বাংলাদেশে দ্রুতই ‘ভূমি ব্যবহার স্বত্ব আইন’ এবং ‘ভূমি অপরাধ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ প্রণীত হতে যাচ্ছে। নতুন এই আইনে যে ৭ ধরনের দলিল বাতিল হতে যাচ্ছে সেগুলোই আজকের মূল আলোচ্য বিষয়। প্রথমত, রেজিস্ট্রিবিহীন দলিল নিয়ে সামান্য আলোচনা করি।
সাধারণত যে দলিলে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসারের কোনো বৈধ সিল ও স্বাক্ষর থাকে না, সরকার কোনো রেজিস্ট্রি ফি পায় না, এসব দলিল নতুন আইন অনুসারে বাতিল হতে যাচ্ছে। বিষয়টির আলোচনার প্রারম্ভে আমাদের দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি সম্পর্কে ভাল ধারণা অর্জন করতে হবে।
বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। যেমন- বিক্রয় দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে। জমি ক্রয় করার আগে বায়না দলিল করলে ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমা দিতে হবে। রেজিস্ট্রি ছাড়া বায়না দলিলের আইনগত মূল্য নেই। বায়না দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে বিক্রয় দলিল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দাখিল করতে হবে। হেবা বা দানকৃত সম্পত্তির দলিলও রেজিস্ট্রি করতে হবে। বন্ধককৃত জমির দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে। কোনো ভূমি সম্পত্তি মালিকের মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বাটোয়ারা করা এবং ওই বাটোয়ারা বা আপোস বণ্টননামা রেজিস্ট্রি করতে হবে।
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুসারে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে যা যা লাগে সেগুলোর অন্যতম হলো- বিক্রীত জমির পূর্ণ বিবরণ, দলিলে দাতা-গ্রহীতার পিতা-মাতার নাম, পূর্ণ ঠিকানা এবং সাম্প্রতিককালের পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি। যিনি জমি বিক্রয় করবেন, তার নামে অবশ্যই উত্তরাধিকার ছাড়া নামজারি থাকতে হবে। দলিলে বিগত ২৫ বছরের মালিকানা সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও কার কাছ থেকে কে ক্রয় করল, সে বিবরণ লেখা থাকতে হবে। সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য, সম্পত্তির চারদিকের সীমানা, নকশা দলিলে থাকতে হবে। যিনি ক্রয় করেছেন তিনি ছাড়া অন্য কারও কাছে এই জমি বিক্রি করা হয়নি মর্মে হলফনামা থাকতে হবে। জমির পর্চাগুলোতে সিএস, এসএ, আরএস মালিকানার ধারাবাহিকতা (কার পরে কে মালিক ছিল) থাকতে হবে এবং প্রয়োজন হলে ভায়া দলিল সংযুক্ত করতে হবে।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন অনুসারে রেজিস্ট্রি আইন ও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি নিয়ে একটু আলোচনা করা প্রয়োজন। সাধারণত দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় রেজিস্ট্রেশন আইন, স্ট্যাম্প আইন, আয়কর আইন, অর্থ আইন ও রাজস্ব সংক্রান্ত বিধি এবং পরিপত্রের আলোকে। সব দলিলের রেজিস্ট্রি ফি সমান নয়। সরকার বিভিন্ন সময় সমসাময়িক বিবেচনা অনুযায়ী রেজিস্ট্রি ফি নির্ধারণ করে থাকে। কর দেওয়ারও সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। ভ্যাট ও উৎসে কর সব সময়ই জমির বিক্রেতা প্রদান করবে। আয়কর আইন অনুসারে, এই দুই ধরনের করের পরিমাণ বিক্রেতার আয়ের ওপর নির্ভর করবে। এই কর বিক্রেতার নামে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়। উৎসে কর ও ভ্যাট ছাড়া অন্য সব ধরনের কর জমির ক্রেতাকেই পরিশোধ করতে হবে।
সে যাই হোক, নতুন ভূমি আইন প্রণীত হলে রেজিস্ট্রিবিহীন দলিল বাতিল হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে জাল খতিয়ান ও দলিল সৃষ্টি করলে সেটিও বাতিল বলে পরিগণিত হবে। অনেক সময় আমরা দেখতে পাই যে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি অফিসের গচ্ছিত দলিলগুলো আগুনে পুড়ে গেছে। তখন কিছু সুযোগ সন্ধানী লোক ভূমি অফিসের অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে মিলে জাল খতিয়ান ও দলিল সৃষ্টি করে অন্যের সম্পদ দখল ও ভোগ করে। সে সংক্রান্ত দলিল কার্যকর হবে না। কেউ যদি অন্যের জমির মালিক হওয়ার উদ্দেশ্যে জাল দলিল তৈরি করে, সেক্ষেত্রে সেই জাল দলিল বাতিল হয়ে যাবে। খাস জমি বেআইনি ভাবে দখল করে নিলে যেমনÑ চর, নদির উপকূলের জমির দলিল করে অনেকেই ভোগ করছেন। এখন থেকে এসব খাস জমির জাল দলিল বাতিল হয়ে যাবে। আপনি কারও কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছেন, কিন্তু তার যতটুকু অংশ সে পায়, তার ওয়ারিশান সূত্রে তার অধিক লিখে নিয়েছেনÑ এ ধরনের জমির দলিল কার্যকর হবে না ।
ভূমি আইন (খসড়া) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। কারণ, প্রায় প্রত্যেক মানুষই ভূমির সঙ্গে সম্পৃক্ত। জমির দলিল জাল করলে দ-বিধি আইন, ১৮৬০তেও শাস্তির বিধান রয়েছে। প্রস্তাবিত ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার’ আইনে নতুন করে শাস্তির বিধান সন্নিবেশ করা হয়েছে। খসড়া আইনেও কারাদ-ের বিধান রাখা হয়েছে। ভূমির জালিয়াতি, অবৈধ দখল, প্রতারণা ও অপরাধ দমন, পেশিশক্তি বা অস্ত্রের ব্যবহার রোধে নতুন ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ শীর্ষক খসড়া আইন করা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে জমিসংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে যে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, তার পাশাপাশি খসড়া আইনেও শাস্তির বিধান সংযোজন করা হয়েছে। খসড়া আইনে যেসব বিষয়ে দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার, সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতকে আনা হয়েছে।
আমাদের মনে রাখতে হবে যে, কয়েক প্রকারের দলিল রয়েছে, যেগুলো সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল নয়। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে- বায়নাপত্র দলিল, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (আমমোক্তারনামা) দলিল, উইল দলিল, ওছিয়ত দলিল, চুক্তিপত্র দলিল, রেজিস্ট্রি অফিসে বাতিলকরণ দলিল- রোজিস্ট্রির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দলিলের পক্ষগণ সকলের সম্মতিতে একত্রে দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে বাতিল করতে পারেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন দলিল যেমন- সাব-কবলা, দানপত্র, হেবার ঘোষণাপত্র, হেবাবিল এওয়াজ ইত্যাদি দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে ‘বাতিলকরণ দলিল’ রেজিস্ট্রি করে বাতিল করা যায় না। আইনগত ও যৌক্তিক কারণে দলিল বাতিলের প্রয়োজন হলে আদালতে মামলা দায়ের করে বাতিলের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হয়।
