তুমি হলে ক্যাফেইনের মতো এক বিষাক্ত নেশা-
এই নেশায় নিঃস্ব হয়ে যায় চোখের সকল দৃশ্য,
নিঃস্ব হয়ে যায় মস্তিষ্কের সকল স্নায়ু,
নিঃস্ব হয়ে যায় বুকের ভারি ভর।
তুমি ক্যাফেইনের মতন অসম্ভব ক্ষতিকর-
তাই অতিমাত্রায় তোমার ভাবনা ভোগায় আমায় রাতভর।
তুমি ক্যাফেইনের মতন তীব্র-
তাই তোমায় ছাড়া চন্দ্রের আলোকস্রোতে অপূর্ণ।
তুমি ক্যাফেইনের মতন গাঢ়-
তাই তোমার সুবাসিত ভ্রম আমার স্পর্শের মায়ার প্রতি আটকা পড়ে।
তুমি কেবলই ক্যাফেইনের একটিমাত্র ফোটা-
যাকে ঘিরে থাকে ঘুম হারানো হাজারও রাত,
যার প্রভাবেই জাগ্রত নিদ্রাচ্ছন্ন পুরোকাল।
"তুমি হলে ক্যাফেইন
যা আমার ঘোর, ভ্রম আর বিষাক্ত নেশা !"
"সতেরো বছর পুরোনো। "
এই জীবনের শুরুটাই হয়েছিল জীবন কী সেটা না জেনে। হয়তো জেনে উঠার আগেই জীবনের সমাপ্তি হয়ে যাবে। জীবন কী তা না জেনেই জীবনের সংগ্রাম। জানা নেই কোন পরিপূর্ণ সংঙ্গাও। জন্ম মৃত্যু'র দুই সংখ্যা রেখার সীমাবদ্ধতায় আমাদের প্রানের অস্তিত্ব। কারো জীবন প্রকৃতপক্ষেই জীবিত, কারো জীবন বেঁচে থেকেও মৃত।
- আপেক্ষিকতার বেড়াজালে নির্মিত শতশত হৃদস্পন্দনের সমষ্টিই হয়তো জীবন।
জীবন হয়তো কখনো তীব্রভাবে বেঁচে থাকার অদম্য প্রয়াস আবার কখনো হয়তো জীবন বিষাদগ্রস্থ মৃতদেহে পরিনত হবার আকাঙ্খায় লিপ্ত! জীবন হয়তো কখনো কখনো এনে দেয় এক নক্ষএ সমান আশা তবে নক্ষএের ও অবসান হয়,পরিনত হয় মৃত তাঁরায় আর আশা'তো কেবলই ভরহীন এক অবাস্তবতা। জীবন কখনো কখনো এনে দেয় অসম্ভব পিচাশী মূহুর্ত যে মূহুর্তে মস্তিষ্কের প্রবাহ হয়ে পড়ে স্থির,সকল কুৎসিত বিভীষিকাময় মুহূর্ত জীবনকে ছায়ার মতোন হ্রাস করতে থাকে। জীবন আবার কখনো ভালোবাসার পবিত্রভূমিতে পরিনত হয়। অগনিত সুগন্ধি কনা ভরিয়ে তুলে হৃদয়ের সৌন্দর্য, আর মানুষ বেঁচে থাকে বাঁচবার উদ্দেশ্যে জীবনের সীমাবদ্ধতায়। জীবন এক অসম্ভব অনিশ্চয়তার স্থান! সতেরো বছর পুরোনো চিঠি'টাও বাঁচবে ঠিকই আগামীতে তবে প্রেরক আটকা পড়বে একদিন না একদিন পুরোনো নিয়মতান্ত্রিক জীবনের কাঠগোড়ায়!
এটাই কি সভ্যতা?
যে সভ্যতার সূচনা নিউক্লিয়ার ফিউশন থেকে?
এটাই কি তাহলে সভ্যতা বনাম পশুত্ব?
যেখানে বিবেক ও অবিচারের রায়ে আসক্ত?
এটাই কি তাহলে সভ্যতার চরম চিৎকার?
যেখানে পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকে অবিশ্বাস?
" এটাই কি তাহলে বেঁধে রাখা বিবেকের পরাজয়ের পরিহাস?
যেখানে উড়ে যায় অন্ধকারের আলো সঙ্গে নিয়ে পিচাশী উল্লাস!"
এটাই কি তাহলে আমরা?
যে সভ্যতা ইতিহাসের সাক্ষী, ইতিহাসের স্বাক্ষর,
যে সভ্যতা ব্যাবিলনের মতন ধাবিত আজ ইতিহাস গড়তে, ছাই হতে!
যে সভ্যতা আক্রান্ত এক ব্যাধির দ্বারা,
সভ্যতাই সেই ব্যাধির মরণ রেখা,
এই" ব্যাধির নাম সভ্যতা"
" খুনিতত্ত্ব"-05
যেখানে অজস্র মানুষ বেঁচে আছে শেষ বায়ুকণার জন্য প্রবল ভাবে অপেক্ষমান থেকে, সেখানে সুখকে তোমরা সত্য ভেবে নাও? এই সুখ তো সত্য নয়, এই সুখ তো আপেক্ষিক ও নয়, এই সুখ তো বিরাট ভ্রম! বিবেক ধ্বংসকারী ভ্রম! ছোঁয়াচে মহামারীর থেকেও তীব্র গতিময় এই সুখ নামক ভ্রম! কখনো হেঁটে বেরাওনি বোধ হয় এই রোদ্দুর নগরীর আনাচে কানাচেতে! কত মানুষ, কত শিশু, কত বৃদ্ধ, ঘর বলতে এই পৃথিবীর পিচ ঢালা রাস্তাটুকু যা!! পুরো নগরী তাদের হাহাকারের মন্ত্রে লজ্জিত শিরখন্ডের অংশ। নাক চেপে হেটে যাই যে ডাস্টবিনের পাশ কাটিয়ে সেখানে ছোট্ট বালকটা শুয়ে থাকে তীব্র ক্ষুধার এক পিচাশি বোধ নিয়ে। এই পিচাশীবোধ শিশুর সুন্দর বিবেকের গায়ে ছুরি কাটে। এই পিচাশি বোধ শিশুর স্নায়ুকে বাধ্য করে কুকুরের মুখের খাবার ছিনিয়ে খেতে। এতটা পিচাশি আমাদের নগরী? এতটা? সুখ নামক অবাস্তব অমানুষের খোলসের প্রাণ সত্তায় যাদের চিরকালের বাস তাদের বমি আসে এসব শুনে! এই বমি তাচ্ছিল্যের বমি, এই বমি অহংকারী সুখী ভাববার বমি! তারাই অমানুষ! রাস্তায় হাজারো বৃদ্ধ বয়স্ক পিতা মাতার ইচ্ছে হয় অন্তত বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত হবার সুযোগ যেন পায় তারা! তবে তাদের সাথে আমাদের ব্যবধান কোথায়? ব্যবধান এক আলোকবর্ষ চিন্তাভাবনায়! তবুও তোমরা সুখী? না, তোমরা কেবলই অমানুষ। জোয়ান ছেলের বুকের মাঝে একটাই ইচ্ছে জাগ্রত হয়" এক গ্লাস পানি"। মাথার উপর এক আস্ত সূর্য! পিঠ ঢালা রাস্তায় তিন চাকার উড়োজাহাজ চালিয়ে বেড়ায় হাজারো মাইল, এক গ্লাস পানি এক গ্লাস পানি এক গ্লাস পানি! জোয়ান ছেলের প্রার্থনায় একটাই দোয়া, শেষ বায়ুকনা বের হয়ে যায় শান্ত হয়ে যাক এই মাংসপিণ্ডের ডায়াষ্টোল সিষ্টোল কার্যপ্রণালী! তবুও তুমি সুখী? তুমি তো অমানুষ, অমানুষ! কখনো এসেছো দেখেছো পুরানো নগরীর পুরানা কীর্তি? এই কীর্তি সোনার বাংলার বুকে বাজিয়ে বেড়ায় সার্কাস। এই সার্কাস সমাজের নিচু শ্রেণির সার্কাস! এই সার্কাস প্রাণ ভরে হাসে উচ্চাকাঙ্ক্ষীদের ভেবে , হাহাহা! উচ্চাকাঙ্ক্ষী কি বুঝবে না কখনোই তারা যে অমানুষ? তারা যে অমানুষ তারা কি জানে না? হাহাহা, ! নিচু শ্রেণিরা হাসে প্রাণ ভরে কারন উচ্চাকাঙ্ক্ষীরা তো অমানুষ! সুস্থভাবে ভেবে দেখেছো কি কখনো, তোমরা যে অমানুষ? এই জাতি কি করে সুখী থাকতে পারে যেখানে মানুষ বাঁচে তার প্রাণ বের হবার অপেক্ষায় অপেক্ষমান থেকে! এই জাতি কেন বোঝেনা তারা যে সুখী নয়, এই জাতি কেন বোঝেনা এটা যে সুখ নয্ এ জাতি কেন ভাবতে চায় না? শুধু অর্থ আর অর্থ, মান হানাহানি সবই অর্থের কারবারি! তারা নিকৃষ্ট, তারাই অমানুষ যারা নিজেদের ভেবেই অন্যদের হেসে খেলে উড়িয়ে দেয়! তারাই অমানুষ যারা নিজেদের সুখী ভাবে, তারাই অমানুষ যারা গলিতে গলিতে ঘরছাড়া মানুষদের দেখেও কোন অনুভূতি দ্বারা আকৃষ্ট হয় না।
তারাই খুনি তত্ত্বের সর্ব নিকৃষ্ট মানুষ,
তারাই খুনি তত্ত্বের তাত্ত্বিকতার অনুযায়ী অমানুষ,
তারাই অমানুষ!
