আমেরিকান ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করতে আপনার সর্বমোট যত খরচ লাগবে-
আগের লিখাতে বলেছিলাম যে ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই এর টাইম-লাইন কিরকম হবে l আজ জানাচ্ছি যে আমেরিকান ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করতে আপনার সর্বমোট খরচ কিরকম পডবে
১) GRE দিতে আপনার খরচ পডবে ১৯০ ডলার, কম-বেশি ১৪০০০ টাকা।
২) TOEFL দিতে খরচ পডবে ১৫০ ডলার, কম-বেশি ১১৫০০ টাকা।
৩) ইউনিভার্সিটি অ্যাপ্লিকেশান ফিস ৫০ থেকে ১০০ ডলার (ধরি ৫০ ডলার করে-ই লাগলো), কম-বেশি ৪০০০ টাকা।
৪) অতিরক্ত ২ টা ইউনিভার্সিটি তে GRE score sending এর জন্যে লাগবে প্রতিটি ২৩ ডলার করে, কম-বেশি ১৭০০ টাকা করে প্রতিটি (৪ টা ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষা দেয়ার সাথে সাথে ফ্রি স্কোর পাঠাতে পারবেন)
৫) অতিরক্ত ২ টা ইউনিভার্সিটি তে TOEFL score sending এর জন্যে লাগবে প্রতিটি ১৭ ডলার করে, কম-বেশি ১৩০০ টাকা করে প্রতিটি (৪ টা ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষা দেয়ার সাথে সাথে ফ্রি স্কোর পাঠাতে পারবেন)
৬) DHL-এ Education documents পাঠাতে লাগবে প্রতিটি ১৯৫০ টাকা করে আর FedEx Education documents পাঠাতে লাগবে প্রতিটি ১৯১০ টাকা করে (এখন আরো বেশি বা কম লাগতে পারে)
যদি ধরি আপনি ৬ টি ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করবেন, তাহলে আপনার মোট লাগছেঃ
1) ১৪০০০ টাকা GRE পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশান ফিস
2) ১১৫০০ টাকা TOEFL পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশান ফিস
3) ৪০০০ X ৬ ইউনিভার্সিটি = ২৪০০০ টাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাপ্লিকেশান ফিস
4) ১৭০০ X ২ ইউনিভার্সিটি = ৩৪০০ টাকা GRE score sending ফিস
5) ১৩০০ X ২ ইউনিভার্সিটি = ২৬০০ টাকা TOEFL score sending
6) ১৯৫০ X ৬ ইউনিভার্সিটি = ১১৭০০ টাকা অ্যাপ্লিকেশান প্যাকেজ পাঠাতে লাগবে
তাহলে সর্বমোট লাগবে = ৬৭,২০০ টাকা
এখানে একটা খুব ভালো তথ্যের জানান দেয়ার লোভ সামলাতে পারছিনা। তা হচ্ছে, আপনি আমেরিকাতে ৬ টা ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লিকেশান প্যাকেজ পাঠাতে পারেন প্রায় ৬০০০ টাকা কমে, মাত্র ৭০০০ টাকাতে। অর্থাৎ, প্রতি প্যাকেজ প্রায় ১১৫০ টাকা করে লাগবে।
আমি যখন আমার প্যাকেজ DHL এ পাঠিয়ে ছিলাম প্রতি ইউনিভার্সিটিতে পাঠানোর জন্যে আমাকে ১৯৫০ টাকা হারে দিতে হয়েছিলো। আর আপনাকে দিতে হবে মাত্র ১১৫০ টাকা করে। বাংলাদেশ থেকে ইউএসএ তে পেপার ডকুমেন্ট পাঠানোর জন্যে FedEx or DHL কে আমি সবসময় নিরাপদ মনে করি।
আপনি যদি ইউনিভার্সিটি অ্যাপ্লাই এর কাজ অলরেডি শুরু করে থাকেন তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার জন্যে ৬০০০ টাকা সাশ্রয় কত বড সাশ্রয়।
আপনি এই সুবিধা পেতে পারেন একমাত্র GRE Center থেকে। GRE Center - DHL এবং FedEx এর সাথে একটা কর্পোরেট ডিড করেছে। তাই GRE Center এত কম মুল্যে এই সুবিধা দিতে পারছে।
GRE Center কে সবাই GRE এর কোচিং হিসাবে জানে; কিন্তু এদের DHL এবং FedEx এর মাধ্যমে Paper Sending Service বিষয়টা অনেকেই জানে না। আসলে ফেডএক্স এবং ডিএইচএল এর সেবাটাই GRE Center অনেক সাশ্রয়ী দরে দিতে পারে। এর কারণ, বাংলাদেশের ফেডএক্স এজেন্টের সাথে ডিড করার বদলে GRE Center দুবাই ভিত্তিক এবং হংকং ভিত্তিক প্রধান হাব (যাদের ক্ষুদ্র একটা শাখা হলো বাংলাদেশের ফেডএক্স/ডিএইচএল) এর সাথে ডিড করেছে। এর ফলে ভার্সিটির পেপার নিশ্চিতভাবে পৌছায়, এবং অনলাইনে ট্র্যাকিং করা যায়। কিন্তু কি পরিমাণ সাশ্রয়ী সেটা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কষ্টকর। আপনারা এই লিংকটা একটু দেখে নিতে পারেন:
http://www.grecenter.net/papersending/
ওই পেজে একটা টেবিল দেখতে পাবেন যেটার মধ্যে FedEx/DHL/TNT সবার সাথে GRE Center এর তুলনা করা হয়েছে।
US স্টুডেন্ট ভিসা- কেন ভিসা deny হয়, আর visa denial এডাবেন যেভাবে
সবার-ই একটা কমন প্রশ্ন থাকে যে আমি এত কষ্ট করে GRE, TOEFL দিয়ে I-20 নিয়ে আসার পর যদি আমেরিকান এম্বাসি আমাকে ভিসা রিজেক্ট করে দেয়, তাহলে কি হবে? সব কষ্ট-ই তো মাটি হয়ে যাবে?
আজ ভিসা রিজেকশান (আমেরিকান এম্বাসির ভাষায় ভিসা ডেনাইয়াল) এর আদ্যোপান্ত বলব।
আমি আমেরিকান সেন্টারের অডিটোরিয়ামে বেশ কয়েকটি ভিসা সেমিনারে ভিসা এক্সপিরিয়েন্স শেয়ার করেছি। সেমিনারে আমার সাথে আরো ছিলেনঃ
উইলিয়াম হ্যামাকার (ডাক নাম Bill) – Chief visa officer, U.S. Embassy in Dhaka.
রায়ান ব্রাডেন - Cultural Affairs Officer for Education & Exchanges, U.S. Embassy in Dhaka
সেমিনারে বিলের সাথে আর রায়ানের সাথে কথা বলে একটা তথ্য আমি সবাইকে শতভাগ নিশ্চয়তার সাথে বলব যে আমেরিকান এম্বাসি সব-সময় চায় মেধাবি ছাত্ররা আমেরিকাতে পডতে আসুক।
তারা কখনো-ই এই রকম মনে করে না যে “আজকে যে-ই আসুক আমি তার ভিসা রিজেক্ট করে দিবো” কিংবা “আজ এই নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি স্টুডেন্টকে আমি ভিসা দিবো না”। বিশেষ করে বর্তমানে ভিসা অফিসাররা ভিসা দিতে খুব-ই আগ্রহী।
ভিসা ইন্টারভিউর সময় ভিসা অফিসাররা সব সময় তিনটা তথ্যের নিশ্চয়তা চায়।
1) Must be a bonafide student
2) Must be able to show the fund for his education
3) Must have an intention to back in his home country.
