ভর্তি শুরু: প্রতি বছর ২০ ডিসেম্বর থেকে ০৮ জানুয়ারি (তারিখ পরিবর্তনযোগ্য)
ভর্তি শেষ: আসন পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অথবা নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত
ক্লাস শুরু: জানুয়ারি মাসের ১০ তারিখ থেকে
মধ্যবর্তী ভর্তি: বছরের মাঝেও বিশেষ ক্ষেত্রে ভর্তি নেওয়া হতে পারে (কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে)
আমাদের মাদ্রাসায় প্রধানত দুইটি বিভাগ রয়েছে। ভর্তির আগে আপনার সন্তানের জন্য কোন বিভাগ উপযুক্ত তা জেনে নিন।
কুরআন শিক্ষা বিভাগ
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড) এর আধিনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এই বিভাগের অধীনে রয়েছে:
আরবি বর্ণমালা, কায়দা, আমপারা ও প্রাথমিক
দোয়া-কালাম শেখানো হয়।
কুরআন দেখে দেখে শুদ্ধ ও সুন্দরভাবে
তেলাওয়াত শেখানো হয়।
সম্পূর্ণ কুরআনুল কারীম মুখস্থ করানো হয়।
কিতাব বিভাগ
কুরআন-হাদিস, ফিকহ, আরবি ভাষা ও ইসলামি
জ্ঞানের বিভিন্ন কিতাব পড়ানো হয়।
একাডেমী বিভাগ
ইকরা নূরানী তালীমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশ, এর আধিনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এই বিভাগের অধীনে রয়েছে:
কুরআন শিক্ষা বিভাগে ভর্তির যোগ্যতা
• ন্যূনতম বয়স ৪-৫ বছর
• পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই
• শেখার আগ্রহ থাকতে হবে
• মক্তব বিভাগ সম্পন্ন থাকতে হবে
• আরবি বর্ণমালা ও কায়দা জানা থাকতে হবে
• ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে
• নাজেরা সম্পন্ন থাকতে হবে
• কুরআন শুদ্ধভাবে পড়তে পারতে হবে
• মেধা ও স্মৃতিশক্তি যাচাই হবে
• অভিভাবকের সম্মতি থাকতে হবে
📚 প্লে: ৩+ বছর বয়স
📚 নার্সারি: ৪+ বছর বয়স
📚 প্রথম শ্রেণি: ৬+ বছর বয়স,
পূর্ববর্তী শ্রেণি সম্পন্ন
📚 দ্বিতীয় - পঞ্চম শ্রেণি:
বয়স অনুযায়ী, পূর্ববর্তী শ্রেণির
সনদ বা রিপোর্ট কার্ড লাগবে
উভয় বিভাগে (কুরআন শিক্ষা বিভাগ ও একাডেমী বিভাগ) ভর্তির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হবে। ভর্তির দিন অবশ্যই মূল কাগজপত্র সঙ্গে আনবেন এবং ফটোকপি জমা দেবেন।
শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন সনদ
জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি — ১ কপি
অবশ্যই সরকারি জন্ম নিবন্ধন হতে হবে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন গ্রহণযোগ্য
পিতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
পিতার NID কার্ডের ফটোকপি — ১ কপি
কার্ডের সামনের ও পেছনের উভয় পৃষ্ঠার কপি পিতা জীবিত না থাকলে মৃত্যু সনদসহ অভিভাবকের NID দিতে হবে
মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
মাতার NID কার্ডের ফটোকপি — ১ কপি
কার্ডের সামনের ও পেছনের উভয় পৃষ্ঠার কপি
শিক্ষার্থীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি
সাম্প্রতিক তোলা রঙিন ছবি — ২ কপি
ছবির পেছনে নাম ও পিতার নাম লিখতে হবে ছবি পরিষ্কার ও স্পষ্ট হতে হবে
অভিভাবকের মোবাইল নম্বর
অবশ্যই দুইটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে:
জরুরি নম্বর: এই নম্বরে সর্বদা যোগাযোগ করা হবে। অভিভাবকের নিজের নম্বর হতে হবে। সাধারণ/বিকল্প নম্বর: জরুরি নম্বরে যোগাযোগ না হলে এই নম্বরে কল করা হবে। পরিবারের অন্য সদস্যের নম্বর দেওয়া যাবে।
অভিভাবকের ইমেইল ঠিকানা (ঐচ্ছিক)