" খুনিতত্ত্ব"-04
কিভাবে জানি এই খুনি তত্ত্বের ঘৃণিত রক্ত মানুষের দেহে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে। বিবর্তনের ফলেই ঘটেছে এই অনুপ্রবেশ। বর্বরদের রক্ত, খুনিতত্ত্ব বইয়ের কলমের কালির রক্ত, পিচাশির রক্ত , কিভাবে জানি মানুষের শরীরে ভর করেছে। ভর করেছে গোটা সমাজ, সম্প্রদায় , নগর, নগরীর মাঝে। বুক কেটে জায়গা তৈরি করে নিয়েছে এই ঘৃণা। সভ্যতার প্রথম থেকেই মানুষ জাতি শিখেছিল শিকার করতে। মানুষ শিখেছিল স্বার্থ দিয়ে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে, বিবর্তনের লক্ষ বছর পর এখন এমন একটা চূড়ান্ত সময় অতিবাহিত হচ্ছে,
যে সময়ের স্বার্থ নিয়ে কথা বলা আমি আত্মকেন্দ্রিকদের কাতারে পড়ে যাই সমাজের চাপে। কোন কালে কি ছিল আত্মত্যাগ একমাত্র রক্তের বন্ধন ব্যতীত? বিবর্তনের ফলে সৃষ্ট এই বর্বরতার যুগে তো রক্তের বন্ধনেও তৈরি হয়েছে ফাটল! আমাকে মানুষ প্রচন্ড রকম অসামাজিক কিংবা ঘৃণিত ভাবতেই পারে! তবে এমনি এমনি কোন কিছুই হয় না! রক্তগুলো প্রতি সেকেন্ডে যেভাবে বয়ে বেড়াচ্ছে শরীরের প্রত্যেকটি শিরা উপশিরায় ঠিক তেমনি মস্তিষ্কের প্রত্যেকটি নিউরন সেলে আমার সেই দিনগুলোর কথা জমা পড়ে আছে! প্রতি সেকেন্ডে প্রতি মুহূর্তে সেগুলো বারবার মনে পড়ে যায়! তবুও আমি নিজেকে নিজের জন্য তৈরি করব না বলছো? তুমি সুখী তাই তুমি স্বার্থের কিছুই বোঝনা। বিবর্তনের এই যুগে সুখী শব্দটাই বিলুপ্ত হওয়ার দরকার! সব শেষ এটাই বলি যে, " নিজেকে অন্যের সম্মুখে সুখী হিসেবে তুলে ধরি আমরা, এটাও কি স্বার্থ নয়?"
" খুনিতত্ত্ব"-03
অস্তিত্ব এক মাংসপিন্ডের, যে অস্তিত্ব শুধুই বেঁচে থাকে বাচবার উদ্দেশ্য।
প্যারাফিন হেলোসিনেশন এর মতোই এই জগত রহস্যের পটভূমি, যেখানে সম্ভাবনাই এক একটা পরিণতি!
এই এক মাংসপিন্ডের রহস্য,
যেই রহস্যের নেই কোনো উদ্দেশ্য!
আকাশের আলো খেলার মতোই নিষ্প্রাণ, এই ভুবন জুড়ে সকল মাংসপিন্ডের প্রাণ!!
মহা শিরার রক্তের চেয়েও দূষিত এই আলো-আঁধারির জীবন.!এই জীবন এক দুষ্প্রাপ্য জীবন, খুঁজে পাওয়া অসম্ভব মহাধমনীর রক্তের মত পবিত্র এক জীবন যে মাংসপিন্ডে হয়নি কখনো কোন দূষণ!!!
এই সূর্যকে দেখে মনে হয় একফোঁটা আলোর অভিনয়!
এই অভিনয় এক বিবাদ সৃষ্টিকারী ধ্বংসের প্রয়াস, এই ধ্বংস এক উন্মাদগ্রস্থ উন্মাদনায় লিপ্ত হওয়া ধ্বংসাত্মক মানসিকতার ক্ষিপ্ত আলোর দীপ্ত প্রয়াস!
এই মাংসপিণ্ড পারবে না ডায়াস্টোল এর সময় প্রেয়সির ধ্বনি উচ্চারিত করতে!
এই মাংসপিণ্ড পারবে না ট্রাইকাসপিড এর মতন তোমাকে রুখে দিতে!!
এই মাংসপিণ্ড পারবে না হতাশায় আসাময় এক শক্তি হতে! এই এক মাংসপিন্ডের রহস্য, যে রহস্যের নেই কোন উদ্দেশ্য! এই এক তত্ত্ব,
যে তত্ত্বের নাম তোমরা শুনোনি কখনও,
এটি" খুনিতত্ত্ব".
বিবেকহারা তৃপ্তশ্বাসে বেঁচে আছে অজস্র দেহঘড়ি!
যেখানে সময় পরিবর্তনশীল সেখানে তুমি নিজেকে পূর্বের মতো দাবি করো?
যেখানে শূন্যস্থানও ভঙ্গুর সেখানে তুমি নিজেকে একনিষ্ঠ দাবি করছো?
যেখানে আলোও অদৃশ্য সেখানে তুমি নিজের কর্মকে দৃশ্যমান স্বচ্ছ বিবেকের প্রতিচ্ছবি মনে করো?
যেখানে ভালবাসাও নরকীয় নিকৃষ্ট সেখানে তুমি ভালবাসাকে অনন্ত পবিত্র মনে করো?
সময় পরিবর্তনশীল , শূন্যস্থান ভঙ্গুর ,আলো অদৃশ্য, ভালবাসাও নরকীয় নিকৃষ্ট ,,,,,,,,,
তবে তুমি কিভাবে নিজেকে পরিপূর্ণ মনে করো?
খুনীতত্তের প্রথম অধ্যায়ে পিচাশি মানুষ ছিল
খুনীতত্তের দ্বিতীয় অধায়ে বিবেকহারা তৃপ্তশ্বাস ছিল
এরপরেও কি ভাবছো তোমার নিজের অস্তিত্বের উপস্থিতি খুনীতত্তের পরের অধ্যায়গুলোতে খুঁজে পাবে না?
"খুনীতত্ত" -০১
নিকৃষ্ট মস্তিষ্কের খুনীতত্তের তাত্তিকতায় নতুন করে জন্মায় ক্রোধ। "জীবন এক উৎসব"-এই ভেবে রক্তকনা প্রতিটি শীরায় বয়ে বেড়ায় উল্লাস! এই উল্লাস এক পিচাশি উল্লাস, এই উল্লাস এক উন্মাদীয় উল্লাস! এই উল্লাস অন্ধ করে বদ্ধ বিবেকের দৃষ্টিদুটি। এই উল্লাস খুনীতত্তের রক্তপানের তৃপ্ত প্রয়াস!
নান্দিত ক্রোধে জেগে উঠে খুনীতত্তের পুরানো অধ্যায়!
বেঁচে থাকে প্রত্যেকে খুনীতত্তে উল্লেখিত নিকৃষ্ট পিচাশি এক মানসিকতায়।
মানুষ আমরা বেঁচে আছি
গলিত পঁচে যাওয়া মনুষ্যত্বের কাঠগোড়ায়!
-রাত হচ্ছে গভীর, ঘুম হচ্ছে অতৃপ্ত, মস্তিষ্ক জ্বেগে থাকছে ইনসমনিয়ায়।
মধ্যরাতের এই পৃথিবীতে সময় থমকে রয়।স্তব্ধ হয়ে জ্বেগে থাকা ঘড়ির কাঁটাগুলোও।ঘড়ির টিক টিক শব্দ টাও বন্ধ হয়ে যায় দুটো:৩৯ বাজবার পর।বন্ধ হয়ে যায় কিশোরীর ভাবনা,
বন্ধ হয়ে যায় প্রবল বেগে বয়ে চলা ওই বায়ুকনা,
বন্ধ হয়ে যায় চন্দ্রাস্ত।
থমকে থাকা এই নিস্তব্ধ নগরীর বুকে জ্বেগে ওঠে হাজারো যুবক,
জ্বেগে উঠে হাজারো ভাবনা,
"জ্বেগে উঠে হাজারো নিকোটিন কনা।"
----------
রাত দুটো:৩৯।
বসে রইলাম চন্দ্রা আলোকিত বারান্দায় মুষ্টিবদ্ধ হাতে কিছু গানের সুর নিয়ে!
রাত এতটাই গভীরে তলিয়ে গেছে যে শুনছি পুড়ন্ত কাগজের শব্দও।
তবুও শুনতে পাইনি তোমার ওই কম্পন,শুনতে পাইনি তোমার ওই নিশ্বাস, শুনতে পাইনি তোমার ওই সুবাস,
শুনতে পাইনি কিছুই আমি তোমার থেকে!
শুধু পেয়েছি শুনতে পুড়ন্ত কাগজের অগ্নিশিখার শব্দ,
শুধু পেয়েছি শুনতে জীবন আজ বদ্ধ,
শুধু পেয়েছিলাম শুনতে আমার উন্মুক্ত ভাবনা গুলো!!
এ শহরটাও কিছুই আমার শোনায়নি,
এই বৃষ্টির মেঘগুলোও কিছুই আমায় শোনায়নি,
শুধু শুনিয়েছে আমায় দেয়াল ঘড়ি এখন "মাঝরাত দুটো:৩৯"
একটি কাল্পনিক চিঠিপত্র এর উদাহরণ দেয়া হলোঃ
সাধারণ আলাপ : পত্রের শুরুতে ভালোবাসা নিও কিংবা শুভেচ্ছা নিও এ ধরনের কোন অযথা অবকাশ এর সংলাপ না করিয়া মূল কথাগুলো আজ সকলকে উদ্দেশ্য করিয়া এই পত্রে আমি একখান প্রবন্ধ লিখবার জন্য বসিয়াছি। ভালো নেই তুমি তবে অযথাই ভালো আছো কিনা জিজ্ঞেস করলুম না কারণ করলে হয়তোবা পত্রের উত্তরে ভালো আছো লিখবার গিয়া তোমার কালি নষ্ট হইতো সাথে তোমার সময়ও। তবে আর কালি নষ্ট নয় মুল প্রবন্ধ লিখবার যাইতেছি!
