Golden Earth Social Welafre Trust.
Agriculture Department ( কৃষি বিভাগ )
Golden Earth Social Welafre Trust.
Agriculture Department ( কৃষি বিভাগ )
Med Plant & Arometic কি?
আমাদের বেদ ও সংহিতা - চরক/সুশ্রত 17000 গাছ মধ্যে 7000 ওষধি গাছ বর্ণনা করা আছে । এগুলো হলো –Medical Plant, Aromatic মূল্য বান কিছু গাছ যেগুলো সুগন্ধি,ধুপ, আতর ,সেন্ট ,কসমেটিক, দামি খাবারের সুগন্ধি নির্ধাণে কাজে লাগে |
2) জঙ্গল নেই, তাই মূল্যবান গাছ কমে গেছে, যেগুলো বিলুপ্তি র পথে ,সেগুলো আবার উৎপাদন বাড়াতে, ও সরকার উদ্যোগ নিয়েছে, 2000 সালে NMPB সালে SMPB ও Nov 2014 Ayush নির্মাণ করা করেছে।
Agarwood (আগর গাছ)-:-
Agarwood: This Sector Is The Most Demandable Sector In The World. আগর এমন এক গাছ, এই গাছের চাষ 2 বছরে ভারতকে 2- 2.5 হাজার কোটি টাকার ইকোনমি দিতে পারে ।
ত্রিপুরা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সংসদে আগরউড বোর্ড অফ ইন্ডিয়া গঠন ও Scientific Study Support and Development দ্বারা Production বাড়াতে , ও তার মাধ্যমে চাষীদের সাপোর্ট ও আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য Agarwood সম্বন্ধে এই তথ্য পাশ করেছেন ।
Name Of The Tree Is Called - Woods Of God দেবতাদের গাছ । এই গাছের বিজ্ঞান সম্মত নাম - Aquilaria Malaccensis (একুইলারিয়া মালাসেনিস)।
Introduction (ভূমিকা) :- বর্তমান মানুষের প্রয়োজনে এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে বহু গাছ নষ্ট হয়ে গেছে, তার পরিবর্তে সরকার থেকে প্রচুর বৃক্ষ রোপণ করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষকে বৃক্ষ রোপন করতে বলা হচ্ছে৷ আমরা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই – এষন একটি বৃক্ষের কথা ,যাকে বলা হয় Wood Of God এই গাছটির চাষ দেশের এবং সাধারন মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য খুবই গরুত্বপূর্ণ হতে পারে। দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় বাজারেই সুগন্ধি উদ্ভিদ এর চাহিদা যথেষ্ঠ বেশি। তবে এই সুগন্ধি উদ্ভিদের রোপণের অর্থনৈতিক দিক, এবং বাজার ইত্যাদি সম্পর্কে অজানা থাকায় আজও এই চাষের জনপ্রিয়তা তেষন বেড়ে উঠেনি। অথচ কিছু রাজ্যের কয়েকজন ব্যাক্তি এই গাছটির চাষ করে বিশাল প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন। আমরা চাই আমাদের রাজ্যে আপনারাও সেই প্রতিষ্ঠিত ব্যাক্তি হয়ে উঠুন । আপনারা এই চাষে মনোনিবেশ করে ,এই আগর বৃক্ষ রোপন করলে আপনার পরিবারের সদস্যদের বর্তমান ও ভবিষ্যত উজ্জ্বলময় হবে৷
আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই গাছ লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে জোয়ার এনে সমৃদ্ধ গ্রাম গড়ে তোলা
সম্ভব । চাষীরা আগর চাষ কেন করবে :- একটি পরিবারকে যদি 3 টি ভাগে ভাগ করা হয়-
1) মেয়ের ভবিষ্যত
2) ছেলের ভবিষ্যত
3) বার্ধক্য জীবন
1) মেয়ের ভবিষ্যত : - যে বাড়িতে একটি মেয়ে আছে,তার নামে যদি 50 টি আগর গাছ লাগানো হয়, 15000 টাকা ইনভেস্ট করা হয়, মেয়েটির বয়স যখন 12-13 বছর হবে, তখন এই গাছগুলো থেকে সে পেতে পারে - 25 লক্ষ -40 লক্ষ টাকা।এই মূলধন তার উচ্চশিক্ষা ও বিবাহের জন্য খুব উপকারী হতে পারে।
2) ছেলের ভবিষ্যত :_ একই ভাবে ছেলের নামেও 50 টি আগর গাছ লাগালে তার পরিণত বয়সকালে উচ্চশিক্ষা ,বিবাহ ,বা কোনো প্রতিষ্তিত ব্যাবসায়ী হতে চাইলে এই মূলধন তার খুব উপযোগী হতে পারে।
3) বার্ধক্য জীবন :- একজন কৃষক তার নামে 50 টি আগর গাছ লাগালে, তার বয়সকালে ,সেই টাকা তার সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তুলতে পারে। তাকে কারও কাছে হাত পাততে হবে না। একটা পরিবারের সমস্ত আর্থিক সমস্যারমোকাবিলা করতে পারে আপনার লাগানোকতগুলো আগর গাছ।
চাষের বিবরণ
জলবায়ু :- যেসকল স্থানে জমির আদ্রতা বেশি, অর্থাৎ জলবায়ুতে জলীয় বাম্পের পরিমাণ বেশি,উষ্ণতা থাকে গ্রীষ্মকালে মোটামুটি - 25*- 40*. ,মোটামুটি বৃষ্টিযুক্ত এলাকা এই চাষের জন্য উপযোগী।
মাটি নির্বাচন :-( বেলে মাটি ছাড়া ) যেকোনো কলোমাটি উপযোগী!