যাইহোক আজ আমি বলব আসলে ওই সেমিনারে আমি এবং অন্যরা আসলে কি বলেন। সেমিনারে যা বলা হয়ঃ-
আমেরিকান স্টুডেন্ট ভিসা কি?
স্টুডেন্ট ভিসা দ্বারা আপনি কি কি করতে পারবেন?
কিভাবে স্টুডেন্ট ভিসার জন্যে অ্যাপ্লাই করবেন?
কি কি কারনে স্টুডেন্ট ভিসা ডিনাই হতে পারে?
কিভাবে আপনি স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়া থেকে সতর্ক থাকবেন?
Bangaldeshi student, Mr. Reza, shares his visa interview experince.
আমেরিকান স্টুডেন্ট ভিসা কি?
মার্কিন যুক্তরাষ্টের ছাত্র ভিসা কে F-1 Visa বলে। আমেরিকায় আপনি পডালেখা করতে যেতে চাইলে আপনার F-1 Visa থাকতে হবে। F-1 Visa হচ্ছে Non Immigrant Visa, যার অর্থ “the person applying for it has no intent to immigrate to the United States and it is the person’s responsibility to prove this towards the visa officer”
আমেরিকান আইন অনুসারে F-1 Visa দ্বারা স্টুডেন্ট কি কি করতে পারবেন?
1. Students can study and work in the university they have got I-20 For.
2. Students can work on campus in the University for the prescribed number of hours
3. Students can take internship work on CPT/OPT.
4. Students can utilize scholarships awarded to them.
5. Students can bring in their spouse and kids to USA.
6. Students can invite their Parents to USA.
Students attend the visa seminar and hear about the visa process from w. Hammaker.
যে সব কারনে US F1 visa deny হতে পারেঃ
ভিসা ইস্যু করা অথবা না করার বিভিন্ন আবেদনকারীর জন্যে বিভিন্ন হয়। তারপরেও প্রতিটি ভিসা অফিসারের আবশ্যক কিছু অনুসন্ধান তালিকা রয়েছে। যদি তা পূরণ হয় তাহলে তিনি ভিসা ইস্যু করবেন তাছাডা নয়। উদাহরনস্বরুপ, কোন আবেদনকারী পডা লেখা শেষ করে কেন বাংলাদেশে ফিরে আসবেন এই প্রশ্নের উত্তরে যদি কোন বাস্তব সম্মত উত্তর না দিয়ে যদি শুধু ভারি কিছু শব্দ ব্যাবহার অথাবা গতানুগতিক কথা বলেন তাহলে ভিসা অফিসার খুব সহজে ভিসা দিতে সম্মত হবেন না।
For instance, take the requirement of showing that you will return to Bangladesh. If you provide unambiguous pragmatic evidence pointing to reasons for return, he will have no reason not to grant a visa. US Visa Official Quote: "Give a rational, objective reason that even a banker would believe". If, on the other hand, you only play with words and have nothing substantial to show, it looks like a subjective decision, since it is based upon subjective evidence.
প্রয়জনীয় কাগজ বা নথি শুধু আপনার আংশিক কাজ সম্পন্ন করবে, আবেদনকারী কি বলেন আর কিভাবে বলেন তা বেশ গুরুত্বপুর্ন এবং আপনার ভিসা প্রাপ্তিতে পূর্ন সহায়তা করবে।
US Embassy Visa officials know that documents in Bangladesh can be easily forged. So what is on paper is not enough. What you say, how you say it, matters a lot. Sometimes it can even make up for inadequate documentation. US Visa Official Quote: "Some people complain that we did not see their documents. Remember, if we go through your documents when you are standing there, then that is a negative sign. It means we don't believe you and are checking the documents for proof or for grounds to reject you. So not seeing your documents in front of you is a good thing for you."
1. আবেদনকারীর যদি প্রয়জনীয় Test Score (যেমন GRE, TOEFL, IELTS, SAT) না থাকে কিংবা Test Score এরফলাফল সন্তোষজনক না হয় তাহলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
2. আবেদনকারী যে সত্যি-ই আমেরিকা তে পডা-লেখা করতে যাচ্ছেন, এই সম্পর্কে ভিসা অফিসারের মনে কোন সন্দেহেরউদ্রেক হলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
3. আবেদনকারীর যদি টিউশান ফিস, থাকা-খাওয়া এবং অন্যান্য ব্যায়ভার বহনে যথাযথ আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে ভিসাআবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
4. আবেদনকারী তার শিক্ষা কাল শেষ করার পর যদি নিজ দেশে ফিরে আসার সম্ভবনা না থাকে, কিংবা ভিসা অফিসারেরকাছে যদি মনে হয় যে তিনি আমেরিকায় অভিবাসী হওয়ার জন্যে যাচ্ছেন তাহলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
5. আবেদনকারীর নিজ দেশে দৃঢ পারিবারিক, আর্থিক, সামাজিক বন্ধন , ( Strong Family, Social, Economic ties) না থাকলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
6. ভিসা অফিসারকে কোন অসত্য তথ্য প্রদান করলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
7. DS-160 ফর্মে (ভিসা আপয়েন্টমেন্ট নেয়ার পুর্বে পুরনকৃত ফর্ম) কোন প্রকার অসত্য কিংবা ভুল তথ্য প্রদান করলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
8. আবেদনকারী যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন তার কোন প্রকার আক্রেডিয়াশান না থাকলে ভিসা আবেদন বাতিলেরসম্ভাবনা থাকে।
9. আবেদনকারী যে বিষয়ে শিক্ষা গ্রহন করতে যাচ্ছেন সে বিষয়ে কিংবা তার প্রয়োগ ক্ষেত্র সম্পর্কে আবেদনকারীর যথা-যথা ধারনা না থাকলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
10. আবেদনকারীর পুর্ববর্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সন্তোষজনক না হলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনাথাকে।
11. আবেদনকারী পোষাক-পরিচ্ছদ মার্জিত না হলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
12. অধিকাংশ ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার কারন Section 221(g) of US Immigration and Nationality Act. যার মুল কারন হচ্ছে কোন প্রয়জনীয় নথি অনুপস্থিত অথবা দূতাবাসের কোনো অতিরিক্ত তথ্য প্রয়োজন হয়েছে।