আইনটি প্রণীত হলে নতুন আইন অনুসারে ওয়ারিশদের বঞ্চিত করা দলিলগুলো বাতিল বলে পরিগণিত হতে যাচ্ছে। ওয়ারিশদের বঞ্চিত করে সম্পত্তি বিক্রি করার পর সেই জমি কেউ ক্রয় করলে সেই ক্রয়কৃত জমির দলিল কার্যকর হবে না। বাদ যাবে না প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত দলিলগুলো। ভুল বুঝিয়ে, প্রতারণা করে হেবা দলিল করে নিলে দলিল কার্যকর হবে না। নতুন আইন অনুসারে দলিল বাতিল হওয়ার পাশাপাশি বাতিল দলিলের মালিককে ফৌজদারি অপরাধ সংঘটনের জন্য আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শাস্তির মধ্যে রয়েছে ৩ মাস থেকে শুরু করে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদ- এবং ১০ হাজার থেকে শুরু করে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদ-।
লেখক : আইনজীবী ও পিএইচডি গবেষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ।
আরডিএ রাজশাহী শহরের অবকাঠামো এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করে
রাজশাহী, ২৬ জুলাই, ২০২৫ (বাসস) - রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) শহরের অবকাঠামো এবং এর বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্যে অসংখ্য উন্নয়ন প্রকল্প সক্রিয়ভাবে বাস্তবায়ন করছে।
এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রাস্তা নির্মাণ ও প্রশস্তকরণ, আবাসিক এলাকার উন্নয়ন এবং জনসাধারণের স্থানের সৌন্দর্যায়ন।
এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের জন্য আরডিএ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (আরসিসি), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের (আরএইচডি) মতো সংস্থার সাথে সহযোগিতা করছে।
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্ককে সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকীকরণ করা হয়েছে, পাশাপাশি আরও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করার জন্য পারিজাত হ্রদের উন্নয়নও করা হয়েছে।
নগর পরিকল্পনার পাশাপাশি, আবাসন সংকট মোকাবেলা, বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি এবং একটি আধুনিক ও সুপরিকল্পিত শহর গড়ে তোলার জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্যও উন্নয়নের অগ্রগতি হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, আরডিএ বাইপাস রাস্তা বাস্তবায়ন করেছে, সড়ক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে এবং আধুনিক আবাসন ও সবুজায়ন প্রকল্প চালু করেছে - যা শহরের সৌন্দর্যায়ন এবং বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে অবদান রাখছে।
আরডিএ-র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল তারিক বলেন, তারা প্রায় ২০৬.৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকা থেকে বাইপাস সড়ক পর্যন্ত একটি উত্তর-দক্ষিণ সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেছেন।
৫ কিলোমিটার চার লেনের এই সড়কে ৯,০০০ মিটার আরসিসি ড্রেন, আটটি কালভার্ট, একটি চার লেনের ওভারপাস এবং ৫,০০০ মিটার পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং টেলিফোন লাইন রয়েছে।
বার্নয় আবাসিক এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
৭৩.১১ কোটি টাকার এই প্রকল্পের মূল উপাদানগুলির মধ্যে ছিল ২২৭টি আবাসিক প্লটের উন্নয়ন, বিটুমিনাস কার্পেটিং সহ ১.৮৬ কিলোমিটার একক লেনের রাস্তা নির্মাণ, ৪,০৮৬ মিটার আরসিসি ড্রেন, ১৮টি কালভার্ট এবং সমগ্র এলাকায় জল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করা।
"আমাদের আরও একটি আবাসিক এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে যার জন্য প্রায় ৯৩.৫১ কোটি টাকা ব্যয় হবে," ইঞ্জিনিয়ার তারেক বলেন, প্রকল্পের জন্য ১৮.১১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
আরডিএ-এর সহকারী প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামান বৃহস্পতিবার বাসসকে বলেন, শহরের প্রাণকেন্দ্রে তালাইমারী ক্রসিংয়ে প্রায় ১৯৭.৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরডিএ স্কয়ারটি নির্মিত হয়েছে।
তিনি বলেন, স্কোয়ারটি ১২,৫১৮.০৮ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে নির্মিত হয়েছিল।
বেসমেন্টে গাড়ি পার্কিং, একটি অ্যাম্ফিথিয়েটার এবং একটি আর্ট গ্যালারি রয়েছে।
"এখানে একটি আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, আলো, ডিজিটাল স্ক্রিন সহ একটি স্থায়ী আর্ট গ্যালারি এবং নিচতলায় একটি জাদুঘর রয়েছে," কামরুজ্জামান বলেন। তিনি আরও বলেন, প্রথম তলায় একটি অত্যাধুনিক রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপযুক্ত পরিবেশ, মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী এবং খোলা আসন এবং বিনোদনমূলক সুবিধা থাকবে।
স্কোয়ারটিতে পাঁচটি যাত্রী লিফট, জেনারেটর, সৌর প্যানেল এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য একটি সাবস্টেশনও রয়েছে।
শহর এবং এর আশেপাশের এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আরডিএ ২০ বছর মেয়াদী একটি মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্ত করেছে।
আরডিএ-র চেয়ারম্যান এসএম তুহিনুর আলমের মতে, ২০২২ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত মাস্টার প্ল্যানে প্রায় ৩৬৫.৫৫ বর্গকিলোমিটার - দুটি সংলগ্ন পৌরসভা এবং ১২টি ইউনিয়ন পরিষদ জুড়ে - অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আরডিএ-র প্রাথমিক লক্ষ্য হলো পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন এবং নগর উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠার পরপরই, আরডিএ তার প্রথম ২০-বছর-ব্যাপী মাস্টার প্ল্যান তৈরি শুরু করে, যা ১৯৮৪ সালে ১২৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাস্তবায়িত হয়।
