পুরনো ছেড়া বই পুনরায় বাঁধাই -
এই শিল্প সম্পর্কে কম বেশি আপনারা সকলেই জানেন।
আপনার বাসায়, আপনার সংগ্রহীত এমন অনেক পুরনো বই আছে যেগুলো আপনি হয়তো আপনার পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করে রাখতে চান, বা এমন কিছু বই আছে যেগুলো অন্য আর কারও কাছে নেই বা বিলুপ্তপ্রায়। আপনার এমন একটি সংগ্রহশালা ও গ্রন্থাগার আছে যেটি অনেক দেশ ও জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সকল কিছুর একমাত্র ধারক ও বাহক।
এমন বইগুলো পুরনো হবার কারণে বা খুব বেশি ব্যবহার হবার কারণে জরাজীর্ণ হয়ে গিয়েছে। এই বইগুলোর হুবহু অনুরূপ কভার/মলাট, বাঁধাই এমন সবকিছু আবার নতুনের মত করে আপনার কাছে ফেরত দিতে একটি ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান বা একজন ব্যক্তি আমাদের সাথে কাজ করছেন।
উনার নাম খালেক ভাই। ৮০র দশকে কাজ করতেন বাংলাবাজারে। এখন ছোট একটা বাধাইঘরের মালিক তিনি। ৩ জন দক্ষ কর্মী নিয়ে গড়ে তুলেছেন একটা হাতে তৈরি বই বাঁধাই ঘর।
হাট-হাটুরে দল তার সাথে কাজ করতে আগ্রহী আপনাদের প্রয়োজন নিয়ে।
আপনারা আপনাদের জরাজীর্ণ বইগুলোর তথ্য আমাদের পাঠান (ছবি তুলে পাঠাতে পারেন আমাদের ইনবক্সে)। আমরা ফিরতি ম্যাসেজে আপনাকে বাঁধাই মূল্য পাঠাব। আপনি আগ্রহী হলে আপনাদের কাছ থেকে বইগুলো সুবিধাজনক উপায়ে (ঢাকার ভেতরে নিজে সংগ্রহ করব আমরা ও ঢাকার বাইরে কুরিয়ারের মাধ্যমে আমাদের কাছে নিজ দায়িত্বে পাঠাতে হবে) সংগ্রহ করে পুনর্নির্মাণ করে আপনার বাসায় পৌঁছে দিব।
অন্যান্য তথ্যের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন আমাদের ইনবক্সে বার্তা পাঠিয়ে।
অর্ডার বা বিস্তারিত জানতে আমাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন- m.me/hat.hature
ছবি- আমাদের নিকলী নামের অনলাইন পোর্টাল। ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত।
পৃথিবীর বৃহত্তর সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, সেখানে সামুদ্রিক মাছের শুঁটকি উৎপাদন ও বিপণনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বিশাল কর্মসংস্থান।
হাশেম ও তার মামা শাহাদাত আজ থেকে ১৩ বছর আগে গড়ে তুলেছিলেন শুঁটকি উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান ভাই ভাই শুঁটকি বিতান। কক্সবাজারে শুঁটকি উৎপাদন ছাড়াও তারা সংগ্রহ করে দুবলার চরে উৎপাদন করা উৎকৃষ্ট মানের শুঁটকি। এছাড়াও হাশেম ও তার মামা শাহাদাতের আছে সামুদ্রিক মাছের আড়ত। নিজেদের ট্রলার ও ৪০ জন জেলের সহায়তায় তারা তাদের তাজা সামুদ্রিক মাছ ও শুঁটকির বাণিজ্য খুব ভালমতই পরিচালনা করেন।
গত সপ্তাহে তারা ঢাকায় এসেছিলেন আমাদের সাথে তাদের উৎকৃষ্ট মানের পণ্য নিয়ে কথা বলতে। আমরা তাদের শুঁটকির স্যাম্পল সংগ্রহ করি, তার পাশাপাশি তাজা কিছু মাছ অর্ডার করি গুনগত মান পরীক্ষা ও স্বাদের অক্ষুণ্ণতা পর্যবেক্ষণ করার জন্য।
দাম, পরিবহন প্রক্রিয়া, মাছ ও শুঁটকির গুনগত মান, ইত্যাদি বিষয়াদি ঠিক থাকলে আমরা খুব শীঘ্রই কক্সবাজারের সামুদ্রিক মাছ ও শুঁটকি ঢাকায় আমাদের গ্রাহকদের ঘরে পৌঁছে দিতে সক্ষম হব আশা করছি।
অর্ডার বা বিস্তারিত জানতে আমাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন- m.me/hat.hature
