মুসলিম হিসাবে নিজেদের যে কি বাজে অবস্থা তার একটা সেলফ রিমাইন্ডার হিসাবে লেখা। অনেক আগে থেকেই এই ইস্যুতে পাবলিকলি কিছু বলার ইচ্ছা ছিল কিন্তু বলি নাই কারণ এই টপিকটা আপন মনে বকে গেলাম দিয়ে শেষ এমন না। But this topic needs to be discussed. যদি আমাদের জ্ঞানের মধ্যে ভুল থাকে, শর্টকামিংস থাকে তারপরেও ডিসকাস করা দরকার।Topic Name: Apocalyptic overview from the perspective of Abrahamic Religions and a brief overview of what should be done from the Islamic perspective.#সংবিধিবদ্ধ_সতর্কীকরণঃ যাদের কাছে এই ব্যাপারটা অলৌকিকতার আলাপ/ প্রোপাগান্ডা লাগে তাদের সাথে এই পোস্টে কোনো কথা বলতে ইচ্ছুক না আমি। বিশ্বাসের ব্যাপার এইটা। আর এই টপিকে বিশ্বাসের আগেপরে আরোও অনেক জিনিসের বিশ্বাস লাগবে। তো খুবই ছড়ায়ে ছিটায়ে যাবে টপিকটা।So, if you want, you can skip the post but you can't skip the upcoming…আজকে এইটা টপিকে লেখার মূল কারণ হচ্ছে সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে দেখা একটা পোস্ট আর মানুষ দেখলাম কথাও বলতেছে টপিকটা নিয়ে। অন্যসময় কথাগুলা তুললে হয়তো রিলেট করতে কিছু সমস্যা হতো কিন্তু এবার সেই চান্স কম।Red Heifer of the IsraelitesRed Heifer-এর ডোমিনো ইফেক্টের আলোচনার আগে এইটা সবার বোঝা জরুরি যে আমি মুসলিম নাকি হিন্দু নাকি নাস্তিক এসব কিছুই ম্যাটার করে না। আমি মিডল ইস্টে থাকি নাকি আমেরিকায় থাকি নাকি বাংলাদেশে তাও ম্যাটার করে না। কারণ দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি ফলোয়ারদের দুই-তিনটা আইডিওলোজির ক্ল্যাশ যখন হবে তখন সবকিছুই এরমধ্যে চলে আসবে। কারণ যখন এসব হবে তখন গাজওয়ায়ে হিন্দ, WW3 সব একিই জিনিস। আলাদা করার মতো সুযোগ পাবেন না।এবার দেখি এই Red Heifer কেনো জরুরী? মাসজিদুল আল-আকসা যদিও খ্রিস্টান, ইহুদী, মুসলিম তিনজাতির জন্যই পবিত্র জায়গা। কিন্তু তারপরও মাসজিদুল আল-আকসাতে ইবাদত এখনোও শুধু মুসলিমরাই করে। ইহুদী/খ্রিস্টানদের ইবাদতে কথা কেউ শুনে থাকলে জানাবেন।ইহুদী ধর্মমতে এর কারণ তারা Impure। আর তাদের এই ইম্পিউরিটি দূর করতেই দরকার Red Heifer। প্রফেসি অনুযায়ী এদের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য থাকা লাগবে। পুরাপুরি লাল মেয়ে গরু হওয়া লাগবে, শরীরে কোন ধরণের খুঁত থাকা যাবে না, ভার্জিন হতে হবে।প্রফেসি অনুযায়ী ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে আমেরিকার টেক্সাস থেকে ৫০০,০০০ ডলার দিয়ে ৫ টা Red Heifer কেনে ইসরায়েল। আমার জানা মতে তখন এগুলার বয়স ছিল ১.৫ বছর। আর তাদের প্রফেসিতে ৩ বছর হলে এর মধ্যে একটাকে কুরবানি দেওয়া হবে। আর সেই অনুযায়ী এখন এদের বয়স ৩ বছর।এদের স্যাক্রিফাইস যেখানে করতে হবে সেটার-ও স্পেসিফিকেশন আছে। আর সেই অনুযায়ী Mount of Olive এর জমি কেনা/দখল করাও শেষ এদের।এদের মধ্যে একটাকে কুরবানি দেওয়ার পর তার ছাঁইয়ের সাথে পানি মিশায়ে ৯ জন ইহুদী রাবাইকে প্রথমে পবিত্র করা হবে। আর এরপর ডোমিনো ইফেক্ট হিসাবে দেখবেন আল-আকসা ভেঙে ফেলছে।যদিও অলরেডি এই প্রসেস অনেকদিন ধরে চলতাছে। Archaeological Excavation-এর নামে আল-আকসার নিচের মাটি অনেক আগের থেকেই খুঁড়াখুঁড়ি চলতেছে।