স্বা
গ
ত
ম
স্বা
গ
ত
ম
২০১৮ সালে শিক্ষক দিবস উপলক্ষে শুরু হয় ‘বার্তা’-র পথচলা। সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজের নানা বিষয়কে পাঠকের কাছে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই আজও আমাদের এই পথচলা অব্যাহত।
Barta
Santipur
Nadia
West Bengal
PIN - 741404
Mobile / WhatsApp no.: 9832642761
Facebook: Will be added shortly.
Instagram: Will be added shortly.
"বর্তমানে মোবাইল সর্বস্ব যুগে ক্ষুদ্র পত্রপত্রিকার প্রকাশ অনেকটাই কমে গিয়েছে। তারওপর আঞ্চলিক ইতিহাস নিয়ে গবেষণা সংক্রান্ত লেখালেখি তো তুলনায় আরও কমে গিয়েছে। কিন্তু এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কাজ যা ভবিষ্যৎ সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। শান্তিপুরের কিছু সুকুমারমতি কিশোর এবং যুবক "বার্তা" নামে একটি বার্ষিক পত্রিকা প্রকাশ করছে যেখানে সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি আঞ্চলিক ইতিহাস নিয়ে লেখা স্থান পেয়েছে, এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসাযোগ্য। তাদের এই লেখালেখির চর্চা আগামী দিনে তাদের লেখনী কে যেমন আরও শক্তিশালী করবে তেমনই লেখার নতুন নতুন বিষয় ভাবনাও উন্মোচিত হবে। একটি পত্রিকা প্রকাশের সঙ্গে বেশ কয়েকজন মানুষের সৃজনশীল সাহিত্য-সংস্কৃতি ভাবনার সমন্বয় ঘটে। 'বার্তা' সেই সমন্বয়কে সুন্দর সমাজ গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে দিক।"
যখন আমরা আক্ষেপ করি সব রসাতলে গেল.... মোবাইল আর ইন্টারনেট আমাদের বর্তমান প্রজন্ম কে সংস্কৃতি ভুলিয়ে দিচ্ছে.... হয়ত অবচেতনে এটাও ভাবি কিছুতো ভালো আছে আর থাকবেই যাদের দ্বারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে থাকবে আমাদের সংস্কৃতি। সেরকম ই সোনার খন্ড "বার্তা" গতকাল রাতে বাচ্চাগুলো আমায় উপহার দিলো। কোথাও যেন সেই বিশ্বাস টা আরো পোক্ত হলো সব শেষ হয়ে যায় না। কাটা গাছের গুঁড়ি থেকেও শিকড় বেরোয়। এভাবেই সমাজের প্রতি একটা সুস্থ বার্তা দিলো এই ছাত্রদল....এটা হয়ত বাঁচতে শেখায়, ভাবনার উপপাদ্য হয়ে ওঠে সবার কাছে। ভীষণ ভালো থাকিস তোরা.... একমুঠো ভালবাসা রইল।
'বার্তা' কেবলমাত্র একটি পত্রিকা নয়। 'আগামীর' বার্তাবাহকও বটে, এই 'আগামী'- সুচেতনার, সুচিন্তার আর কিছু হয়ে ওঠার:
বিগত বছরগুলিতে 'বার্তা' তার উন্নতির সোপানে চড়াই ভেঙেছে। আগামীতে সে চড়াই, আকাশ স্পর্শ করুক এই কামনা করি। নবীন সাহিত্যিকরা কলমের আচঁড়ে তাদের অন্তরকে প্রকাশ করুক; সুন্দরকে প্রকাশ করুক। এ এক সামাজিক কর্তব্যও বটে; পত্রিকাটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি। 'বার্তা'র বয়স বাড়ুক। অভিজ্ঞতা বাড়ুক। 'বার্তা' ভালো থাকুক।
"কিশোর মনের দুর্বার বার্তা দেখতে দেখতে ৭ এ পা। একটু একটু করে পরিণত হচ্ছে সে। মুঠোফোনের আগ্রাসনের মাঝে সুদীপ,সুমন,প্রীতম,সৌমাল্য দেবায়ন,সৌম্যদীপ সহ প্রিয় সকলের এমন একটি তরতাজা সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশের দুর্নিবার আন্তরিক প্রচেষ্টা কে জানায় কুর্নিশ। তাদের ইচ্ছে ও সাহস আগামী দিনে সফলতম স্থানে পৌঁছায় এই আশা রাখি । 'বার্তা' আরো জনপ্রিয় হোক সর্বজন এর কাছে। আমি তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।"
"Barta" the yearly journal is very influential. Their courage of taking such step is extremely praisable. I expect their long success.
বার্তা যেভাবে বিগত বছরে আমাদেরকে সম্পৃক্ত করেছে আগামী বছরেও এভাবে অগ্রগামী হোক এই শুভ কামনা রইল।
শিক্ষক দিবসের পুণ্য লগ্নে নবম বর্ষে পদার্পণকারী 'বার্তা' পত্রিকাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। ন'টি বছর ধরে আপনারা জ্ঞানের প্রদীপ হাতে যে শিক্ষা ও মূল্যবোধের বার্তা বহন করে চলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। শিক্ষক ও শিক্ষার প্রতি এই নিবেদিত শ্রদ্ধাঞ্জলি আরও বহুদূর প্রসারিত হোক। 'বার্তা'র উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি।
নবম বর্ষে পদার্পণে 'বার্তা' পত্রিকা পরিবারকে শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা। ন'বছরের এই নিরলস পথচলা শুধু একটি পত্রিকার প্রকাশ নয়, এটি শিক্ষাগুরুর প্রতি এক নিরবচ্ছিন্ন প্রণাম। অক্ষরের আলোয় আপনারা যে সমাজ গড়ার কারিগরদের সম্মান জানাচ্ছেন, তা চিরস্মরণীয়। 'বার্তা' এভাবেই জ্ঞানের বার্তা ছড়িয়ে দিক দিকে দিকে।
আমি 'বার্তা'র একজন পাঠিকা। 'বার্তা'র সঙ্গে আমার যোগাযোগ বিগত বছর থেকে। 'বার্তা'র প্রতিটা লেখা খুবই আন্তরিক। 'বার্তা'র প্রতিটি বার্তা মন ছুঁয়ে গেছে। এককথায় বলতে গেলে আগের বছরের সংকলন খুব খুব খুবই ভালো। আশা করবো যে সকল পাঠক-পাঠিকারা 'বার্তা' অনুশীলন করেছেন, তাঁরা সকলেই আমার সঙ্গে একমত হবেন। আমার বিশ্বাস, আগের বছরের থেকেও এই বছরের সংকলন অনেক অনেক ভালো হবে। অনেক শুভকামনা রইলো.. 'বার্তা'র সকল সদস্যকে।