13. আবেদনকারী যদি Section 214(b) of US Immigration and Nationality Act অনুযায়ী প্রত্যাখ্যাতহয়, তার কারন এই যে, তিনি কনস্যুলার অফিসারকে তার পর্যাপ্ত শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিবারিক, সামাজিক,এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক প্রদর্শন করতে সক্ষম হননি।
যে ভাবে F1 visa denial এডানো যাবেঃ
1. ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় প্রয়জনীয় সকল প্রকার কাগজ-পত্র প্রদান করবেন
2. আবেদনকারী প্রয়জনীয় Test Score (যেমন GRE, TOEFL, IELTS, SAT) এর ফলাফল পত্র ভিসা অফিসারকে দেখাবেন।
3. আবেদনকারী যে সত্যি-ই আমেরিকা তে পডা-লেখা করতে যাচ্ছেন, এই সম্পর্কে ভিসা অফিসারের সকল প্রশ্নের যথাযথ উত্তর প্রদান করবেন।
4. আবেদনকারী তার টিউশান ফিস, থাকা-খাওয়া এবং অন্যান্য ব্যায়ভার বহনে যথাযথ আর্থিক সক্ষমতার প্রমান প্রদানে প্রয়জনীয় কাগজ-পত্র প্রদান করবেন।
5. মার্কিন যুক্তরাষ্টে অর্জিত ডিগ্রী আবেদনকারীর কিভাবে ভবিষ্যত গঠনে ভুমিকা রাখবে তা সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারনা থাকতে হবে।
6. আবেদনকারী তার শিক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর দেশে ফিরে কি করবেন এবং নিজ দেশে আবেদনকারীর দৃঢ পারিবারিক বন্ধন, আর্থিক বন্ধন, সামাজিক বন্ধন সম্পর্কে ভিসা অফিসার কে অবহিত করবেন।
7. ভিসা সাক্ষাৎকারের সময়ে এবং সকল আবেদনপত্রে সত্য এবং সঠিক তথ্য প্রদান করবেন
8. আবেদনকারী যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয় সম্মপর্কে সম্যক ধারনা থাকা আবশ্যক।
9. আবেদনকারী যে বিষয়ে শিক্ষা গ্রহন করতে যাচ্ছেন সে বিষয়ের প্রয়োগ ক্ষেত্র এবং নিজ দেশে সেই অর্জিত শিক্ষার প্রয়োগ সম্পর্কে যথাযথ ধারনা রাখবেন।
10. ভিসা অফিসার কি বলছেন তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। তার কোন প্রশ্ন না বুঝলে তাকে পুনরায় বলার জন্যে অনুরোধ করুন।
11. ভিসা অফিসারের সাথে সর্বদা সত্য কথা বলুন, মনে রাখবেন অসত্য তথ্য কিংবা প্রতারনা আপনাকে মার্কিন ভিসা থেকে চিরতরে বাতিল করে দিতে পারে।
12. অবশ্য-ই মার্জিত এবং ফরমাল ড্রেস পরবেন (মহিলা আবেদনকারীর ক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত জাকজমক পরিহার করা-ই শ্রেয়)
13. ভিসা অফিসারের সাথে হাসিমুখে কথা বলুন এবং সর্বদা আত্নবিশ্বাসী থাকুন।
মার্কিন যুক্তরাষ্টে উচ্চ শিক্ষার জন্যে আবেদন পক্রিয়া সহ F1 ভিসা সম্পর্কিত যেকোন তথ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট দুতাবাসের “আমেরিকান সেন্টার” এর সাথে যোগাযোগ করুন। “আমেরিকান সেন্টার” হতে কোন প্রকার মুল্য ছাডা আপনি ভিসা আবেদন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন সম্পর্কিত সঠিক এবং সর্বশেষ তথ্য পাবেন।
আমেরিকান সেন্টারের ঠিকানা হচ্ছেঃ
US embassy Annex
J Block, Progoti sharani, Baridhara, Dhaka-1212
Phone: (880) (2) 8855500 Ext. 2832
Fax: (880) (2) 9881677
Email: EducationUSA-Bangla@state.gov
Website: http://dhaka.usembassy.gov/advising.html
Hours: Sunday - Thursday 10:00am-4:30pm (except holidays)
পুনশ্চঃ ভিসা সেমিনারের নিউজ কাভারেজের একটা লিঙ্ক দিলাম, আশা করি উপকারে লাগবে।
http://www.kalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Download&pub_no=580&cat_id=3&menu_id=73&news_type_id=1&index=0&archiev=yes&arch_date=13-07-2011
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে কিছু কমন প্রশ্ন, আমেরিকান সেন্টারের ইতিকথা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে আগ্রহী অসংখ্য শিক্ষার্থী। তবে এ জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা কোথায় পাওয়া যাবে জানে না অনেকেই। যুক্তরাষ্ট্রেপড়াশোনার নানা দিক নিয়ে সম্পুর্ন নির্ভূল তথ্য জানতে পারবেন, ঢাকায় আমেরিকান সেন্টার থেকে।
আমেরিকান সেন্টার-এ আপনি Education Advisor এর কাছ থেকে পেতে পারেন উচ্চশিক্ষার যাবতীয় তথ্য। প্রত্যেক সপ্তাহে আমেরিকান সেন্টার-ই গ্রুপ এডভাইজিং সেমিনার হয়, আপনি অংশগ্রহন করতে পারেন। এছাডা আগে এপয়ণ্টমেন্ট নেয়া সাপেক্ষে আপনি Individual Counseling এর সুবিধা নিতে পারেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদনপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য পাওয়া যাবে এখানে। এ ছাড়া স্টুডেন্ট অ্যাডভাইজরের সাহায্য, আবেদন-প্রক্রিয়া নিয়ে সেমিনার, বিভিন্ন টেস্টের (TOEFL, SAT I, GRE, GMAT, GED) প্রস্তুতি, আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েট পড়াশোনায় সাহায্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাটালগ, পিটারসনস গ্র্যাজুয়েট এবং আন্ডার গ্র্যাজুয়েট গাইড, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগের প্রস্তুতি নিয়ে সেমিনার ও তথ্য পাওয়া যাবে। দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাও আছে।
আপনি যদি GRE, GMAT, TOEFL, SAT-I, SAT-II, GED, USMLE, MCAT এই পরীক্ষা গুলির কোন একটি দেয়ার ইচ্ছা পোষন করছেন, তাহলে সোজা আমেরিকান সেন্টারে চলে যান।
আপনি প্রত্যেকটি টেস্ট এর জন্যে Original Book পাবেন এখানে, সাথে পাবেন CD। আমেরিকান সেন্টারে আপনি উপরক্ত টেস্ট গুলির জন্য ফ্রি Mock Test দিতে পারবেন।
এছাডা-ও আমেরিকান সেন্টারে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ সহ কম্পিউটার ব্যাবহারের সুবিধা পাবেন। হাজারো রকমের বই ধার করে বাসায় নিয়ে পডার সুবিধা। কি ধরনের বই নেই সেখানে সাহিত্য, গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশান, কমিক, বিষয় ভিত্তিক যা আপনি চান সব কিছু।
আছে আমেরিকান মুভির বিশাল এক কালেকশান (সব গুলা-ই আবার অরিজিনাল, হাই ডেফিনাশান মুভি)। এই মুভি গুলা সেইখানে বসে দেখতে পারেন কিংবা DVD আপনার বাসায় নিয়ে এসে দেখতে পারেন।
উপরোক্ত এই সব সুবিধা নেয়ার জন্যে আপনাকে প্রথমে ৫০০ টাকার বিনিময়ে ১ বছরের জন্যে আমেরিকান সেন্টারের মেম্বারশিপ নিতে হবে। তারপর ব্যাস, সব কিছু-ই ফ্রি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে কিছু কমন প্রশ্ন
যুক্তরাষ্ট্রে কেন একজন পড়তে যাবে?