বিশেষ সংলাপঃ "দুঃখ জাগিবে মনের তবু করিও না কান্না স্বচক্ষে"- কোন এক কবিগুরু এর উক্তিটি দিয়া শুরু করিলাম। অতীতের বাস্তবতায় এতদিনে হ্রাস হইয়া থাকিলে এখুনি হাসো পরাজিত বীর হইলেও হাসো, দুঃখ পাইয়া লাভ নাই দুঃখ কেবল যন্ত্রণা দেয় চাহিদা বাড়ায়, দুঃখ থাকিলে মনে কষ্টের মাঝে শান্তি পাইবে কি করে? ওহে, দুঃখের মধ্যেও সুখ খুজিয়া লইতে হয়, বড়ই স্বার্থপর বাঙালি জাতি মোরা , নির্লজ্জ মোরা, স্বার্থের টানে চাই চাই আরো চাই বলিয়া ভিক্ষে করে হইলেও ধন বাড়াইবার স্বপ্ন দেখিবার লোক আমরা হে! ধোনির মাঝেই সুখী আর গরিবেরা খায় লাথি ধিক্কার জানাই হে! ধিক্কার তোমার এই সমাজ ব্যবস্থায় ! যাকে সে সব কথা ভালবাসায় ফিরি এবার তবে শান্তি নাই এই বাসি ভালবাসায় এখানেও ভেজাল মিশ্রিত গন্ধ। অন্ধকারে নাই ভয় কেবল আছে অন্ধকার যাহা আড়াল করে রাখে, ঠিক তেমনি ভালবাসায় নাই ভয় , ভয় আছে ভালবাসা যা আড়াল করে রাখে! ভাইয়েরা শোনো মোহ থেকে বের হও নইলে রেহাই নাই!
ইতি,
"পরাজিত এক বীর"
"UNLOVED TRUE"
ওই সূর্যকে দেখে মনে হয়,
এক ফোঁটা আলোর অভিনয়।
ভেঙ্গে পড়া আলো কিংবা
"বৃষ্টি"তোমায় ছুঁতে মনে চায়।
"সৃষ্টি" করে নতুন সৃষ্টির উন্মাদনায়।
নিঃস্ব হয়ে বয়ে গেছে পুরানো কত চিঠি!
তুমিই ছিলে আমার এক অপ্রিয় সত্যি!
পথ হারানো পথিক হয়ে
কেন আমি ফিরে আসি না পুরনো নীড়ে?
পথ হারানো পথিক হয়ে
কেন আমি ফিরে আসি না শুধু তোমায় ছুঁতে?
কেন দেয়াল গুলোও আজ থমকে আছে
-আমি আসবো বলে কিছু লিখব তোমায় নিয়ে।
"বৃষ্টিকথা"
দিনটা যাচ্ছে ঘোলাটে সম্পূর্ণ ঘোলাটে!বিষন্ন মেঘ দিয়ে ঘেরা পরিবেশটা সাথে স্যাঁতস্যাঁতে ঠাণ্ডা গুড়ি গুড়ি বর্ষন।আলসেমি মুহূর্তগুলোকে স্মরণীয় করতে মেঘলা দিনে এক চুমুক উষ্ণতা বিষাক্ত ভালোলাগা চাই। চিলেকোঠায় দাঁড়িয়ে থেকে আসমানী কান্না দেখা হচ্ছিল,হঠাৎই দেখতে পেলাম উড়ে যাচ্ছে একটা পাখি।আরে বৃষ্টির সময় পাখি উড়ে নাকি!কিছুক্ষণ বাদে আকাশ থেকে চোখটা নেমে এলো বজ্রপাতের তুমুল শব্দটা শুনতে পেয়ে।
বৃষ্টিতে ভেজা দরকার।কোন একটা বইতে জানি পড়েছিলাম দুধচা এর মধ্যে চলমান বৃষ্টির কয়েক ফোঁটা পানি মিশিয়ে খাওয়ার কথা, অসম্ভব তৃপ্তির স্বাদ আছে এর মাঝে।
তবে এখন বৃষ্টির পানি গুলো নিজের কোষগুলোকে পান করানো দরকার।একটু ভিজুক তারা।আনন্দে মেতে উঠুক তারা।
ইতিমধ্যে শরীরটা উল্লাস করতে শুরু করে দিয়েছে, গায়ের পশমগুলো দারা হয়ে তার জানান দিচ্ছে শুধু!!!
"তিক্ত সত্য"
তিক্ত সত্যে তুমি,
তোমার অচেনা ছবি।
ফ্রেমবন্দি ছিল আশাগুলো,
নির্দোষ আমাদের হাসিমুখ গুলো।
ব্যর্থতায় ফিরে ;
দিশেহারা তোমাকে ঘিরে
জীবন এখন নন্দিত নরকে পুড়ে।
এখনোও থমকে থাকা সময়ের শেষে
আমার আকাশ জুড়ে তোমার প্রেম পাখি উড়ে!
তিত্ত সত্য, নির্জন ছায়াকে ঘিরে।
তিক্ত সত্য,অজ্ঞাত মায়াকে ঘিরে।
তিক্ত সত্য, "তুমি আর আমি"।
ডিসেম্বরের গল্পোকোষ!
আলোকস্নাত বিকেলে এই শহরে জেগে ওঠে আধারের ভয়। জানালা দিয়ে গরিয়ে চলে যায় সময় নতুন গন্তব্যে! হৃদয় নাকি মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র অংশের মাঝে, তাহলে এই বিকেল আমার বুকের মাঝে শূন্যতার অনুভূতি কেন জাগায়? তুমি কি একটা রহস্য না? ক্রমশই কত কিছু অজানা জন্মাচ্ছো তোমাকে ঘিরে, এটা কি রহস্য নয়? আলো কি বিচ্ছির নয়? এই আলোই তোমার অস্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলে বার বার আমার মনের আলোক দর্পনে! অতঃপর আমি পড়ে রই অজানা এক পরিণতিকে ঘিরে! এটা কি কাম্য? এটাই কি আমার প্রাপ্য আলো কিংবা তোমার কাছ থেকে? বর্ষায় যেমন বৃষ্টির প্রতি আস্তে আস্তে একঘেয়েমীর ঊর্ধে ঘৃণা জন্মায় তেমনি শীতের মাঝে এক পলক বৃষ্টিকে উজার মনে ভালোবাসতে মন চায়!! তুমিও তেমন, তোমার রহস্যের সমীকরণের যতই সময় যাচ্ছে ততই একঘেয়েমি বাড়ছে তবে এক্ষেত্রে ঘৃণা জন্মানোর বদলে জন্মেছে ব্যাকুলতা! রহস্য সমীকরণটার একটিমাত্র মূল পাওয়া গেলে হয়তো শত শত বইয়ের পাতায় পড়া আকাঙ্ক্ষিত অনুভূতির বাস্তবতা খুঁজে পেতাম! কত কষ্ট কত কষ্ট, ভালবাসাগুলো সামনেই আছে তবে ছুঁয়ে দেখা, বুঝে ওঠার , রহস্যের উন্মোচন করার কোন দাড় নেই! তবে পড়েছিলাম কষ্ট নাকি বুকে না মাথার স্নায়ু কোষে অনুভূতি বিদ্যমান! তবে আমার বুকটা কেন তোমায় ভেবে ডায়াস্টোল সিস্টোল বাড়িয়ে দেয়? কেন এই ডায়াস্টোল সিস্টোল এর আধিক্যে আমার কষ্ট হয়? জ্ঞান সীমিত, জ্ঞান পরিপূর্ণ হলে হয়তো আবার বলা হবে অনুভূতি বুকের মাঝে! অনুভূতি আসলে কোথায় এই রহস্য কেবলই টেনে নিয়ে যাচ্ছে এক অতল শূন্যতার মাঝে!
তবে বাস্তবিক অর্থে এগুলো আমরা নই! আমরা মানুষ, যার কোন মাত্রা নেই! অনুভূতিরও কোন মাত্রা থাকতেই পারে না। এগুলো সবই হচ্ছে ভ্রম!! তাই আমিও বিশ্বাস করে আসছি যে, তুমিও ভ্রমের মতনই অদৃশ্য হয়ে যাবে, তবে......
"কম্পন"
-ছোট্ট একটা শিশু।
বেড়ে উঠছে ক্রমশই শূন্যস্থানকে সঙ্গে নিয়ে।টেনে নিচ্ছে শ্বাস, দেখে যাচ্ছে এই আলোগুলো, কম্পনে ছুটছে তার রক্ত গুলো।বাঁচতে শিখছে সে!
প্রতিনিয়তই বয়সের সাক্ষী হচ্ছে।
মস্তিষ্কে যে হৃদয় বলে অসীম অনন্ত এক ফাঁকা ঘর আছে তা সম্পর্কে বুঝতে শিখেছে।সে শব্দচরণ করছে উচ্চারিত হচ্ছে সকল ভাবনা গুলো।
বিকশিত হচ্ছে তার সকল কিছু।একদিন তো বিকশিত হতে হতে থমকে দাঁড়াবে সে।কতদ্রুত কাটাহীন ঘড়িটা তার সময়টার জানান দিবে।
সেও ফিরে যাবে তার পুরনো নীড়ে তীরে!