প্রথম পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, আরডিএ রাজশাহী মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান (আরএমডিপি) নামে একটি নতুন মাস্টার প্ল্যান তৈরি করে।
আরএমডিপি প্রস্তুত করার সময়, আরডিএ বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান যারা জিপিএস, টোটাল স্টেশন, আরটিকে এবং জিআইএস সফ্টওয়্যারের মতো আধুনিক পরিকল্পনা সরঞ্জাম এবং কৌশল ব্যবহার করে।
বিস্তারিত আর্থ-সামাজিক, পরিবহন এবং ভৌত বৈশিষ্ট্য জরিপ পরিচালিত হয়েছিল, যার মধ্যে কনট্যুর এবং আরএল (হ্রাসিত স্তর) রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত ছিল। সমস্ত সংগৃহীত তথ্য একটি ডিজিটাল ডেটা ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
"বর্তমান মাস্টার প্ল্যানের অধীনে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের ব্যাপারে আমরা খুবই আশাবাদী," বলেন তুহিনুর আলম।
এর সাফল্য নিশ্চিত করার জন্য, আরডিএ স্টেকহোল্ডার, প্রাসঙ্গিক সংস্থা এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় সভা করছে।
নতুন পরিকল্পনার আওতায়, রাজশাহীকে একটি সবুজ, স্বাস্থ্যকর, শিক্ষামূলক এবং শিল্প নগরীতে রূপান্তরিত করার প্রচেষ্টা চলছে। শহরের আশেপাশে নতুন আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা নির্মিত হচ্ছে - অথবা নির্মিত হবে।
এই এলাকাগুলিতে প্রশস্ত অভ্যন্তরীণ রাস্তা এবং ফুটপাত, খেলার মাঠ, ঈদগাহ, হ্রদ বা জলাধার তৈরি করা হবে।
সমস্ত বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি এবং ডেটা লাইন ভূগর্ভস্থ স্থাপন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পূর্ববর্তী মাস্টার প্ল্যান (২০০৪) শহরের বর্তমান চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট ছিল না। নতুন মাস্টার প্ল্যান তৈরির জন্য, দেশী-বিদেশী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি পরামর্শদাতা দল গঠন করা হয়েছিল এবং একটি ব্যাপক ডিজিটাল জরিপ পরিচালনা করা হয়েছিল।
রাজশাহী পরিচ্ছন্ন, শান্ত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে ভরপুর একটি শহর। এর মধ্যে কুমারপাড়া এলাকা হচ্ছে এমন একটি স্থান, যা শহরের প্রাণকেন্দ্রে আবার শান্ত পরিবেশের জন্য বসবাসের দিক থেকেও আদর্শ। এই এলাকায় ফ্ল্যাট কেনা মানে কেবল একটি ছাদ বা সম্পদ অর্জন নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের নিরাপদ বিনিয়োগ, বসবাসের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, এবং শহরের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট সংযোগের একটি সুযোগ। এই আলোচনায় আমরা দেখব কুমারপাড়ার ভৌগলিক গুরুত্ব, নাগরিক সুবিধা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, এবং ভবিষ্যত মূল্যায়নের দিকগুলো। আশা করছি, আলোচনা শেষে কুমারপাড়ায় ফ্ল্যাট কেনার যৌক্তিকতা আরও পরিষ্কার হবে এবং আপনারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন।
মহল্লা পরিচিতি
কুমারপাড়া রাজশাহী শহরের পুরাতন এবং ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।রাজশাহী শহরের প্রাচীন এই এলাকায় এক সময় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার হিন্দু মানুষের বসবাস ছিল এই এলাকায় কুমার এবং ঘোষদের দেখা যেত যা সময়ের পরিক্রমায় প্রায় বিলুপ্ত। এই কুমারদের বসবাসকে ঘিরেই এই এলাকার নামকরন হয়েছে বলেই লোকমতে প্রচলিত। বর্তমানে এই এলাকা এক ভিন্ন রূপ ধারন করেছে। ভৌগোলিক দিক দিয়ে এই এলাকার অবস্থান পদ্মা নদীর উত্তর দিকে রাজশাহী শহরের সবথেকে বড় বাজার এবং বলা চলে রাজশাহীর রাজধানী সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট এবং এর দক্ষিনে পদ্মা নদী এবং পূর্ব দিকে আলুপট্টি এবং এর পশ্চিমে আরডিএ মার্কেট রাজশাহী কলেজ ও শাহ মখদুম রূপোশ এর দর্গা ও দরগাপাড়া।এই এলাকার আবস্থান এই এলাকাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।বর্তমানে শুধুমাত্র এই এলাকার অবস্থান এর কারনে অনেক রিয়েল এস্টেট কোম্পানি এই এলাকা নিয়ে কাজ শুরু করেছে এবং অনেক কোম্পানী কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাস্তা এবং ড্রেনেজ সিস্টেম
কুমারপাড়া এলাকার রাস্তা খুব বেশী প্রসস্ত না হলেও অনায়াসে একাধিক কার অথবা একাধিক মিনি পিকআপ চলাচল সম্ভব। এই এলাকার রাস্তা পাকা এবং প্রতিটি রাস্তা একাধিক রাস্তার সাথে সংযুক্ত। পাড়ার ভিতরের রাস্তা অতটা প্রসস্ত না হলেও এলাকার আশে পাশের মেন রাস্তাগুলো চার লেন বিশিষ্ট সুপ্রস্ত। এই এলাকার ড্রেনেজ ব্যাবস্থা খুবই সুন্দর একদম পাশে পদ্মা নদী হওয়ার কারনে এই এলাকায় কখন ও জলাবদ্ধতা লক্ষ্য করা যায়না।অতি বৃষ্টিতে এখানে কখনই ভোগান্তির শিকার হতে হয় না।
সামাজিক নিরাপওা ও শান্তিপূর্ণপরিবেশ
রাজশাহীর কুমারপাড়া একটি ঐতিহ্যবাহী ও শান্তিপূর্ণ আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত হচ্ছে দিনে দিনে। এই এলাকাটি সাধারণত সংস্কৃতি, শিক্ষিত জনগোষ্ঠী এবং সামাজিক সম্প্রীতির জন্য প্রশংসিত। এখানে সামাজিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকার কিছু বিশেষ দিক রয়েছে।স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বাসিন্দাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ যার কারনে অপরাধপ্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম।এলাকাবাসীরা নিজ উদ্যোগে নিজ নিজ বাসাবাড়ীতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও রাতের প্রহরার ব্যবস্থা নিয়েছেন অনেক স্থানে।বিভিন্ন এনজিও এবং স্থানীয় ক্লাব বা সংগঠন অসহায়দের সহায়তা করে, যা সামাজিক নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।এলাকাবাসীরা অপরিচিত কাউকে সন্দেহজনক মনে করলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ও প্রশাসনের সহায়তা নেন। এই এলাকার সকলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে। রাজশাহী কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি হওয়ায়, এলাকাটি শিক্ষিত ও সচেতন জনগণের আবাসস্থল হিসাবে ইতি মধ্যে পরিচিতি লাভ করে।অনেক এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখেন। আশেপাশের পরিবেশ এর উন্নয়নকল্পে নিয়মিত ময়লা অপসারণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও দেখা যায়।পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বইপড়া প্রতিযোগিতা, স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবস পালন করা হয়, যা সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে। এছাড়া তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য এই এলাকার সকলকে উৎসাহিত করা হয়।নারী এবং শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার করা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু রাখা হয়েছে।পদ্মা নদীর পাড় এবং পদ্মা গার্ডেন এর কাছাকাছি হওয়ায় এইখানে প্রতিদিন বাইরের অনেক পর্যটক এর আনাগোনা হয়ে থাকে, একারনে এই এলাকার সকলকে অধিক সচেতন থাকতে হয় যেকোন প্রকারের অপ্রীতিকর অবস্থা এড়াতে।