সারা বিশ্বে উচ্চশিক্ষা ও পেশা—দুটি ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের পড়াশোনাকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দেওয়া হয়। এখানকার সুযোগ-সুবিধা, শিক্ষক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মান সবচেয়ে ভালো। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করলে এখানকার সব শহর, গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তা সম্পর্কেও জানা যায়।যুক্তরাষ্ট্রে কারা পড়তে যেতে পারে?যেকোনো ভালো শিক্ষার্থীর জন্যই যুক্তরাষ্ট্রের দরজা খোলা।এখানে পড়াশোনার জন্য কী ধরনের প্রতিষ্ঠান আছে?দুই বছর মেয়াদি পড়াশোনার কমিউনিটি কলেজ থেকে শুরু করে অনেক বড় বিশ্ববিদ্যালয় আছে এখানে। এককথায় বলা যায়, বিশ্বের সেরা সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে এখানে।একজন শিক্ষার্থী কোথায়, কোন বিষয়ে পড়বে তা কীভাবে নির্বাচন করবে?এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দের ব্যাপার।
আমার নিজের শিক্ষাজীবন শুরু করার আগের পড়াশোনা, পছন্দ ও আর্থিক সামর্থ্যের দিকগুলো বিবেচনা করে আমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাছাই করেছিলাম। আপনারা অবশ্যই শুধু অনুমোদনপ্রাপ্ত (accredited) প্রতিষ্ঠানগুলোয় আবেদন করবেন। যে বিষয়ে পড়তে চান তাতে ওই প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা কেমন, প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত, ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত, গবেষণার সুবিধা এবং আর্থিক সাহায্য বা বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ এসব বিষয়ও বিবেচনা করতে হবে। শুধু বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই আবেদন সীমিত রাখবেন না। এখানে অনেক চমত্কার ছোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে, যেখানকার পড়াশোনা ও পরিবেশ খুবই উন্নতমানের।
অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা কোথায় পাওয়া যাবে?
কাউন্সিল ফর হায়ার এডুকেশন অ্যাক্রেডিটেশনের ওয়েবসাইটে এ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। ঠিকানা http://www.chea.org
যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা শেষ করতে কত সময় লাগে?
আন্ডারগ্র্যাজুয়েট (ব্যাচেলর) ডিগ্রি শেষ করতে সাধারণত চার বছর লাগে। এক বা দুই বছরের মধ্যে মাস্টার্স শেষ হয়। মাস্টার্সের পর তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে ডক্টরাল ডিগ্রি শেষ করা যায়।
পড়াশোনার খরচ কেমন?
বিশ্বের অন্য কোনো দেশের তুলনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার খরচ কমই বলা যায়। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বছরে খরচ হতে পারে গড়ে সাত হাজার ডলার (বেতন, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচসহ), ব্যক্তিমালিকানাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বছরে খরচ হতে পারে ২৫ হাজার ডলার (বেতন, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচসহ)।
স্কলারশিপ কিভাবে পাব?
অনেক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীই বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করেন। গ্রাজু্য়েট লেভেলে প্রায় সকল ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন ধরনের এসিস্ট্যান্টশিপ নিয়ে বিনা খরচে পড়া-লেখা করছে
কীভাবে পড়াশোনার খরচ জোগাড় করা যেতে পারে?
আবেদনের আগেই পরিবারের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করে নেওয়া ভালো। আর্থিক সাহায্যের জন্য আবেদন করা যেতে পারে। মেধা অথবা প্রয়োজনের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা সাহায্য পান। টিচিং অথবা রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের মাধ্যমেও সাহায্য পাওয়া যায়। বৃত্তি ও ফেলোশিপের মাধ্যমেও খরচ মেটানো যেতে পারে। এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে অনেক সময় ও শ্রম লাগবে। তবে সেটা কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজে দেবে।
কখন থেকে আবেদন-প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে?
আবেদন ও ভর্তি-প্রক্রিয়া শেষ হতে প্রায় এক বছর সময় লাগে। তাই অন্তত এক বছর আগে থেকেই আবেদন-প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে একাদশ শ্রেণীর ক্লাস শেষ হওয়ার ঠিক পর থেকেই আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত। ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা এ-লেভেল দেওয়ার পর থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে পারে। গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ভর্তির জন্য আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে পড়াশোনার শেষ বছরটি থেকেই প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত।যেমন ফল ২০১২ সেমিস্টারে ভর্তির জন্য এপ্রিল থেকে আগস্ট ২০১১-এর মধ্যেই প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত। নভেম্বর ২০১১-এর মধ্যেই প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা দিয়ে দিতে হবে। আবেদনের শেষ সময় হতে পারে নভেম্বর ২০১১ থেকে মার্চ ২০১২-এর মধ্যে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় অনুযায়ী এ সময় পরিবর্তিত হতে পারে।ভর্তির জন্য কী ধরনের পরীক্ষা দিতে হবে?মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার জন্য টোফেল প্রয়োজন হয়। কিছু প্রতিষ্ঠানে আইইএলটিএস স্কোরও গ্রহণযোগ্য।
আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ের জন্য স্যাট-১ দিতে হতে পারে। বিশেষ কিছু প্রতিষ্ঠানে স্যাট-২-ও লাগতে পারে। গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে পড়তে জিম্যাট অথবা জিআরই লাগে। বাণিজ্য বিভাগে পড়তে হলে জিম্যাট এবং অন্য সব বিভাগে জিআরই স্কোর প্রয়োজন হয়।
এই পরীক্ষাগুলোয় ভালো ফল করতে না পারলে কী হবে?
এসব টেস্টে পাস-ফেলের কোনো ব্যাপার নেই। একেক প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে একেক রকম স্কোর লাগে। শিক্ষার্থীদের আমি বলব এসব স্কোর নিয়ে খুব বেশি চিন্তা না করতে। কারণ ভর্তির যোগ্যতা হিসেবে স্কোরের পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় বিবেচনা করা হয়। যেমন গ্রেড, লেটার অব রিকমেন্ডেশন, পারসোনাল এসে (Personal essay) ইত্যাদি।
যুক্তরাষ্ট্রে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?
সাধারণত কলেজে শুধু আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম থাকে। কিছু কলেজে মাস্টার্স প্রোগ্রামও থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় সম্পূর্ণ গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম থাকে, সঙ্গে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামও থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা কলেজগুলোয় পড়াশোনা করতে পারাটা বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার মতোই মর্যাদার ব্যাপার।
ক্রেডিট ট্রান্সফারের কোনো সুযোগ আছে কি?
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুযায়ী ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগ ভিন্ন হয়। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দপ্তর থেকে সাহায্য ও তথ্য পাওয়া যাবে।শিক্ষার্থী বিনিময় সম্পর্কে জানতে চাই।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অল্প কিছু শিক্ষার্থী বিনিময় প্রোগ্রাম আছে। যেমন Near East South Asia (NESA) Undergraduate program; the study of the US Institute for Student Leaders Program, Fullbright Student Program।
দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে পড়াশোনা করাটা কি ভালো উপায়?
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্পাসে থেকে পড়াশোনার আসলে কোনো বিকল্প নেই। তবে খরচের কথা বিবেচনা করলে দূরশিক্ষণ পদ্ধতির সুবিধাও আছে। তবে দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে পড়তে চাইলে অবশ্যই দেখে নিন সেটি অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রোগ্রাম কি না।
ভর্তির জন্য কী ধরনের কাগজপত্র পাঠাতে হবে?
