে চেপে বসতে দেবেন না । আমাদের ভেতরে যে উৎসুকতা এবং ইন্টিউশন আছে তাকে দিক নির্ধারণ যন্ত্রের মতো ব্যবহার করুন। তাই আমাদের ‘ইকিগাই’ পর্যন্ত নিয়ে যাবে । তার থেকে লাভবান হন ও নিজের প্রকৃত আনন্দ পর্যন্ত পৌঁছানোর চেষ্টা করুন। যা পছন্দ হয়না , তার থেকে দূরে থাকুন। নিজের ভেতরের উৎসুকতাকে মরতে দেবেন না , কারণ সেটাই আপনার জীবের আসল অর্থ খুঁজে বার করে । কোনো মহান কাজ করা জীবনের উদ্দেশ্য , এমনটা নাও হতে পারে , হয়তো ভালো বাবা-মা হওয়া বা আপনার প্রতিবেশীকে সাহায্য করা ও আপনার ইকিগাই হতে পারে।
জীবন কোনো ধাঁধাঁ নয়, যে আপনি এর উত্তর খুঁজে পাবেন। শুধুমাত্র এমন কিছু ভাবুন যার দ্বারা আপনি নিজের সবচেয়ে পছন্দের কাজের সাথে যুক্ত থাকতে পারেন। আর সেই কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকুন, যে কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন যাতে বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয় স্বজনের সাথে দেখা করতে পারেন।
Accession No.: 2025/004
আমরা প্রত্যেকেই কথা বলতে চাই। ভয়, জড়তা , লজ্জা , আড়ষ্টতার কারণে অনেকেই কথা বলতে পারি না। যারা কথা বলতে পারি তাদের মধ্যে বেশিরভাগই জানি না কখন, কোন পরিস্থিতিতে , কার সঙ্গে কী কথা বলতে হয়। বর্তমান যুগ কথা বলার যুগ, অর্থাৎ কমিউনিকেশন ও নেটওয়ার্কিং এর যুগ। যথাযথভাবে কথা বলতে না পারলে কমিউনিকেশন ও নেটওয়ার্কিং তৈরি হয় না ।
‘হাউ টু টক টু এনিওয়ান’ ইন্টারন্যাশনাল বেস্টসেলার পুরপুস্কারপ্রাপ্ত আত্মউন্নয়নের বই। যেকোনো পেশার যেকোনো মানুষ কথার কৌশলে কীভাবে সফলতা অর্জন করবেন, সে বিষয়ে বাস্তব উদাহরণ-সহ পরীক্ষিত ৯২টি কৌশল এখানে তুলে ধরা হয়েছে । মূলমূত সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতা , ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্পর্ক উন্নয়ন এবং জীবনের যেকোনো পরিস্থিতিতে যেকোনো মানুষের সাথে কার্যকর কথা বলে সবার মন জয় করার কৌশল নিয়ে লেখা হয়েছে বইটি ।
Accession No.: 2025/005
আমাদের জ্বর, সর্দির মতাে কিছু সাধারণ শারীরিক অস্বস্তিতেও ফার্মেসি কিংবা ডাক্তারের চেম্বারে উদভ্রান্তের মতাে ছুটে যাই একটু ভালাে বােধ করার জন্য। কিন্তু এই সুন্দর শরীরটার ভেতরে বসবাস করে একটা পুরাে রাজ্য। যে রাজ্যে সুয়ােরানী থাকে, দুয়ােরানী থাকে। বিশাল প্রাসাদে প্রহরীর মতাে থাকে অসংখ্য স্মৃতি। এই স্মৃতি আমাদের বাঁচিয়ে রাখে , আমাদেরকে ‘আমি ’ হিসেবে তৈরি করে। মনের মাঝে পুষে রাখা এই বিশাল সম্রাজ্যে যখন দুঃখের কালাে মেঘ নেমে আসে , আমরা পারি না আর ঠিক থাকতে , আমরা পারি না নিজেদের ভালাে রাখতে। আমরা নিজেদে বুঝাই- ‘খারাপ থাকতে হয় না , কিংবা কান্না করতে হয় না '। কাউকে বলতে নেই তুমি কত খারাপ আছ।
দুঃখের মতাে কত চমৎকার এক অনুভূতিকে আমরা দূরে সরিয়ে দেই শুধু তা দেখতে ভালাে নয় বলে। দুয়ােরানী দুঃখ নিয়ে প্রাসাদ ছাড়ে , প্রতিশােধ নেয় ‘বিষন্নতা ’ হয়ে । অথচ এই দুঃখকে আপন করে নিলে , সবটা দিয়ে অনুভব করলে বুঝতে পারতাম, সুখটাকে নিজের মতাে করে পাওয়ার জন্য এই দুঃখ পাওয়া কত প্রয়ােজনীয়।