নতুন টেম্পলের আরোও যেসব স্পেসিফিক রিকুয়ারমেন্ট আছে (যেমনঃ টেম্পলের পাথরগুলা মেটাল দিয়ে কাটা যাবে না, তাই ডাইমন্ড কাটিং টুলস দিয়ে কাটছে সেগুলা) করা প্রায় শেষ।এখন যারা এই রিলিজিয়াস পয়েন্টটাকে এড়ায়ে যাইতে চাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলি ১০-১২ বছর আগেও এই জিনিসটা ইসরায়েল একটু গোপনে প্রচার করত।এর জন্য তাদের আলাদা অর্গানাইজেশন ছিল "Temple Institute"। কিন্তু এখন ইসরায়েলি পার্লামেন্ট Knesset এর ১২০ টা সিটের মধ্যে ২০+ ডাইরেক্ট এই অর্গানাইজেশনের মেম্বারদের দখলে।আরোও একটা ইনফরমেশন দিয়ে রাখি সেটা হচ্ছে ইহুদীদের অন্যতম রিলিজিয়াস ফিগার Rabbi Menachem Schneerson বলে গেছে ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu হবে তাদের Messiah আসার আগের শেষ প্রধানমন্ত্রী।সেই অনুযায়ী আমাদের Life Time-এই আমরা দাজ্জালের সরাসরি মুখামুখি হতে যাচ্ছি ধারণা করা যায়। ভবিষ্যতে কি হবে সেই গায়েবের জ্ঞান আমার আপনার না হয় নাই কিন্তু লজ্যিকাল মাইন্ড তো সবারই আছে। বেশি হলে কি হবে আমাদের জেনারেশন না পাইলে তার পরের জেনারেশন পাবে।দাজ্জালের কথা আসলে ইমাম মাহদী আর ঈসা (আঃ) এর কথা অটোমেটিক্যালি আসে। এইগুলা নিয়ে ঘাটতে যাবেন তো প্রথমেই দেখবেন গুগলে ইলুমিনাতি সাইন পাইছেন। কেমনে ৯৯৯ দাজ্জালের নাম্বার। আপ্নারা যারা এইভাবে চিন্তা করছেন তাদের বলি, খুবই ভালো কথা আপনে এটলিস্ট চিন্তা করছেন ব্যাপারটা নিয়ে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও আপনার এই ৯৯৯ এর চিন্তা দিয়ে কোনো লাভই হবে না। খুবই লো আইকিউ লেভেলের চিন্তা এগুলা। চিন্তার লাইন পাল্টান।এরপর যদি আরেকটু কন্সট্রাক্টিভভাবে চিন্তা করেন দেখবেন "দাজ্জাল এসে কি করবে? ঈসা (আঃ) এসে কি করবে? ইমাম মাহদী কি করবে? দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য সুরা কাহাফ পড়ব কিভাবে তার আমল করব কিভাবে?" এসব প্রশ্ন আসবে।এর উত্তরে যত কথা হয় তার বেশিরভাগ কথা-ই মাইক্রো লেভেলে। এই মাইক্রো লেভেলে চিন্তা না করে একটু ম্যাক্রো লেভেলে চিন্তা করেন। মাইক্রো লেভেলে ইন্ডিভিজ্যুয়াল ফাইট দিয়ে লাভ হয় না এরকম সোশ্যাল ক্রাইসিসে। কালেক্টিভ ফাইট দরকার।দাজ্জাল আসার পূর্ব মুহুর্ত থেকে এখন পর্যন্ত একটা রিভার্স জার্নি দেওয়া যাক।ইমাম মাহদী ৭.৫ বছর দুনিয়াতে খেলাফতি করবেন। তার খেলাফত শুরুর ৩ বছর পরে দাজ্জালের আগমন হবে। এই তিন বছরের অনেক বর্ণনা আছে সংক্ষেপে বললে দূর্ভিক্ষ চলবে তখন। দাজ্জাল আইসে কি কি করবে অনেক জায়গায় বলা আছে, খুঁজে নিয়েন।এবার আসি ইমাম মাহদীর পাবলিক এপিয়ারেন্সের আগে কি হবে তা নিয়ে। ইমাম মাহদীর পাবলিক এপিয়ারেন্সের আগে মুসলিমদের সিভিল ওয়ার হবে একটা। সেই সিভিল ওয়ারের কাহিনীতে কি জানেন?খলিফার ৩ ছেলের মধ্যে ক্ষমতা নিয়ে যুদ্ধ হবে। এখন এই ঘটনা অনেকভাবে ইন্টারপ্রেট করা যায়। তবে যাই হোক না কেন খিলাফাত থাকবে এইটা তো বোঝা যাচ্ছে।এখন এরপর আমাদের বর্তমান অবস্থার কথা আসে। কিন্তু তার আগে আরেকটা জিনিস একটু আলোচনা হওয়া দরকার। এপিয়ারেন্সের সিক্যুয়েন্স অনুযায়ী-ফার্স্টে ইমাম মাহদী, সেকেন্ডে দাজ্জাল আর থার্ডে ঈসা (আঃ)।