এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন - য

যদু বংশে জন্ম যার – যাদব

যথা বিহিত শ্রদ্ধা নিবেদন – অভিবাদন

যত দিন জীবন ততদিন – যাবজ্জীবন

যা অতিক্রম করা যায় না – অনতিক্রম্য

যা অনায়াসে বুঝতে পারা যায় – বোধগম্য

যা অধিক উষ্ণ বা অধিক শীতল নয় – নাতিশীতোষ্ণ

যা চলছে – চলমান; চলন্ত

যা ঘটবেই – অবশ্যাম্ভাবী, ভবিতব্য

যা গলে যায় – দ্রব

যা কষ্টে জয় করা যায় – দুর্জয়

যা গমন করতে পারে না / যা গমন করেনা – নগ

যা গতিশীল – জঙ্গম

যা কাজের অযোগ্য – অকেজো

যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে – বর্ধিষ্ণু

যা ক্রমাগত ক্ষয় পাচ্ছে – ক্ষয়িষ্ণু

যা একটুও ভাঙ্গেনি – অটুট

যা উচ্চারণ করা যায় না – অনুচ্চার্য

যা উদিত হচ্ছে – উদীয়মান

যা আগে হয়নি – অভূতপূর্ব

যা আইনের চোখে নিষিদ্ধ – বেআইনি

যা অর্জন করা হয়েছে – অর্জিত

যা অস্বীকার করা যায় না – অনস্বীকার্য

যা অনুকরণ করা যায় না – অননুকরণীয়

যা চিবিয়ে খেতে হয় – চর্ব্য

যা ধূম উদগীরণ করছে – ধূমায়মান

যা দেহ সম্পর্কিত – দৈহিক

যা দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে – চিরন্তন

যা চেটে খেতে হয় – লেহ্য

যা চুষে খেতে হয় – চোষ্য

যা পশুর উপযুক্ত – পাশবিক

যা প্রকাশ পেয়েছে – প্রকাশিত

যা প্রকাশিত হবে – প্রকাশ্য

যা পান করলে কখনো মৃত্যু হয় না – অমৃত

যা পানের যোগ্য নয় – অপেয়

যা পিশাচের উপযুক্ত – পৈশাচিক

যা পুনঃ পুনঃ জ্বলছে – জাজ্বল্যমান

যা পুষ্টি দান করে – পুষ্টিকর

যা পূর্বে ছিল – ভূতপূর্ব

যা পূর্বে হয়নি – অপূর্ব

যা বচনে বা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না – অনির্বচনীয়

যা নিবারণ করা যায় না – অনিবারিত

যা বপন করা হয়েছে – উপ্ত

যা বলা হয়েছে – উক্ত

যা বলা হয়নি – অনুক্ত

যা বলতে হবে – বক্তব্য

যা বহুকাল ধরে প্রচলিত – সনাতন

যা বহু কষ্টে লাভ করা যায় – দুর্লভ

যা বোধগম্য করা দুঃসাধ্য – দুর্বোধ্য

যা মনকে মুগ্ধ করে – মনোমুগ্ধকর

যা মঞ্জুর হয়নি – নামঞ্জুর

যা হৃদয়ে গমন করে – হৃদয়ঙ্গম

যা হৃদয় বিদীর্ণ করে – হৃদয়বিদারক

যা হতে পারে না – অসম্ভব

যা সামান্য নয় – অসামান্য

যা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না – দুর্লঙ্ঘ্য

যা সহজে লাভ করা যায় না – দুর্লভ

যা সহজে জয় করা যায় না – অজেয়

যা সহজে জানা যায় না – দুর্জ্ঞেয়

যা সকলের কল্যাণের জন্য রচিত – সর্বজনীন

যা শুধুমাত্র কথায় প্রকাশ করা হয় – অলৌকিক

যা মাথা পেতে নেয়ার যোগ্য – শিরোধার্য

যার ঈশ্বরে বিশ্বাস আছে – আস্তিক

যার ঈশ্বরে বিশ্বাস নেই – নাস্তিক

