রাজনীতি বা পলিটিক্স (Politics) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি সমাজ বা রাষ্ট্রের শাসন পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ এবং ক্ষমতার বণ্টন নিশ্চিত করা হয়.রাজনীতির মৌলিক ধারণাগুলোনিচে সহজভাবে আলোচনা করা হলো:
১. রাজনীতি কী? (What is Politics?)
রাজনীতি শব্দটি গ্রিক শব্দ 'Politika' থেকে এসেছে, যার অর্থ 'Affairs of the city' বা নগরের কার্যাবলি। সাধারণ অর্থে, এটি হলো একটি গোষ্ঠী বা সমাজের জন্য সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া. হ্যারল্ড ল্যাসওয়েলের মতে, রাজনীতি হলো— "কে কী পায়, কখন পায় এবং কীভাবে পায়"।
২. প্রধান মৌলিক ধারণাসমূহ (Key Concepts)
রাজনীতি বুঝতে হলে কিছু নির্দিষ্ট ধারণার জ্ঞান থাকা প্রয়োজন:
রাষ্ট্র (State): একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার এবং সার্বভৌমত্বসম্পন্ন রাজনৈতিক সংগঠন।
ক্ষমতা (Power): অন্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতা।
কর্তৃত্ব (Authority): যখন ক্ষমতার প্রয়োগ আইনসম্মত বা বৈধ হয়, তখন তাকে কর্তৃত্ব বলা হয়।
সার্বভৌমত্ব (Sovereignty): রাষ্ট্রের চূড়ান্ত এবং সর্বোচ্চ ক্ষমতা, যা অন্য কোনো শক্তির কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়।
সরকার (Government): রাষ্ট্রের সেই সংস্থা যার মাধ্যমে জনগণের শাসনকাজ পরিচালিত হয় এবং আইন কার্যকর করা হয়।
৩. রাজনৈতিক মতাদর্শ (Political Ideologies)
সমাজ কীভাবে পরিচালিত হবে, সে সম্পর্কে বিভিন্ন আদর্শ বা চিন্তাধারা রয়েছে:
গণতন্ত্র (Democracy): যেখানে সর্বোচ্চ ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন চলে।
সমাজতন্ত্র (Socialism): যেখানে সম্পদের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়।
রাজতন্ত্র (Monarchy): যেখানে ক্ষমতা উত্তরাধিকার সূত্রে একজন রাজা বা রানীর কাছে থাকে।
৪. রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও প্রতিষ্ঠান
সংবিধান (Constitution): রাষ্ট্রের শাসন পরিচালনার মৌলিক নিয়মাবলি বা আইনের সমষ্টি।
রাজনৈতিক দল (Political Party): একই আদর্শে বিশ্বাসী মানুষের সংগঠন যারা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করে।
নাগরিকত্ব (Citizenship): রাষ্ট্রের একজন সদস্য হিসেবে ব্যক্তির মর্যাদা, যা তাকে নির্দিষ্ট অধিকার ও দায়িত্ব দেয়।
সাতক্ষীরা জেলার চারটি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন সময়ে যারা সংসদ সদস্য (MP) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সর্বশেষ তথ্যও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া)
অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ: (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) - ১৩তম সংসদ (২০২৬)।
ফিরোজ আহমেদ স্বপন: (আওয়ামী লীগ) - ১২তম সংসদ (২০২৪)।
মুস্তফা লুৎফুল্লাহ: (ওয়ার্কার্স পার্টি) - ১০ম ও ১১তম সংসদ।
শেখ মুজিবুর রহমান: (আওয়ামী লীগ) - ৯ম সংসদ।
হাবিবুল ইসলাম হাবিব: (বিএনপি) - ৮ম সংসদ ও ৬ষ্ঠ সংসদ।
বি এম নজরুল ইসলাম: (আওয়ামী লীগ) - ৭ম সংসদ (উপ-নির্বাচন, ১৯৯৯)।