বাজার ও কেনাকাটারসুবিধা
কুমারপাড়া একেবারেই রাজশাহী সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট এর সংলগ্ন হওয়ার কারনে রাজশাহী শহরের আধুনিক জীবনের সকল রকম সুবিধা খুব সহজেই এইখানে পাওয়া যায়। রাজশাহী শহরের সকল বড় দোকান ও মার্কেট গুলা এই কুমারপাড়ারকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে । পাশেই রয়েছে রাজশাহী আরডিএ মার্কেট যা রাজশাহী শহরের সব থেকে বড় নিত্যদিনের প্রয়োজনের মার্কেট যেখানে দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় প্রায় সকল কিছু পাওয়া যায় এছাড়া কুমারপাড়া মোড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ব্র্যান্ডশপ আড়ং এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ড লারিভ এবং টুয়েল্ভ এর ও দেখা মেলে একে বারে কুমারপাড়া মোড়ের ওপরেই। গণকপাড়া ও সাহেববাজার এলাকায় এমন অনেক দোকান রয়েছে বিশেষ করে ঈদ এবং উৎসবকালে জমজমাট হয়ে ওঠে। আরডিএ মার্কেটের পাশেই রয়েছে রাজশাহীর সর্ব বৃহৎ কাচা বাজার যেখানে রাজশাহীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতি দিন টাটকা সবজি ভোর বেলায় নিয়ে আসা হয় । আসলে বলতে গেলে এই এলাকা রাজশাহীর প্রান কেন্দ্রর একদম পাশে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সব কিছু এইখানে অতি সহজে পাওয়া সম্ভব। এইখানকার ঔষধের দোকান গুলো গভীর রাত অব্দি খোলা থাকে এবং প্রায় সব ধরনের ওষধ পাওয়া যায় । ইলেকট্রনিক্স ও ঘরোয়া যন্ত্রপাতি কেনাকাটার জন্য কুমারপাড়া অনেক আগে থেকেই সুপরিচিত। বেশ কিছু অলঙ্কার, পাম্প ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি পাওয়া যায় এই কুমার পাড়া মোড়ে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
সন্তানদের সুশিক্ষিত করার জন্য অনেক অভিভাবক স্বপরিবার এ কুমারপাড়া এলাকায় বসবাস শুরু করেছে কারন এটি এমন একটি এলাকা যেখান থেকে প্রায় রাজশাহীর অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যথেষ্ঠ কাছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর কারনে ও কুমারপাড়ায় ফ্ল্যাটের চাহিদা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। এই এলাকা থেকে পায়ে হাটা দূরত্বে রয়েছে রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহী পি এন গার্লস স্কুল এবং মুন্নুজান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এই কুমারপাড়াতেই অবস্থিত। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই এলাকার কাছাকাছি হওয়ার কারনে খুব অল্প সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া সম্ভব। এছাড়া বিভিন্ন প্রাইভেট ও কোচিং সেন্টার রয়েছে এই এলাকায় এবং এই এলাকাকে ঘিরেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
পার্ক/মাঠ ও বিনোদন
কুমারপাড়ায় যারা বসবাস করেন তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা পদ্মা নদীর পাড়। এখানে নির্মল বাতাস এবং বিকেলে এর পাড়ে হাটাহাটির সুবিধা। এখানে রাজশাহী বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেড়ানোর জন্য প্রতিনিয়ত মানুষ আসে এক কথায় বলতে গেলে রাজশাহীতে যারা বেড়াতে আসে তারা এক বার হলেও পদ্মা নদীর পাড় ঘুরে দেখে যায়।।কুমারপাড়ায় বিনোদন এর সব থেকে বড় মাধ্যম হল পদ্মা গার্ডেন নদীর নির্মল বাতাস অবসর সময়ে সকল বয়স এর মানুষ এইখানে সময় কাটায়। কুমারপাড়া থেকে ১০ মিনিটের দূরত্বে রয়েছে রাজশাহী জাতীয় শিশুপার্ক। কুমারপাড়া এলাকায় একাধিক খেলার মাঠের দেখা মিলে মুন্নুজান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর মাঠ বড়কুঠির সামনের সুবিশালখেলার মাঠ কুমারপাড়া লাগোয়া রাজশাহী কলেজের মাঠ। এই এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন বয়সের মানুষদের প্রতিদিন বিকেলে এই সকল মাঠে খেলাধুলা করতে দেখা যায়। এছাড়া দিবারাএী বিভিন্ন টুর্নামেন্ট সকল মাঠে অনেক দিন যাবত হয়ে আসছে। বিশেষ করে শীতকালে পদ্মা নদীর চরে বন্ধু বান্ধব নিয়ে বিভিন্ন খেলা্র আয়োজন করে এবং সেখানে পিকনিকও করে থাকে আরও পরিষ্কার করে বলতে গেলে পদ্মার চর এবং পদ্মারপাড় এই এলাকায় বসবাসরত মানুষ নিজের বাড়ির আংগিনার মত ব্যাবহার করে থাকে। কুমারপাড়ার বসবাসরত সকলের জন্য এ এক বাড়তি সুবিধা এবং তাদের জন্য পদ্মার পাড় সুস্থ বিনোদন এর মধ্যে অন্যতম। এই সকল বিষয় মাথায় রেখে বিভিন্ন ডেভেলপার কোম্পানী প্রতিনিয়ত নতুন নতুন আবাসিক ভবন এর ভিত্তি প্রস্তর উন্মোচন করছে। একথায় বলতে গেলে কোম্পানী গুলোর পছন্দের তালিকার শীর্ষে অন্যতম একটি এলাকা এখন কুমারপাড়া ।
জরুরী সেবা
কুমারপাড়ার অবস্থানগত দিক দিয়ে এই এলাকায় জরুরী সেবা নিশ্চিত করা খুবই সহজ। কুমারপাড়া থেকে থানা পায়ে হাটা দূরত্বে। জরুরী যে কোন প্রয়োজনে খুব কম সময়ের মধ্যে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন সম্ভব। এই মহল্লায় সার্বক্ষনিক একাধিক পুলিশি টিম টহল থাকে এবং সামাজিক নিরাপত্তা দেয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে এবং আইনগত যেকোন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিয়ে থাকে । কুমারপাড়া থেকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এর দূরত্ব মাত্র ১ কিঃ মিঃ এর কারনে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে বড় যে কোন বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কুমারপাড়া থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দূরত্ব মাত্র ২ কিঃমিঃ অথবা তার থেকেও কম। যে কোন প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় যাওয়া সম্ভব যে বিষয়টি সর্বচ্চো গুরুত্বপূর্ন।
