১৬ তম বর্ষ
শ্রদ্ধেয় প্রতুল মুখোপাধ্যায়
প্রতুল মুখোপাধ্যায় (২৫ জুন ১৯৪২ - ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) ছিলেন একজন বাঙালি গায়ক, সৃজনশীল শিল্পী এবং গীতিকার। তিনি " আমি বাংলায় গান গাই " এবং " ডিঙা ভাসাও সাগরে " নামের দুটি বিখ্যাত বাংলা গানের গায়ক।তিনি গোঁসাইবাগানের ভূত চলচ্চিত্রে নেপথ্য কণ্ঠ দেন।তিনি মনে করেন, সৃষ্টির মুহূর্তে লেখক-শিল্পীকে একা হতে হয়। তারপর সেই সৃষ্টিকে যদি মানুষের সাথে মিলিয়ে দেওয়া যায়, কেবলমাত্র তাহলেই সেই একাকিত্বের সার্থকতা। সেই একক সাধনা তখন সকলের হয়ে ওঠে।
প্রচলিত সংঙ্গীত শিক্ষা গ্রহন না করেও তাঁর অনন্য সৃষ্ঠির মাধ্যমে তিনি বহু মানুষের হৃদয়ে স্থান দখল করে আছেন । সকলের সাথে আমাদের সংস্থার পক্ষ্য থেকেও শিল্পীর প্রতি রইল আমাদের গভীর শ্রদ্ধা ।
শ্রদ্ধেয় জুবিন গর্গ
শ্রদ্ধেয় জুবিন গর্গ অসমের একজন প্রখ্যাত গায়ক, সুরকার ও সংগীতশিল্পী। অসমিয়া , বাংলা ও অনান্য ভাষার আধুনিক ও লোকসংগীতকে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কণ্ঠে আবেগ, প্রতিবাদ, মানুষের প্রতি গভীর ভালবাসা ও বাস্তব জীবনের প্রতিফলন দেখা যায়। বহু জনপ্রিয় অ্যালবাম ও গানের মাধ্যমে তিনি অসমের সংগীতকে রাজ্য , রাজ্যের বাইরে তথা সারা বিশ্বের দরবারে পরিচিত করে তুলেছেন। সহজ-সরল জীবনবোধ , মানুষের প্রতি ভালবাসা ও সমাজসচেতন ভাবনাই তাঁর গানের মূল শক্তি।
তাঁর অনন্য সৃষ্ঠির মাধ্যমে তিনি বহু মানুষের হৃদয়ে স্থান গ্রহন করেছেন । আমাদের সংস্থার পক্ষ্য থেকেও শিল্পীর প্রতি রইল আমাদের গভীর শ্রদ্ধা ।
নগরউখড়া নামের এই প্রসিদ্ধ জনপদ তথা গ্রামের মাটিতে মিশে আছে সুর , তাল আর শিল্পের ছোঁয়ার এক অপূর্ব সংস্কৃতির মিশ্রণ । এখানকার মানুষ আজও হৃদয় খুলে গেয়ে ওঠেন পল্লীগান, ঢোলের তালে দুলে ওঠে লোকনৃত্য , আর হাতের কারিগরি ছোঁয়ায় ফুটে ওঠে মাটির , পাটের ও বেতের অনন্য শিল্পকর্ম । আমাদের স্থানীয় ও বাংলার শিল্পীরা শুধু গান বা নৃত্যই নয় - তারা মাটির গন্ধ, জীবনের গল্প আর শত বছরের ঐতিহ্যকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে তাঁদের সৃষ্টিতে । লোক উৎসব সেই ধারাবাহিক ঐতিহ্যকে সন্মান জানায় , মানুষে- মানুষে বন্ধন গড়ে তোলে , আর আমাদের গ্রামের সংস্কৃতিকে ছড়িয়ে দেয় সকলের হৃদয়ে , এইভাবেই আপন হয়ে ওঠেছে নগরউখড়া লোক উৎসব উদযাপন সংস্থা ।