"ঘোর কিংবা অলস চেতনা"- সে কি তখন তোমায় মনে করতে পারবে?পানির সমুদ্রের মতো স্বচ্ছ একটি "শব্দ"- ই আমাদের জীবন আমাদের বারবার বলতে চায়।তবে আমাদের জীবনে বাধা হয়ে আসে পুরো একটি"বাক্য" ;
"একদিকে চলার নেশা ,আরেকদিকে পিছুটান"
"এটা কি ফোবিয়া?"
-বুঝলেন সব, হঠাৎ জানি কি হলো।
কয়েকদিন থেকেই, এরিকনোফোবিয়ার মতো হচ্ছে তবে মাকড়সার বদলে মানুষ দেখি চারিদিকে। এই রোগের নাম কি তাহলে? হোমোসেপিয়েন্সফোবিয়া?বাদ দেন এসব নাম রাখার ভেজালগুলো। আচ্ছা মানুষ কি মানুষ কে দেখে আদৌ?আমি তো তার ভিতর অন্য কাউকে দেখি, ভিন্ন এক নকশীর রূপ তার মধ্যে!
তুমি যা ভাবছো তা আসলে কখনোই আমার মধ্যে জন্মায় নি বা ছিলো না। তুমি যা দেখছো তা কখনোই আমি না। তুমি যা ভাবছো তা কখনোই আমি না। টেলিপ্যাথি থিওরিও ভূল প্রমান করলাম আমি কারন কেউ কখনো আমার মন পড়ে না!
তুমি যা পড়ছো তা তোমাকে ঘিরে না নিজেকে ঘিরে ,নকশা কে নিয়ে!!!
"বিদায় স্মৃতিস্মারক"
আসলেই কি রবে এসব স্মৃতি স্মারক?
ওখানটায় ছিলাম আমি, সাথে অজ্ঞাতনামা তুমি!
পথ পেরোবার ছিলো উষ্ণ আশা,
অজ্ঞাতনামা তুমিই ছিলে আমার হতাশা!
আসলে কি রবে এসব ছাঁয়ার স্মারক?
যেখানটায় ছিল কালো দুটি অবয়ব,
হতাশায় আমি আজ শুধুই নিরব!!
আসলে কি রবে সেই বিদায়ের স্মারক?
এখানটায় আছি আমি আজ দাঁড়িয়ে,
বেঁচে আছি কোনমতে বয়স ১৮ পেরিয়ে!
আসলেই কি রবে সব স্মৃতিস্মারক আমাদের মস্তিষ্কে??
"তোমায় এঁকেছি"
বিশেষ করে তুমি!
ওই নীরব চেয়ে থাকা,
তোমার চোখের জল রং দিয়ে আঁকা!
তোমার এই স্নিগ্ধতা,
অপার সৌন্দর্যের বিষন্নতা।
তোমার এই কথাগুলোও ভালো লাগে আঁকতে,
হালকা সুবাসিত রং দিয়ে।
কিন্তু আক্ষেপ,
তোমায় আমি পুরোপুরি আঁকিনি
তোমার সত্বার রংগুলোকে আমি বুঝিনি!
তাই ভালো লাগে আঁকতে তোমায়!
"এপিটাফহীন নেক্রোপলিস"
এই এপিটাফহীন নেক্রোপলিসে দাঁড়িয়ে স্মৃতির অবিচ্ছেদ্য অজ্ঞাতনামা তোমায় ভাবছি।
আসলেই কি ছিলে কখনো আমার অংশ হয়ে?
নিস্তব্ধ এখন আমি ধ্বংসের গান গেয়ে!
ভ্রমে ভরপুর ছিল আমাদের গান গুলো
মনে কি পড়ে এই নেক্রোপলিসে শুয়ে?
এখানে নেই কোনো এপিটাফ তোমার মিশে গেছো নেক্রোপলিসে সবার!
দাঁড়িয়ে দেখছি এপিটাফহীন নেক্রোপলিস তোমার।
"স্বার্থ"
উষ্ণ এক কাপ ঠান্ডা চা।
চা হাতেই কি জানি ভাবতে-ভাবতে চা- টা ঠাণ্ডা হয়ে গেল!
মধ্যরাত চলছে এখন।এ সময়টায় পড়াশোনা শেষে চা-সিগারেট তো লাগেই। ঘুমিয়ে কি হবে, সময় নষ্ট করা ছাড়া?
কাজের কাজ হবে না ঘুমিয়ে!
এই সময়টায় নতুন কিছু ব্যতিক্রম ভাবনায় ডুব দেয়া কিছু অপচয় করার চেয়ে হাজার গুনে ভালো।
সিগারেটটা শেষ করে বারান্দার মেঝে বসে নিলয় আজকের নতুন ভাবনার টপিক ঠিক করল -"স্বার্থ"।
স্বার্থ শব্দের অর্থ কি? নিজেকে ঘিরে কি স্বার্থের দেয়াল গঠিত হয়?
আসলে কি আছে এই "স্বার্থে"-যা মানুষ এতোটা ঘৃণা করে!যারা ঘৃণা করে তারাও তো স্বার্থের বেড়াজালে জড়িয়ে থাকে।
=>আমি নীলয়, আশেপাশের মানুষদের আমি নিরব দৃষ্টিতে দেখে যাই।হৈচৈ জীবনে অনেক থাকলেও "স্বার্থ" শব্দের গভীরতায় গিয়ে আমি নীরবতা শিখতে চাচ্ছি।স্বার্থ মানুষকে মানুষ হতে শিখায়।
স্বার্থ নিজেকে নিয়ে গড়ে উঠে আর নিজের মাঝেই তো তোমরা আছো।
আমি মনে করি অনেকগুলো মানুষের একবচন হলো "আমি" এবং "আমাকে" নিয়েই স্বার্থ গঠিত।
এবং এই জায়গায় আমরা স্বার্থ জিনিসটাকে ভুল বুঝছি।
স্বার্থ অবশ্যই নিজেকে ঘিরে আর নিজের ভিতরে তো অবশ্যই তোমাদের অস্তিত্ব আছে থাকবেই।
স্বার্থ আসলে ঘৃনা করার মত কিছু না।নিজের স্বার্থের মধ্য দিয়ে তোমার স্বার্থ উদঘাটিত হবে।এবং এটাই নিয়ম তবে এই নিয়ম কে আমরা অন্যভাবে ভাবি, অন্যভাবে দেখি।
সব সময় সব কিছুর গভীরে গিয়ে জানতে চাও না তাই তুমি আমার কাছে ঘৃণিত।
নীলয়ের তিনটা সিগারেট শেষ হলো "স্বার্থের উল্লাস কর"
"সাহিত্যপনা"
আমি ঢাবি ব্যাচ ৮৭'র,এখানেই থাকি বটতলাই আমার ঘর,
দুটো চিত্রকর!
একটা আকাশ আরেকটা মেঘ।
সকালে ঢাবির প্রাণবন্ত আমেজ উপভোগ করি
বিকেলে ৮৭'র দিনগুলোর কথা ভাবি।
সময় পাল্টেছে, নতুন শীত এসেছে, পুরাতনরা ক্যাম্পাস ছেড়েছে!
তবে আমি ছিলাম ৮৭ থেকে
আছি আজ তেইশেও।
তবে তোমাকে পাওয়ার জন্য
আর কতবার গুনতে হবে আগামীর দিনগুলো?
এতদিনে আমার ফুসফুসটায় পড়েছে পোকার কবলে।
নিবিয়ে রেখেছি নিকোটিন জ্বালিয়ে।
তবুও ৮৭ কি আসবেনা আর ঢাবির ক্যাম্পাসে শুধু আমার জন্য?
"অনর্থক থিওরি’স "
ব্যাপারটা একটু ক্রিটিক্যাল!
প্রকৃতপক্ষে যেই জিনিসটা সুখকর বলে মনে হয় সেটা বাদেই আসলে প্রকৃত সুখী হতে পারা যায়।
দিন যতই বাড়ছে ততই মনে হচ্ছে মনটা পাথর বাগানে রূপ নিচ্ছে!
নিজের লেখাগুলো শ্রেয় বলে মনে করলেও কল্পনায় নিজেই ভিন্ন কোনো সত্তাকে দিয়ে লেখাগুলো পড়লে নিকৃষ্ট ,অর্থহীন বা সম্পূর্ণ বৃথা মনে হয় কখনো কখনো।
আসলেই লিখে কি লাভ??
- কালি খরচ করে মনের কলুষতা লেখনি দিয়ে বেরিয়ে যায়, উপকার হয় বলতে এইটুকুই যা।
আর কি কোনো লাভ হয় আমার??
- আমার ক্ষেত্রে লেখালিখি জিনিসটা সুখকর বলে মনে হয় অন্য যেকোন কিছু থেকে।তাহলে কি লেখালেখি বাদেই আমি আমার প্রকৃত সুখ পেতে পারব?
আসলেই তো লিখে লাভটা হচ্ছে কি?খামোখাই মনটা ভারি হয়, ইনসোমনিয়া হয়, চায়ের নেশা হয়, রাত জাগা বৃথা হয়, ভাবনাগুলো শুধুই বড় হয়, ডাইরির পর ডাইরি শেষ হয়। সবচেয়ে বড় যে জিনিসটা বৃথা হচ্ছে সেটা হচ্ছে আমার সময়!
তবুও নীলয় কেন এত কিছু জেনেও লিখছে?
কেন সে লিখা বাদ দিয়ে অদম্য উল্লাসে মাতছে না?
নীলয়ের জীবনে এখন কতগুলো "না" -এনে দিতে পারে সুখ!