জঘি নির্বাচন: - যে জমিতে জল দাড়ায় না,অথচহালকা স্যাতস্যাতে ভাব আছে ,সেই জমিতে আগর গাছ লাগাতে হবে। আগর চাষের সঙ্গে সেই জমিতে কলাগাছ, লেবু গাছ লাগানো যেতে পারে ,ফলে মাটি শীতল থাকবে ,যা আগরের জন্য উপযোগী ।
চাষের সময় :- গ্রীষ্মকালে ছাড়া সব সময় বসানো যাবে, তবে হালকা জলের ব্যাবস্থা রাখতে হবে।
চাষের পদ্ধতি : - প্রতিটি চারা 5ft / 5ft অন্তর লাগাতে হবে । চারার জায়গা 1ft /1ft /1ft গর্ত করতে হবে। চারটি 3 ফুটের উপরে হলে -2ft /2ft /2ft গর্ত করে গাছ বসাতে হবে। গাছটি রোপণ করার সময় গোবর সার গর্তের রোপণ করতে হবে, এমন ভাবে রোপন করতে হবে যেন গাছের গোড়ায় জল না জমে।
চাষের খরচ: - 3 ফুট চারাগাছের মূল্য 250 টাকা | (3 ফুটের চারাগাছ লাগালে গাছ নষ্ট হবার সম্ভাবনা কম থাকে)। প্রতি চারাগাছ লাগানোর খরচ প্রথষ বছরে গর্ত খোঁড়া ও জৈব সার নিয়ে খরচ 10 টাকা। প্রতি বছর একটি গাছের পিছনে সার ও লেবার খরচ লাগবে -10 টাকা * 10 বছর - 100 টাকা । দশ বছর পর প্রতি গাছে inoculation করতে medicine লাগবে - সেটা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
গাছের বিক্রয়মূল্য :- 10 -12 বছর পর গেছে Medicine দেওয়ার পর বিক্রয়ের উপযুক্ত কাঠ পাওয়া যাবে কমবেশি – 4 - 8 কেজি। 1 কেজি/-Minimum -20000/- মোটামুটি একটি গাছের মূল 100000(এক লক্ষ) টাকা ।
গাছের বিবরণ ও উপকারিতা : - পৃথিবীর সবথেকে দামি বৃক্ষের নাম হচ্ছে আগর গাছ । এইকাঠ খুব দামি সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া দামী দামী ধূপে এই ব্যবহার হয়। এই আগর গাছ থেকেই আগরবাতি নামটি এসেছে! কোনো মানুষের পুরাতন কাশি ,সর্দি ,জয়েন্ট পেন, মাইগ্রেন সমস্যা , অনিদ্রজনিত সমস্যা , নেশা থেকে মুক্তি, সুগার নিয়ন্ত্রণ,ফুঁসফুস সংক্রান্ত রোগ নিরাময় ,ওজন কমানো , ইমিউনিটি বাড়াতে, দাঁত-এ রক্ত পড়ার সমস্যা -এ ব্যবহার করা হয়।
সুগন্ধি নির্যাণ - আগরের 1 টুকরো কাঠ জলে 2-3 দিন রেখে দিলে তা থেকে যে সুগন্ধি জল নির্মাণ হবে, তা দাখী সুগন্ধী কেও হার মানাবে ।
একাঙ্গি :-( Aromatic Ginger ).