যার ঈমান নেই – বেঈমান

যার অন্য বা দ্বিতীয় নেই – অনন্য, অদ্বিতীয়

যার অন্য গতি নেই – অনন্যগতি

যাতে জল ধারণ করে – জলধি

যাতে কোনো নামের উল্লেখ থাকে না – বেনামী

যাতে একটি মাত্র তান – ঐকতান

যাকে পরাভূত করা যায় না – অপরাজেয়

যাকে শাসন করা কঠিন – দুঃশাসন

যাকে পোষণ করতে হয় – পোষ্য

যাকে পালন করা হয়েছে – পালিত

যাকে চেনা যায় না – অচিন

যার স্বামী বিদেশে থাকে – প্রোষিতভর্তৃকা

যার স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত – প্রতিবন্ধী

যার ভাতের অভাব আছে – হা-ভাতে

যার বাস জ্ঞাত নয় – অজ্ঞাতবাস

যার নাশ আছে / নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার – নশ্বর

যার নাম লিখিত আছে – নামাঙ্কিত

যার দ্বারা লেখা যায় – লেখনী

যার দাড়ি জন্মায়নি – অজাতশ্মাশ্রু

যার কাজ গাধার মতো – হাঁদা

যার কুলশী জানা যায়নি – অজ্ঞাতকুলশীল

যার ঘরের অভাব আছে – হাঘরে

যার চক্ষুলজ্জা নেই – চশমখোর

যার জন্য কোনো কর দিতে হয় না – নিষ্কর

যার তল স্পর্শ করা যায় না – অতলস্পর্শ

যার পত্নী বিগত হয়েছে – বিপত্নীক

যার বর্ণ পরিচয় হয়নি – নিরক্ষর

যার ভর্তা (স্বামী) বিগত হয়েছে – মৃতভর্তৃকা

যার মধ্যভাগ নিচু – অবতল

যার মধ্যে রহস্য থাকে – রহস্যময়

যার যশ আছে – যশস্বী

যার বসরোধ আছে – রসিক

যার লজ্জা শরম নেই – বেশরম

যার শত্রু জন্ময়নি – অজাতশত্রু

যার সব কিছু চুরি হয়ে গিয়েছে – হৃতসর্বস্ব

যার সংখ্যা হয় না – অসংখ্য

যার সংস্কার করা হয়েছে – সংস্কৃত

যার আগমনের কোনো তিথি নেই – অতিথি

যার আহারে সংযম আছে – মিতহারী

যিনি অধিক কথা বলেন না - মিতভাষী

যার বল নেই – অবলা

যার চোখের পলক পড়ে না – অপলক

যার চিত্ত বিষয়ে নিবিষ্ট – একাগ্রচিত্ত

যার পিঠ বেঁকে গিয়েছে – ন্যূব্জ

যার বিনাশ হয়নি – অবিনশ্বর

যার বিনাশ নাই – অবিনাশী

যার স্ত্রী বিদেশে থাকে – প্রোষিতপত্নীক

যার দুই অর্থ হয় – দ্ব্যর্থক

যার মৃত্যুকাল উপস্থিত – মুমূর্ষু

যার স্পৃহা দূর হয়েছে – বীতস্পৃহ

যার কোনো কিছু চাওয়ার নেই – অকিঞ্চন

যার কোনো নজির নেই – বেনজির

যা বিলুপ্ত হচ্ছে – বিলীয়মান

যা স্থানান্তর করা যায় – অস্থাবর

যা স্থানাস্তর করা যায় না – স্থাবর

যা বচনের অতীত – অনির্বচনীয়

যা জয় করা হয়েছে – বিজিত

যা গ্রহণ করার যোগ্য – গ্রাহ্য

যা নিন্দার যোগ্য নয় – অনিন্দ্য

যা অদূর ভবিষ্যতে হবার কোনো আশা নেই – সুদূরপরাহত

যারা মূর্তি পূজা করে – পৌত্তলিক

যার কোনো কিছুতে ভয় নেই – অকুতোভয়

যার পিতা ও মাতা নেই – অনাথ

যার জন্ম নেই – অজ

যিনি বহু দেখেছেন – বহুদর্শী

