৭১. আরো পড়ুন...
৭০. সময় তো বহমান, আপন নিয়মে চলে, চরিত্রের দোষে বন্ধুত্বের, সমাধি রচিত হলে।
৬৯. ভদ্রতা ও নম্রতা যাহাদের নিকট কাপুরুষতার প্রতিচ্ছবি, তাহাদের শক্তি আসলে অহংকারে সীমাবদ্ধ।
৬৮. হে দয়াময়, দ্বিধাহীন করো মন, ছলনার ছায়া হতে, করো মোরে রক্ষণ।
৬৭. হে বিশ্ববিধাতা, দ্বিধাহীন করো পথ, কপটতার অভিশাপ, যেন না হয় গত।
৬৬. পাওয়ার পথ খোলা, কিন্তু চাওয়ার মন মৃত।
৬৫. হে পরমেশ্বর, ছলনার অন্ধকারে, দিও না ডুবিতে, রাখো আলোকের ধারে।
৬৪. প্রাপ্যতার প্রাচুর্য, কিন্তু পছন্দের দৈন্যতা।
৬৩. হে অন্তর্যামী, দ্বিচারিতার বিষ, করো মোরে মুক্ত, রাখো নিঃশঙ্কু ও নিঃশঙ্ক।
৬২. সাধ্যের সীমায় বাঁধা, রুচির আকাশে মেঘের ছায়া।
৬১. আছে হাতের নাগাল, তবু মন খোঁজে অন্য পাল।
৬০. বন্ধুত্বের ফাটল, চরিত্রের ফল, সময় শুধু ছল।
৫৯. অধিকার ভোগের ইচ্ছা প্রবল, কিন্তু তা সমভাবে বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতা দুর্বল।
৫৮. সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও, আত্মার তৃপ্তি খুঁজে না পাওয়ার এক নীরব যন্ত্রণা।
৫৭. অর্থের মোহে, জীবনের বলিদান, যেন মরীচিকার পেছনে, আত্মার অপমান।
৫৬. প্রাপ্যতার মোহজালে আবদ্ধ, কিন্তু হৃদয়ের বিশুদ্ধতা হারিয়ে এক অতল গহ্বরে নিমজ্জিত।
৫৫. সত্যের প্রকাশ, যতক্ষণ না আনে ত্রাস, ততক্ষণই যেন স্নিগ্ধ বাতাস।
৫৪. সত্যের বাণী, যতক্ষণ না আনে গ্লানি, ততক্ষণই যেন অমৃতখানি।
৫৩. ভালোবাসা নিছক জৈবিক তাড়না।
৫২. ধনের নেশায়, তনু বিসর্জন, যেন নরকের পথে, আত্মার ভ্রমণ।
৫১. সত্যের আলো, ততক্ষণই ভালো, যতক্ষণ না সে করে হৃদয় কালো।
৫০. স্বনফস ও রুচির মধ্যেই নিহিত থাকে ভালো-মন্দের সূক্ষ্ম অনুভব।
৪৯. সোনার মোহ, জীবন করে ছারখার, অর্থের পূজায়, আত্মার হাহাকার।
৪৮. আত্মশক্তির বলে, যে জন পথ চলে, তার কাছে হস্তীর ছায়াও নাহি ফলে।
৪৭. সত্যের সুধা, ততক্ষণই মধুর, যতক্ষণ না সে জ্বালায় অন্তর।
৪৬. ধনের নেশায়, তনু হয় পরাধীন, জীবনের মূল্য, হয়ে যায় বিলীন।
৪৫. অরুচির বিষ যদি হয় পরিবারে সঞ্চার, তবে সে কলুষিত করে, স্নেহের সংসার।
৪৪. যে খাদ্য মনে নাহি লয়, তার কথা যদি পরিবারে কয়, তবে সে যেন, মহাপাপের সঞ্চয়।
৪৩. আত্মার গভীরে এমন কিছু আকাঙ্ক্ষা জন্ম নেয়, যা নিজের বোধগম্যতার বাইরেও সত্য।
৪২. সক্ষমতার শিখর স্পর্শ করেও, পছন্দের দৈন্যতা জীবনের পূর্ণতা কেড়ে নেয়।
৪১. স্বাদের ভিন্নতা, যদি আনে পরিবারে তিক্ততা, তবে সে কর্মে, থাকে না পবিত্রতা।
৪০. চাহিদার রঙ ফিকে হলো, মূল্যায়নের আলোও নিভে গেল।