তবে সে সুখ চায় না।
অসুস্থ হলেই আপনজনের মুখ দেখা যায়।
নীলয় ও লিখলে মন খারাপ করলে প্রকৃতদের অন্তরঙ্গ দেখতে পায়।
অদম্য উল্লাস দিয়ে কি হবে?
-সুখ যদি হৃদয় স্পর্শই করতে না পারে!!
"কিছু কথা"
নীলয়ঃ জানো কি হয়েছে?
নকশীঃ বলো শুনে দেখি নইলে জানবো কি করে?
নীলয়ঃ জীবনটায় সময়চ্ছেদ ঘটেছে আমার। সেই দিনগুলি এখানে এসে কতইনা ভাল সময় কাটিয়েছি, কত উল্লাস করেছিলাম। সেই সবই কি সাময়িক ছিলো? যেন কোন ছোটগল্পের সুখের লেখাগুলোর প্রতিবিম্ব ছিল সেই দিনরাএি গুলি। আর এখন?
তন্দ্রার মধ্যে এক ভ্রমময় দিন কাটাই। এতগুলো মানুষের মাঝেও একাকীত্ব কিভাবে খুজে পাই আমি?- নিজেই অবাক লাগে! সময়চ্ছেদের সাথে সাথে চরিত্রগুলোর অসম্ভব রকম পরিবর্তন হয়েছে। যারা এই তিনটা বছরে ছিল আমার সঙ্গী তারাই এখন এক নরকের জ্বলন্ত আগুনে পোড়াচ্ছে আমায়! রাস্তা আছে সেই নরক থেকে বেরুবার তবে বেরুবো না; নিজেকে এতটা বিবেকহীন ব্যাক্তিত্ব মনে করি না আমি।এখন হয়তো তাদের বিবেকে পচন ধরেছে তবে আমার বিবেক তাজা ফুলের মতোই সতেজ এখনো।
নকশীঃ হঠাৎ মনের কথাগুলোর জোয়ার৷ আসছে কেন?
নীলয়ঃ বলছি, আসলে আমার মনে হয় না আমি কখনো আমার জীবনে ভাইয়ের মত বন্ধু পেয়েছি, আরও কারণ আছে মনের জোয়ার উঠার পিছনে, তোমায় বলি শুনো।বয়স ১৬ তে প্রেম হয় ভালোবাসা হয়, হাত ধরে হাটা হয়, মুখে আগুনের জ্বলন্ত নরক জ্বলে।তবে আমি হচ্ছি বিচ্ছির ধরনের মানুষ। ভাগ্যের জোরেই আমি আজনিঃসঙ্গ। কখনো ভাবিনি বয়স ১৬'র প্রেমটা একটা hallucination! অথবা থাকবে কারো তার স্বার্থ কিংবা নিজের ভূলের মাসুলে একাকিত্ব হওয়া। আহ নিকৃষ্ট মেয়েটার জন্য আমি আজ আমার পরিবারের একটা ঝুলন্ত ফোঁড়া, বিচ্ছির রকম হেনস্থার শিকার, প্রকৃত বন্ধহীন, পরিবারের সবাই সন্দেহের চোখে দেখে, অবিশ্বাসী, বেয়াদব, বিবেকহীন, হৃদয়শূন্য বলেই কি সবাই আমায় ভেবে নিচ্ছে?- মনে তোহচ্ছে তাই।
[ আহ, একটা মেয়ে, কি বিচ্ছির রাজনীতি তার, কতটা বোকা হলে ভাবিনি ভালোবাসায়ও রাজনীতির প্রকান্ড এক আসন আছে!]
আহ, একটা মেয়ে; অনিদ্রায় কষ্ট পায় পাপী নীলয়ের অসুস্থ মন!
অসুস্থ,অসুস্থ,অসুস্থ আমি!
নকশী জানো একটা কথা?
- যে দুজনের জন্য ভালোবাসা দেয় তার আসলে হৃদয় বলেই কিছু নেই!
সবই ভ্রম। দুজনকে ভালোবাসা দেয়া আমি আসলে কখনো কাউকে ভালোইবাসিনি! দুজনকে যারা ভালোবাসে তারা কেমন হয় সেটা আমি আমার নিজেকে দিয়ে ভালোই বুঝেছি! নীলিকা জানো কতটা অসহায় হয়েছি আমি তাকে ভালোবেসে? অসহায়ত্বের চেয়ে প্রতিশোধের আগুনটা বেশি এখন আমার এই মনে! যার জন্য আমি সকলের বিশ্বাস হারিয়েছি তাকে কি করতে মনে চায় জানো?ইঁদুরের পচা রক্তে তাকে স্নান করাতে মন চায় মনে চায় তাকে হিংস্র জলতাঙ্ক রোগে আক্রান্ত কুকুরের লালা ও প্রস্রাব এর মিশ্রণ খাইয়ে দিতে!পরে তাকে কুকুরটা কামড়াবে আর আমি সেই দৃশ্য দেখব। মনে চায় তিলে তিলে কষ্ট দেই যেটা আমি পাচ্ছি!বিচ্ছির এসব চিন্তা আজ আমার মস্তিষ্কে কেন?- অসুস্থ!
নকশী পড়ছো?
আরেকটু পড়বে দয়া করে?
জানো আমি এখন কীভাবে দিনগুলো কাটাই?
কোচিং তারপর স্কুল কখনো এই ৮ ঘন্টায় আমাকে অসুস্থ বলে মনে হয়েছে? তবে বাকি ১৬ ঘন্টার কথা জানতে পারলে অবশ্যই অসুস্থ বলতে আমায়! রাতে তো ঘুমাই না আমি, চাপাবাজি করছি, চোখে কালি পড়ে না তো তাই বুঝ না। কখনো কি একটা রুমের দরজা বন্ধ করে চেয়ারে বসে চার-পাঁচ ঘন্টা শুধুশুধুই টেবিলের বইগুলির দিকে তাকিয়ে ছিলে?
এখন বলো নকশী,
অসুস্থ না আমি?
- আহ, একাকিত্ব বড়ই ভাল্লাগে আমার কারণ অসুস্থ আমি!
পৃথিবীতে যা হয় সবকিছুর পিছনে "কারন" আছে!
"কারণ "- খুঁজে না পেলেও সেটা আছে তবে তা " রহস্য"- হিসেবে!!
আহ, যদি লেখাগুলো সব "মিসির আলি"কে দিয়ে পড়িয়ে নিজের অসুস্থ মনকে সুস্থ করে তুলতে পারতাম!! কল্পনাগুলো আসলে সত্যি হলেই পৃথিবী আর সুন্দর থাকতো না।
তাইতো আল্লাহ তা'আলা কল্পনাকে বাস্তবতায় রূপ দেন না!
""" রহস্যেই পৃথিবী চেনা চেনা বলে মনে হয় সুন্দর বলে মনে হয়!"""
প্রিয়তমা নকশী, আসলে "নকশী"- এই কাল্পনিক নামটা কাকে বুঝাতে ব্যবহার করছি তা হয়তো কেউই কখনো জানবে না। তবে হ্যাঁ, তমি পড়ছো অথবা পড়বেই তবে তুমি জানবে না তুমিই ছিলে নীলয়ের
"নকশী"
রহস্যেই পৃথিবী সুন্দর।
অসুস্থ,অসুস্থ,অসুস্থ
নীলয় অসুস্থ!
নকশী: তোমার জন্য আমি শেষ একটা কথাই বলবো"জীবন তোমার তুমি মুখোশধারী হও কিংবা স্বাধীনতা বাজেয়াপ্ত করা কোন এক অচেনা নাগরিক,তোমাকে কেউ বিশ্বাস করুক বা না করুক তুমি সবসময় থাকবে তোমার কল্পনার স্রোতে লোক ভাবনার বিপরীতে!আশাকরি নিলয় তুমি তোমার জীবনের জাগতিক অর্থ খুঁজে বের করবে!
নিলয়: মাঝে মাঝে মনে হয় আমি নিলয় না,মনে হয় আমি কোন এক "ছেঁড়া আকাশ"। আর তুমি সেই আকাশকে ছিঁড়ে ভিতরে ঢুকে পড়ছ"প্রতিমুহূর্তে, প্রতিনিয়ত, ক্রমশই!"
"অনর্থক থিওরি’স "
চলছে গাড়ি, চলছে গাড়ি, চলছে গাড়ি
হঠাৎ করেই stop.
- আরেহ আমি তো স্বপ্ন দেখতেছি!
- WAIT, স্বপ্নের ভিতর আরেক স্বপ্ন দেখা যায় নাকি!
আসলে আমরা সকলেই স্বপ্নের ভেতর আছি.
একটু ভেবে দেখেন. আমার নিজের জীবনে তো এখন এটা প্রতিদিনের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কোন একটা কাজ করছি হঠাৎ করেই মনে হবে কাজটা automatic আপনা আপনি হচ্ছে.
আহ কিভাবে যে বুঝাই!!!!!
আচ্ছা; ধরা যাক আপনি টিভির সামনে বসে একটা মুভি দেখছেন. সিরিয়াস মোমেন্টে চলে এসেছে মুভির সিন. হঠাৎ করেই মনে হবে, আরে আমি তো টিভির দিকে তাকিয়ে ছিলাম কিন্তু এতক্ষণ কি ঘটেছে কিছুই খেয়াল করিনি.
নিছক হাস্যকর একটা পরিস্থিতি. তবে আমার ক্ষেত্রে প্রায় এমনটা ঘটে. আমার ভাবতে ভালো লাগে তাই আমি সারাদিনই ভাবি, তবে এমন সময় কেন অযথা ভাবনা গুলো আসবে?
যেমন:
পৃথিবীতে বাস করছি জীবন সংগ্রাম চালাচ্ছি তবে কতদিন???