যিনি বহু দেখেছেন – বহুদর্শী

যিনি ব্যাকরণ জানেন – বৈয়াকরণ

যিনি উপন্যাস লেখেন – ঔপন্যাসিক

যিনি অনেক দেখেছেন – ভূয়োদর্শী

যিনি গবেষণা করেন – গবেষক

যিনি পথ দেখিয়ে চলেন – পথপ্রদর্শক

যিনি বক্তৃতায় পটু / যিনি বক্তৃতা দানে পটু – বাগ্মী

যিনি স্মৃতিশাস্ত্র ভালো বোঝেন – স্মার্ত

যিনি ভূত, ভবিষ্যৎ ও বর্তমান কালের বৃত্তান্ত জানেন – ত্রিকালজ্ঞ

যিনি বাক্যে অতি দক্ষ – বাচস্পতি

যিনি বাঘের চামড়া পরিধান করেন – কৃত্তিবাস

যিনি নিজেকে হীন মনে করেন – হীনমন্য

যিনি বিদ্যা লাভ করেছেন – কৃতবিদ্যা

যিনি বিধান প্রদান করেন – বিধাতা

যিনি যুদ্ধে স্থির থাকেন – যুধিষ্ঠির

যুদ্ধে ব্যবহৃত ঢাক – দামামা

যুদ্ধে পরাস্ত করা যায় না যে ভূমিকে – অযোধ্যা

যুদ্ধ হতে পলায়ন করে না যে সৈন্য – সংশপ্তক

যুদ্ধ সম্বন্ধীয় – সামরিক

যে অপরিচিত ব্যক্তি হঠাৎ এসেছ – আগন্তুক

যে অবস্থায় মানুষ দুঃখ পায় – কৈবল্য

যে আচার বা প্রথা অতিক্রম করেছে – অত্যাচারী

যে আশা ফলবতী হবার নয় – দূরাশা

যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে – কৃতজ্ঞ

যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না – কৃতঘ্ন

যে গাছে ফুল হয় না ফল হয় – বনস্পতি

যে কারো পরোয়া করে না – বেপরোয়া

যে কাজের অযোগ্য – অকেজো

যে কর্মের অযোগ্য – অকর্মণ্য

যে কর্ম প্রতিদিন করা হয় – নিত্যকর্ম

যে কর দেয় – করদ

যে কথা তীরের মতো মর্মভেদী – বাক্যবাণ

যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মে – মরণোত্তরজাতক

যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে – বীরপ্রসূ

যে কটু কথা বলে – দুর্বাক

যে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ায় – ভবঘুরে

যে কষ্ট সইতে পারে – কষ্টসহিষ্ণু

যে আদব কায়দা জানে না – বেয়াদব

যে নারী অন্যের নিন্দা করে না – অনুসূয়া

যে নারীর অনেক গরু আছে – গোমতী

যে ধরলে আর ছাড়ে না – নাছোড়বান্দা

যে দার পরিগ্রহ করেনি – অকৃতদার

যে দণ্ডের দ্বারা ভূমি খনন করে – বরাহ

যে তরু ভক্তের বাসনা পূর্ণ করে – কল্পতরু

যে জন্মগ্রহণ করেছে – জাতক

যে জলে ডুকে যাচ্ছে – নিমজ্জমান

যে জমিতে কোনো ফসল হয় না- ঊষর

যে নারীর স্বামী পুত্র আছে – বীরা

যে নারীর সন্তান হয় না – বন্ধ্যা

যে নারী পূর্বে অপরের স্ত্রী ছিল – অন্যপূর্বা

যে নারী সবসময় সাহ্যমুখী – সুস্থিতা

যে নারী সূর্যকে দেখেনি – অসূর্যস্পশ্যা

যে নারী স্বামীর প্রতি অনুরক্ত – প্রতিব্রতা

যে নারীর কথায় কোনো সংকোচ নেই – প্রগলভা

যে নারীর চোখ সুন্দর – সুনয়না

যে নারীর (বিধবা) পুনরায় বিয়ে হয়েছে – পুনর্ভূ

