বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির (সংক্ষেপে শিবির) ১৯৭৭ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ইসলামপন্থী ছাত্র সংগঠন। এটি শিক্ষা, আত্ম-উন্নয়ন এবং সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের ভালো ছাত্র ও মুসলমান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সম্পর্কে মূল তথ্য:
প্রতিষ্ঠা: ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
লক্ষ্য: ব্যক্তিগত রিপোর্টের মাধ্যমে পাঠ্য বই পড়া, ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং ইসলামের আদর্শের ভিত্তিতে তরুণদের গড়ে তোলা।
কার্যক্রম: তারা বিভিন্ন অনলাইন লাইব্রেরি ও রেডিও এর মাধ্যমে তাদের আদর্শ ও শিক্ষা প্রচার করে।
সাংগঠনিক কাঠামো: সারাদেশে তাদের কর্মী ও সদস্য ব্যবস্থা রয়েছে।
সমর্থক: কেউ চাইলে তাদের অফিসিয়াল সমর্থক ফরম পূরণ করে কর্মী বা সমর্থক হতে পারে।
অন্যান্য অর্থ:
'শিবির' শব্দের সাধারণ অর্থ হলো তাঁবু, ছাউনি বা সেনানিবাস।
১৯৭৭ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শহীদ মীর কাসেম আলী নেতৃত্বে মাত্র ছয় জন সদস্য নিয়ে ছাত্রশিবির গঠিত হয়। আর বর্তমানে এটি শুধু বাংলাদেশে নয় পুরো দক্ষিণ এশিয়ার সর্ব বৃহৎ ইসলামী ছাত্র সংগঠনে পরিণত হয়েছে। শিবির প্রতিষ্ঠার সময় বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে কোন মুসলিম ছাত্রদের প্রতিনিধিত্বকারী কোন সংগঠন ছিল না। তখন শিক্ষাঙ্গনে ইসলামবিরোধী বাম গোষ্ঠীর রাজত্ব চলত, একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের শিক্ষাঙ্গন ছিল ইসলাম বিরোধীদের দখলে, তাই শুরু থেকে ইসলামী ছাত্রশিবির ইসলাম বিরোধী বামদের কুনজরে পড়ে যায়। ইসলাম বিরোধীদের উৎপাত ছাড়ানোর জন্য তখন ছাত্ররা দলে দলে শিবিরে যোগ দেয়।
১৯৭৭ সালের প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশের ইসলাম বিরোধী সম্মিলিত ছাত্রগুষ্টির সাথে লড়াই করতে হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ ছাত্রশিবির নিজেদের সাহসিকতা, মেধা এবং শিক্ষার মাধ্যমে তাদেরকে আদর্শিকভাবে সর্বদা পরাস্ত করেছে। কিন্তু আমরা দেখেছি ইসলাম বিরোধীরা ২০০৯ সালে পর থেকে পুরো রাষ্ট্র দখল করে রাষ্ট্রকে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে, আমরা দেখেছি গুম, খুম, নির্যাতন করে ছাত্রশিবির কে দমিয়ে রাখা যায়নি, এই ফ্যাসিস্ট সরকার অলিখিতভাবে হত্যা করার বৈধতা দিয়ে দিয়েছে, আমরা দেখেছি আমাদের বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে শিবির সন্দেহে কি নিরাংশ ভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে শিবিরের কোন কর্মী এবং নেতাকে হত্যা করলে পুলিশের প্রমোশন হয় লীগের কর্মীরা নেতা হয়, আমরা ভুলি নাই আমাদের শহীদ ভাইদের রক্তের দাগ, আমরা এই সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ এবং এরা সহ এদের সহযোগিতাকারী আমলাদের বিচার চাই।