যোগাযোগ ব্যাবস্থা
কুমারপাড়া থেকে রাজশাহী বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও শাহমখদুম বিমানবন্দর সহজেই পৌঁছানো যায় যা দূরপাল্লার যাতায়াতকে ঝামেলামুক্ত করে। মূলত এখান থেকে এয়ারপোর্ট এর দূরত্ব ১০ কিঃমিঃ কিন্তু সম্পুর্ন রাস্তা আধুনিক হওয়ায় ১২ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছানো সম্ভব। এখান থেকে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন এর দূরত্ব মাত্র ২ কিঃমিঃ যা অতি দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব। কুমারপাড়া এলাকা থেকে রাজশাহীর যে কোন প্রান্তে সার্বক্ষনিক যাতায়াত ব্যাবস্থা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নাই।
বিনিয়োগের সুযোগ
কুমারপাড়া মহল্লাটি সুন্দরভাবে পরিকল্পিত এবং পরিচ্ছন্ন বর্তমানে তবে এই এলাকা এক সময় এত সুশৃন্খল ছিলনা এক সময় রাজশাহীর মধ্যবিত্ত শ্রেনীর বসবাস ছিল এই এলাকায়। শহরের কেন্দ্র থেকে মাত্র ১ কিমি দূরত্বে হওয়ায় যাতায়াত ও শহরের সাথে সংযোগ খুবই সহজ একারনে এই এলাকায় ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ খুবই অসাধারন হতে পারে । এই বিষয় গুলো মাথায় রেখে বিভিন্নকোম্পানী এই এলাকায় বিনিয়োগ করে এক বিশাল সাফ্যল্যের মুখ দেখেছেন যা দারুনভাবে চলমান রয়েছে। এই খাতে নিশ্চিন্ত এবং পরে সুন্দর একটি রির্টানের আশা রাখা যায়।
ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন
রাজশাহীর কুমারপাড়া এক নতুন বসবাস এর জন্য আদর্শ এলাকা এই এলাকার রেডি ফ্ল্যাটের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলছে ভবিষ্যতে ফ্ল্যাটের মূল্য ও ভাড়ার চাহিদা আরও বাড়বে যা বিনিয়োগের জন্য আদর্শ। এই এলাকা সংলগ্ন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সাহেববাজার এর খুব কাছাকাছি হওয়ায় এই এলাকাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এই এলাকার রাস্তা এই এলাকার সাথে শহরের যে কোন অংশের দূরত্ব একে বারেই কমিয়ে এনেছে ।
রাজশাহী কুমারপাড়া একটি আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক বসবাসের স্থান। উন্নত অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সব সুবিধা একসাথে পাওয়ার জন্য এখানে ফ্ল্যাট কেনা শুধু আপনার পরিবারের জন্য সুখময় জীবন নিশ্চিত করবে না, বরং এটি একটি লাভজনক বিনিয়োগও হবে।
সংক্ষেপে বললে-
• এলাকাটি শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত।
• এলাকার সকল দিকে প্রশস্ত রাস্তা ও সার্বক্ষনিক যাতায়াতের সুবিধা।
• একেবারেই হাতের নাগালে জরুরী সেবা (হাসপাতাল/ফায়ার/পুলিশ)
• এলাকা সংলগ্ন একাধিক বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
• এলাকা সংলগ্ন একাধিক খেলার মাঠ।
• এলাকায় সিসিটিভি থাকায় নিরাপওা ব্যাবস্থা যথেষ্ঠ সুন্দর।
• এখানে বড় বড় ব্রান্ড শপ ও একধিক সুপার শপ এর দেখা মেলে।
হাঁটতে হাঁটতে যদি পথ হারিয়ে ফেলেন তবে নিজেকে অবশ্যই দোষ দিবেন না । নিরিবিলি, কোলাহল মুক্ত, শান্ত, অগনিত রাস্তা নিয়ে গড়ে ওঠা রাজশাহী উপশহর হাউজিং এস্টেট এর কথা বলছি। সকালে হাঁটতে গিয়ে ঝিরিঝিরি বাতাস, অগনিত গাছগাছালী. নাম না জানা পাখির কলতান আর এক অদ্ভুত নীরবতা আপনাকে মুগ্ধ করে ছাড়বে ।
এরিয়া পরিচিতি
তিনটি সেক্টরে বিভক্ত উপশহরে প্রতিটি সেক্টরে কমবেশি ৬০০ টি করে প্লট আছে । যেখানে প্রতিটি প্লটের প্রস্থ ২৫ ফুট ও দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট। জমির পরিমাণ পৌনে ২ কাঠার মতো, তাছাড়া কিছু প্লট আছে যেগুলি আকারে অনেক বড় এবং প্লটগুলি উওর দক্ষিণ মুখি ।প্রতিটি প্লটের সামনে দিয়ে আছে প্রশস্ত রাস্তা । যারা নিরিবিলি পরিবেশে বসবাস বা সন্তান প্রতিপালন করতে চান তাদের জন্য উপশহর অবশ্যই আদর্শ একটি আবাসিক জায়গা।আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে , রাজশাহী হাউজিং.কম কেন রাজশাহী উপশহরকে বসবাসের জন্য একটি আদর্শ জায়গা বলছে? বা আপনিই বা কিভাবে বুঝবেন, কোন এলাকা বসবাসের জন্য আদর্শ? কেবল মনের মত প্লট বা ফ্ল্যাট পেলেই যে বেছে নিতে হবে এমনটা নাও হতে পারে। কেবল সাধ্যের মধ্যে অ্যাপার্টমেন্ট পেলেই অনেকে কিনে ফেলেন বা ভাড়া নিয়ে নেন, কিন্তু কিছু দিন পর থেকে অনুভব করেন যে এই এলাকায় অন্যান্য সুযোগ সুবিধা তেমন নেই! অনেকে তো এলাকার সাথে মানিয়ে নিতেও পারে না। তখন হয়তো না মানিয়ে নেওয়া এলাকাতেই থেকে যেতে হয়। কোন এলাকায় বসবাসের সিদ্ধান্ত কোন সহজ বিষয় নয়। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যে এলাকায় যেতে চাচ্ছেন সে এলাকাকে নিবিড়ভাবে যাচাই বাছাই করতে হবে । কিন্তু কীভাবে করবেন সেটা ভাবছেন? ভাবনা নেই , আমরা আছি Rajshahi H• using.c• m । আজকে আলোচনা করবো, যে কয়েকটি বিষয় থাকলে বুঝবেন আপনার এলাকা বসবাসের জন্য সেরা । এবং এ কারণেই আমরা রাজশাহী উপশহরকে বসবাসের জন্য আদর্শ জায়গা বলেছি ।
কমিউনিটি বা লাইফস্টাইল অপরাধের পরিমাণ মানসম্মত স্কুল ও কলেজ আউটডোর অ্যাক্টিভিটি স্বাস্থ্যসেবা যোগাযোগ ব্যবস্থা কেনাকাটার সুবিধা পয়েন্টগুলি নিয়ে লিখতে হবে এবং এই পয়েন্ট গুলির ভিত্তিতে উপশহর কেন বসবাসের জন্য আদর্শ তা বর্ননা করতে হবে।
রাস্তা এবং ড্রেনেজ সিস্টেম
উপশহরের প্রায় সকল দিকে সুপ্রশস্ত এবং সুপরিকল্পিত রাস্তা দৃশ্যমান এছাড়া উপশহরের ভিতরে অসংখ্য রাস্তা দেখা য়ায় । প্রতিটি রাস্তা একে অপরের সাথে সংযুক্ত । রাস্তার সাথে ড্রেনেজ ব্যাবস্থা সম ভাবে গুরুত্বপূর্ন এই খানে বড় রকমের ড্রেন দেখা য়ায় অতি বৃষ্টিতে খুব কম সময়ের মধ্যে পানি নিস্কাসনের সুব্যাবস্থা রয়েছে। যদি কখন ও বড় ড্রেন গুলা ময়লার কারনে বন্ধ হয়ে যায় তখন কিছুটা জলাবদ্ধতা লক্ষ করা য়ায় তাও আবার কিছুটা সময়ের জন্য।
সামাজিক নিরাপওা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ
লাইফস্টাইল এবং কমিউনিটি অনেকেই এই বিষয়টি শুরুর দিকে এড়িয়ে যায়। তবে যখন এলাকায় বসবাস শুরু করে তখন এই বিষয়টির সাথে দেখা দেয় অমিল। দেখা যায় আপনার আশেপাশের এলাকাগুলো হয়তো আপনার চাহিদামত হয়নি বা আপনি যেমনটা পছন্দ করেন তেমনটি পাননি।