ছবি- আমাদের নিকলী নামের অনলাইন পোর্টাল। ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত।
ঠাকুরগাঁও এর মেয়ে ইতি।
ছোটবেলা থেকেই গৃহসজ্জায় অনেক শখ তার।
বড় হয়ে সংসার হয় তার। সৌভাগ্যক্রমে তার জীবনসঙ্গী ও সন্তানেরাও তার এই শখ অনেক বেশি পছন্দ করে, এমন কি তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতাও করে এসব ক্ষেত্রে।
ইতির হঠাৎ ইচ্ছে হয় যে সে আমাদের দেশের জনপ্রিয় একটি উপকরণ সোনালী আঁশ বা পাট দিয়ে তার গৃহসজ্জা উপকরণগুলো তৈরি করবে।
যেমন ইচ্ছা তেমনি কাজ। ইতি নিজের বাসায় বসে বসে উন্নতমানের পাট দিয়ে বিভিন্ন রকমের গৃহসজ্জা উপকরণ তৈরি করতে শুরু করে।
ধীরে ধীরে তার ঘরে প্রায় ২০ রকমের গৃহসজ্জা উপকরণ প্রস্তুত হয়ে যায়। একটা সময় তার বাসায় বেড়াতে আসা মেহমানরা ও পাড়া-প্রতিবেশী সকলে তার বানানো পণ্য বা শিল্প গুলোর প্রশংসা করতে শুরু করে। এই প্রশংসা ছড়িয়ে পরে চারদিকে।
অনেক দুর দূরান্ত থেকে ইতি তার কাজগুলোর প্রশংসা পেতে থাকে মুঠোফোনের মাধ্যমে।
একটা সময় ইতি তার কাজগুলোকে বাণিজ্যিকভাবে দেশে ও বিদেশে ছড়িয়ে দেবার উদ্যোগ হাতে নেয়। শুরু হয় “ইতি হস্তশিল্প” নামের একটি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প নামক হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান।
ইতি তার সহযোগী হিসেবে কিছু সমমনা গৃহিণীকে নিজের কাজে যুক্ত করেন। ইতি নিজের হাতে তাদের প্রশিক্ষণ ও কাঁচামাল যোগান দিয়ে গড়ে তোলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কুটির শিল্প। এই তার কাজের ঘরে স্থান দেয় আরও ৬ জন নারীকে।
শুরুর দিকে বড় বিভাগীয় শহরগুলোতে ইতি অল্প অল্প অর্ডারের ভিত্তিতে নিজেদের কাজ প্রস্তুত করে সরবরাহের কাজ শুরু করে। ভালই চলছিল সব।
এমন সময় হঠাৎ একদিন হানা দেয় করোনা নামক ভাইরাস। ইতির স্বপ্নের ঘরে তালা ঝুলে থাকে প্রায় চারটি মাস। ইতি সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল মার্কেটিং প্লাটফর্ম সম্পর্কে একটু অদক্ষ হওয়ায় সে অনেকের সাথে অনলাইনে নিজের পণ্য বিক্রয় ও প্রদর্শনের জন্য যোগাযোগ শুরু করে। কিন্তু কিছু অসামঞ্জস্য শর্ত ও শিল্পের মূল্যায়ন না পাওয়ায় ইতি পিছিয়ে যান বারবার।
এমন সময় আমাদের হাট-হাটুরে পরিবারের সাথে ঘটনাক্রমে যোগাযোগ হয় ইতির। ইতি আমাদের তার গল্পটি শুনান। আমরা উদ্যোগ নি তার প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ও পণ্য বিক্রয়ের জন্য আমরা দেশ বিদেশে কাজ করব। এগিয়ে নিব ইতি সহ তার বাকি সঙ্গীদের।
ইতির কাজগুলো ক্রয়, বিক্রয় ও সংগ্রহের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ইতির তৈরি করা হাস্তশিল্প আমাদের পেজে কিছুদিন পরপর আপনারা দেখতে পাবেন। এর জন্য আমাদের পেজে চোখ রাখুন।
অর্ডার বা বিস্তারিত জানতে আমাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন- m.me/hat.hature
ছবি- হাট-হাটুরে
বাজার থেকে ভাল মাছটি চিনে বাসার জন্য কিনে আনার বিড়ম্বনায় পরেন অনেকেই।
তারপরেও দেখা যায় চাকরি অথবা কর্মক্ষেত্র সামলে ২, ৩ ঘণ্টা ব্যয় করে মাছ বাজারে যাওয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য, যদিও অনেকে সন্ধ্যায় কাজ কর্ম শেষ করে মাছ বাজারে ঢুকতে পারেন কিন্তু তখন তো বেশিরভাগ মাছই প্রায় পচতে শুরু করেছে।
আরও একটি সমস্যা খুলে বলছি!