সৈয়দ কামাল বখত: (আওয়ামী লীগ) - ৭ম সংসদ ও ৩য় সংসদ।
আনসার আলী: (জামায়াতে ইসলামী) - ৫ম সংসদ।
সৈয়দ দিদার বখত: (জাতীয় পার্টি) - ৪র্থ সংসদ।
সাতক্ষীরা-২ (সদর)
মাওলানা মুহাঃ আব্দুল খালেক: (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) - ১৩তম সংসদ (২০২৬) এবং ৮ম সংসদ।
আশরাফুজ্জামান আশু: (জাতীয় পার্টি) - ১২তম সংসদ (২০২৪)।
মীর মোস্তাক আহমেদ রবি: (আওয়ামী লীগ) - ১০ম ও ১১তম সংসদ।
এম এ জব্বার: (জাতীয় পার্টি) - ৯ম সংসদ।
কাজী শামসুর রহমান: (জামায়াতে ইসলামী) - ৫ম ও ৭ম সংসদ।
মোঃ হাবিবুর রহমান: (জাতীয় পার্টি) - ৪র্থ সংসদ।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি ও দেবহাটা/কালিগঞ্জ আংশিক)
মুহাঃ রবিউল বাশার: (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) - ১৩তম সংসদ (২০২৬)।
আ ফ ম রুহুল হক: (আওয়ামী লীগ) - ৯ম, ১০ম, ১১তম ও ১২তম সংসদ।
এ এম রিয়াছাত আলী বিশ্বাস: (জামায়াতে ইসলামী) - ৮ম ও ৫ম সংসদ।
এস এম মোখলেসুর রহমান: (আওয়ামী লীগ) - ৭ম সংসদ।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ আংশিক)
গাজী নজরুল ইসলাম: (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) - ১৩তম সংসদ (২০২৬) ও ৮ম সংসদ।
এস এম আতাউল হক দোলন: (আওয়ামী লীগ) - ১২তম সংসদ (২০২৪)।
এস এম জগলুল হায়দার: (আওয়ামী লীগ) - ১০ম ও ১১তম সংসদ।
এইচ এম গোলাম রেজা: (জাতীয় পার্টি) - ৯ম সংসদ।
কাজী আলাউদ্দিন: (বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি - বিজেপি) - ৮ম সংসদ।
শাহাদাত হোসেন: (জাতীয় পার্টি) - ৭ম সংসদ।
মনসুর আহমেদ গাজী: (আওয়ামী লীগ) - ৫ম সংসদ।
উল্লেখ্য যে, ১৯৮৪ সালে সাতক্ষীরা মহকুমা জেলায় রূপান্তরিত হওয়ার আগে এই অঞ্চলের আসন বিন্যাস ভিন্ন ছিল [১.৩.১১]। বর্তমানে জেলাটিতে ৪টি সংসদীয় আসন রয়েছে।
ভারতের নিম্নেবর্ণিত শোষণ ও একতরফা স্বার্থ হাসিলের জন্য বিগত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সরকার সিকিমের লেন্দুপ দর্জির মত দেশকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছিল। নিজ মুখেই বলেছে
"ভারতকে যা দিয়েছি, সারা জীবন মনে রাখবে"।
ভারতের রাহু গ্রাসের কর্মকাণ্ড:
১। সীমান্তে হত্যা,
২। একতরফা ট্রানজিট ব্যবহার (বেনাপোল থেকে তামাবিল ও আখাউড়া, বাংলাবন্দ থেকে তামাবিল),
৩। নদীর উজানে বাঁধ দিয়ে মরুভূমিতে পরিনত,
৪। পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণ ও প্রশ্রয়,
৫। আমাদের কর্মক্ষেত্র দখল (১৫ লাখ+১১ লাখ),
৬। একতরফা বাণিজ্যিক শোষণ এবং দেশীয় শিল্প কারখানা ধ্বংস,
৭। আমাদের স্বার্বভৌমত্বের উপর খবরদারি,
৮। শিক্ষাক্রম ধ্বংস, নাচগানের শিক্ষাক্রম চালু,
৯। আকাশ সংস্কৃতির মাধ্যমে আগ্রাসন,
১০। আমাদের টিভি মিডিয়ায় ভারতীয় বিজ্ঞাপনের দখল ও এদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার,
১১। রোহিঙ্গা বিষয়ে মায়ানমারকে সহযোগিতা,
১২। প্রায় ফ্রীতে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার।
১৩। এদেশের উপর দিয়ে চলাচলকারী বিমানের আকাশ ক্লিয়ারেন্স ফি গ্রহণ।