যে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হবেন, সেখান থেকেই এ ব্যাপারে জেনে নিতে হবে। সাধারণত যেসব কাগজপত্র লাগে তা হলো—পূরণ করা ভর্তির আবেদনপত্র, সত্যায়িত নম্বরপত্র বা ট্রান্সক্রিপশন, ডিগ্রির সনদপত্র, স্টেটমেন্ট অব পারপাস বা পারসোনাল এসে, রিকমেন্ডেশন লেটার, টেস্ট স্কোর এবং সার্টিফিকেশন অব ফিন্যান্স। অনেক জায়গায় অনলাইনে আবেদন করতে আবেদন ফি কম রাখা হয়।
পারসোনাল স্টেটমেন্ট কীভাবে লিখতে হয়?
আপনি কে এবং কী হতে চান এ বিষয়ে ভর্তি কমিটিকে ধারণা দিতে পারে আপনার পারসোনাল স্টেটমেন্ট।স্টেটমেন্টে নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন, নিজের ব্যক্তিত্ব তুলে ধরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজের অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা, পড়াশোনার বাইরের অন্যান্য কাজ ও অর্জন এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত আগ্রহের কথা তুলে ধরতে তাই দ্বিধা করবেন না। নম্বরপত্র ও টেস্ট স্কোর যা পারে না, পারসোনাল স্টেটমেন্ট আপনার সম্পর্কে ওই ধারণা দেবে। আপনি মানুষ হিসেবে কেমন, তা তুলে ধরবে। এটি লেখার পর কোনো শিক্ষক বা পরামর্শদাতাকে দিয়ে পড়িয়ে নেওয়া ভালো।
পড়াশোনার জন্য কী ধরনের ভিসা প্রয়োজন?
স্টুডেন্ট ভিসা দরকার হবে, যা এফ-ওয়ান ভিসা নামেও পরিচিত। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস থেকে ভিসা পাওয়া যাবে।
আমেরিকান সেন্টারে যোগাযোগের ঠিকানা কী?
Educational Advising Center
J Block, Progoti sharani, Baridhara, Dhaka-1212
Phone: (880) (2) 8855500 Ext. 2832
Fax: (880) (2) 9881677
Hours: Sunday - Thursday 10:00am-4:30pm (except holidays)
ই-মেইল EducationUSA-Bangla@state.gov
ওয়েবসাইট-http://dhaka.usembassy.gov এবং http://www.facebook.com/bangladesh.usembassy
প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতি বার সকাল দশটা থেকে বিকেল সাডে চারটা আমেরিকান সেন্টার খোলা থাকে।
আগস্টের ১ তারিখ থেকে নতুন GRE চালু হচ্ছে। Revised GRE-র জন্যে বাজারে এখন পর্যন্ত যে সকল বই পাওয়া যাচ্ছে। তারমধ্যে কোন বইটা ভালো, আর কেন ভালো তার একটা টেবল দিয়ে দিয়েছি। যারা নতুন GRE দেয়ার কথা ভাবছেন একবার দেখে নিতে পারেন।
নতুন GRE তে অনেক বেশি রিডিং কম্প্রিহেনশান আর সেন্টেন্স কমপ্লিটেশান আছে, তাই আর ওয়ার্ড মুখস্ত করতে হবে না বললে ভুল হবে।
আমি বলব নুন্যতম পক্ষে Word Smart বই এর ১৫০০ ওয়ার্ড মুখস্ত করে নিবেন।
GRE পরীক্ষা দেবার জন্যে ২/৩ টি বই পডলে-ই এনাফ। GRE পরীক্ষা দেয়ার জন্যে ৮/১০ টা বই পডা সম্ভব না। তাই আমি বলব ETS- official guide এর সাথে Princeton/ Kaplan/ McGraw-hill/ Barron’s এর যেকোন একটা বই ভাল ভাবে পডলে-ই হবে। ধারনা নেবার জন্যে কিংবা প্রাকটিস এর জন্যে আর ২-১ টা বই গো-থ্রু করতে পারেন।
সবার আগে একটা প্লান করে নিলে বেশ ভালো হয়। যেমন- আপনার হাতে কয় মাস সময় আছে, কোন বই এর পেছনে আপনি কত দিন সময় বরাদ্দ করছেন ইত্যাদি।
তবে মনে রাখবেন সবার মেধা সমান নয় আর সবার টার্গেট স্কোর-ও একই নয়।
নিজের মেধা আর টার্গেট স্কোর-এর প্রতি লক্ষ্য রেখে প্রিপারেশান নিন।
উল্লেখ্য, ডিভি লটারির বিকল্প হিসেবে এ বিলের প্রস্তাব করা হলো। আরো উল্লেখ্য, চলতি বছর থেকেই ডিভি লটারী থেকে বাংলাদেশ আউট হয়ে গেছে। এবিল পাশ হলে আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশীরাও স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাবেন। রিপাবলিকানদের এ বিলে স্পন্সরকরেছেন ৫০ জনের মত। এর মধ্যে ডেমক্র্যাট রয়েছেন মাত্র একজন। তিনিও টেক্সাসের এবং তার নাম হচ্ছে হেনরি কুয়েলার। হাউজে সংখ্যাগরিষ্ঠরিপাবলিকান দলের নেতা ভার্জিনিয়ার কংগ্রেসম্যান এরিক ক্যান্টর বলেন, ২০ সেপ্টেম্বর এ বিলের উপর ভোট হতে যাচ্ছে। হাউজে রিপাবলিকানরাসংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় তা পাশে কোনো শংকা নেই বলে জানা গেছে। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান (ডেমক্র্যাট) যো লফগ্রীনআরেকটি বিল উত্থাপন করেছেন। সেটিতে বলা হয়েছে, সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাথমেটিক্সে উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বছরে অন্তত: ৫০হাজার জনকে গ্রীনকার্ড প্রদান করতে হবে। এটি অবশ্য ডিভি লটারীর বিকল্প হবে না। অপরদিকে সিনেটে ডেমক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সিনেট জুডিশিয়ারিকমিটির চেয়ারম্যান হচ্ছেন নিউইয়র্কের সিনেটর চাক শ্যুমার। তিনি ১৮ সেপ্টেম্বর আরেকটি বিল উত্থাপন করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে দু’বছর মেয়াদিএকটি পাইলট প্রগামের কথা, যার মাধ্যমে প্রতি বছর ৫৫ হাজার উচ্চ শিক্ষিত বিদেশী ছাত্র-ছাত্রীকে গ্রীনকার্ড প্রদান করা যাবে। ডেমক্র্যাটরা অবশ্য আশাকরছেন যে ডিভি লটারী বন্ধ করে পারিবারিক কোটায় গ্রীনকার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধির। ল্যামার স্মীথ তার বিলের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনকালে বলেছেন, বর্তমানঅর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর বিদেশী ছাত্রদের নিজ দেশে ফেরত যাবার ব্যাপারটি চালু রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা। তারা যদি আমেরিকায় বসবাসের সুযোগ পান তাহলে নিজেরা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সক্ষম হবেন এবং তাদের মেধায় উপকৃত হবে আমেরিকা।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যাথ, কম্প্যুটার সায়েন্স, ফিজিক্যাল সায়েন্সে যত ছাত্র-ছাত্রী গ্যাজুয়েশনকরেছেন তার ৪৫% হলেন বিদেশী। ওই একই শিক্ষাবর্ষে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভকারীদের ৫২% হচ্ছেন বিদেশী।
আমাদের দেশে অনেক স্টুডেন্ট এর উচ্চশিক্ষার বেশ আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও, একটা বড় কনফিউশান হচ্ছে তার অনার্সের CGPA যেহেতু অন্যদের তুলনায় বেশ কম সেহেতু তারপক্ষে USA / Canada তে MS-PhD তে ফান্ডিং পাওয়া অনেকটা অসম্ভব। আসলে কি তাই?