- বড়জোর 60-70 বছর. আচ্ছা থাক 100 ধরলাম. কিন্তু তারপর?
- মৃত্যু !অনিবার্য!!
চারকোনা দেয়ালের মাঝে শুয়ে থাকব, ভয়ংকর যন্ত্রণায় কাতরাবো ।
যন্ত্রণাটা হবে অসীমের জন্য।
তারপরেই নিজের কৃতকর্মের রেকর্ড করা ফিল্মটা চালিয়ে দেওয়া হবে একটা হল রুমে যেখানে কিনা সকল মানবজাতি তা দেখবে। খুবই আফসোস হবে সেদিন নিজের জন্য। সব শেষ শাস্তি। এই সেই শাস্তি না আল্লাহর প্রদত্ত শাস্তি। স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার শাস্তি। কতদিন ধরে চলবে এটা?
- অনন্তকাল… পাঁচটা অক্ষর মাত্র বেশি কিছু না।
- মজার ব্যাপার হচ্ছে যেই একশ বছরের জীবনটা কাটাতে এতটা সময় বলে মনে হয় সেখানকার প্রত্যেকটি দিন হবে পৃথিবীর দিনগুলোর 70 গুণ বেশি দীর্ঘ।
আর সেটা চলতে থাকবে অনন্তকালের জন্য। অসীম একটা সময়।
বেশি কিছু না, আপনি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এক বেলা কুরআন পাঠ আর হারাম নাফরমানী থেকে দূরে থাকতে পারলেই সুখটা ভোগ করতে পারবেন . মুখে নিতে পারবেন সকল ধরনের আরাম আয়েশ. একটু হিসাব করা যাক;
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এক বেলা কুরআন পাঠ সর্বোচ্চ তিন ঘন্টার ছক.
অর্থাৎ 100 বছরে 12.5 বছর ইবাদত আর হারাম থেকে দূরে থাকতে পারলেই আপনি অনন্তকালের জন্য স্বর্গসুখ শান্তি পাবেন.
তারপরেও তো আমরা উদাস উদাসীন ধর্মের ব্যাপারে.
"অনর্থক থিওরি’স "
ভালবাসা জিনিসটা নিছক একটা বড় ধরণের হেলুসুলেশন। এটাকে ভ্রম বলা চলে। পাশাপাশি দৃষ্টিভঙ্গির উপর অনেকটা "ভালবাসা" - নামক শব্দটা নির্ভর করে। যেমনঃ- কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ভালবাসা মানি হচ্ছে , কোন জস্না ভরা রাতে পূর্ণিমার চাঁদের আলো জানালা দিয়ে কপালে এসে পরবে আর তার মা তার কপালে হাত বুলিয়ে দিবে!! কিংবা হাড় কাঁপানো কোন শীতের সকালে বাবার সাথে নিজের আলসতার বীরুধে দাঁড়িয়ে ফজরের নামাজ পরতে বাবার সাথে মসজিদ এ যাওয়া । সে ভালবাসা খুজে পায় ভাই, বোন, মা, বাবার কাছে ( সান্নিদ্ধে ) এসে ।
আবার হেলুসুলেশন বা ভ্রম এর ভালবাসা টা হচ্ছে শুধুই সমসাময়িক। কিছুদিন একজনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও নতুন সময়ের আবির্ভাব এর সাথে সাথে সে আবারও নতুনত্বকেই গ্রহন করবে। স্থায়িত্ত নামক জিনিসটা এই ধরণের ভালবাসায় নিছক দুর্লভ প্রকীতির শব্দকোষ ।নিয়তির ফলাফল যা হবার হবেই খামোখা নিজেকে কষ্ট দিয়ে অত্যাচার করে অন্যকে ভালবাসার মধ্যে কোন সার্থকতা খুজে পাওয়া যাবে না নিজের স্বার্থের মধ্যে!
উপরের সব কথা একটু দূরে সরিয়ে দিন এইবার, আসলে মুল কথা আপনার অনুকুল অথবা প্রতিকুল যে দিকেই হক না কেনো " ভালবাসবেন যে আপনাকে সমান ভালবাসা দিতে পারবে!" সুযোগ সন্ধানিদের লোকদেখানো ভালবাসা তো এখন অহরহ তাই নিজের পরিবার বাদ এ অন্যকে ভালবাসতে সাবধানতা অবলম্বন আবশ্যক ! যত হোক আপনাকে সবশেষ আপনার পরিবার এ ফিরতেই হবে , তাই আপনজনদের হীন করে পরগাছাকে গ্রহন করার মাঝে আপনি যোক্তিকতা খুঁজে পাবেন না অন্তত!
" ভালবাসুন যে আপনাকে ভালবাসবে"
"পরাজিত বীর"
নিশ্চয়ই তোমরা ছিলে তবে এখন আর নেই ।এখন সময়টা শুধুই পরাজিতদের, আমরা হেরে গিয়েছিলাম এই অনয়ক্তের মঞ্চে! এখন শুধুই বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা। নিস্তব্ধতা কি তবে হার মানবে না কখনোই পরাজিতদের কাছে?
পরাজিতরা হারাবে তাদের, দেখবে তারাও সুখের আলো শান্তির ভুবন ভরা এই বসুন্ধরায় বাঁচবে সবাইকে নিয়ে।
অলস চেতনায় তোমাদের(বিজয়ীদের) মনে তখন একটাই প্রশ্নবিদ্ধ হবে যে ,"আমরা আজ পরাজিতদের সুখ হতে বঞ্চিত!"
পরাজিত আমরা পরাজয়ের মধ্যেও জয়ের উল্লাস হাতরে বেড়াই!
খুঁজে পাই ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা!
পরাজিত শব্দও গর্বে ভরা,
কারণ আমরা আনন্দে গড়া
এবং প্রতি পদক্ষেপেই মোহমুক্তির চেতনা!!
অনয়ত্বের মঞ্চে আমরা পরাজিতরাই সেরা!!!!
"হারিয়ে যাব"
"হারিয়ে যাবো" -নিছক কোন শব্দ নয় ।
-চোখের কালি পড়া ছেলেটির মনে কতই না সংশয়! নৃশংস পিছুটান যেন ছাড়তে চায় না তাকে ।প্রশ্নবিদ্ধ আজ কলমের কালি ও।সার্থক হচ্ছে কি আদৌ এই অনর্থক লেখাগুলি?
লাল রক্তিম রক্তমাখা আর্তনাদ, সাদাকালো ক্যানভাসে লেখে রাখি আমার প্রত্যেক দিন রাত! আদৌ কি কোন মূল্য বহন করে কারো মনে আমার দিন রাতের হিসেবগুলো? নিয়তি তো জানেই প্রশ্নগুলোর উত্তর, আর আমিও জানি " হারিয়ে যাব"- নিছক কোন শব্দ নয়।
"প্রাক্তনদের কলকাতা "
প্রাক্তনদের সেই কলকাতায়
একবিংশ শতাব্দীর পাতা থমকে দাঁড়ায়,
নতুন কিছুর সম্ভাবনায়।
পুরনো গাড়িটাও দাঁড়িয়ে থাকবে,
নতুন্তের ভিড়ে, ভাবার্ত কোনো যুবক যেন ছুটে আসে তার নীড়ে।
হেডলাইটায় ভাষা খুজবে,
পাবে নতুন লেখাগুলো।
রমণীর প্রিয়;
রঙে ভরা শিশি হলেও
আমার চিরকালের প্রিয় এই রঙিন গাড়িটা!!
জানো গাড়িটা ফিরে পেয়েছি কোথায়?
-প্রাক্তনদের কলকাতায়।
"সাহিত্যপনা"
জানুয়ারির ঢাকায় ঢাকা পড়েছিল কুয়াশায় মোড়া পথশিশুটা.
অবশেষে অবসান ঘটছে তাদের।
চলে যাচ্ছে তারা দুমুঠো রোদ্র বিসর্জন করে।
শিশুগুলো মুচকি হাসছে কারণ শীতকাল চলে যাচ্ছে।
রেল লাইনের ওই বস্তিতে দেখা মিলবে না আর আগুন পোহানো।
প্রেমিক প্রেমিকারা আর পারবে না, কুয়াশায় ধোঁয়াসা হয়ে এই শহর থেকে আড়াল হতে।
রিকশাচালকটাও আর পাবে না ঠান্ডার রাতে রিকশা চালানোর সেই উষ্নতা।
ভিখারিনীটা আর কাদবে না দুইটা কাপড়ের জন্য।
নতুনরূপে ফিরে আসবে এই শহরটা
নতুনত্বকে ঘিরে গড়ে উঠবে নতুন সব আশা,
নতুন সময়ে, কেউ চাইবে পূর্ণতা
আর কেউ না চাওয়া সত্বেও পাবে ভিন্নতা।
আসলে সময়, আলো আর অন্ধকারের মধ্যেই তো এ শহরের সব ব্যস্ততা।
জানুয়ারিটা আবারও ঢাকা পড়ুক নতুন সময়ের চাদরে।
আর মৃতরা সময় গোনুক নেক্রোপলিসে।
"THOUGHTS"
Just think about this..
before sunrise you will forget about the midnight cries.we will take hot coffe after winter morning shower.your eyes will tell me about the unmastered thrills. i will get totally mad to feel the thrill of your craziness. after that we will go for a walk, RAMNA TSC DU.. we will just keep walking together untill we can feel our imaginary fascinations. after Taking lunch in polashi, we will go to a book date. i will gift you a book.. বাঙালীর জীবনে রমনী..... actually you are the most attractive রমনী in my life. whatever.. after sunset we will take cups of tea. In the conclusion your tears will make me sure to love you for Infinity <3
"সাহিত্যপনা "
এই শহরটা আমায় এখন পর্যন্ত দেয়নি কিছুই!
