গুরুত্বপূর্ণ সময়রেখা
Important Timeline
গুরুত্বপূর্ণ সময়রেখা
Important Timeline
২৬৮ খ্রিষ্টপূর্ব
সম্রাট অশোক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত
১৯২৯ - ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দ
১৯৬৬ সালে মোগলদের দ্বারা যেই ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিলুপ্তির শিকার হয়, সেই ইতিহাস ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে আগমণ হয় প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ ভদন্ত পূর্ণাচার মহাথের ও জগৎচন্দ্র মহাথের। তাদের কর্তৃক বিহার আবিষ্কার ও শিলালিপি উদ্ধার হয়।
এক হিন্দু সন্ন্যাসী দক্ষিণের যুগল বৌদ্ধ স্মৃতি মন্দিরে একটিতে সাময়িক অবস্থানের অনুমতি নিয়ে তথায় বসবাস শুরু করলেন। বছর না যেতেই রামু থানার হিন্দু দারোগার সহায়তায় সেই মন্দির থেকে বুদ্ধ মূর্তি সরিয়ে দিয়ে তথায় স্থাপন করলেন এক শিব লিঙ্গ। মন্দির চূড়াতে হিন্দু মন্দিরের ন্যায় পরিবর্তন করে ফেললেন তিনি। তার এই অপকর্ম বন্ধ করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের শরণাপন্ন হলেন ভদন্ত জগতচন্দ্র। দুর্ভাগ্যক্রমে স্থানীয় রামু থানা কর্মকর্তা এবং কক্সবাজারের ডেপুটি কমিশনার দু’জনেই ছিলেন তৎকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক। তারা নিজের পাতে ঝোল ঢালার ন্যায় আচরণ করে হিন্দু সন্ন্যাসীর কাজ এগিয়ে যেতে সুযোগ দিলেন। এক বছর মামলা চলার পর ১৯৩১-৩২ ইং R.S. খতিয়ানে ১০৫/১০৬/১০৮/১০৯ ধারার পরিবর্তন মামলা মূলে ভারত সরকার পক্ষে G.K Bose কর্তৃক রাংকুটের দক্ষিণ পাহাড়ের যুগল মন্দির, উহাদের চত্বর ও পুকুরে হিন্দু-বৌদ্ধদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করে রায় প্রদান করা হলো। সেই রায়ের প্রেক্ষিতেই রাংকুট হয়ে গেল ‘রামকোট’ এবং রাং-উ হয়ে গেল ‘রামু’। কিন্তু সেই থেকে রাংকুট এর ভূমির অধিকার নিয়ে হিন্দু বৌদ্ধদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের অবসান আজ পর্যন্ত হয়নি।
১৯৬৬ - ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দ
বিদর্শন সাধক ভদন্ত প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাথের কর্তৃক অভূতপূর্ব সংস্কার
১৯৮১ - ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দ
শ্রীমৎ চন্দ্রজ্যোতি মহাথের কর্তৃক বিহার রক্ষণাবেক্ষণ
২০০৮-২০১৩ খ্রিষ্টাব্দ
ভূমি উদ্ধারে ভদন্ত প্রজ্ঞাবংশ মহাথের’র অবদান