- নাহ, বাস্তবতা হচ্ছে Admission- Funding এর ক্ষেত্রে CGPA ততবেশি গুরত্বপুর্ন নয় যতটা আমরা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মনে করি। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি, প্রথমে আমার কাছে সম্প্রতি আসা বেশ কিছু মেসেজ/মেইলের ধরন দেখাচ্ছি তাহলে আজকের পোষ্টটি বুঝতে সুবিধা হবে-
মেসেজ-১
আমি মোঃ **** আলম পরিসংখান বিভাগে বিএসসি(hons) ফাইনাল ইয়ার এ পড়াশুনা করছি। ব্লগ এ আপনার লেখা পড়ছি অনেক ভাল লেগেছে। আমার খুবই ইচ্ছে যে আমি আমিরিকায় পড়াশুনা করবো ।উল্লেক্ষ যে আমার সিজিপিএ ২.৭৫ এর বেশি উঠবে না। জিআরই স্কোর আমাকে কতটা হেল্প করবে ?
মেসেজ- ২
আমি ঢাবি আপ্লাইড কেমিস্ট্রির ছাত্র।আমার সিজিপিএ ৩.২৫। ফাইনাল ইয়ার।২০১২ এর জুলাই নাগাদ অনার্স শেষ হবে।এখন থেকে আমি হালকা পাতলা ব্যারন ওয়ার্ড লিস্ট পড়তেছি। আমার প্রশ্ন, এত কম সিজিপিএ নিয়ে কি আমি ফান্ড পাব?( মনে হয় না আমার কোন রকমের পেপার তৈরি করা হবে)......
মেসেজ- ৩
আমি ইইই থেকে পাস করব খুব শীঘ্রই, আমেরিকায় এম এস করার ইচ্ছা আমার সিজিপিএ ৩ হবে, আমার সিজিপি এ দিয়ে ফান্ড পাওয়া তো মনে হয় অসম্ভব? .......
মেসেজ- ৪
শক্তিশালী একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড মানে কি? ভালো সিজিপিএ নাকি ক্লাসের প্রথম পাঁচজনের মধ্যে থাকা? আমার সিজিপিএ যদি ৩.৫ এর উপর হয়, কিন্তু প্রথম পাঁচ-দশজনের মধ্যে না থাকি, তাহলে বিবেচনা কিরকম হবে ?
মেসেজ- ৫
Assalamualaikum vai,kmn asen ? vai amr 1ta info dorkar.ami EEE er student.amr cgpa khub kharap…….. amr ki funding paoar kono chance ase?ami max 3 lakh tk khoroch korte parbo.khub tensed vai.jodi funding er chance thake tobe toefl dibo.j kono uni te holai jete chai.shudhu funding dorkar.........??
মেসেজ- ৬
Vaiya recently ami ielts diyesi......but GRE er jonno ekono preperation nei nai... ekta jinish bolben vaiya....amar undergrad e CGPA 2.89 silo....concentration silo Electronics and Communication Engineering, from BRAC University. ei result diye ki USA te admission neya somvob ???
মেসেজ- ৭
hello bro...how are you?? i just feel hesitation about my B.Sc result. its 3.01 out of 4 in Fisheries...should i attempt to go USA...i like to study in fisheries related sub.. so pls inform me........and what should i do now??
মেসেজ- ৮
I passed from CUET EEE at 2010 and now looking forward to do MS by scholarship in a good university abroad. I have CGPA 3.11,….Would you please give a list of the universities which evaluate last 2 year's grade more than CGPA……
এখন আসছি মূল প্রসঙ্গে,
USA- Canada তে এডমিশান এর ক্ষেত্রে CGPA কতটা ভাইটাল, আর যাদের CGPA কম তাদের ফান্ডিং আর এডমিশন এর সম্ভাবনা কিরকম?
USA তে যখন একজন স্টুডেন্ট MS, PhD এর জন্যে অ্যাপ্লাই করে তখন তাকে অ্যাপ্লিকেশান প্যাকেজের সাথে মোটামুটি কমন যা যা পাঠাতে হয়ঃ
Academic Transcript
GRE / GMAT score report
TOEFL/ IELTS score report
Statement of purpose (SOP)
Letter of recommendations (LOR)
CV / work experiences (optional)
১)
অনেক ইউনিভার্সিটির এডমিশন ডিপার্টমেন্ট উপরক্ত প্রত্যেকটি রিকুয়ারমেন্টসকে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখে, অর্থাৎ তারা CGPA কে যতটা গুরুত্ব দেয় ঠিক সমান গুরুত্ব দেয় GRE / GMAT, TOEFL/ IELTS, SOP, LOR এর জন্যে।
ধরি একজন স্টুডেন্টের CGPA- 3.75, GRE score -1260 আর অন্য একজন স্টুডেন্টের CGPA- 3.15, GRE Score 1420 দুইজনের-ই admission weight একই হবে।
এডমিশনের ক্ষেত্রে আর একটা গুরুত্বপুর্ন ক্রাইটেরিয়া হচ্ছে- Extra Curricular Activities . আমেরিকান ইউনিভার্সিটিসমুহ কখনো Bookish স্টুডেন্ট চায় না। তারা চায় স্টুডেন্ট-র কমুনিটি ইনভলভমেন্ট কতটুকু, পডালেখার পাশা-পাশি স্টুডেন্টের আর কি কি কোয়ালিটি আছে (এটা আন্ডারগ্রাজুয়েটের জন্যে খুব বেশি ক্রুইশিয়াল রোল প্লে করে), সে তার অর্জিত ডিগ্রি কে কিভাবে কাজে লাগানোর প্ল্যান করছে ইত্যাদি।
আর Letter of Recommendations সব সময় CGPA এর মত সমান গুরুত্বপুর্ন। যদি-ও আমেরিকান ইউনিভার্সিটিসমুহ ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে আসা LOR কে তেমন একটা ভ্যালু দেন না। তারা এটাকে মোটামুটি ভাবে সত্বসিদ্ধ সত্য ধরে নিয়েছেন যে ৯০% ক্ষেত্রে ভারতীয় উপমহাদেশের ইউনিভার্সিটি শিক্ষকেরা নিজেরা LOR না লিখে ছাত্রদের দিয়ে লিখান।
(যাইহোক, LOR নিয়ে অন্য একটা পোষ্টে বিস্তারিত বলবো)
২)
আরেকটা গুরুত্বপুর্ন সিলেকশন ক্রাইটেরিয়া হচ্ছে ক্লাশ পজিশন।
যেহেতু ভিন্ন ভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে GPA scale বিভিন্ন আর সব ইউনিভার্সিটির Grade distribution range সমান নয় (কেউ ৮০ মার্কসকে ৪ পয়েন্ট ধরে, আবার কেউ ৯০ মার্কসকে ৪ পয়েন্ট ধরে)।
