L.M.A.F – স্বাস্থ্যসেবার পথে আমার প্রথম সনদ
২০০৮ সালে আমি সফলভাবে সম্পন্ন করি Local Medical Assistant and Family Planning (L.M.A.F) কোর্স, যা পরিচালিত হয় CMSS Medical Training Institute, Dhaka-এর অধীনে। বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত এই প্রতিষ্ঠান থেকে আমি ছয় মাসের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করি, যা ছিল আমার স্বাস্থ্যসেবা পেশার ভিত্তি গড়ে তোলার প্রথম ধাপ।
এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আমি যেসব বিষয়ের উপর গভীর জ্ঞান অর্জন করি:
Anatomy & Physiology
Pharmacology & Pathology
Gynecology & Obstetrics
Pediatrics & Psychiatry
Medicine & Surgery
Community & Forensic Medicine
এই কোর্সটি আমাকে শুধু রোগ নির্ণয় ও প্রাথমিক চিকিৎসার দক্ষতা দেয়নি, বরং কমিউনিটিতে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের প্রতি দায়িত্ববোধও জাগিয়ে তোলে।
সনদপ্রাপ্তির তারিখ: জানুয়ারি ২০০৮ – জুন ২০০৮
নাম: মোঃ সায়েদ নূর
সার্টিফিকেট নম্বর: 4044
নিয়ন্ত্রক: ডা. মোহাম্মদ রেজাউল বারী (M.B.B.S, C.M.U.)
প্রধান শিক্ষক: ডা. আব্দুন নূর ভূঁইয়া (Ex-Civil Surgeon)
এই সনদ আজও আমার পথচলার প্রেরণা। আমি বিশ্বাস করি, কমিউনিটির প্রতিটি মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে, আর সেই অধিকারে পৌঁছে দিতে L.M.A.F প্রশিক্ষণ আমার হাতিয়ার হয়ে আছে।
আমি Md. Sayed Noor, একজন সরকার স্বীকৃত Village Doctor এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত Community Paramedic, কক্সবাজার সদর হাসপাতালে Civil Surgeon অফিসের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত Village Doctor Refresher Training on Primary Health Care (PHC) সফলভাবে সম্পন্ন করেছি।
এই প্রশিক্ষণ আমাকে গ্রামের সাধারণ মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা, রোগী মূল্যায়ন, ও রেফারেল ব্যবস্থা সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করেছে। এটি Ministry of Health & Family Welfare এবং Directorate General of Health Services (DGHS)-এর নির্দেশনার আলোকে পরিচালিত একটি স্বীকৃত কোর্স।
প্রতিষ্ঠান: Social Marketing Company (SMC)
স্থান: বাংলাদেশ
বিষয়বস্তু: পরিবার পরিকল্পনা, প্রজনন স্বাস্থ্য, ইনজেকটেবল ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা প্রটোকল
সনদে স্বাক্ষরকারী:
তসলিম উদ্দিন খান, Chief of the Program
ডা. মোঃ মঈনুদ্দিন আহমেদ, Line Director - CCSDP, Directorate General of Family Planning (DGFP)
এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তি আমাকে একজন প্রশিক্ষিত এবং দায়িত্বশীল ব্লু স্টার প্রোভাইডার হিসেবে পরিচিত করেছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমি পরিবার পরিকল্পনা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষতা অর্জন করেছি, যা আমি Sayed Medico-র মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগিয়ে যাচ্ছি।
✅ পরিবার পরিকল্পনার নিরাপদ ও আধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে দক্ষতা
✅ নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে গাইডলাইন ও কাউন্সেলিং
✅ ইনজেকটেবল কন্ট্রাসেপটিভ ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টি
✅ রোগীকে নৈতিকভাবে ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদান
আমি একজন নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল থেকে অফিসিয়ালি রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত। ফার্মেসি পেশায় আমার যাত্রা শুরু হয় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার আন্তরিক স্বপ্ন নিয়ে, আর সেই যাত্রায় পেশাগত মান, সততা ও দায়িত্ববোধকে প্রতিনিয়ত প্রাধান্য দিয়ে এসেছি।
পেশাগত অভিজ্ঞতা ও লক্ষ্য
গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আমি স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন স্তরে কাজ করে যাচ্ছি—প্রাথমিক চিকিৎসা, ওষুধ পরামর্শ, রোগী শিক্ষাদান এবং সঠিক ওষুধ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছি। আমি বিশ্বাস করি, একজন ফার্মাসিস্ট শুধু ওষুধ সরবরাহকারী নন—তিনি একজন রোগীর বিশ্বস্ত পরামর্শদাতা, স্বাস্থ্যসেবার একজন নির্ভরযোগ্য অংশীদার।
আমার সেবা
সঠিক ও নিরাপদ ওষুধ পরামর্শ
রোগীর ওষুধ ব্যবহারের নিয়ম ব্যাখ্যা
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সংবেদনশীলতা বিষয়ে পরামর্শ
শিশু, গর্ভবতী নারী ও বয়স্কদের ওষুধ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ যত্ন
প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক নির্দেশনা
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার ও ডিজিটাল হেলথ সল্যুশনের মাধ্যমে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া। আমি চাই, প্রতিটি মানুষ তার নিকটস্থ ফার্মাসিস্টকে বিশ্বাসের জায়গা হিসেবে ভাবুক—এবং সেবার মানে কোনো আপস না করেই যেন সে স্বাস্থ্যসেবা পায়।
রেজিস্ট্রেশন তথ্য
নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ: বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল
রেজিস্ট্রেশন বছর: ২০১৩
রেজিস্ট্রেশন স্ট্যাটাস: অ্যাক্টিভ
ইন্টার্নশিপ অভিজ্ঞতা (কমিউনিটি প্যারামেডিক)
কক্সবাজার সদর হাসপাতাল | মেয়াদঃ ৬ মাস
আমি কমিউনিটি প্যারামেডিক কোর্সের অংশ হিসেবে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ৬ মাসের একটি পূর্ণকালীন ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেছি। এই সময়টি ছিল আমার পেশাগত জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবভিত্তিক একটি অভিজ্ঞতা, যা আমাকে একজন দায়িত্বশীল স্বাস্থ্যসেবাকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে।
ইন্টার্নশিপের সময় আমি যা করেছি:
রোগী সেবা: চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রোগী দেখা, প্রেসক্রিপশন পর্যবেক্ষণ এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান।
ড্রেসিং ও ক্ষত পরিচর্যা: পোড়া রোগী, শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ড্রেসিং প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ।
ইমারজেন্সি কেয়ার: জরুরি বিভাগের রোগীদের তাৎক্ষণিক সেবা প্রদান ও জরুরি চিকিৎসায় সহায়তা।
শিশুস্বাস্থ্য ও মাতৃসেবায় অংশগ্রহণ: শিশুদের টিকাদান, পুষ্টি মূল্যায়ন এবং মায়েদের সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কাজ।
প্রাপ্ত সনদ:
৬ মাসের সফল ইন্টার্নশিপ শেষে আমি কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে একটি অফিসিয়াল সার্টিফিকেট পেয়েছি, যা আমার পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মূল্যবান স্বীকৃতি হিসেবে কাজ করছে।