একটি সচল ইমেইল ঠিকানা থাকলে ভালো হয় নোটিশ, ফলাফল ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইমেইলে পাঠানো হতে পারে
Gmail, Yahoo বা যেকোনো ইমেইল গ্রহণযোগ্য
পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
ছাড়পত্র/টিসি (Transfer Certificate)
সর্বশেষ পরীক্ষার রিপোর্ট কার্ড প্রশংসাপত্র (যদি থাকে)
শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত কাগজ (ঐচ্ছিক)
শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ (A+, B+, O+, AB+ ইত্যাদি) জানা থাকলে এবং কোনো ল্যাব, হাসপাতাল বা ক্লিনিক থেকে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে থাকলে সেই রিপোর্টের ফটোকপি দিতে হবে জরুরি পরিস্থিতিতে এই তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট না থাকলে শুধু রক্তের গ্রুপ লিখিতভাবে জানালেও চলবে
বিশেষ চাহিদা সংক্রান্ত কাগজপত্র (ঐচ্ছিক)
শিক্ষার্থীর কোনো শারীরিক বা মানসিক বিশেষ চাহিদা থাকলে সে সম্পর্কে একটি লিখিত বিবরণ দিতে হবে কোনো ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যদি শিক্ষার্থীর বিশেষ চাহিদা সম্পর্কে প্রেসক্রিপশন বা মেডিকেল সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন, তাহলে সেই কাগজের ফটোকপি জমা দিলে ভালো হয় এই তথ্য সম্পূর্ণ গোপনীয় রাখা হবে এবং শুধুমাত্র শিক্ষার্থীর যত্ন ও সুবিধার্থে ব্যবহৃত হবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের প্রতি আমরা সর্বদা সহানুভূতিশীল ও সহযোগী
খাদ্য এলার্জি ও বিশেষ খাদ্য সংবেদনশীলতা সংক্রান্ত তথ্য (ঐচ্ছিক)
শিক্ষার্থীর কোনো নির্দিষ্ট খাবারে এলার্জি থাকলে (যেমন: দুধ, ডিম, চিংড়ি, বাদাম, গম বা অন্য কোনো খাবার) তা লিখিতভাবে জানাতে হবে। বিশেষ করে এমন এলার্জি যা খেলে শ্বাসকষ্ট, শরীরে ফুলে যাওয়া, র্যাশ বা অন্য কোনো ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া হতে পারে — সেগুলো অবশ্যই জানাতে হবে।ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন বা এলার্জি টেস্ট রিপোর্ট থাকলে তার ফটোকপি দিলে ভালো হয়। এই তথ্য জানালে আবাসিক ছাত্রদের খাবার প্রস্তুতের সময় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সতর্কতা অবলম্বন করতে পারবে
দীর্ঘমেয়াদি রোগ ও নিয়মিত ঔষধ সংক্রান্ত তথ্য (ঐচ্ছিক)
শিক্ষার্থীর এমন কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে যা সারা জীবন থাকবে বা দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা চলবে (যেমন: ডায়াবেটিস, হাঁপানি, এপিলেপ্সি, হৃদরোগ, থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি), সে সম্পর্কে অবশ্যই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। প্রতিদিন বা নিয়মিত কোনো নির্দিষ্ট ঔষধ সেবন করতে হলে, সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনের ফটোকপি জমা দিতে হবে ।কোন ঔষধ, কতটুকু, কখন এবং কীভাবে সেবন করতে হয় — এই তথ্য স্পষ্টভাবে লিখিত আকারে দিতে হবে ।এই তথ্যের ভিত্তিতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীর সুস্থতা নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তথ্য গোপন রাখলে জরুরি পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীর ক্ষতি হতে পারে, তাই সততার সঙ্গে জানানো জরুরি
বেতন ছাড় / কোটা সংক্রান্ত আবেদনপত্র (ঐচ্ছিক — প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