আবার সকল ইউনিভার্সিটির Class result সমান নয় ( অনেকটা আমাদের ঢাকা শহরের কিছু প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মত, ক্লাশের ১০০ জন স্টুডেন্টের মধ্যে ৫০ জন স্টুডেন্ট-ই CGPA 4.0 out of 4.0 স্কোর হল্ডার আবার ঢাবি-র কিছু ডিপার্টমেন্টে 4.0 out of 4.0 CGPA এক্কেবারে অসম্ভব)
আর রেজাল্ট অসমতার আরেকটা বড ক্ষেত্র হচ্ছে পৃথিবীর সকল দেশে রেজাল্ট পাবলিশিং সিস্টেম সমান নয়। উদাহরনস্বরূপ- ভারতীয় উপমহাদেশে এবং ব্রিটিশ ইউনিভার্সিটিসমুহ এখনো ক্লাশ (ফার্স্ট ক্লাশ, সেকেন্ড ক্লাশ) ফলো করে আর চায়না, কোরিয়া, ভারতের অনেক ইউনিভার্সিটিতে GPA scale হয় ৫ কিংবা ৮ অথবা ১০ এর মধ্যে।
উপরের এই সব অসমতা পরিহারের জন্যে আমেরিকা-কানাডার অনেক ইউনিভার্সিটি এখন রেজাল্টের চেয়ে ক্লাশ পজিশনকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
যেমনঃ যদি বুয়েট থেকে একজন স্টুডেন্ট 3.45 CGPA (within top 5% of the class) নিয়ে অ্যাপ্লাই করে আর অন্য একটা ইউনিভার্সিটির একজন স্টুডেন্ট CGPA 4.0 (within top 5% of the class) নিয়ে অ্যাপ্লাই করে, তাহলে সি জি পি এ ভিন্ন হওয়া সত্বে-ও দুই জনকে সমানভাবে বিবেচনা করা হবে।
এই সব ক্ষেত্রে CGPA কে আমলে না নিয়ে ক্লাশের প্রথম কত শতাংশ ছাত্রের মধ্যে পডছে এই বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।
৩)
কিছু কিছু ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টের ওভার-অল CGPA এর চেয়ে Last 2 year এর CGPA কে বেশি গুরুত্ব দেয়।
যেমনঃ এক পরিচিত বড ভাইয়ের Over all CGPA হচ্ছে 3.43 আর Last 2 year এর CGPA 3.81 সে এখন SUNNY- Buffalo তে PhD করছে।
৪)
অধিকাংশ আমেরিকান ইউনিভার্সিটি CGPA এর চেয়ে Research Experience বেশি মুল্যায়ন করে।
উদাহরন দিচ্ছিঃ ঢাবি-র ফার্মেসি ডিপার্টমেন্টের এক ভাই (নাম বলছি না) WES থেকে evaluation এর পর অনার্স- মাস্টার্স দুইটার-ই CGPA 4.00 out of 4.00 আসছে। সে এখন এই Fall semester এ TTUHSC তে ফান্ডিং সহ PhD তে যাচ্ছেন। একই ডিপার্টমেন্টের অন্য ছাত্র, যার CGPA 3.25 (কিন্তু ৬ বা ৮ টা পাবলিকেশন আছে) তিনি-ও ফান্ডিং সহ ভাল একটা ইউনিভার্সিটিতে PhD তে এডমিশন পেয়েছেন।
৫)
আবার কিছু ইউনিভার্সিটি তাদের প্রোগ্রামের জন্যে রিকুয়ার্ড কোর্সের grade point কে বেশি মুল্যায়ন করে।
ব্যাপারটা অনেকটা এই রকমঃ আমাদের দেশের অনেক ইউনিভার্সিটিতে কিছু আজাইরা সাব্জেক্ট থাকে Bangladesh Studies, Social Science and history, Basic Computer Studies, Basic Mathematics.
এই সাব্জেক্টগুলি অনেকটা ঔষধের বাইন্ডার- ফিলারের মত, এদের কোন উপকারিতা নাই কিন্তু শুধু আয়তনে (মোট ক্রেডিট সংখ্যা) বাডায়। ১ম -২য় সেমিস্টারের দিকে এই সাব্জেক্ট গুলি থাকে আর কিছু পোলাপাইন ওই সব সাব্জেক্টে কোপাইয়া মার্কস পায়। আমেরিকান প্রফেসররা-ও এত বোকা না, তারা এই ব্যাপার গুলা বুঝে আর এই সকল আজাইরা সাব্জেক্টের চেয়ে MS-PhD প্রোগ্রাম রিলেটেড কোর্সের গ্রেডকে বেশি মুল্যায়ন করে।
৬)
আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে CGPA কে একটা requirements এর base line ধরে। অনেকটা এইরকম যে ইউনিভার্সিটির রিকুয়ারমেন্টস যদি মিনিমাম সিজিপিএ ৩.২৫ হয় তাহলে তারা সিজিপিএ ৩.২৫ এর নিচে যারা অ্যাপ্লাই করবে তাদের সবাইকে বাদ দিয়ে দিবে আর এর উপর সবাই তাদের কাছে সমান গুরুত্ব পাবে। এটা করা হয় সে সব ইউনিভার্সিটিতে যারা অনেক diverse international student applicant পায়। তাদের পক্ষে সিজিপিএ দিয়ে স্টুডেন্ট মেজর করা সম্ভব হয় না।
উদাহরন দিচ্ছিঃ ধরি আমাদের বাংলাদেশ থেকে ২ জন স্টুডেন্ট আমেরিকান ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করেছে। একজন বুয়েটের ছাত্র যার সিজিপিএ ৩.৩০ আর অন্যজন ঢাকার রেড ইউনিভার্সিটি নামক কোন এক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ( এর আবার সিজিপিএ 4.00 out of 4.00)। একই আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার IIT-Delhi থেকে একজন applicant (CGPA 8.0 out of 10 scale) আর আর একজন অ্যাপ্লাই করেছে NUS (National University of Singapore) ( CGPA 4.20 out of 5.0 scale) থেকে। এই ধরনের আমেরিকান বা কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় যারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক রকমের applicant পায় তারা সিজিপিএ কে একটা base line হিসাবে ধরে ( এই সিজিপিএ এর উপর প্রপ্ত স্টুডেন্টরা অ্যাপ্লাই করতে পারবে) আর সকল successful applicant কে তারা তাদের প্যারামিটার অনুসারে মুল্যায়ন করে।
সারকথাঃ
ভালো CGPA সব সময় একটা প্লাস পয়েন্ট, CGPA যার যত বেশি ভাল প্রথম ইম্প্রেশনে-ই তাকে ততো বেশি ভাল স্টুডেন্ট ধরে নেয়া হয়।
তবে USA-Canada তে কখনো একটা প্যারামিটারকে ধরে এডমিশন-ফান্ডিং দেয় না। তারা CGPA, GRE, TOEFL, SOP, LOR, Research exp সব কিছু মিলিয়ে স্টুডেন্টকে মুল্যায়ন করে।
তাই- CGPA is not HEART of the selection criteria, It’s just PART of the selection criteria.