এই শহরটা বড়ই ভিন্নতায় ভরা!
-সকালে ঘাম ছড়াবে রাতে হাড় কাঁপাবে!
রাস্তা শিশুদের কষ্ট দিবে;
এই শহরটা বড়ই বিচ্ছির'
সকালে খাবার পাকলে,
বিকেলে কুকুর আর শিশুদের তা দিয়ে পেট ভরবে।
এই শহরটা বড়ই আজব!
-রাখে না কারোই অতীতের খোঁজখবর,
ওই শিশুরা জানবে না কখনোই তাদের ফিরে দেখা সময়গুলো!!!
এই শহরটা বড়ই স্বার্থপর!
-যে যার মত কেউই কারো নয়।
স্বার্থ ছাড়া পা চলবে না পেটটাও ভরবে না।
এই শহরটা কেন এমন?
-অসহায়দের জেকে বসে অসহায়ত্বের সুযোগ লুফে
ছন্নছাড়ার ঠিকানা মুছে!!
আর পথ শিশুদের ভাগ্যে জুটে
ছেঁড়া কপাল, ছেড়া রুটি, আর
ছেঁড়া কাপড়!
আসলে ;
জানুয়ারি ঢাকাটা ওদের ধোঁকা দিবে!
"valueless theories"
What was happened in past?
-- I was so little, so pretty, no pain, no tension, They all are beside to me, all are so simple and must notable thing is I don't know about this f****** rule Regulation and system about reality.
And now at the present, in my mind..." where is peace??? where is love??? Where is the touches of my mother??? Where is the value of my life???
-- into the pain? into this city? in here??
--don't know
But after seeing all of this,
I am hardly realise that my peace is into my hand!!
Actually, I am ill for the pain of Nothing To Something... Something is obviously better than nothing but pain of something make me sick really sick.
ok now I am gonna kick this
""valueless theories"".
"স্বনাশ"
আত্মহত্যার রোল পড়ে কেন জানো?
-বুঝার বুঝ থাকে না সাথে কারো বিন্দুমাত্র বিশ্বাস! পড়ার আগেই ভাববে TEENAGERS যতটুকু বিচ্ছিলেখা সম্ভব এখনই তো লিখবে ,লিখুক! আরেকটু বাড়ুক সময়, বুঝুক কোথায় আছি, থাকার অর্থই বা কি! আবার থাকার জন্য কি চাই!! সব দিন বাড়লেই বুঝবে ।সবকিছুই সত্যি, তবে সত্য মিথ্যেই তো জীবন আমার মুখোশরুপী। peer pressure অসুখের মতন অন্যরা যা করে তা আমাকেও করতে হবে। বেঁচে থাকার সার্থকতা কোথায়? আসলে বেঁচে থাকার সার্থকতা শূন্যের কৌটায় কিছু কাগজ ছাড়া।
আত্মহত্যা মূলত আত্মশুদ্ধির নিকৃষ্টতম শাখা। এখানে আত্মহত্যা আত্মশুদ্ধির জন্য পরিপূরক মাধ্যম হলেও এটি করা মানা। ধর্মীয় অনুশাসন, সামাজিক দায়বদ্ধতা , পারিবারিক কলহ সবই মাথার মগজের অংশেবিশেষ । মূলত সকলের ক্ষেত্রেই ঘটে এক অস্বাভাবিক নৃশংস পরীক্ষা। জীবনের কয়েক ঘন্টা BCS পরীক্ষার সাথে যার তুলনা চলে না। দুনিয়ার পরীক্ষায় দুনিয়ার বেশি জ্ঞান মাথায় থাকাতেই আমি আজ বাজেয়াপ্ত । সমাজের সব কালো পানি বা তলানি কি শুধু আমি?? শুরুতে তো কিছুই এমন ছিল ন, বাবা কাধে তুলে রাখতো, মা কোলে ঘুম পাড়াতো, বোন চকলেট দিতোঁ , ভাইয়া খেলার সাথী হতো । আসলে বয়স বাড়ছে নাকি সামাজিকতায় আটকা পড়েছে? কিভাবে বলব?- দুইটাই তো একসাথে হচ্ছে । কোনটা ছেড়ে কোনটায় দোষ দিব?
আবারো আত্মহত্যা!!
মাথায় এটিই কেন ঘুরপাক খায়?
রাত জাগা কান্নার কি একটাই সমাধা?
এত আদর ভালবাসা হার মানবে অজানা কোন সংকটের কাছে?
আসলেই??
আত্মহত্যা রোল উঠে শহরে!
দুইটার রাতে নিয়ন বাতিল আড়ালে,
অভাগা ছেলের অদেখা স্বর্গের ব্যাপক চাহনি!
কাগজগুলো আজ দিচ্ছে দুটো হাতছানি,
অভাগা ছেলের বয়স ১৭ ছুই ছুই।
কে রাখে কার খবর!
ইচ্ছেরা সব বন্দি, আর বাকিদের উড়ন্ত প্রজাপতি।
আচ্ছা সবশেষ একটা কথা
আত্মহত্যা আসলেই কেন হয়??
আমার মতে, কারো অবিশ্বাস আর কারো প্রতি দীর্ঘশ্বাস। ইচ্ছেরা যখন সংকটের শিকলে বন্দী হয়, বিশ্বাস যখন খাচকাটা কংক্রিটে আটকা পড়ে আর মিথেরা যখন সত্যের পরিপূরক হয় তখন তারা আত্মহত্যা করে।
"সাহিত্যপনা "
রমনার বৃক্ষ,
ছন্নদের শেষ কক্ষ।
রমনার বেঞ্চি,
তরুন-তরুনীর এক ঝাঁক স্বস্তি।
রমনার সেই ঘাস,
সুরওয়ালার প্রাণবন্ত নিঃশ্বাস।
রমনার সেই শিশির,
রমণীর রঙে ভরা প্রিয় শিশি।
আর উড়ন্ত তরুণের অবুঝ অশ্রু।
এই রমনায় বসে থাকে ভিক্ষুক,
এই রমনায় হেঁটে বেড়ায় বাদাম বিক্রেতা,
এই রমনায় শুয়ে থাকে আকাশ প্রেমীরা!
রমনাকে কবিতা শোনায়
রচিয়তার "রক্তগঙ্গার রহস্য"
রমনাকে ছবি দেখায়
ছবিওয়ালার "ছিপি মারা বতল"
"এই রমনাকে ভালোবাসে সকলে
রমনার রমণীয়তার নরকে
বন্দী আজ প্রত্যেকে"
"অনর্থক থিওরি’স "
তিনকোনা বন্দি খাঁচার এক ইন্টারোগেশন রুমে জেফরি বেগ ও আহনাফ এর মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ হচ্ছে;-
জেফরি বেগঃ- সামনের অজানা জগৎ নিয়ে কি ইচ্ছে তোমার?
আহনাফঃ-অতীতে বসবাস করেও ভবিষ্যৎ নিয়ে বলাটা অনর্থক।তবে যেহেতু জানতে চাচ্ছেন তাহলে শুনুন।মানুষ দেখাতে জনপ্রিয় হতে চাইলেও সেটা নিছক বেদনা রি বটে কেননা আমি জনপ্রিয় হতে চাইলেও বাস্তবিক ভাগ্যের পরিণতির জন্য আর তা হতে চাই না। আমি কেবল চাই লোক দেখানো মানুষগুলো বুঝুক তারা কেবল হেলুসিলেশন আর বোকার স্বর্গে বাস করছে।তবে আমার জীবন নিয়ে আমার ভাবনাটা আমি নিজেই ভিন্ন বলবো। আসলে আমি তিনকোনা বন্দি খাঁচাতে বন্দী থাকতে চাই আজীবন।সম্পূর্ণ লোকচক্ষুর আড়ালে।তবে আড়াল থেকে লিখে যাবো শতশত চরিত্রের কাহিনী।সবগুলো চরিত্রই হবে সুখি।কেননা আমি অন্তত এইটুকু চাই,কাল্পনিক জগতে যেন কাউ বিরাজতার মধ্যে না থাকে। আমি নিজেই আড়ালে থকে মানুষকে আড়ালের থেকে বের করে বাস্তবতায় ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করে যাবো। তবে আমার ভবিষ্যতের অজানা জগতে আমি চাই সম্পুর্ন নিঃসঙ্গ তবে সুখি একটা জীবনযাপন করতে।দুঃখ জিনিসটার অভিধানিক অর্থ আমার অভিধানে থাকবে না।তবে আমার ভিতর ভাংচুর চলুক বা না চলুক বাহিরে আমি সম্পুর্ণরুপে একজন সুখি মানুষের পরিপূর্ণ অর্থ বহন করবো।
পায় না কিছুই পূর্ণতা
সফলতা যেন দিবাস্বপ্নের গল্পেগাথা। জীবনের গল্পে বড়ই উদাস ছেলেটা খুব আশা করলেও হতাশা ছাড়া কিছুই তার প্রাপ্তিতে জুটেনা।। দীর্ঘশ্বাস নিয়ে আকাশের দিকে চেঁয়ে
চিৎকার দেওয়া ছাড়া কিছুই করার থাকেনা।
আমি আসলে পারছিনা আর।
বাবা দেখো তোমার কথায় আমি এখন আর অযথা সময় নষ্ট করি না ইচ্ছামতো চলিও না আড্ডা তো সম্পূর্ণ বন্ধ।
জীবনের তাগিদে মুখোশধারী বন্ধুদেরকে ত্যাগ করেছি।
বাসা থেকে বের হই না!
স্বাধীনতা নামক শব্দটা আমি এই চারটি বছরের জন্য বাজেয়াপ্ত করেছি!!