৩৯. সময়ের আঘাত নয়, চরিত্রের দুর্বলতা, বন্ধুর হৃদয় করে ক্ষত, আনে তিক্ততা।
৩৮. যার অন্তরে জ্বলে, আত্মবিশ্বাসের বহ্নিশিখা, তার কাছে হস্তীর সঙ্গ, যেন এক অলীক মরীচিকা।
৩৭. হে করুণাময়, রক্ষা করো মোরে, কপটতার জাল হতে, রাখো দূরে।
৩৬. রসনার অপ্রিয় স্বাদ, যদি পরিবার মাঝে হয় প্রকাশ, তবে সে পাপের ভার, করে হৃদয় নাশ।
৩৫. সব চাওয়া-পাওয়ার পরিসমাপ্তি, সব বিচারেরও সমাপ্তি।
৩৪. যে খাদ্য নিজের অভিরুচিতে নেই, সে নাম পরিবার পর্যন্ত যাওয়ায় মহাপাপ।
৩৩. চাহিদার বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো, মূল্যায়নের পাতাও শূন্য হলো।
৩২. সমস্ত সম্পদ প্রাকৃতিক, অথচ মালিকানা বণ্টনের খেলা একপাক্ষিক।
৩১. হে দয়াময়, দ্বিধাহীন করো মন, ছলনার ছায়া হতে, করো মোরে রক্ষণ।
৩০. অন্ধকারের অতল গহ্বরে যথেষ্ঠ জায়গা, ঢোকাতে আর কোনো সংশয় নেই।
২৯. উন্মাদ নিষ্ফলা গায়ে থুতু মারে, প্রয়াস সিদ্ধে ত্রুটি ঘটলেই।
২৮. দূরত্ব বেড়ে গেলে, বন্ধু! বুঝে নিও— তুমি অন্তর্লীন হিংস্রতার অনুচর হয়ে উঠছ।
২৭. বন্ধুত্বের ফাটল সময় নয়, চরিত্রের দোষ।
২৬. আমি এখন এসবে ফুঁ-য়ে ফুঁ-য়ে বাঁশির আগায় ফুইলা-পোতাইয়া-ফুইলা-পোতাইয়া ক্লান্ত।
২৫. অগঠনতন্ত্র ও চুলকানি কখনো শুভানুধ্যায়ী হয় না।
২৪. সত্য ঠিক ততক্ষণই সুন্দর, যতক্ষণই না নিজের গায়ে লাগছে।
২৩. দেহ তত্ত্বের অগ্রণী প্রণয় মজা নেই, কিন্তু তা মনে থাকে ধ্বংসের লগ্নেও।
২২. ধ্রুবতার মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে, হবে আমার আত্মঅন্ত।
২১. প্রবঞ্চকের সংসর্গ চেয়ে, নিঃসঙ্গতা চিরন্তন সুশ্রদ্ধ।
২০. আত্মদংশন লাগে তখনই, যখন রঙ্গভূষ তটে আসে।
১৯. অস্তিত্বের অন্তিম সীমানা পেরুলেই দাসত্বমোচন।
১৮. নিরালম্ব থাকা আর হলো কই, চারি পাশে ঘৃতাচি ও গৃধ্ররাজের অবয়ব।
১৭. কালকবলিত কেবল চিরন্তন সজীবতা।
১৬. একা চলতে কুঞ্জর সঙ্গ লাগে না।
১৫. রুষ্ট হলে সান্নিধ্যে এসে, নিতম্ব মেরে দিও, নিরোধ করবো না।
১৪. হে খোদা দুমুখো হতে রক্ষা করো।
১৩. অধিকার লিগ্যাল নয়, মরালে সঙ্কট।
১২. মন অনেক কিছু চায়, যা মনই জানে না।
১১. প্রাণবন্ত হোক না আত্মসম্ভ্রম বাফুনে।
১০. সাধ্যে আছে, কিন্তু রুচিতে নেই।
৯. আহঃ স্ব-নির্বোধ নির্বুদ্ধিতায় আত্ম-ব্রীড়া।
৮. নির্বোধ হলেও বুঝতে পারি গৌণ নাট্যকলা।
৭. পিরিতি মাত্র যৌন চাহিদা।
৬. অতঃপর চাহিদা শেষ, মূল্যায়ন শেষ।
৫. নম্রতা ও ভদ্রতাকে তাহারা কাপুরুষতা বলে।
৪. রসদ পৃষ্ঠের প্রিয়ংবদা দেখে ভভক্ষণ মানে বেলি ফাঁদে।
৩. স্ব-নফস ও রুচিতে ভালো মন্দ বোধহয়।
২. খেলায় সবাই নেয়, কিন্তু খেলতে দেয় না।
১. ধন ও অর্থচরণে তনু বিসর্জন।