খাগড়াছড়ি সদরের ৭ কিলোমিটার উত্তর -পশ্চিম কোণে অবস্থিত ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত একটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম কুমারধন পাড়া। গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি মাচাং খগেন্দ্র লাল ত্রিপুরার ভাষ্যমতে ১৭০০ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ গ্রামটি আদিলি পাড়া নামে পরিচিত ছিল। অতঃপর পর্যায়ক্রমে সিডা রোয়াজা ওরফে পাকলা রোয়াজার আমলে গ্রামটি পাকলা পাড়া নামে পরিচিতি লাভ করেন। উল্লেখ্য যে ১৯৬৫ সালে গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন কালে সিডা রোয়াজার নাতি কুমারধন রোয়াজা ভূমি দান করলে তারই নামানুসারে তৎসময় হতে বর্তমান অবধি পাড়ার নামটি কুমারধন পাড়া নামে অভিহিত হয়ে আসছে।
বর্তমানে গ্রামটিতে মূলত ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। ত্রিপুরা ব্যতীত অন্য কোনো জনগোষ্ঠী এখানে নেই। গ্রামের বেশিরভাগই স্থায়ী বাসিন্দা। তবে বিবাহসূত্রে অল্পসংখ্যক পুরুষ অথবা মহিলা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস করছে। আবার অনেক মহিলা বিবাহসূত্রে অন্য গ্রামে গ্রামান্তরিত । কিংবা পুরুষ ও। বর্তমানে এই গ্রামে সর্বমোট প্রায় ২০০ পরিবারের বসবাস। বিশাল এই গ্রামটিতে সবাই মিলেমিশে, হাসি খুশিতে দিন কাটানোই গ্রামবাসীদের জন্য এক মহা আনন্দ।
গ্রামের বর্তমান কার্বারীঃ মাচাং সুধাকর ত্রিপুরা (জগত ফা) (২০১৯- বর্তমান)
মাচাং শ্যামল কান্তি ত্রিপুরা,
৫ নং ভাইবোনছড়া, ৫ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত মেম্বার এই গ্রামের কৃতি সন্তান
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট খাগড়াছড়ি এর উপ-পরিচালক জনাব জিতেন চাকমা'র হাত থেকে বই সংগ্রহ কালীন।