যে নারীর মুখ চন্দ্রের মতো সুন্দর – চন্দ্রমুখী

যে নারীর রূপ আছে – রূপসী

যে নারীর হাসি শুচি – শুচিস্মিতা

যে নারীর স্বামী বর্তমান – সধবা

যে নারী প্রিয় কথা বলে – প্রিয়ংবদা

যে নারী প্রিয় বাক্য বলে – প্রিয়ভাষী

যে নারী (মেয়ের) বিয়ে হয়নি – কুমারী

যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে – নবোঢ়া

যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে – কাকবন্ধ্যা

যে নারীর সন্তান বাঁচে না – মৃতবৎসা

যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত – অবীরা

যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত – বীরা বা পুরন্ধ্রী

যে নারী বীর – বীরাঙ্গনা

যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল – অন্য পূর্বা

যে নারী কখনো সূর্যকে দেখে নাই – অসূর্যম্পশ্যা

নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই – অনসূয়া

যে নারীর হাসি সুন্দর – সুস্মিতা

যে পথ দিয়ে বায়ু চলাচল করে – বাতায়ন

যে প্রাণী বুকে ভর দিয়ে চলে – সরীসৃপ

যে পাখি বৃষ্টির জল ছাড়া অন্য জল পান করে না – চাতক

যে পলায়ন করে আত্মগোপন করেছে – ফেরারী

যে পরকে আশ্রয় করে বাঁচে – পরজীবী

যে পথের দুধারে গাছ থাকে – বীথি

যে ভাগ্য গণনা করে – দৈবজ্ঞ

যে বিষয় ভীতি উৎপাদন করে – বিভীষিকা

যে ব্যক্তি গুণীর আদর করে – গুণগ্রাহী

যে বাস্তু হারিয়েছে – বাস্তুহারা

যে বার্তা নিয়ে গমন করে – দূত

যে বালির নিচে চোরা গহ্বর থাকে – চোরাবালি

যে বা যা দাঁড়িয়ে আছে – দণ্ডায়মান

যে হিসাব করে ব্যয় করে না – অমিতব্যয়ী

যে হাতে কলমে কাজ করে দক্ষতা লাভ করেছে – করিতকর্মা

যে স্ত্রীর বশীভূত – স্ত্রৈণ

যে স্বল্পকাল জীবিত থাকে – স্বল্পায়ু

যে সহজেই ভয় পায় – ভীতু

যে সহজে সকলের কথা বিশ্বাস করে – কানপাতলা

যে সরোবরে প্রচুর পদ্ম জন্মে – পদ্মকর

যে সব জানে – সবজান্তা, সর্বজ্ঞ

যা লাফিয়ে চলে – প্লবগ

যা শুয়ে আছে – শায়িত

যা মনে জন্মেছে – মনজ

যে ভূমি উর্বর নয় – অনুর্বর

যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় – সংবর্ত

যে মেঘের মতো গর্জন করে – মেঘনাদ

যে মেয়ের তুলনা হয় না – অনন্যা

যে মেয়ের বিয়ে হয়নি – অনূঢা

যে যন্ত্রের সাহায্যে দিকনির্ণয় করা যায় – কম্পাস

যে যান মহাকাশে গমন করে – মহাকাশযান

যে যাত্রায় কেউ গমন করলে আর ফেরে না – অগস্ত্যযাত্রা

যে রক্ত শোষণ করে – রক্তচোষা

যে রাজা ঋষির মতো জীবনযাপন করে – রাজর্ষি

যেখানে মৃত জীবজন্তু ফেলা হয় – ভাগাড়

যা অবশ্যই ঘটবে – অবশ্যম্ভাবী

যা অধ্যয়ন করা হয়েছে – অধীত

যা আঘাত পায় নাই – অনাহত