পুনশ্চঃ
MBA এডমিশন MS-PhD এডমিশনের চেয়ে সম্পুর্ন ভিন্ন এবং ইউনিভার্সিটি থেকে ইউনিভার্সিটিতে MBA admission criteria-ও ভিন্ন হয়। MBA এর জন্যে অনেক ইউনিভার্সিটি তাদের নিজস্ব কিছু ফর্মুলা ফলো করে। যেমনঃ
(GMAT socre /10) + (CGPA * 20) + (work exp * 5) ইত্যাদি।
আমেরিকায় পড়া-লেখা শেষ করছেন, এখন কিভাবে কর্মক্ষেত্রে বা ইন্ডাস্ট্রিতে চাকুরী খুঁজবেন? (পর্ব-১/৪)
অনেকেরই হয়তবা MS/PhD শেষ কিংবা শেষের পথে, এখন হয়ত একটা চাকুরী খুঁজছেন। তাদের জন্যে Job hunting নিয়ে চার পর্বের আয়োজন।প্রথম পর্বে আমরা বলবো "আমেরিকায় কিভাবে চাকুরিদাতারা হায়ার করে থাকেন", দ্বিতীয় পর্বে বলবো " অ্যামেরিকায় চাকুরী খোঁজার সবচেয়ে বেশিপ্রচলিত জব সাইট, সাবজেক্ট ভিত্তিক প্রচলিত জব সাইট ইত্যাদি। তৃতীয় পর্বে বলব "জব সাইট ছাড়াও আপনি আর কোন কোন পদ্ধতিতে সহজে চাকুরীরজন্যে এপ্ল্যাই করতে পারেন, কোন ট্রিকস গুলি ফলো করলে অন্য আর দশটা এপ্লিক্যান্টের থেকে সহজে চাকুরী পেতে পারেন" আর চতুর্থ এবং শেষ পর্বেবলব "খুব ইমারজেন্সি (OPT গ্রেস পিরয়ড শেষ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু চাকুরী মিলছে না), সেই ক্ষেত্রে কিভাবে এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে আপনার সাবজেক্টরিলেটেড চাকুরী ম্যানেজ করতে পারেন"। আমার কর্ম আর অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে এই আরটিক্যালটিতে অনেক বেশি অ্যাপ্লাইড সাইন্স আর লাইফ সাইন্সেরচাকুরীর দিকে বেশি ফোকাস করেছি। সম্পূর্ণ আরটিক্যালটি আমার ব্যাক্তিগত মতামত মাত্র।
অ্যামেরিকায় কিভাবে চাকুরিদাতারা হায়ার করে ?
ইন্টারনাল রেফারেন্সের মাধ্যমে হারায়: ছোট-মাঝারি কোম্পানি গুলি এইভাবে বেশি হারার করে। কোম্পানির বর্তমান এমপ্লয়িদের মধ্যে জানিয়েদেয় যে অমুক ডিপার্টমেন্টের ওই পোস্টের জন্যে চাকুরী প্রার্থী খুঁজছে, কারো কোন রেফারেল থাকলে হিউম্যান রিসোর্সের কাছে রিজুমে সবমিটকরতে হবে।
2. ক্যাম্পাস রিক্রুইটমেন্ট: এটা শুধু মাত্র এন্ট্রি লেভেল পোস্টের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, ক্যাম্পাস রিক্রুইটমেন্টের বড় সমস্যা, এক্সপেরিয়েন্সেড ক্যান্ডিডেটপাওয়া যায় না, ফলে এক্সপেরিয়েন্স ক্যান্ডিডেট কখনো ক্যাম্পাস রিক্রুইটমেন্টে হায়ার হয় না। আবার ক্যাম্পাস রিক্রুইটমেন্টের সারা বছর ধরে হয় না , February to May & September to November এর মধ্যে আমেরিকান ইউনিভারসিটিতে ক্যাম্পাস রিক্রুইটমেন্টের আয়োজন হয়।
3. জব বোর্ড: এটাও আমাদের জন্যে বেশ নতুন একটা কনসেপ্ট কিন্তু অ্যামেরিকাতে খুব প্রচলিত। বিশেষ করে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে।অনেক সময় চাকুরিদাতার বিশেষ কোন যোগ্যতা সম্পন্ন কিংবা নির্দিষ্ট কোন কাজে বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালের স্নাতক পছন্দ করেন, সেই ক্ষেত্রে সেইচাকুরিদাতা সেই চাকুরির জন্যে ১/২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার জব বোর্ডে চাকুরির বিজ্ঞাপন নোটিস আকারে সেঁটে দেয়ার জন্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগেঅনুরোধ পাঠান এবং সেই প্রতিষ্ঠান তার স্টুডেন্টদের ম্যাস ইমেইল পাঠান কিংবা জব বোর্ডে চাকুরির নোটিস সেঁটে দেন। এটিও অধিকাংশ সময় এন্ট্রিলেভেল পোস্টের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে
4. ক্যাম্পাস ক্যারিয়ার অফিস: আমরা বাংলাদেশিরা অনেকে হয়ত এই ধারনার সাথে পরিচিত না। এখানে প্রায় সব বড় ইউনিভারসিটি তে ক্যাম্পাসক্যারিয়ার অফিস থাকে , যারা প্রায় প্রতিদিন নিজেদের স্টুডেন্ট দের জন্যে লোকাল জব এর সার্চ করে চাকুরী দাতা আর চাকুরী প্রার্থী এর লিঙ্ক ব্রিজ করে।ক্যাম্পাস ক্যারিয়ার এর একটা বিশাল প্লাস হচ্ছে এরা এলামনাই দের সাথে সব সময় keep-in-touch থাকে। প্রতি মাসে নিয়ম করে এদের কাছ থেকেএলামনাইরা ইমেইল পান about donating in their University(প্রাইভেট ইউনিভারসিটির ক্ষেত্রে বেশি হয়) অথবা to contribute for recent/upcoming graduating students. ফলে চাকুরীর পাওয়ার একটা ভালো উপায় হচ্ছে ক্যাম্পাস ক্যারিয়ার অফিস।
5. জব সাইট: ওপেন আর ফেয়ার রিক্রুইটিং যদি বলি তাহলে আমরা ইন্টারনেটের জব সাইটসমূহের কথা বলতে পারি। প্রায় অধিকাংশ চাকুরিদাতারপ্রথম পছন্দ হচ্ছে জব সাইট। সহজে, কম খরছে, ঝামেলামুক্ত ভাবে অনেক যোগ্য প্রার্থীর নির্ভরযোগ্য সমাহার হচ্ছে জব সাইট। সুনির্দিষ্ট দক্ষতা সম্পন্ন , নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন চাকুরীর জন্যে জব সাইট অনেক বেশি সহায়ক।
6. স্টাফিং ফার্ম বা রিক্রুইটিং এজেন্সি: রেজুমে স্ক্রিনিং, জব ইন্টারভিউ, ব্যাকগ্রউন্ড চেক এই সব খুব ই সময়সাফেক্ষ আর নন-প্রডাক্টিভ। অনেকচাকুরিদাতা-ই এই সব ঝামেলা এড়িয়ে স্টাফিং ফার্ম বা রিক্রুইটিং এজেন্সিকে নির্দিষ্ট জব রিকুয়ারমেন্টস আর স্যালারি জানিয়ে দিয়ে এমপ্লয়ি হায়ার এরদায়িত্ব দিয়ে ঝামেলাহীন থেকে কোম্পানির প্রোডাক্টিভিটির দিকে মনোযোগী হতে চান। প্রায় অধিকাংশ শর্ট টার্ম কন্ট্রাক্ট জব, কিংবা সাময়িক প্রজেক্টহায়ারের জন্যে স্টাফিং ফার্ম বা রিক্রুইটিং এজেন্সির কোন বিকল্প নেই। স্টাফিং ফার্ম বা রিক্রুইটিং এজেন্সির সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে স্যালারি কমিশান বাসার্ভিস পারসেন্টেজ, যা আপনার স্যালারি থেকে নির্দিষ্ট অংশ কেটে রাখে অথবা এক-কালীন সার্ভিস চার্জ নেয়।