বেশি লোকালয়, বাসার ঠিক কাছেই দোকানপাঠ, বাসার নিচেই হয়তো বসে যায় বাজার কিংবা বাসার পাশেই এলাকার মানুষের রাতজাগা আড্ডা এই সমস্ত বিষয়গুলো বসবাসের জন্য বেশ বিরক্তিকর। রাজশাহী উপশহর এমন একটা হাউজিং এলাকা যেখানে উপ্রের সবগুলি ঝামেলা থেকে আপনি মুক্ত থাকবেন ।যারা নিরিবিলি থাকতে ভালোবাসে তাদের জন্য উপশহর একটা আদর্শ জায়গা । লাইফ স্টাইলের পাশাপাশি আর একটি বিষয় বেশ গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে কমিউনিটি অর্থাৎ সামাজিকতা কেমন।
রাজশাহী শহরের অনেক জায়গায় , অনেক বলা ঠিক হলো না বলা উচিত অধিকাংশ জায়গায় আপনি দেখবেন রাস্তার দুইপাশে সুউচ্চ বিল্ডিং কিন্তু এর পেছনেই রয়েছে নিম্ন আয়, নিম্ন শিক্ষার মানুষের ঘন বসতি। পরিষ্কার করে বলতে গেলে অনেকটা বস্তির মত। সারাদিন অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ এবং এর পাশাপাশি জন্মদিন, মুসলমানি , মেয়ের কান ফোরানো , বিয়ে বা গায়ে হলুদ এর মতো অনুষ্ঠানগুলিতে উচ্চ ভলিউমে গান আপনার রাতের ঘুম আর দিনের শান্তি নতসাত করে দিবে ।উপশহর এদিক থেকে বলতে গেলে একেবারেই আলাদা। এখানে আপনি এই ধরনের কোন আয়োজন প্রায় দেখতেই পাবেন না। অপেক্ষাকৃত বিত্ত্বশালী মানুষ এখানে বসবাস করায় এধরনের অনুষ্ঠানগুলি সাধারণত কমিউনিটি সেন্টারে হয়ে থাকে এর পাশাপাশি শিক্ষিত প্রতিবেশী শান্তিতে বসবাস করার ক্ষেত্রে আপনাকে অনেকটাই এগিয়ে রাখবে। আপনি কাউকে বিরক্ত না করলে কেউ আপনাকে বিরক্ত করতে আসবে না ।
অপরাধের পরিমাণ পরিবার ও নিজের নিরাপত্তা সবার কাছেই প্রধান বিষয়। যেকোন নতুন এলাকায় বসবাসের সিধান্ত নেয়ার আগে আপনাকে অবশ্যই নিরাপত্তার বিয়য়ে খোঁজ নিতে হবে। বিশেষ করে এলাকায় চুরি ডাকাতি বা অন্যান্য অপরাধ কি রকম হয় বা এগুলো রোধ করার জন্য এলাকায় কেমন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন সে সম্বন্ধেও জানতে হবে। যে এলাকায় চুরি ডাকাতি হবে তাহলে সে এলাকায় নিজের বা পরিবারের জান মালের কোন নিরাপত্তা নেই এতে কোন সন্দেহ নেই। এমনিতেই রাজশাহী শহর কম অপরাধ প্রবণ । তারপরেও কোন এলাকা অপরাধ প্রবণ হবার ক্ষেত্রে সেই এলাকার অভ্যন্তরীন জনগোষ্ঠীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগসাজশ থাকে । যেহেতু শিক্ষিত, অপেক্ষাকৃত ধনী পরিবার বসবাস করে, যাদের বেশিরভাগই সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ বসবাস করেন তাই অভ্যান্তরিন জনগোষ্ঠীর সহায়তায় বাইরের অপরাধীদের অনুপ্রবেশ এখানে নাই। তাই অপরাধের প্রবণতাও এখানে কম ।
মনে রাখবেন পৃথিবীতে এমন কোন জায়গা নাই যেখানে আপনাকে পরিপূর্ণ এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিবে । ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়গুলির দিকে খেয়াল রাখলে নিসন্দেহে বলা যায় রাজশাহী শহরের অন্য যেকোন জায়গার তুলনায় উপশহর অনেক নিরাপদ। উপশহরের ঠিক মাঝখানে পুলিশ ফাড়ি আপনাকে বাড়তি নিরাপত্তা দিবে ।
বাজার ও কেনাকাটার সুবিধা
একইসাথে নিত্যদিনের প্রয়োজন এবং জীবনধারনের জন্যে উপশহর নিউমার্কেট নামে উক্ত এলাকায় বসবাসকারীদের আলাদা একটি কাচাবাজার অর্থাৎ খাদ্যপন্যের বাজার আছে। তাছাড়া আধুনিক সময়ে অত্যাধুনিক রেস্টুরেন্ট, কমিউনিটি সেন্টার, সুপারসসহ নাগরিক জীবনের যাবতীয় সুবিধা নিয়ে উপশহর এখন রাজশাহী শহরের ভেতর আরেকটি সাজানো শহর।
এছাড়া সরকারী প্রশাসনিক সকল অফিস আদালত উপশহর থেকে খুবই সামান্য দুরুত্বে।
উপশহর নিয়ে কথা বলতে গেলে অবশ্যই উপশহরের আশেপাশে থাকা এলাকাসমুহ এবং এই এলাকাসমুহের পরিবেশ নিয়ে সামান্য হলেও আপনার ধারনা থাকা উচিত। আপনি যদি বাস বা ট্রেনে করে রাজশাহীতে প্রবেশ করেন তাহলে আপনাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নগরভবনের মোট দিয়ে উপশহরে প্রবেশ করতে হবে যা দড়িখড়বোনা মহল্লার মধ্যে উক্ত মহল্লা উপশহরের দক্ষিনে অবস্থিত যেখানে অধিকাংশই স্থানীয় বাসিন্দাদের বাস আর রাজশাহীর স্থানীয় বাসিন্দাদের যে সুনাম তা উক্ত মহল্লার বাসিন্দাদের অনেক আগে থেকেই আছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
বিপরীতে যদি সন্তানদের পড়াশোনা নিয়ে কথা ওঠে তাইলে উক্ত এলাকায় সরকারী প্রাইমারী স্কুল থেকে প্রাইভেট কিন্ডারগার্টেন, আন্তর্জাতিক মানের মাদ্রাসা, মানসম্পন্ন হাই স্কুল, উচ্চশিক্ষার জন্যে সরকারী কলেজ আর উপশহর থেকে সামান্য ব্যবধানেই আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ এবং প্রস্তাবিত রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সাথে রাজশাহী কলেজসহ শিক্ষানগরীর যাবতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ আপনি চাইলেই আপনার সন্তানদের পড়শোনা শুরু থেকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়িতে থেকেই করাতে পারবেন।
পার্ক-মাঠ ও বিনোদন
উপশহরে একাধিক খেলার মাঠ দেখা যায় প্রতিদিন বিকালে বাচ্চারা এই মাঠে খেলাধুলায় মত্ত থাকে আর বড়রা বিকেলের ব্যায়ম এবং হাটাহাটি নিয়ে ব্যাস্ত থাকে । সকালে বিকেলের হাটাহাটির জন্য উপশহর সেরা ।এখান কার কর্মজীবী মানুষেরা সকালে অথবা বিকেলে উপশহর এলাকার ভেতরে হাটাহাটি করে এবং একে অপররের সাথে কুশল বনিময় করে থাকে।উপশহর এলাকায় বিভিন্ন ফুড কার্ট এর দেখা্ মেলে বিকেলে বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এই সকল ফুড কার্ডে ভিড় জমায় । বর্তমানে ফাস্ট ফুড কর্নার ও ফুড কার্ট বিনোদোন এক বিশেষ মাধ্যম এই এলাকার বসবাসরত মানুষের জন্য।
জরুরী সেবা
বোয়ালিয়া মডেল থানা উপশহর এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয়।উপশহর এলাকায় নিয়মিত পুলিশ টহল ও কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম চালু আছে।উপশহর এলাকা থেকে রাজশাহী ফায়ার স্টেশনের দূরত্ব খুবই কম সময়ের যে কোন সমস্যায় অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যাবস্থা গ্রহন সম্ভব । এছাড়া রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালও , উপশহর এর অত্যান্ত কাছে অবস্থিত হওয়ায় এখানে আধুনিক শহর জীবনের সকল রকমের সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান।উপশহরে শহর জীবনের সকল রকম সুবিধা পরিপূর্ন রূপে থাকার কারনে উপশহর এলাকায় ফ্লাট কেনার বিষয়ে অনেকের আগ্রহ লক্ষ্যনিয় ।