ভূমিকা :- একাঙ্গি কে বলা হয় Aromatic Ginger . এই গাছের মূল আদার মতো হয়। এই গাছ থেকে নানান রকম সুগন্ধি সেন্ট তৈরী হয়।
জমি নির্ণয় :- যে জমিতে আলুর চাষ বা মাটির নিচে যে ফসল ভালো হয়। যে জমিতে জল জমে না, সেই জমিতে একাঙ্গি চাষ উপযুক্ত।
( আলুর চাষ যে জমিতে যতটা বেশি হয় সেই জমিতে একাঙ্গিফসল ততো বেশি হয়।)
মাটি :- সাধারণ দোআঁশ মাটি, বেলে দোআঁশ মাটি উপযোগী।
চাষের সময় :- চৈত্র বৈশাখ মাসে ফসল লাগাতে হবে। ১০/১২ মাস সময় লাগে ফসল পরিণত হতে। মাঘ ফাল্গুনে ফসল তুলে নিতে হয়।
চাষের পদ্ধতি :- এক বিঘা জমিতে ২২ হাজার চারা লাগানো যায়। যেরকম ভাবে আদা বা হলুদ লাগানো হয় বা চাষ করা হয় সেরকম ভাবে লাগাতে হয়।
সার :- জমিতে খোল, গোবর, ১০২৬ দিয়ে ভালোভাবে চাষ করতে হবে। যদি আলু চাষ হয়ে থাকে, তাহলে আলু উঠে গেলে বিনা সার দিয়ে লাগাতে হবে বা চাষ করতে হবে।
চাষের খরচ :- বীজ লাগবে ৫০ কেজি করে তিন বস্তা অর্থাৎ ১৫০ কেজি। ( ১বিঘা জমিতে। যার দাম ২২০০০/- থেকে ২৫০০০/- টাকা। সার, ফসল তোলা, জল সেচ, ফসল কাটা ইত্যাদি সব মিলিয়ে খরচ প্রায় ১৮/২০ হাজার টাকা। মোট খরচ কম বেশি - ৪৫০০০/- টাকা।
ফসল উৎপাদন ও বিক্রয় মূল্য :-
প্রতি বিঘা তে ফসল হবে ৩০০০ কেজি থেকে ৩৫০০ কেজি কাঁচামাল। এটি কেটে শুখনো করলে দাঁড়াবে ১০০০ কেজি থেকে ১২০০ কেজি।
দাম হবে ১৪০ টাকা থেকে ১৫ ০ টাকা কেজি।
১৪০ টাকা কেজি হলে ১০০০ কেজি র দাম ১০০০×১৪০= ১৪০০০০/-
( এক লক্ষ্ চল্লিশ হাজার টাকা )।
১৫০ টাকা কেজি হলে ১২০০ কেজির দাম ১২০০×১৫০=১৮০০০০
( এক লক্ষ আশি হাজার টাকা )
কমবেশি বাজার মূল্য এক লাখ আটশট্টি হাজার থেকে এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা বিক্রয় মূল্য।
বাজারের দর অনুসারে ফসলের দাম কমবেশি হতে পারে।
Oil VatiVer/ খাস ঘাস –
ভূমিকা :- এর বিজ্ঞাসম্মত নাম - Vetiveria Zizanioides। সুগন্ধি ঘাস ,যেটি নদীর তীরে চাষ করা হয় । ভারতীয় মুলের একটি ফসল , আগে দক্ষিণ ভারতে চাষ করা হত, বর্তমানে ডিমান্ড প্রচন্ড থাকায় ,সব জায়গায় চাষ করা হয়। এই ঘাস বনৃবর্ষজীবী কিন্তু ব্যাবসায় জন্য 1 বছর -15 মাস পর এই ঘাসের মূল তুলে বিক্রয় করে দেওয়া যাবে।
বিবরণ:- এই ঘাস অধিক শুষ্ক ও অধিক জলেও বেচে থাকতে সক্ষম | এই পরিস্থিতি তে গাছের বুদ্ধি কম হয় ,কিন্তু সমস্যা মিটে গেলে ,আবার বেড়ে উঠে ।
মাটি :- সব মাটিতেই হয়, কিন্তু বেলে মাটি সবথেকে উপযুক্ত,তাছাড়া,বেলে দোআঁশ (80%বালি + 20% মাটি) নদীর চরে উচু জায়গায় চাষ করলে ভালো হয়|
সার:- জেব সার,অর্থাৎ সমস্ত সবজি ও ফলের খোসা, চায়ের পাতা ,পেঁয়াজের ,সব Pachie মাটির সঙ্গে মিশিয়ে জায়গা টা উর্বর করে নিতে হবে, ফুট/1ফুট গ্যাপ দিয়ে লাগাতে হবে ।
