পঞ্চম শ্রেণি : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
প্রথম অধ্যায়
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন
বর্ণনামূলক প্রশ্ন
১। ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো কোথায় রাখা হয়? ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো আমাদের সংরক্ষণ করা উচিত কেন?
উত্তর : ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো প্রদর্শনের জন্য জাদুঘরে রাখা হয়।
ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো আমাদের সংরক্ষণ করা উচিত। কারণ—
i. ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো আমাদের অতীত সভ্যতার পরিচয় বহন করে।
ii. এগুলো অতীতের সংস্কৃতি ও কৃষ্টির পরিচয় বহন করে।
iii. এগুলো অতীত ইতিহাস জানতে সহায়তা করে।
iv. আমরা এসব ঐতিহ্যে গৌরব বোধ করি বলে।
২।পাহাড়পুর সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য লেখো।
উত্তর : বাংলাদেশের একটি অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন হচ্ছে পাহাড়পুর। পাহাড়পুর সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য লেখা হলো—
i. পাহাড়পুর রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
ii. এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি ৭৮১-৮২১ খ্রিস্টাব্দে পাল রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত হয়।
iii. এখানে ২৪ মিটার উঁচু গড় রয়েছে, যা ‘সোমপুর মহাবিহার’ নামে পরিচিত।
iv. এই চমৎকার বৌদ্ধ বিহারের চারপাশে ১৭৭টি গোপন কুঠরি আছে।
v. এখানে মন্দির, রান্নাঘর, খাবার ঘর ও পাকা নর্দমা আছে। এ ছাড়া এখানে জীবজন্তুর মূর্তি ও টেরাকোটা পাওয়া গেছে।
৩। লালবাগ দুর্গ কোন নদীর তীরে অবস্থিত? লালবাগ দুর্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী? লালবাগ দুর্গ সম্পর্কে তিনটি বাক্য লেখো।
উত্তর : লালবাগ দুর্গ বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
লালবাগ দুর্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো—এটি সম্পূর্ণ ইটের তৈরি।
লালবাগ দুর্গ সম্পর্কে তিনটি বাক্য লেখা হলো—
i. ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিমে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে লালবাগ কেল্লা নির্মাণ করা হয়।
ii. দুর্গের মাঝখানে খোলা জায়গায় মোগল শাসকরা তাঁবু টানিয়ে বসবাস করতেন।
iii. দুর্গের দক্ষিণে গোপন প্রবেশপথ এবং একটি তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ রয়েছে।
ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত
শিক্ষকদের টানা ১০ দিন আন্দোলনের মুখে দেশের নিবন্ধনভুক্ত সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একসঙ্গে মাদ্রাসাগুলো সরকারিকরণ না করা হলেও তা পর্যায়ক্রমে করা হবে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে এ কথা জানান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব এস এম মাসুদুল হক।
জাতীয়করণে দাবিতে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা কয়েকদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। আন্দোলনের এক পর্যায়ে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে দেশজুড়ে সমালোচনা তৈরি হয়। নিগ্র্রহের পরও তারা আন্দোলন চালিয়ে যান। একপর্যায়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।
এর আগে দুপুরে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের বিষয়ে সভায় বসেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখানে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। এস এম মাসুদুল হক বলেন, আন্দোলনকারী শিক্ষকদের ছয় দফা দাবি মেনে নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এছাড়া শিক্ষকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় মন্ত্রণালয় দুঃখ প্রকাশ করেছে।