কর্মব্যস্ত জীবনে মাছ কাটা, ধোওয়া, পরিষ্কার করা এসব নিয়ে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয় আজ কর্মজীবী গৃহিণীদের। সারাদিন অফিস করে এসে মাছ কাটা, পরিষ্কার করে ফ্রিজে ভরে রাখার কাজটা অনেক বেশি কষ্টসাধ্য।
হাট-হাটুরে পরিবারের একজন সদস্য বিপ্লব। তিনি আজ দীর্ঘ ১৩ বছর কারওয়ান বাজার মাছের আড়তে কাজ করেন। বিপ্লব অনেক ভাল মাছ চেনে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতার কারনেই। সকাল ৫ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত মাছের আড়তে মাছ কেনা বেচার কাজ করে বিপ্লব।
হাট-হাটুরে পরিকল্পনা করেছে, বিপ্লবের কাজের ফাঁকে হাট-হাটুরে গ্রাহকদের মাছের অর্ডারের ভিত্তিতে বিপ্লব আড়তের সবচেয়ে মান সম্মত, তাজা প্রায়, সুস্বাদু ও স্বল্পমূল্যের মাছ আড়ত থেকে সংগ্রহ করবে। তারপর সেটাকে প্রসেস করে (কেটে, ধুয়ে, পরিষ্কার করে, মান সম্মত প্যাকিং করে) গ্রাহকের বাসার ঠিকানায় ডেলিভারি করে আসবে।
মাছের মান ও স্বাদের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে বিপ্লব সরাসরি ডেলিভারির দায়িত্বটা নিতে চায়। গ্রাহকের কাছে নিজের হাতে সংগ্রহ করা বাজারের সেরা ও উৎকৃষ্ট মান সম্পন্ন মাছটি তুলে দেবার পরে যে খুশির অনুভূতি হয় সেটা বিপ্লব সরাসরি উপভোগ করতে চায়।
আমরা আগেই বলেছি, হাট-হাটুরে একটি ঘরোয়া পরিবেশে পরিচালিত প্রচার ভিত্তিক বিক্রয় ও বিপণন প্রতিষ্ঠান। এখানে গ্রাহকরা ঘরের মানুষের কাছে যেভাবে নিজের চাহিদার কথা বলতে পারে সেভাবেই নিজের প্রয়োজন জানাতে পারবেন আমাদের কাছে।
আমরা হাট-হাটুরে পরিবার আপনার কাছে ভাল মানের একটি সেবা পৌঁছে দিতে চাই, বিনিময়ে কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা তৈরি করতে চাই।
ভাল মানের সেবা ও পণ্য আপনাদের কাছে পৌঁছানটা আমাদের দায়িত্ব, সেটি না পেলে আমাদের সামগ্রিক পরিকল্পনায় আমরা ব্যর্থ হব।
অর্ডার বা বিস্তারিত জানতে আমাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন- m.me/hat.hature
ছবি- আমাদের নিকলী নামের অনলাইন পোর্টাল। ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত।
হাট-হাটুরে লাইফ স্টাইল বিভাগ একটি নতুন ও অভিনব সার্ভিস চালু করেছে সেটি হল ‘হাট-হাটুরে অনলাইন টেইলার সার্ভিস’।
প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবন, টেইলরের দোকানে গিয়ে পুরুষ দর্জির কাছে কাপড় সেলাই করতে দেবার অস্বস্তি, পোশাক বানানোর ডিজাইন নিয়ে বিভ্রান্তি, কাপড় ডেলিভারি হাতে পাবার দিন তারিখের কোন নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই, আজ নয় কাল, কাল নয় পরশু, কাপড় বানিয়ে বাসায় এনে দেখলেন সেলাইয়ের মান ভাল না, আপনার শখের কাপড়টা শেষ করে দিল দর্জির অমনোযোগিতা ও অবহেলা, অন্যদিকে ঈদ, পূজা, পহেলা বৈশাখ, ইত্যাদি বিশেষ দিনের আগে লাইনে দাড়িয়ে কাপড় সেলাই করতে দেবার যন্ত্রণা তো আছেই।
কখনও ভেবে দেখেছেন?