যোগাযোগ ব্যাবস্থা
রাজশাহী উপশহর থেকে রাজশাহী শহরের যে কোন স্থানে যাতায়াত অত্যান্ত সহজ। এখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ১০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। বাস ও রেল স্টেশন ৮-১০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত, রাজশাহী এয়ারপোর্ট ১২ থেকে ১৫ মিনিটের দূরত্বে। উপশহর থেকে রাজশাহী শহরের যেকোন স্থানের দূরত্ব অনেকটাই কম ।
বিনিয়োগের সুযোগ
উপশহরে ফ্লাট কেনার মাধ্যমে নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থিতিশীল সম্পদ তৈরি করা সম্ভব।উপশহর এলাকা রাজশাহী শহরের কেন্দ্রে হওয়ায় এই এলাকায় বাসা বেশী, ভাড়ার মাধ্যমে নিয়মিত আয় নিশ্চিত করা সম্ভব এবং ভবিষ্যতে ফ্লাট এর মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে লাভবান হওয়া সম্ভব।
সংক্ষেপে বললে-
• এলাকাটি শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত ।
•এলাকার বাইরে প্রশস্ত রাস্তা বিদ্যমান এবং এলাকার ভেতরে যথেষ্ট প্রশস্ত রাস্তা রয়েছে যা সার্বক্ষনিক যাতায়াতের জন্য যথেষ্ট ।
• একেবারেই হাতের নাগালে জরুরী সেবা(হাসপাতাল/ফায়ার/পুলিশ) ।
• এলাকা ভেতর প্রায় সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ।
• এলাকার ভেতরে একাধিক খেলার মাঠ রয়েছে ।
• উপশহর নিউমার্কেট কাচাবাজার ও বিভিন্ন সুপার শপ রয়েছে ।
• এলাকায় সিসিটিভি থাকায় নিরাপওা ব্যাবস্থা যথেষ্ঠ সুন্দর।
উপশহরের চতুর্দিকেই যে এলাকা বা মহল্লাগুলি আছে তার সবই সুনাগরিক সমৃদ্ধ যার কারনে এখানে শান্তিতে বসবাস করতে চাওয়ার ইচ্ছাটা আপনার জীবনের সেরা সিদ্ধান্তগুলির একটি।
সবুজ নগরী রাজশাহীর অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা লক্ষীপুর। লক্ষীপুর ব্যস্ততম হবার অন্যতম কারন হলো রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। এবং এই হাসপাতালকে কেন্দ্র করে আশে পাশে গড়ে অসংখ্য হাসপাতাল/ক্লিনিক/ডায়াগনষ্টিক সেন্টারসহ অসংখ্য চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান। এই লক্ষীপুর এর পশ্চিম-দক্ষিন এলাকা জুড়েই গড়ে উঠেছে “কাজীহাটা”।কাজীহাটা যেন ব্যস্ত নগরীতে শান্ত এক দ্বীপ
এরিয়া পরিচিতি
কাজীহাটা রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি পরিচ্ছন্ন ও সুসংগঠিত আবাসিক এলাকা।।ভৌগোলিক দিক দিয়ে লক্ষীপুর দক্ষিন-পশ্চিমে কাজীহাটার অবস্থান এবং খ্রিস্টান মিশন হাসপাতাল এর উত্তর দিকে এবং এর পূর্বদিকে রয়েছে নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ ও সিএন্ডবি মোড় ও পশ্চিমে জেলা নির্বাচন অফিস, চন্ডিপুর এলাকা ও রাজপাড়া থানা। এ এলাকায় রাজশাহীর সর্ববৃহত আবাসিক হোটেল অবস্থিত হোটেল গ্রান্ড রিভার ভিউ হওয়ার কারনে বিদেশী পর্যটক এর অবাধ বিচরন এই এলাকায় । এই এলাকার সামাজিক নিরাপত্তার উপর প্রশাসনের এক বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
রাস্তা এবং ড্রেনেজ সিস্টেম
কাজীহাটার চারদিক দিয়ে সুন্দর রাস্তা বিদ্যমান । এর দক্ষিন ও পূর্ব পার্শে সুপ্রশস্থ চারলেন রাস্তা রয়েছে এবং উত্তর ও পশ্চিম দিকে দুই লেন এর চওড়া রাস্তা রয়েছে ও রাস্তা সংলগ্ন প্রশস্থ ড্রেনেজ ব্যাবস্থা দৃশ্যমান। এলাকার অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলো পাকা এবং পরিকল্পিত, যার ফলে যান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটে না। লক্ষীপুর মোড় থেকে সিএন্ডবি মোড়, সিএন্ডবি মোড় থেকে মিশন হাসপাতাল মোড়, মিশন হাসপাতাল মোড় থেকে ঝাউতলা মোড় এবং ঝাউতলা মোড় থেকে লক্ষীপুর মোড়। এই চারদিকের রাস্তা ঘিরেই মূলত কাজীহাটার মূল এলাকা দৃশ্যমান। কাজীহাটার ভেতরে আরও অনেক ছোট বড় বেশ কিছু রাস্তা রয়েছে যা এই এলাকে বিভিন্ন দিক দিয়ে সংযুক্ত করেছে। এই এলাকার চার পাশে বড় রকমের ড্রেন থাকলেও এলাকার ভেতরের ড্রেন গুলা তুলনা মূলক সংকীর্ণ যা অতি বৃষ্টিতে কিছুটা ভোগান্তির কারন হয়ে দাড়ায় ।
সামাজিক নিরাপওা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ
কাজীহাটার ঠিক পশ্চিম পাশে মেইন রাস্তা সংলগ্ন রাজপাড়া থানার অবস্থান যা কাজীহাটার একান্ত নিকটে অবস্থিত। এছাড়া এই এলাকায় অধিকা্ংশ ডাক্তার ও পেশাজীবী বসবাস এর কারনে সামাজিক নিরাপত্তার বিষয় এ অধিক গুরুত্বের সাথে দেখা হয় । এই এলাকায় সার্বক্ষনিক পুলিশি টহল লক্ষ করা য়ায় এখানে এলাকার নিরাপওার কথা বিবেচনা করে অনেকেই এই এলাকায় ফ্লাট কেনাতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। কাজীহাটা এলাকায় চিকিৎসার কারনে এবং পড়াশোনার কারনে বাইরে থেকে অনেক মানুষের আনাগোনা হ্ওয়ার এই এলাকায় সবসময় সামাজিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজমান। সিসিটিভি ক্যামেরা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতনতা মিলে গড়ে উঠেছে একটি নিরাপদ আবাসন পরিবেশ। এ সকল কারনে এই এলাকার ফ্লাট এর চাহিদা সব সময় বেশ বেশী দেখা য়ায়।
বাজার ও কেনাকাটার সুবিধা
কাজীহাটা একদম লক্ষীপুর সংলগ্ন হওয়ায় এইখানে অনেকটা সার্বক্ষনিক বাজার খোলা থাকে বলাই বাহুল্য। কাজীহাটার ঠিক উওর পার্শে লক্ষীপুর কাচাবাজার যেখানে সকল রকম টাটকা শাক সবজির এক বিশাল সমারোহ এছাড়া ও রাজশাহী সাহেব বাজার ঠিক ১০মিনিটের দূরত্বে হওয়ায় প্রয়োজনীয় যে কোন কিছু অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাওয়া সম্ভব ।এছাড়া কাজীহাটায় আধুনিক দোকান পাট দেখা যায় যা দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেএে যথার্থ । কাজীহাটা সংলগ্ন বেশ কিছু সুপার শপ এর দেখা মেলে এছাড়া ব্রান্ডশপ ও রয়েছে এ এলাকায়। রাজশাহী নিউ মার্কেট ও থিম ওমর প্লাজা ১০ মিনিটের দূরত্বে হওয়ার কারনে যেকোন প্রয়োজনে অতি দ্রুত যাওয়া সম্ভব। কাজীহাটাতে আধুনিক বাজার ব্যাবস্থার সকল সুবিধা বিদ্যমান সেটা বলাই বাহুল্য।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