আমরা নিজেদের দুঃখ নিয়ে কথা বলতে ভয় পাই, তাকে দেখাতে ভয় পাই। মনে হয়, কে কী ভেবে বসে । মন খারাপের সময়গুলাে একা থেকে থেকে জমাই আমরা কষ্টগুলােকে। অথচ চাইলে কত সুন্দসুরভাবে ভালাে থাকা যায়। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে এই ভীতি , এই স্টিগমা অনেক দিনের। আমরা মানুষের মনের কথাগুলাে নিয়ে তাচ্ছিল্য করি , কিন্তু কেউ উল্টা পাল্টা কিছু করে বসলে নিজেরাই আফসােস করে বলি, ‘ইশ, আমার সঙ্গে একবার কথা বলতাে।
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে এই স্টিগমাগুলাে ভাঙার জন্য কাজ করছি প্রায় এক বছর যাবত। পথি মধ্যে পরিচিত হয়েছি অসংখ্য মানুষের সঙ্গে , যাদের গল্পগুলাে শুনে বুঝেছি , মানুষ কতা শক্তিশালী প্রাণী। ভেঙেচুরে শেষ হয়ে যাওয়ার পরও হার মানে না। ফিনিক্স পাখির মতাে উঠে আসে বারবার। চাই শুধু একটা নির্ভরতার জায়গা । কথা বলার একটা মানুষ।
আমাদের প্রয়ােজন চিন্তার ইতিবাচক পরিবর্তন, আমাদের প্রয়ােজন মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার পর্যাপ্ত জায়গা । এই গ্রন্থে পজিটিভ সাইকোলজি এবং মানসিক সমস্যা উভয় বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কীভাবে নিজের চিন্তাভিত্তিক পরিবর্তনের মাধ্যমে ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করা যায় বা দৈনন্দিন জীবনে মুখােমুখি হওয়া মানসিক সমস্যা গুলাে চিহ্নিত করা কিংবা প্রতিকার পাওয়ার ব্যাপারগুলাে উঠে এসেছে।
ব্যাপারটা এমন না যে , এই বই পড়লে একজন মানুষ সারাজীবন হাসিখুশি থাকা শুরু করবে। নিদেনপক্ষে নিজের সমস্যাগুলাে বুঝতে পারার মতাে বিষয়গুলাে অন্তত পাওয়া যাবে আশা করি।
Accession No.: 2025/006
তুর্কি অধ্যাপক দারোন অ্যাসেমোগলু এবং অর্থনীতিবিদ জেমস রবিনসন হওয়াই নেশান্স ফেইল গ্রন্থে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দিয়ে দেখিয়েছেন, ওপরের কোনো তত্ত্বই এককভাবে উন্নয়ন বা অবনমনের কারণ হতে পারে না । অ্যাসেমোগলুর মতে , প্রধান যে কারণকে প্রতিটা ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রতিটা রাষ্ট্রের উন্নয়ন বা অবনমনের কারণ হিসেবে দেখানো যেতে পারে , তা হচ্ছে অন্তরভুক্তিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সক্ষমতায় বা এর অভাবে। অ্যাসেমোগলুর পুরো বইকে , তিনটি শব্দে সামারি করা যায় তা হচ্ছে , ইন্সটিটিউশান, ইনস্টিটিউশন, ইনস্টিটিউশন।
তাঁর মতে , যখনই কোন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো অন্তরভুক্তিমূলক হয় এবং তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নাগরিকসংশ্লিষ্টতা থাকে ঠিক তখনই কোনো সমাজ বা রাষ্ট্র দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের ধারায় পা দিতে পারে। কারণ, একমাত্র মেধাভিত্তিক অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোই রাজনীতিবিদ বা আমলাদের হাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদের লুণ্ঠন ঠেকাতে পারে। তাঁর মতে , একমাত্র অন্তরভুক্তি প্রতিষ্ঠানই নাগরিকের শিক্ষা , স্বাস্থ্য, ব্যবসা, বিচারব্যবস্থা সহ সবকিছুতেই অধিকার এবং সুসম সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে। যার ফলে অসম প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শুধু কিছু এলিটের হাতে সম্পদ পুঞ্জিভূত হতে পারে না বা নাগরিক অধিকার নির্দিষ্ট কিছু এলিটের ইচ্ছায় কুক্ষিগত হয় না। এতে দীর্ঘ মেয়াদে হলেও অর্থনীতিতে একটা সমতা তৈরি হয় কিংবা মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটে । তিনি দেখিয়েছেন, আফ্রিকার অনেক দেশে এখন আর সাদাদের রাজত্ব না থাকলে ও অল্প কিছু ক্ষমতাশীল ব্যক্তি রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে সম্পদ লুটে নিচ্ছে -যাদের কারও গায়ের রংই সাদা নয়।