একজন মহিলা দর্জি যদি আপনার বাসায় এসে কাপড়ের মাপ নিয়ে, ডিজাইন পছন্দ করিয়ে, ২, ৩ দিনের মধ্যে আপনার শখের কাপড়টি আপনার বাসায় পৌঁছে দিয়ে যায় তাহলে কেমন হয়?
সত্যি এমনটাই হবে এখন। আপনার একটা ফোন বা ম্যাসাজ পেয়ে আমাদের দর্জিরা আপনার জানানো সময় অনুযায়ী আপনার বাসায় পৌঁছে যাবে আপনাকে কমপ্লিট টেইলর সার্ভিস দিতে।
আপনার যোগাযোগের অপেক্ষায় আমাদের দক্ষ নারী দর্জির দল।
অর্ডার করতে অথবা আরও তথ্যের জন্য নির্দ্বিধায় আমাদের সাথে আমাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করতে পারেন।
আমাদের মেসেঞ্জারে যোগাযোগের জন্য এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন- m.me/hat.hature
বিশেষ দ্রষ্টব্য- সার্ভিসটি এখন পর্যন্ত ঢাকা মেট্রো অঞ্চলে পরিচালিত হবে। ভবিষ্যতে জেলা পর্যায়ে আমাদের এমন উদ্যোক্তা তৈরি করার ইচ্ছা আছে।
ভ্রমণ পিপাসু একজন ‘তমজিদ মল্লিক’।
সাতক্ষীরা অঞ্চলের বাসিন্দা।
সারাদিন কাটান সুন্দরবনের নানা অঞ্চলে।
সুন্দরবনের ভেতরে ছোট ছোট গ্রাম গুলোতে তমজিদ ভাইয়ের বিচরণ।
তিনি ভালোবাসেন গ্রাম, প্রকৃতি, বন, জীব বৈচিত্র্য।
তার সাথে সাথে ভালোবাসেন সুন্দরবনে বসবাস করা মানুষগুলোকে।
সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষের উৎপাদন, জীবিকা, কৃষি, এসবের উপরে সুন্দরবনের মানুষের ভাগ্য ও জীবিকা নির্ভর করে।
তমজিদ ভাই সেখানে উৎপাদিত মধু, সাতক্ষীরার প্রসিদ্ধ সন্দেশ, মিঠা পানির ঘেরের মাছ, সাতক্ষীরার আম, এমন অনেক পণ্য আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে চায়।
হাট হাটুরে পরিবারের সাথে কাজ করার ও পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে তমজিদ ভাইয়ের প্রধান ও একমাত্র উদ্দেশ্য হল সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা এসব অঞ্চলের প্রসিদ্ধ ও ঐতিহ্য বহন করে এমন পণ্যদ্রব্য আপনাদের কাছে পৌঁছে দেয়া। সেখানকার মানুষের নিজের হাতে উৎপাদিত পণ্য যদি সরাসরি ভোক্তার ঘরে পৌঁছে দেয়া যায় তাহলে বিক্রয়ের একটা বড় অংশ হাট-হাটুরে পরিবারের মাধ্যমে উৎপাদক, কৃষকদের কাছে পৌঁছাবে।
হাট-হাটুরে পরিবার এমন উদ্দেশ্য নিয়েই তাদের যাত্রা শুরু করেছিল।
