কী দারুন একটা ব্যাপার হবে যদি আমরা আমাদের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নিজে নিজেই প্রয়োজনমত অ্যাপ তৈরী করে নিতে পারি? তাই না? সেই অ্যান্ড্রয়েড শেখানোর জন্য BSADD আয়োজন করেছিল BSADD Android workshop 2016.পাঁচ দিন ব্যাপি বর্ণাঢ্য এই ওয়ার্কশপের প্রথম ক্লাসটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বুধবার ৩০ মার্চ ২০১৬ তারিখ দুপুর ২ঃ৩০ টায়। প্রতিটা ক্লাসের ভেন্যু ছিলো ECE Building এর পাঁচতলায় স্যামসাং ইনোভেশন ল্যাব। আজাদ স্যার কে অসংখ্য ধন্যবাদ ল্যাবটা প্রতিবার ম্যানেজ করে দেবার জন্য।

পাঁচটা ক্লাসে ধাপে ধাপে অ্যান্ড্রয়েডের একদম সহজ জিনিস থেকে কঠিন জিনিসগুলো বোঝানো হয়েছে এই টিউটরিয়ালটায়। প্রতিটা ক্লাসের কন্টেন্ট ভিডিও উপরের লিঙ্কে দেয়া আছে। কোর্সটার মোট ডিউরেশন প্রায় তিন ঘন্টা। বোঝার সুবিধার জন্য মূল ক্লাসে যা যা দেখানো হয়েছিল তাতে প্রচুর পরিবর্তন আর পরিবর্ধন করে ভিডিওগুলো বানানো হয়েছে।  প্রস্তুতি হিসেবে Tools আর Resources গুলো দেখে নিতে পারো।



প্রথম ক্লাস- UI/UX, Design Issue for Mobile App:
প্রথম ক্লাসে আমরা দেখব একটা মোবাইল অ্যাপ ডিজাইন করার সময় কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হয়। তারপর আমরা নিজেরাই একটা অ্যাপ বানিয়ে সবাই এক এক জন হয়ে যাব আস্ত অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার!

দ্বিতীয় ক্লাস থেকে আমরা একটা বড় অ্যাপ বানানো শুরু করব। সেটার লিস্ট ডিজাইন আর কোডিং এর কাজটা হবে এইদিনে।

লিস্টে আমরা যা যা রাখব, সেটা যদি মোবাইলে সেভ করে রাখতে চাই তাহলে একটা ডাটাবেস বানাতে হবে। সেটার কাজটা আমরা এইদিন করব।

অ্যান্ড্রয়েডের ভারী ভারী যেসব কোড, যেগুলো রান করতে অনেক সময় লেগে যেতে পারে, সেগুলো লিখতে হয় আলাদা থ্রেডে। সেটা সম্পর্কে আমরা জানব এই ক্লাসে।

ধরো তোমার কম্পিউটারে লিখা আছে তুমি পলাশি থেকে কোন কোন আইসক্রিম কিনবে। কিন্তু পলাশিতে এসে তুমি ভুলে গেলে আইসক্রিমের নামগুলো। তখন যদি তোমার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ দিয়ে দেখে নিতে চাও তোমার কম্পিউটারে কী কী আইসক্রিমের নাম লিখা আছে, সেটার জন্য নেটওয়ার্কিং করার প্রয়োজন হবে। সেটা সহজ করে দেবার জন্য যে Volley framework, সেটা নিয়ে আমরা কাজ করব এই ক্লাসে।