তিনি দেখিয়েছেন, এই ধরনের লুটেরা প্রতিষ্ঠানময় দেশগুলো দুষ্টচক্রে আবর্তিত হয়। কিছু এলিট তাদের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে রাষ্ট্রকে লুট করে সম্পদশালী হয়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে এই লুণ্ঠিত সম্পদ ব্যবহার করে কিছু সুনির্দিষ্ট গ্রুপকে প্রমোশন, কন্ট্রাক্ট, ক্ষমতা, দুর্নীতি ইত্যাদি সুযোগ-সুবিধা দিতে থাকে অথবা অস্ত্রের জোরে যেকোনো মূল্যে তাদের রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখে। ফলে মুক্ত সমাজ, সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং উদ্যোক্তা অর্থনীতি তৈরির সব সক্ষমতা এরা বিনষ্ট করে। ইতিহাস থেকে দেখা যায়, যেসব দেশে এই ধরনের চোষণমুখী বা লুটেরা প্রতিষ্ঠান প্রাধান্য বিস্তার করে সেখানে কোনো সাময়িক বিপ্লব বা পরিবর্তন এলেও, এই চোষণমুখি প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের ইচ্ছাকে চাপিয়ে রেখে পুনরায় লুণ্ঠনের সংস্কৃতি চালু করে । ফলে, এই ধরনের চোষণমুখী প্রতিষ্ঠানের দেশে জনগণের সম্পদের লুণ্ঠন দুষ্টচক্রের মতো বারবার ফিরে আসে । অ্যাসেমোগলুর মতে, এ ধরনের দেশ নিজস্ব সম্পদ যেমন খনিজ, অথবা শ্রমসম্পদ অথবা কৃষিকে ব্যবহার করে আপাত কিছু উন্নয়ন সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন ধরে রাখতে যে সৃষ্টিশীলতা এবং প্রাযুক্তিক পরিবর্তন দরকার, তা কোনো মতেই এ ধরনের দেশে অর্জিত হয় না । ফলে আপাত উন্নয়ন এবং প্রবৃদ্ধি অল্প কিছু সময়ের মধ্যেই থমকে দাঁড়ায়।
Accession No.: 2025/007
বইটি মূলত আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল সমাজে সন্তানকে শুধুই শিক্ষিত নয়, বরং নৈতিক, দায়িত্বশীল, ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন এবং মানসিকভাবে পরিপক্ব মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশনা দেয়। বইতে বলা হয়েছে—প্যারেন্টিং শুরু হয় গর্ভাবস্থা থেকেই, এবং শিশুর শারীরিক-মানসিক বিকাশের পাশাপাশি তার নৈতিক চরিত্র, ধর্মীয় শিক্ষা ও সামাজিক আচরণ গঠনে অভিভাবকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লেখকরা জোর দিয়েছেন সন্তানকে সময় দেওয়া, তার অনুভূতি বোঝা, রাগ-শাস্তি এড়িয়ে ধৈর্যশীল আচরণ করা, এবং বয়সভেদে উপযুক্ত দিকনির্দেশনা দেওয়ার ওপর। পাশাপাশি ছেলেমেয়ে সমান মূল্যায়ন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের প্রতি সহমর্মিতা, পরিবারে ন্যায়পরায়ণ পরিবেশ তৈরি এবং সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বিভ্রান্তি থেকে সন্তানকে সুরক্ষার কথাও আলোচিত হয়েছে। সার্বিকভাবে, বইটি জানায়—শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, বরং নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ, ধর্মীয় সংবেদনশীলতা এবং মানবিক গুণাবলীই একজন শিশু-কিশোরকে প্রকৃত “মানুষ” হিসেবে গড়ে তোলে।