এখন পর্যন্ত অনেক পরিবারে আমরা পৌঁছে দিয়েছি প্রত্যন্ত ও প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের উৎপাদিত পণ্য। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঞ্চলভিত্তিক ছোট ছোট বাজারগুলোতে খুব স্বল্প পরিসরে আমরা পৌঁছে দিতে চাই আমাদের প্রযুক্তির ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত কৃষি ও শিল্প উৎপাদন প্রধান পরিবারগুলোর উৎপাদিত পণ্য গুলো।
তমজিদ ভাইয়ের মত আপনিও আপনার অঞ্চলের উৎপাদন ও ঐতিহ্যকে হাট-হাটুরের মাধ্যমে প্রচার, প্রসার ঘটিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়াস গুলোকে বড় একটা গল্পে পরিণত করুন।
সাতক্ষীরা অঞ্চলের উৎপাদিত পণ্য প্রাপ্তির জন্য ক্রেতা হিসেবে আমাদের ফেসবুক পেজে, মেসেঞ্জারে অথবা আমাদের নাম্বারে ফোন করে আমাদের জানাতে পারেন।
ছবি- তমজিদ মল্লিক।
গ্রাম বাংলায় অনেক পরিবার এখনও গোটা মসলা দিয়ে রান্না করেন গৃহিনীরা।
গোটা মসলার একটা ভিন্ন রকমের স্বাদ, গন্ধ আজও বাঙ্গালীরা ভোজন প্রিয় মনকে খাবারের প্রতি আকৃষ্ট করে।
অন্যদিকে মসলা জাতীয় দ্রব্যের গুনাগুন সম্পর্কে চিকিৎসা বিজ্ঞান অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অনেক আগেই।
মসলা মানুষের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা সহ শরিরকে সকল শারিরিক সমস্যা থেকে নিরাপদ রাখতে অনেকাংশেই সহায়তা করে।
আমরা একটু বেশি পরিমান অর্ডার পেলে আপনাদের জন্য প্রান্তিক অন্চলে আমাদের পরিচিত মসলা চাষিদের কাছ থেকে কিছু মসলা সংগ্রহ করতে পারি এবং আপনার চাহিদা অনুসারে গোটা কিংবা গুঁড়া মসলা আপনার বাসায় সরবরাহ করতে পারি।
প্রিয় সুহৃদ ও শুভাকাঙ্খিগন, আপনাদের চাহিদার পরিমান আমাদের জানান। আমরা কথা দিচ্ছি বাজার মূল্যের তুলনায় সঠিক মূল্য ও গুনগত মান নির্নয় করে আপনাকে সন্তুষ্ট করব।
নওগাঁ থেকে জামান ভাই আমাদের জন্য আম পাঠিয়েছেন।
সেখানকার প্রান্তিক চাষিদের কাছ থেকে গুনগত মানের আম সংগ্রহ করে এই আম দেশের বিভিন্ন স্থানে পোঁছে দেবার ব্যবস্থা করছি আমরা হাট হাটুরে দল।
নওগাঁর বিখ্যাত হিম সাগর ও নাগফজলি নামের এই আমের জাত দুটো হয়তো এর আগেও আপনারা খেয়ে স্বাদ উপভোগ করেছেন।
জামান ভাই এই আম আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে চান।
আপনারা চাইলেই প্রি-অর্ডারের মাধ্যমে আমাদের জানাতে পারেন আপনাদের কার কার কি পরিমাণে এই আম প্রয়োজন?