লাগানোর পদ্ধতি: - 1 বিঘা জমিতে 14400 sq /1 ফুট_ 1 টা স্লিপ (চারা গাছ) এনে ফুট/ফুট গ্যাপ দিয়ে লাগাতে হবে । বর্ষাকালে রোপণ করা সবথেকে ভালো ।
পরিচর্যা:- গাছটির পাশে যদি আগাছা জন্মায় ,সেগুলো পরিষ্কার করে নিতে হবে।
পরিণত সময় :- এই গাছ 1 থেকে 1-5 মাসের মধ্যে পরিণত হয়ে যায়। November, December, January মাসে ফসল তোলা হলে ,তেলের পরিমাণ টা বৃদ্ধি পায় ।
ফসলের মূল্য :- 1 টা গাছে খুব কম করে 250 - 500 গ্রাম মূল পাওয়া যায়। 1 বিঘায় 14,400 × 250 = 3600 Kg মাল হলো । 36090 × 40 = 1 লাখ 44 হাজার ।
খরচ :- 1 চারার মূল্য - 2.30 × 14400= 33,120 | সার + ট্রাক+ লেবার + ইত্যাদি 10000 ।
লাভ :- 1,44,000- 440005- 1 লাখ | ভারতে এই তেলের চাহিদা - 100 -150 টন।/ Year. উৎপাদন মাত্র - 25 - 30 টন/Year |
ডিমান্ড: - 410 টন তেল ( international)উৎপাদন - 250 টন তেল।
অন্তর্রাষ্ট্রীয় মার্কেট :- 2020 - 59 বিলিয়ন ডলার 2027 - হতে পারে -126 বিলিয়ন ডলার।
ঘাসের ব্যবহার:- এই ঘাসের ব্যবহার সুগন্ধি,পারফিউম & Cosmetic আতর,সেন্ট ,সাবান ও পান মসলা,তে সুগন্ধি হিসাবে হয়। কোল্ড ড্রিঙ্কস,সফট ড্রিংকস, তাছাড়া হেলথ সেন্টার, আারোমা থেরাপি ।
নাগরমোথা (Coco Grass):-
গাছটির বিজ্ঞাসম্মত নাষ - সাইপেরাসস্কেরিওসাস । বাংলায় মুথো ঘাস , ইংরেজিতে Coco Grass নামে পরিচিত।
ভূমিকা : - এই গাছটি 4-6 ফুট লম্বা হয় | ডগার কাছে বিস্তারিত পাতার মধ্যস্থলে বর্ষাকালে জুলাই - আগস্ট মাসে সাদা রঙের ফুল দেখতে পাওয়া যায়।
জঘি:- স্যাঁতস্যাঁতে জলযুক্ত জমি , নালার ধার, নদীর তীরে ,খুব ভালো জন্মায় এই গাছ । জমিতে জল জমলেও কোনো অসুবিধা নেই।
মাটি :- এঁটেল মাটি, দোয়াস মাটি খুব ভালো ।
চাষের সময়:- মাঘ ফাল্গুন, চৈত্র,বৈশাখ মাসে লাগাতে হবে।
চাষের পদ্ধতি :- একটা রাইজম কেটে 6 Inch / 6 Inch. লাগাতে হবে । জমিতে চাষ ,এবং জল দিয়ে জমিকে ধান চাষের মতো উপযোগী করে নিতে হবে,ঘাটি যখন নরঘ থাকবে ,সেই অবস্থাতে গাছ লাগাতে হবে।
চাষের পরিণত সময় : - চাষটি 2 বছরেও তোলা যায় ,আবার 3 বছরেও । তবে 2 বছরে জমি অনুযারী 7- ৪ টন, ও 3 বছরে _10-12 টন মাল
ফসল তোলার উপযুক্ত সময়: জানুয়ারি,ফেব্রুয়ারি, মার্চ ।
চাষের খরচ : প্রতি বিঘাতে রাইজম লাগে 6-7 বস্তা | একটি ব্যাগ এ রাইজম থাকে 50 কেজি। 6 ব্যাগ ×50 কেজি = 300 কেজি । একটি ব্যাগের দাষ 4000×6 = 24000 চাষের খরচ + তোলার খরচ _ 16000
মোট চাষ করতে খরচ হতে পারে 40,000 টাকা|
ফসলের মুল্য ও পরিমাণ :-1 বিঘা কমপক্ষে হতে
পারে - 8000 কেজি ×20 = 1,60,000 টাকা |
( 1,60,000 টাকা- 40,000 টাকা)|
মোট লাভ - 1 লক্ষ 20 হাজার ।
( বাজার দর অনুযায়ী ,দাম ও খরচ সামান্য অন্তর হতে পারে। )