তো দাজ্জাল আসার পর ঈসা (আ:) আসার আগের যেই মোমেন্ট সেখানে ইমাম মাহদীর মাইন্ডসেট খেয়াল করা জরুরি। সে কিন্তু দাজ্জালকে হারাতে পারবে না, তার সেই সামর্থ্য নাই। তো এর জন্য কি সে চুপচাপ বসে থাকবে নাকি শুধু জায়নামাজে বসে দুয়া করবে? দুয়া-আমল তো অবশ্যই লাগবে কিন্তু তার সাথে সে কিন্তু আরো কিছু কাজ করবে। He will prepare an army to fight the army of Dajjal.এরপর ঈসা (আ:) আসবেন, দাজ্জালকে হত্যা করবেন। কারণ তাকে সেই দায়িত্ব, সেই সামর্থ্য দেওয়া হয়ছে। আমাদের পপ কালচারের ভাষায় Lisan Al-Gaib।কিন্তু আমরা কিভাবে কাজ করব? সেই প্রশ্নে ফোকাসের জায়গা কিন্তু ঈসা(আঃ) না, অন্যজন। ইমাম মাহদী।সে কি করছে? সে তার superior জন্য workspace বানাইছে, manforce জোগাড় করছে।এখন তার এই কাজের জন্য তাকেও তো workspace করে দিতে হবে তার subordinant-দের। আর আমরা হচ্ছি সেই সাবঅর্ডিনেন্ট। সেই কাজটা কি খিলাফাত আনা। এইখানে এসেই অনেকের অনেক কথা আসবে জানি। আপনি আওয়ামী লীগ করেন কি বিএনপি করেন কি জামায়াতে ইসলাম কি ন্যাপ যেইটাই করেন না কেন নিজেরে যদি মুসলিম দাবী করেন তবে আপনি এইটা মানতে বাধ্য যে ইসলামের জীবনব্যবস্থাই আপনার একমাত্র চয়েস। আপনি যদি মনে করেন আপনার এই ডেমোক্রেসি আর ডেমোক্রেসির খেদমত আপনারে আপনার ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে দিবে তাইলে খুবই ভুল ধারণার মধ্যে আছেন।What is the definition of democracy?Democracy is by people, of the people, for the people. ভালোমতো চিন্তা করে দেখেন এখানে আপনার ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বানানোর কোনো কথা-ই নাই। কথা আছে সর্বশক্তিমান জনগণের(আস্তাগফিরুল্লাহ)।There is no Democratic Islam/ Islamic Democracy.এবার এই কথা যখন বলছি, যেহেতু গডফাদারদের আইডিওলজিতে এটাক করছি তো আমি তো এখন পটেনশিয়াল টেরোরিস্ট। কি করার এখানে আর। গডফাদারদের নিয়মেই তো চলছে দুনিয়া। আর ইসলামের নামে টেরোরিজম তো করছেই আমাদের কিছু মাইনাস লেভেল আইকিউ-এর মানুষজন।তবে সত্য কথা যেইটা খিলাফাত প্রতিষ্ঠার জন্য আপনার,আমার না গুলি বন্ধুক নিয়ে যুদ্ধে নামার দরকার নাই। দরকার নাই জিহাদের নামে জঙ্গীবাদের।আমাদের প্রাণের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-ও তা করেন নাই। তিনি কিভাবে প্রতিষ্ঠা করছিলেন তা উনার জীবনী নিয়ে রিসার্স করলেই পেয়ে যাবেন। অনেক বিস্তর আলোচনা এইটা। জাস্ট হিন্টস দিয়ে রাখলাম। কারোর যদি এই ব্যাপারে আমার সাথে আলোচনা করার ইচ্ছা হয় পার্সোনালি কথা বলিয়েন। এমনিই অনেক বড় লেখা হয়ে গেছে আরোও বড় করা ঠিক হবে না।শুধু এইটাই বলব আপনি মাইক্রো লেভেলে নামাজ পড়ে, রোজা রেখে ইসলাম রক্ষা করতে পারবেন না। এরজন্য দরকার সামাজিক পর্যায়ে, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে, বৈশ্বিক পর্যায়ে ইসলামের চর্চা আর সেই লক্ষ্যে কাজ করা। আমি আপনি একা কিছুই করতে পারব না। কিন্তু এই যে আমি এই কথাগুলা শেয়ার করলাম, আপনি পড়লেন। পড়ে চিন্তা করলেন। এরপর আমার সাথে হোক/ অন্য কারোর সাথে হোক আলোচনা করলেন তখনই কিন্তু পরিবর্তন পসিবল। আর এইটা আটকানোর কত চেষ্টা তো আপনার আমার প্রিয় বঙ্গদেশেই চলতেছে secularism, democracy এর নামে তো বুঝানোর দরকার নাই।ওরা কোন এক মানুষের তৈরি আইডিওলোজির জন্য় এত কিছু করে যাচ্ছে আর আমি আপনি আল্লাহর দেয়া জীবনবিধানের জন্য এইটুক করতে পারব না?