পরাধীনতাকে আমি আপন করেছি।
তবুও কী তোমায় কষ্ট দিচ্ছি?? তোমার মিথ্যে অভিযোগগুলো মেনে নিয়েছে,অপমান পিছুটান ছাড়ছেই না আমায়, থাক তাও মেনে নিচ্ছি!
আম্মুঃ-
তোমাকে কখনো কি হাসি মুখে রাখতে পেরেছিলাম???
- অভ্যাস হয়ে গেছে এখন তোমার বকাঝকা আমার জন্য।
কিন্তু বাস্তবতা হলো তোমাকে খুব ভালোবাসি আম্মু।
শত চেষ্টায়ও খুশি করতে পারছিনা তোমায়।
আমার খুশি গুলো ত্যাগ করেছি কিন্তু তবুও তুমি নারাজ।।
জানি না কিভাবে কি করতে হবে!
মূল কথায় আসা যাক,
বুঝার বয়স হবার পর থেকে আমার মনে পড়ে না কোনদিন আমি কেঁদেছি কিন্তু আজ পিছনে তাকিয়ে হতাশ আমি ।
কি হলো হঠাৎ আমার,
সবকিছু বুঝে উঠতে পারাটা এখন নিছক কষ্টের হয়ে দাঁড়িয়েছে আমার জন্য!
জীবনে কি কখনো আমার জন্য তোমাদের দুজনকে অন্য কোনো তৃতীয় ব্যক্তি শিক্ষকের কাছে লজ্জিত হতে হয়েছিল? কখনো কি? আমার মনে পড়ে না তবে বাস্তবতা হলো আমি আজ ঘৃনীত শিক্ষক-শিক্ষার্থী আপনজন এবং আমার বাবা-মায়ের কাছে।
কখনো ভাবি নি জীবনে এমন হয়তো কোন দিন আসবে যেদিন আমার কোন এক প্রিয় শিক্ষকই আমাকে ন্যূনতম আদবের শিক্ষা দিতে আসবে!
ছোট থেকেই বাবা-মা আমার ব্যবহারে সর্বোত্তম আদব শিখিয়েছে। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেই আমারই নাকি আদব শিক্ষা ক্ষয়ে যাচ্ছে!!!
আরেক প্রসঙ্গে আসি!
আসলে বাবার স্বচ্ছলতা থাকলেও ছেলের পকেট যে ফাঁকা মানিব্যাগে ৭-৮পৃষ্ঠা লেখা ছাড়া এক পয়সাও নেই।
তারপরও একটাই কথা বলব আম্মু এবং আব্বু, তোমরাই আমার জীবনের সকল সিদ্ধান্তের সঠিক ধারক ও নির্ধারক তবে তোমার ছেলে আর পারছে না বারবার হেরে যাচ্ছে। ভাগ্যটা সায় দিচ্ছেনা আর তোমার ছেলের সাথে।
সব চাপ এখন একসাথে!
আর্তনাদে হৃদয়ের মুমূর্ষ অবস্থায় আমার।একটাই সমাধান ঘুরছে মাথায় "আত্মহত্যা"- তবে ভয় পাচ্ছি আমি না থাকলে তোমরা কিভাবে থাকবে! যতই হোক আমি তো তোমাদের সন্তান একটু আপন করে নাও না আমায়!!
ছোটবেলায় যেভাবে আদর করতে সেভাবে একটাবার আদর করো না আমায়।
তোমাদের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য আমার শরীর কাঁপছে, কাতরাচ্ছে।
" সাদা কালো ননসেন্স"
Why waste your time writing these nonsense?
Because this is my only last platform to express my feelings, to express my thoughts and to sustain my imaginary world.In the world of my imagination, I want thoughts for food and I want to frame the thoughts in a black and white friendship.
I LIVE IN MY IMAGINATION
iN YOUR THOUGHTS.
"ইচ্ছা শেষে"
- নীলিকার জন্য
দেখে দেখে হেঁটে যাই
ভাবনাগুলোর পুর্নতা না পাই
সব আলোর শেষে,,
রাতের আকাশে,,,
তোমায় পেতে চাই।
টানাটানা চোখ, কালো কালো পাপড়ি, লাল ঠোঁট সাথে তোমার গ্বেজ দাঁত।
আমার কল্পনায় তুমিই আমার নীলিকা।
আমি বেঁচে আছি তোমার স্পর্শে, তুমি আমার স্বত্ব, আমি ভালোবাসি তোমায়....তুমি আমায়।
আসলে আমি অদ্ভুদ একটি ছেলে.....অদ্ভুদ অদ্ভুদ সব খেয়াল,,,একস্টিক আর হারমোনিকায় কতই স্বপ্ন দেখি।।।
স্বপ্ন দেখা কী এতই ভূল? অনুভূতিগুলো যাচ্ছে মরে।।।।
আজও চোখের কোনে জমে আছে নোনা জল, আজও কপালে জড়িয়ে আছে তোমার স্মৃতির সম্বল।।।।।।।
আমি তোমায় বারবার দেখেছি আড়চোখে, কোনো এক কোনা থেকে। তুমি বসে থাক জানালার পাশে আর আমি দাড়াঁয়ে। তাকিয়ে থাকি একাকিত্বে ওই দূর আকাশের দিকে "-- তুমি কী বুঝবে না? নাকি বুঝাতে চাচ্ছ না আমায়? শূন্যতার অনূভুতিগুলো আমার চারপাশে। হাহাকার, আর্তনাদ, চিৎকার ক্রমশই আমায় হ্রাস করছে। তুমিও কি আমার ই মতো? ;-নাকি কোনো এক অন্যসময়ে বদলে যাচ্ছ, বদলাচ্ছ ক্রমশই???
বাহিরের হাসি আমার অক্ষুন্ন তবে ভিতরের ভাংচুর? -- তোমার দোষে দোষী, নাকী দোষটা কেবল আমার ই তোমায় একপাক্ষীক ভালোবেসে?
তুমিই আমার নীলিকা আর আমি ই তোমার কাঠগোলাপ-- হোক তা কল্পনা।।।।।
"শেষ হোক শেষ হাসিতে"
আমরা বন্ধুরা!
সব মিলে থাকতাম, গাইতাম, আড্ডা + পড়াশোনা।সারাদিন হৈচৈ উল্লাস রাতেরবেলায় পড়াশোনায় সিরিয়াস।
আমরা সারাদিন করতাম উল্লাস,
" উৎসবের উৎসাহে"
সবাই মিলে হাটতাম,
"আমার পথচলায়"
একসাথে গাইতাম,
"বিসন্ন সুন্দর!"
আর তাকে দেখে বারবার বলাতাম
"কাদঁবে বিস্সয়ে"
শেষ করেছিলাম এই কিশোরবেলা
"অনিকেত প্রান্তর"-দিয়ে।
এরও মাঝে রয়ে গেছে কত স্মৃতি;-
আহ!! রুপকথা,পুর্নতা,মোহো,তোমাকে,, আরও কত কী!।
আসলে জীবন মানেই তো উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া!
-তবে কার উৎসাহ নিয়ে ??
-খুঁজে নাও, তবে শেষ টা হয় যেন হাসিঁতে।
নাহ্ এভাবে আর বাঁচা যায় না।
দুটো বছর চলে গেল, একই মানসিকতার আঘাত খেয়েই চলছি।
কবে হবে তাদের পরিবর্তন?আদৌ কী হবে?
ঘাটটে চাই না আর এটা নিয়ে।
চলে যেতে চাই দূরে কোথাও...
একলা আমি বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীতে কোনো এক সুরেলা হাওয়া, মাটির নীড়ে।
কেউ খুজঁবে না, কাউকে খুজঁবও না।
নাহ্ এই বুদ্ধিটাও খুব বোকামির, তাহলে করব কী?
- অবস্থান কর, পরিবর্তন করো।।
......কাকে পরিবর্তন করতে চাচ্ছি?
কাছের মানুষেরাই বুঝবে আশা করি।
তবে সবাই হাসিখুশি থাকুক, ভালো থাকুক,,
ব্যাথিত আমি তাই আমাকেও একটু ভালো রাখুক।
৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷চাই না বাঁচার উপদেশ৷৷৷৷৷৷৷৷
"জামা থাক আগামীর জন্য"
ইচ্ছেঘুড়ি-০১
কিশোর, ঠিক যেনো কোনো এক মহাকাব্যের মহাচরিত্রের বাস্তব অভিনয়ে নেমেছে সে। যেনো কোনো এক শিকলে বন্দি সে। বন্দি বাস্তবতা, বন্দি তার অসহায় দুটো হাত, আর বিষাদে পূর্ণ জীবনের তেঁতো স্বাদ।
খাপছাড়া সে, যেনো এক একলা পথিক। বেঁচে থাকার স্বার্থকতা কোথায়? Physics Chemistry Biology Math বই এর সব পৃষ্ঠা মুখস্থ করায়? মুখস্থ ব্যাপারটা কীভাবে আবিষ্কার হলো বলতো? কে চেয়েছিলো পড়ার মাঝের আনন্দ, মিষ্টি স্বাদটা বিসর্জন দিতে?
একাডেমিক প্যাচাল থাক নাহয়, কিন্তু তবুও কি পেতাম শান্তি? Peer pressure. অসুখের মতন, অন্যরা যা করে তা আমাকেও করতে হবে? We are zombies, conscious zombies. জীবনের অর্থ না বুঝে জাগতিক অর্থ কামানোর জন্য নেমেছি সবাই এক rat race এ।
আমি, মাহিদুল ইসলাম, ওরফে আহনাফ। জীবনকে দেখে এখনি তৃষ্ণার্ত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমাকেও কি নামতে হবে এই
rate race এ?