যে চোখের দিকে তাকালেই তোমার দেখা হয়ে যেত আদিগন্ত পাহাড়,পর্বত চূড়োর পেছনে সূর্যোদয়
সেই চোখেই কী তুমি দেখোনি তোমার অবিরল ক্ষতি?খাঁটি শোভন কষ্ট?
যে চোখের দিকে তাকালেই তোমার দেখা হয়ে যেত আদিগন্ত পাহাড়,পর্বত চূড়োর পেছনে সূর্যোদয়
সেই চোখেই কী তুমি দেখোনি তোমার অবিরল ক্ষতি?খাঁটি শোভন কষ্ট?
কবি তুমি একবার তোমার মুখোশ খোলো
এসো,নিজের ছায়া মস্ত করে অস্তাচলে বোসো
এই তো,এবার খুলে দাও তোমার সৌন্দর্য মোড়ক,তোমার মৌলিক মুখোশ,খুলে দাও হ্রদয় তোমার সমস্তটুকু।
মহীরুহ ছেড়ে হয়ে যাও স্বচ্ছ ঘাস,কচি লেবুপাতার মত সবুজ
আমি সেই তুচ্ছ তৃণের নাগরিক জীবনের গল্প শুনতে চাই।
কবি যে চোখে তুমি আগামীকাল এবং স্বপ্ন দেখো,
ধূসর প্যাঁচা ডাকপিয়ন হয়ে আমায় জানায় ব্যথিত নীল ওই চোখ।
যে চোখের তারায় আমি অভ্রের ঝিলিক দেখি,
আড়ালে তার শত শতাব্দীর নীল অন্ধকার,শুকনো কাঠের রক্তিম চিতা জ্বলে।
কবি তুমি ছিঁড়ে ফেলো ক্ষমার রুমাল
দেখাও তোমার কিনারাহীন আগুনের নদী
তছনছ করো শান্ত আকাশ,সৌম সকাল
দেখাও তোমার নির্জন দুপুর,একাকী রাত।
কবি আমি তোমার অঘ্রানের অন্ধকারে ডুবতে চাই।
আমাকে বলো কতকাল তুমি সন্ধ্যার আঁধারে ভিজে ফিরেছো বাড়ি
ফাল্গুনের রাতের অমানিশায় যখন ডুবে গেছে পঞ্চমীর চাঁদ
তুমি সেই কৃষ্ণপক্ষকে জাদুবলে বানিয়েছো কবিতা-"শুক্লপক্ষ" -ম্লান নীল জ্যোৎস্নার আলো
অথচ আমি তো জানি চাঁদ ডুবে গেলে অদ্ভুদ আঁধারে তোমার জানালার ধারে কোনো এক নিস্তব্ধতা আসে।
আমাকে বলো কীভাবে তুমি স্মৃতির ফসিল উড়িয়ে দিয়ে হয়েছো জীবন্ত জীবাশ্ম
কবি?শুনছো?যে চোখের দিকে তাকালেই তোমার দেখা হয়ে যেতো আদিগন্ত পাহাড়,পর্বত চূড়োর পেছনে সূর্যোদয়
সেই চোখেই কী তুমি দেখোনি তোমার অবিরল ক্ষতি?খাঁটি শোভন কষ্ট?
কবি মুখ খোলো,মুখোশ খোলো
এসো আমরা জেগে থাকি জীবনের স্রোত ভালোবেসে
দু'জনে মিলে শুণ্য করে চলে যাই রাতের আকাশ
কবি?যাবে?