যা আঘাত দ্বারা সহজে ভাঙে না – ঘাতসহ

যা হেমন্তকালে জন্মে – হৈমন্তিক

যা আশা করা যায় তার অধিক – আশাতীত

যা উড়ে যাচ্ছে – উড্ডীয়মান

যা বর্ণনা করা যায় না – অবর্ণনীয়

যা ডুবে যাচ্ছে – ডুবন্ত

যা দমন করা যায় না – অদম্য

যা দেখা যায় না – অদৃশ্য

যা নিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে – পরিবর্তনশীল

যা পরলোক সন্বন্ধীয় – পরলৌকিক

যা পরিমাণ করা যায় না – অপরিমেয়

যা প্রশংসার যোগ্য – প্রশংসনীয়

যা বিনা আয়াসে লাভ করা যায় – অনায়াসলভ্য

যা বিনা যত্নে উৎপন্ন করা হয়েছে – অযত্নসম্ভূত

যা বিনা যত্নে লাভ করা হয়েছে – অযত্নলব্ধ

যা ভেদ করা দুঃসাধ্য – দুর্ভেদ্য

যা ভস্ম হয়েছে – ভস্মীভূত

যা মাটি ভেদ করে উঠে – উদ্ভিদ

যা মর্মকে স্পর্শ করে – মর্মস্পর্শী

যা মরার মতো – মৃতবৎ

যা যুক্তি সঙ্গত নয় – অযৌক্তিক

যা লঙ্ঘন করা উচিত নয় – অলঙ্ঘনীয়

যা শিরে ধারণ করার যোগ্য – শিরোধার্য

যা সহজে ভেঙে যায় – ভঙুর

যা সাধারণত দেখা যায় না – অসাধারণ

যা সম্পন্ন করতে অনেক অপব্যয় হয় – ব্যয়বহুল

যা সারাদিন ব্যবহার করা হয় – আটপৌরে

যার আকার কুৎসিত – কদাকার

যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে – প্রত্যুৎপন্নমতি

যার গন্ধ নেই – নির্গন্ধ, গন্ধহীন

যার গন্ধ ভালো – সুগন্ধ, সুগন্ধী

যার জায়া যুবতী – যুবজানি

যার প্রভা ক্ষণকাল স্থায়ী হয় – ক্ষণপ্রভা

যার রোগ নেই – নীরোগ

যার লজ্জা নেই – নির্লজ্জ, বেহায়া

যার সর্বস্ব চুরি গিয়ায়ে – হৃতসর্বস্ব

যার নিজের বলতে কিছু নেই – নিঃস্ব

যারা এক মাতার গর্ভে জন্মেছে – সহোদর

যা পূর্বে শোনা যায় নি – অশ্রুতিপূর্ব

যিনি সৃষ্টি করেন – স্রষ্টা

যে কোনো বিষয়ে স্পৃহা হারিয়েছে – বীতস্পৃহ

যে গাঁজার নেশা করে – গেঁজেল

যে তৃণাদি খেয়ে জীবন ধারণ করে – তৃণভুক

যে দিনে একবার আহার করে – একাহারী

যে নারী স্বয়ং পতি বরণ করে – স্বয়ংবরা

যে পুরুষ বিবাহ করেছে – কৃতদার

যে বাস্তু হতে উৎখাত হয়েছে – উদ্বাস্তু

যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ – শ্বাপদসঙ্কুল

যে বা যা প্রবীণ বা প্রাচীন নয় – অর্বাচীন

যে (ভাই) অগ্রে জন্মগ্রহণ করেছে – অগ্রজ

যে (ভাই) পরে জন্মগ্রহণ করেছে – অনুজ

যার বাসস্থান নাই – অনিকেত/অনিকেতন

যে রমণীর সুন্দর কেশ আছে – সুকেশা, সুকেশিনী

যে রোগ নির্ণয়ে হাতড়িয়ে মরে – হাতুড়ে

যে সকল বস্তু ভক্ষণ করে – সর্বভুক

যে স্তন্য পান করে – স্তন্যপায়ী

যে কর্মচারী গ্রামের জমিজমা ইত্যাদির হিসাব রাখেন – কানুনগো

যা উচ্চারণ করতে কষ্ট – দুরুশ্চার্য

যার কিছু নেই – অকিঞ্চিন