নওগাঁ থেকে ঢাকা পর্যন্ত খুব অল্প পরিমাণে এই আম আনা কষ্ট সাধ্য।
তাই আপনাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক ভাবে অনুরোধ রইল যে পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্ডার করে আম পরিবহন এবং অন্যান্য খরচের পরিমাণ কমিয়ে আনতে আমাদের সাহায্য করুন।
আমাদের আদর্শ পরিমাপ হিসেবে প্রতি ব্যারালে (নিল রঙের প্লাস্টিক কেজ) আমের ওজন হয় ১৭ থেকে ১৯ কেজি পরিমাণ আনুমানিক।
আমাদের প্রিয় গ্রাহকদের কাছে আমরা ব্যারেল প্রতি প্রি-অর্ডারের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
বেশ কিছু অর্ডারের ভিত্তিতে আমরা আম আনার কাজ শুরু করতে চাই। সুতরাং কিছু অর্ডার জমা হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য সহকারে অপেক্ষা করে আমাদের পাশে থাকার জন্য আন্তরিক ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
(কমেন্ট বক্সে প্রি-অর্ডার করতে পারেন, অর্ডারের পরিমাণের ভিত্তিতে আমের দাম পরবর্তীতে এই পোষ্টের মধ্যে প্রকাশ করতে সক্ষম হব আমরা)
আগরবাতি বা ধুপকাঠি।
এটি একটা শ্রদ্ধার নাম।
নামটা শুনলেই কেমন একটা পবিত্র আবহাওয়া বিরাজ করে আমাদের ভেতরে। সকল ধর্মের মানুষদের এই একটা জিনিসের মাধ্যমে তাদের প্রার্থনা পুরনাঙ্গ রূপ লাভ করে।
জোহরা খাতুন, আমরা তাকে জোহরা খালা বলে ডাকি।
তিনি তার পরিবারের ৬ জন সদস্যকে নিয়ে কাজ করছেন গত ৯ বছর থেকে। এর আগে তার এই ব্যবসার মালিক ছিলেন তার শ্বশুর। তার শ্বশুরের বিয়োগের পর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবার মত অবস্থা তৈরি হয়ে গিয়েছিল একটা সময়। এমন সময় জোহরা খালা ব্যবসাটি নিজের হাতে নেবার সিদ্ধান্ত নেন। শুরুর দিকে ব্যবসা সামাল দিতে অনেক বেগ পেতে হয়েছিল গৃহিণী জোহরাকে। তিনি ব্যবসা বাণিজ্য বুঝতেন না। তবে সময়ের সাথে সাথে আজ তৈরি হয়েছে একজন উদ্যোক্তা জোহরা।
জোহরা খালার এই আগরবাতি আমরা আপনার ঘরে পৌঁছে দিতে চাই। তার সাথে সাথে আপনাদের জানাতে চাই জোহরা খালার গল্পটা।
খুব নিখুঁত ভাবে, যত্ন সহকারে ভাল মানের পন্য তৈরী করতে একজন দক্ষ কারিগর প্রয়োজন হয় সবসময়।
হাট-হাটুরে দলের সদস্যরা এমন কারিগরদের সন্ধানে লেগে থাকে সারাবেলা।
তেমনই এক কারিগর সারোয়ার ভাই।
তিনি ব্যাগ তৈরীতে বেশ দক্ষ।
দেশের বাইরে থেকে সংগ্রহ করা ব্যাগগুলোকে তিনি হাতে নিয়ে আফসোস করেন আর বলেন আমাদের দেশীয় মেধাগুলোকে আমরা পরিচর্যা করতে পারিনা। নাহলে তার মত অনেকজন সারোয়ার ভাইরা এই বিদেশি ব্যাগের চেয়ে অনেক বেশি ভাল মানের ব্যাগ উৎপাদন করে আমাদের দেখিয়ে দিতে পারত।
সারোয়ার ভাইয়ের দক্ষতা পরিমাপ করতে আপনি এই ব্যাগটির জন্য আমাদের কাছে প্রি-অর্ডার বা প্রোডাকশন রিকুয়েস্ট পাঠাতেই পারেন। আমরা পন্যটি আপনাদের জন্য বানাব। সেক্ষেত্রে হয়তো যত বেশি অর্ডার আসবে উৎপাদন খরচ তত কমে যাবে। তখন হয়তো খুব স্বল্প মূল্যে পন্যটি আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারব।
প্রি-অর্ডার বা প্রোডাকশন রিকুয়েস্ট পাঠাতে কমেন্ট বক্সে লিখে পাঠাতে পারেন আর সরাসরি অর্ডার করার জন্য ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন।