যদি কোনো শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে অসচ্ছল, এতিম, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অথবা অন্য কোনো বিশেষ কারণে বেতন ছাড় বা কোটা সুবিধা পেতে চায়, তাহলে নিম্নোক্ত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।অভিভাবককে একটি লিখিত আবেদনপত্র তৈরি করতে হবে
আবেদনপত্রে কোটা বা ছাড় চাওয়ার কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে
আবেদনপত্রটি মাদ্রাসার মোহতামিম (অধ্যক্ষ) অথবা সভাপতি বরাবর লিখতে হবে
আবেদনপত্রে মোহতামিম অথবা বিশেষ করে সভাপতির স্বাক্ষর ও অনুমোদন নিতে হবে
অনুমোদিত আবেদনপত্রটি ভর্তির সময় অন্যান্য কাগজপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে
কোটা বা ছাড়ের পরিমাণ ও মেয়াদ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে
📌 বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্লে, নার্সারি ও মক্তব বিভাগে নতুন ভর্তির ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই।
সম্মানিত অভিভাবকগণ, আপনার সুবিধার্থে আমরা অনলাইন ভর্তি ফর্ম পূরণের ব্যবস্থা চালু করেছি। এখন থেকে আপনি ঘরে বসেই আপনার সন্তানের ভর্তি ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। আমাদের মাদ্রাসায় দুইটি বিভাগে ভর্তির জন্য আলাদা আলাদা ফর্ম রয়েছে। আপনার সন্তানকে যে বিভাগে ভর্তি করাতে চান, সেই বিভাগের ফর্মটি পূরণ করুন।
অনলাইন ভর্তি ফর্ম পূরণের অনুগ্রহ করে নিচের ধাপগুলো ক্রমানুসারে অনুসরণ করুন:
১️.প্রথমে ভর্তি ফি প্রদান করুন: মাদ্রাসায় এসে অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভর্তি ফি জমা দিন।
২️.রসিদ নম্বর সংগ্রহ করুন: ফি জমা দেওয়ার পর অফিস থেকে প্রাপ্ত রসিদ নম্বরটি সংরক্ষণ করুন। এই নম্বর ছাড়া ফর্ম পূরণ করবেন না।
৩️.প্রয়োজনীয় সকল তথ্য হাতের কাছে রাখুন: শিক্ষার্থীর নাম, জন্ম তারিখ, জন্ম নিবন্ধন নম্বর, পিতা-মাতার NID নম্বর, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি সকল তথ্য আগে থেকে প্রস্তুত রাখুন।
৪️.শিক্ষার্থীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রস্তুত রাখুন: ফর্মে শিক্ষার্থীর ছবি আপলোড করতে হতে পারে। মোবাইলে শিক্ষার্থীর স্পষ্ট ও সাম্প্রতিক ছবি রেডি রাখুন।
৫️.সঠিক বিভাগের ফর্ম নির্বাচন করুন: কুরআন শিক্ষা বিভাগ ও একাডেমী বিভাগের জন্য আলাদা ফর্ম আছে। ভুল ফর্ম পূরণ করবেন না।
৬️. ফর্মের প্রতিটি প্রশ্ন মনোযোগ দিয়ে পড়ুন: প্রতিটি প্রশ্নের নিচে কোথায় কী লিখতে হবে তার নির্দেশনা দেওয়া আছে। নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্য দিন।
৭️. রসিদ নম্বর সঠিকভাবে লিখুন: "ভর্তি ফি রসিদ নম্বর" প্রশ্নে আপনার প্রাপ্ত রসিদ নম্বরটি হুবহু লিখুন।
৮️.সকল তথ্য পুনরায় যাচাই করুন: জমা দেওয়ার আগে সকল তথ্য আরেকবার চেক করুন — কোনো ভুল আছে কি না দেখুন।
৯️. "Submit" বা "জমা দিন" বাটনে ক্লিক করুন সব ঠিক থাকলে জমা দিন।
হিফজ, নাজেরা, মক্তব বা কিতাব বিভাগে ভর্তির জন্য নিচের বাটনে
ক্লিক করে ফর্ম পূরণ করুন।
প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যেকোনো শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নিচের
বাটনে ক্লিক করে ফর্ম পূরণ করুন।
ধাপ ১: ফর্ম জমা হয়েছে: অবস্থা: পেন্ডিং>>>আপনার ফর্ম আমাদের কাছে জমা হয়েছে এবং যাচাইয়ের অপেক্ষায় আছে। এই অবস্থায় ভর্তি নিশ্চিত হয়নি।