১৪। "বিগ বি" প্রকল্পের আওতায় মাতারবাড়ী থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়ে সেভেন সিস্টার্স পর্যন্ত বাংলাদেশের খরচে রাস্তা তৈরি করা
১৫। সরকারি বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টকে জোর করে টাটা গাড়ি চাপিয়ে দেয়া ।
১৬। ভারতীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ে বাধ্য করা ।
১৭। ভারতীয় মিডিয়ার অপপ্রচার এবং "র" এর এজেন্ট দ্বারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো ।
১৮। পিলখানায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে বিদেশী বাহিনী দ্বারা হত্যায় সহযোগিতা এবং এনটিএমসি থেকে মোবাইল কল রেকর্ড সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা।
১৯। বেশি মাত্রায় দাদাগিরি, অবৈধ নির্বাচনে ইন্ধন, এক তরফা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সুবিধা গ্রহণ, সার্বভৌমত্বে হুমকি ইত্যাদি।
২০। আশির দশকে সুন্দরবনের দক্ষিণে জেগে উঠা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ দখল।
২১। দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় প্রদান।
২২। "র" এর এজেন্ট দ্বারা শ্রমিকদেরকে উস্কে দিয়ে গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা।
২৩। "র" এর এজেন্ট দ্বারা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অরাজকতা সৃষ্টি।
২৪। সংখ্যালঘুর নাটক সাজিয়ে আন্তর্জাতিকতার রূপ দিচ্ছে।
২৫। "ইসকন" এর মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে অসাম্প্রদায়িকতা উস্কে দেয়া।
২৬। এদেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সরকারের আমলে মোট ২০ টি চুক্তি এবং ৬৬ টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে বাধ্য করা।
২৭। ফেনীর পাশে মীরেরসরাই এলাকায় ১৬০০ একর জায়গা ইপিজেড হিসেবে বরাদ্দ নিয়ে গোয়েন্দাগিরির কাজে ব্যবহার করছে।
২৮। এদেশ থেকে নিরিহ মানুষকে গুম করে ভারতের কারাগারে আটক রাখা (০৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে গুম কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী ১০৬৭ জন অদ্যাবধি ভারতের কারাগারে আটক রয়েছে)।
২৯। চামড়ার মূল্য কমিয়ে চামড়া শিল্প ধ্বংসের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষা বিলুপ্ত করার পরিকল্পনা।
৩০। হায়দরাবাদ এবং সিকিমের মত অঙ্গ রাজ্য করার নীল নকশা প্রণয়ন।
৩১। সামরিক সামগ্রী ক্রয়ে বাধা প্রদান, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, ফেনী ও কুমিল্লা এয়ার ফিল্ড চালু করতে বাধা প্রদান।
৩২। রোহিঙ্গা ও বাংলাভাষীদের এদেশে অবৈধ পুশ ইন ইত্যাদি।
৩৩। পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ২৪১ টি সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার।
৩৪। এস আলমের ২৫০০ কোটি টাকা দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করছে।
প্রত্যেক দেশপ্রেমিকের উচিত ভাজাকার ভারতীয় রাজাকার, ভাদাকার ভারতীয় দালাল, "র''এজেন্টদের এবং আওয়ামীলীগকে বর্জন করা।
এমনকি কোন রাজনৈতিক দল ঐ কাজে সহযোগিতা করলে এবং প্রশ্রয় দিলে তাদেরকে বর্জন করুন।