RBI-এর রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫.২৫% থেকে ৫.৫০% হওয়ার ফলে ধারণ মানুষের অর্থনীতিতে ৩টি বড় প্রভাব পড়তে চলেছে। নিচে খুব সংক্ষেপে বিষয়গুলি তুলে ধরা হলো:
১. লোনের ক্ষেত্রে (Home, Car & Retail Loans):
ঋণ আরও দামি হবে। রেপো রেট বাড়ার কারণে ব্যাংকগুলোর তহবিল সংগ্রহের খরচ বাড়বে, তাই খুব শীঘ্রই তারা হোম লোন, কার লোন এবং অন্যান্য রিটেল লোনের সুদের হার বাড়াবে। এর ফলে নতুন গ্রাহকদের বেশি EMI গুনতে হবে এবং পুরনো ফ্লোটিং রেট (Floating Rate) গ্রাহকদের ক্ষেত্রে লোনের মেয়াদ বা EMI দুটোই বাড়তে পারে।
২. ব্যাংক ডিপোজিটের ক্ষেত্রে (FD & Savings):
আমানতকারীদের জন্য এটি একটি সুখবর। লোন দামি হওয়ার পাশাপাশি ব্যাংকগুলো তাদের ফিক্সড ডিপোজিট (FD) এবং অন্যান্য সেভিংস স্কিমগুলোতে সুদের হার বৃদ্ধি করবে। ফলে ব্যাংকে জমানো টাকার ওপর আপনি এখন আগের চেয়ে বেশি নিশ্চিত রিটার্ন পাবেন।
৩. শেয়ার বাজার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে:
শেয়ার বাজার ও ইক্যুইটি ফান্ড: সুদের হার বাড়লে কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর ঋণের খরচ বেড়ে যায়, যা তাদের লাভের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। এর ফলে স্বল্পমেয়াদে শেয়ার বাজার এবং ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডে কিছুটা পতন বা অস্থিরতা দেখা যেতে পারে।
ডেট ফান্ড (Debt Funds): সুদের হার বাড়ার কারণে বন্ডের দাম কমে যায়, ফলে পুরনো বন্ডে যারা বিনিয়োগ করেছেন তারা সাময়িক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। তবে, যারা নতুন করে ডেট মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করবেন, তাদের ক্ষেত্রে এখন বেশি ইল্ড (Yield) বা রিটার্ন পাওয়ার ভালো সুযোগ তৈরি হবে।
এই পদক্ষেপের ফলে ব্যাংকে টাকা জমানো বেশি লাভজনক হতে চলেছে, তবে যারা লোন নিতে চাইছেন বা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করছেন, তাদের এই মুহূর্তে একটু হিসেব করে এগোতে হবে।