ধাপ ২: যাচাই চলছে: অবস্থা: পর্যালোচনাধীন>>>মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আপনার ফর্ম ও রসিদ নম্বর যাচাই করছেন। প্রয়োজনে আপনার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হতে পারে।
ধাপ ৩: কাগজপত্র জমা: অবস্থা: কাগজপত্র প্রয়োজন>>>ফর্ম গ্রহণযোগ্য হলে আপনাকে ফোনে জানানো হবে। এরপর নির্ধারিত তারিখে সকল মূল কাগজপত্র নিয়ে সশরীরে মাদ্রাসায় আসতে হবে।
ধাপ ৪: বাস্তব ফরমে স্বাক্ষর: অবস্থা: স্বাক্ষর প্রয়োজন>>>মাদ্রাসায় এসে অফিসিয়াল ভর্তি ফরমে অভিভাবক স্বাক্ষর করবেন। এটিই ভর্তির চূড়ান্ত ধাপ।
ধাপ ৫: ভর্তি সম্পন্ন: অবস্থা: ভর্তি নিশ্চিত>>>সকল কাগজপত্র জমা এবং বাস্তব ফরমে অভিভাবকের স্বাক্ষর সম্পন্ন হলেই কেবলমাত্র ভর্তি সম্পূর্ণ হয়েছে বলে গণ্য হবে।
একজন শিক্ষার্থীর ভর্তি তখনই সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে যখন নিচের সবগুলো শর্ত পূরণ হবে:
✅ অনলাইন ভর্তি ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ ও জমা দেওয়া হয়েছে
✅ ভর্তি ফি প্রদান করা হয়েছে এবং বৈধ রসিদ নম্বর ফর্মে উল্লেখ করা হয়েছে
✅ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ অনলাইন ফর্ম যাচাই করে গ্রহণ (Accept) করেছেন
✅ সকল মূল কাগজপত্র সশরীরে মাদ্রাসায় এনে জমা দেওয়া হয়েছে এবং যাচাই সম্পন্ন হয়েছে
✅ অভিভাবক মাদ্রাসার অফিসিয়াল বাস্তব ভর্তি ফরমে স্বাক্ষর করেছেন উপরের যেকোনো একটি শর্ত পূরণ না হলে ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
সংক্ষেপে:
অনলাইন ফর্ম পূরণ = ভর্তি প্রক্রিয়ার শুরু
বাস্তব ফরমে স্বাক্ষর = ভর্তি প্রক্রিয়ার শেষ ✅
সম্মানিত অভিভাবকগণ,
ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন, সমস্যা, পরামর্শ বা জিজ্ঞাসার ক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে প্রথমে আমাদের যোগাযোগ পেজে গিয়ে যোগাযোগ ফর্ম পূরণ করার চেষ্টা করুন। যোগাযোগ ফর্মের মাধ্যমে আপনার তথ্য, বিষয় এবং সমস্যার বিবরণ সঠিকভাবে আমাদের কাছে সংরক্ষিত হয়, ফলে আমরা বিষয়টি আরও সহজে যাচাই করে যথাযথ উত্তর দিতে পারি।
বিশেষ করে নিচের বিষয়গুলোতে অনুগ্রহ করে প্রথমে যোগাযোগ ফর্ম ব্যবহার করুন—
ভর্তি সম্পর্কে সাধারণ তথ্য জানতে চাইলে
অনলাইন ভর্তি ফর্ম পূরণের সময় কোনো সমস্যায় পড়লে
ভর্তি ফি জমা, রশিদ নম্বর বা আবেদন যাচাই সংক্রান্ত প্রশ্ন থাকলে
কাগজপত্র, কোটা, বেতন ছাড় বা বিশেষ অনুমতি সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে
আবেদন জমা দেওয়ার পর তার অবস্থা জানতে চাইলে
কোনো লিখিত সমস্যা, পরামর্শ বা অভিযোগ জানাতে চাইলে
যদি কোনো কারণে যোগাযোগ ফর্ম পূরণ করা সম্ভব না হয়, অথবা বিষয়টি জরুরি হয়, তাহলে আমাদের যোগাযোগ পেজে দেওয়া ফোন নম্বর থেকে সরাসরি কল করতে পারেন। এছাড়াও প্রয়োজনে ইমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বা যোগাযোগ পেজে উল্লেখিত অন্যান্য মাধ্যমও ব্যবহার করতে পারবেন।
আমাদের অনুরোধ থাকবে, অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সম্ভব হলে সরাসরি কল দেওয়ার আগে যোগাযোগ ফর্ম ব্যবহার করুন। এতে আপনার বিষয়টি সঠিকভাবে রেকর্ড হবে এবং আমাদের পক্ষ থেকেও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সাড়া দেওয়া সহজ হবে।
নিচের বাটনে ক্লিক করে আমাদের যোগাযোগ পেজে যান। সেখানে যোগাযোগ ফর্ম, ফোন নম্বর, ইমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ, অফিস সময়সূচি এবং অন্যান্য যোগাযোগের তথ্য একসাথে দেওয়া আছে।