বাঁশের তৈরী এমন স্ক্রল কার্টেইন বা ব্লাইন্ডগুলো ঘড়ে একটা প্রশান্তি বয়ে আনে। প্রাকৃতিক উপাদান, হস্তশিল্প এবং দেশিও ঐতিহ্য সবটুকুই আছে এই একটি জিনিসের ভেতরে।
হাট-হাটুরে পরিবার একজন দক্ষ কারিগরের সন্ধান পেয়েছে। যিনি এই পর্দাটি গত ৪০ বছর থেকে তার স্ত্রী সহ তৈরী করে এসেছেন। কিন্তু বর্তমানে তাদের সংসার পরিচালনার জন্য এই পর্দা বানানো এবং বিক্রয়ের পয়সা তাদের জীবনধারনের জন্য পর্যাপ্ত নয়। তাই তারা এই কাজ ছাড়তে বসেছিল প্রায়।
আমরা তাদের এই দক্ষতাকে, শিল্পটিকে পুনরায় আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।
সামনের পর্বে তাদের সাক্ষাৎকার সহ পন্যটির তৈরীর যাবতীয় বিবরন ও বিক্রয় মূল্য আপনাদের জানাব। আমরা আশা করব আপনারা নিজে ও নিজেদের পরিচিত মহলে ছড়িয়ে দেবেন এই পরিবারের জীবিকার গল্প এবং তার সাথে একটা বিলুপ্তপ্রায় শিল্পকে বাচিয়ে রাখতে আমাদের সহযোগীতা করবেন।
করোনা ভাইরাস ডিজিস (কভিড ১৯)-
একটি ভয়াবহ ভাইরাসের নাম। যেটা গত ৫ মাসে সমস্ত পৃথিবীর মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কার্যক্রমকে মূহূর্তের মধ্যে অচল করে দিয়েছে।
আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এই রোগ ছড়ায়। ভয়াবহ রকমের ছোয়াচে এই রোগটি প্রবেশ করে নিশ্বাসের সাথে সরাসরি ফুসফুসে।
নিশ্বাসের সাথে যাতে এই ভাইরাস প্রবেশ না করতে পারে তাই ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক ও মান সম্পন্ন নানান রকমের মাস্ক।
3M Aura 9320+ নামের একটি মাস্ক জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে বর্তমান বাজারে, কিন্তু সমস্যা হল অতিরিক্ত মূল্য হওয়ায় এটি বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।
এই সমস্যার সমাধান নিয়ে বাংলাদেশের একটি কোম্পানি কাছাকাছি মানের একটি মাস্ক উৎপাদন করেছে যেটি দেখতে হুবহু 3M Aura 9320+ নামের মাস্কটির মতই। কার্যকারিতার দিক থেকেও এই মাস্কের ধরন প্রায় কাছাকাছি।
আমরা এই মাস্কটির গুনগত মান ও দাম বিচার বিশ্লেষন করে আপনাদের কাছে পৌঁছে দেবার জন্য আমাদের পেজে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রচার করছি।
গ্রীষ্মে একটু স্বস্তির কথা চিন্তা করলেই সুতি কাপড়ের বিকল্প হয় না। আমাদের দেশীয় সুতা-রং এর এক অদ্ভুত মেলবন্ধন খুঁজে পাওয়া যায় মোম-বাটিকের জামা গুলোতে!
পড়তে যেমন আরাম ঠিক দেখতেও অভূতপূর্ব!
শখ এবং সাধ্যের পাশাপাশি আরামপ্রিয় মানুষের পছন্দের শীর্ষে থাকা জামাগুলোর মধ্যে মোম-বাটিক অন্যতম।
হাট-হাটুরে পরিবার দেশীয় ঐতিহ্যের অন্যতম এই মোমবাটিকের থ্রী-পিস গুলো মধ্যস্বত্বভোগীদের এড়িয়ে সরাসরি আপনাদের হাতে পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।
মূল্যঃ ৭৯০/-
অর্ডার করতে ছবিসহ ইনবক্স করুন।
ঢাকার মধ্যে ডেলিভারি চার্জঃ ৭০/=
ঢাকার বাইরে ডেলিভারি চার্জঃ ১২০/=
‘হাট-হাটুরে লাইফস্টাইল’ গ্রুপে জয়েন করতে ক্লিক করুন-
https://www.facebook.com/groups/551138809106495/
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন-
ফেসবুক পেজ- ‘হাট-হাটুরে’
লিঙ্ক- https://www.facebook.com/hat.hature
ফেসবুক মেসেঞ্জার- m.me/hat.hature
টেইলার সার্ভিস ও ড্রেস সেলস হটলাইন নাম্বার-
017 22025644
016 2763 0309
019 6794 6246
ইমেইল- hat.hature@gmail.com