কাজীহাটার ভেতরে বেশ কিছু স্কুল কলেজ বিদ্যমান এ এলাকায় মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখা যায়। এলাকার আশপাশে রয়েছে রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সহ বেশ কিছু নাম করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক এলাকা ।রাজশাহী মেডিকেল কলেজ কাজীহাটার যথেষ্ট কাছে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের এই এলাকার প্রতি এক অন্যরকম আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়।বাচ্চাদের সুশিক্ষিত করার জন্য অনেক অভিভাবক স্বপরিবার এ কাজীহাটায় বসবাস শুরু করেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর কারনে ও কাজীহাটায় ফ্লাট এর চাহিদা দিনে দিনে বড়েই চলেছে।
পার্ক-মাঠ ও বিনোদোন
বাচ্চা থেকে বয়স্ক—সবার বিনোদনের জন্য কাছাকাছি আছে শহীদ কামারুজ্জামান পার্ক, টেনিস কমপ্লেক্স, খেলার মাঠ এবং ক্লাব। প্রতিদিনের হাঁটাহাঁটি, খেলাধুলা বা পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর জন্য পদ্মা নদীর পাড় এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে যা কাজীহাটা সংলগ্ন । বর্তমানে বিনোদন এর আর এক মাধ্যম ফুড কার্ট কাজীহাটার বিভিন্ন জায়গার সুস্বাদু ফাস্ট ফুড এর বিভিন্ন দোকানের দেখা মেলে । সন্ধ্যার পরে ফাকা সময় কাটানোর জন্য বিভিন্ন ফুড কার্টে ভিড় লক্ষ্যনীয় । অবসর সময়ে বন্ধু বান্ধব নিয়ে ফুড কর্নারে খাওয়া দাওয়া ও গল্পের মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করা বিনোদন এর আর এক মাধ্যম।
জরুরী সেবা
কাজীহাটা এলাকাটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের খুব কাছেই এছাড়া ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ স্টেশনও রয়েছে নিকটে। যেকোনো জরুরী পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া পাওয়া যায়। রাজপাড়া থানা কাছে হওয়ায় এ এলাকায় সার্বক্ষনিক পুলিশি টহল লক্ষ করা যায়। এই এলাকায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ছাড়া ও আরও বেশ কিছু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান লক্ষ করা যায়।এছাড়া অধিকাংশ ডাক্তারদের বসবাস এই এলাকায় হওয়ায় জরুরী সেবায় তাদের সহায়তা পাওয়া সহজ হয়ে থাকে।
ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন
১০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান চলমান রয়েছে রয়েছে কাজীহাটায়। এর আওতায় নতুন আবাসিক ও পথ, ইলেকট্রিক ও পানি সাপ্লাই উন্নয়ন এবং সব যোগাযোগ লাইন মাটিতে সন্নিবেশ করার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত
যোগাযোগ ব্যাবস্থা
কাজীহাটা একটি মধ্যবর্তী ও কেন্দ্রীয় এলাকা হিসেবে গড়ে উঠছে। এটি রাজশাহী কলেজ, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, রেলওয়ে স্টেশন ও ব্যবসায়িক কেন্দ্রগুলির নিকটে অবস্থিত কাজীহাটা থেকে রাজশাহী রেল স্টেশন, ১০ থেকে ১২ মিনিট এর দূরত্ব। বাস টার্মিনাল এর দূরত্ব১০ থেকে ১২ ও রাজশাহী বিমানবন্দর থেকে কাজীহাটা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্ব। শহরের যেকোনো প্রান্তে যাতায়াত করা যায় খুব অল্প সময়ে, যা কর্মজীবী মানুষের জন্য খুবই সহায়ক। অনেকটা বলাই যায় এখান থেকে সব সময় যে কোন রকমের যানবহন সহজেই পাওয়া যায়।
বিনিয়োগের সুযোগ
কাজীহাটায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস, হাসপাতাল ও বাজার সংলগ্ন অবস্থানের কারণে ভাড়াটিয়াদের চাহিদা সবসময় বেশি। একটি ফ্ল্যাট কিনে ভাড়া দিয়ে প্রতিমাসে নিয়মিত ও স্থায়ী আয়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব।এই এলাকায় রাজশাহী কলেজ, মহিলা কলেজ, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর ফলে ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের জন্য এটি একটি আদর্শ আবাসিক এলাকা, যা বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।কাজীহাটা ধীরে ধীরে একটি “হাই-ডিমান্ড” আবাসিক এলাকায় পরিণত হচ্ছে। বর্তমানে ফ্ল্যাটের দাম তুলনামূলকভাবে সহনীয় হলেও আগামী ৫-১০ বছরে এর মূল্য বহুগুণে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, ফলে দীর্ঘমেয়াদে এটি লাভজনক একটি সম্পদে রূপ নিতে পারে।পাকা রাস্তা, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সংযোগ, ইন্টারনেটসহ আধুনিক নাগরিক সুবিধাগুলো এখানে সহজলভ্য – যা একটি ফ্ল্যাটের বাজারমূল্য ও ভাড়ার হার উভয়ই বাড়িয়ে তোলে।
সংক্ষেপে বললে-
• এলাকাটি শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত
• এলাকার দুই দিকে সুপ্রশস্ত ৪ লেনের রাস্তা ও সার্বক্ষনিক যাতায়াতের সুবিধা
• একেবারেই হাতের নাগালে জরুরী সেবা(হাসপাতাল/ফায়ার/পুলিশ)
• এলাকা সংলগ্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
• এলাকা সংলগ্ন একাধিক মাঠ ও পদ্মানদীর পাড়
• দুটি বড় কাচাবাজার ও শপিংমল
• এলাকায় সিসিটিভি থাকায় নিরাপওা ব্যাবস্থা যথেষ্ঠ সুন্দর।
রাজশাহী কাজীহাটা শুধু বসবাসের জন্য নয়, বরং একটি নিরাপদ, সুবিধাজনক ও ভবিষ্যৎমুখী বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবেও আদর্শ। তাই যারা একটি সুন্দর, নিরাপদ এবং সুসংগঠিত পরিবেশে বসবাস করতে চান, তাঁদের জন্য কাজীহাটা হতে পারে চূড়ান্ত ঠিকানা।কাজীহাটার এমন পরিবর্তন শুধু নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি রাজশাহী শহরের অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও সামাজিক উন্নয়নের একটি চিত্র।
১৮২৫ খ্রিষ্টাব্দে রামপুর বোয়ালিয়াতে প্রথম জেলখানা স্থাপিত হয়, জেলখানার কর্মকর্তা, কর্মচারী, কারারক্ষী অর্থাৎ সিপাহীদের পরিবার পরিজন এর বসবাস এর জন্য জেলখানার উত্তর পাশ্বে অস্থায়ী কলোনী নির্মান করে দিয়েছিল সরকার, তাদের নামেই নাম করন করা হয়েছিল সিপাইপাড়া,যা পূর্বে "সৈনিকপাড়া" নামেও পরিচিত ছিল। বর্তমানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এর ৮ নং ওয়ার্ড এর অন্তরভূক্ত ভৌগোলিক দিক দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল এর দক্ষিন পাশে এবং রাজশাহী জেল খানার উত্তর পাশে সিপাইপাড়ার অবস্থান। বর্তমানে এটি একটি আবাসিক এলাকা, যেখানে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সাথে স্থানীয় বাসিন্দাদের বসবাস রয়েছে।
এরিয়া পরিচিতি
সিপাইপাড়া রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত, যা বসবাস এবং দৈনন্দিন কাজকর্মের জন্য খুবই সুবিধাজনক। এখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বাজার, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় স্থান খুব সহজে যাওয়া যায়।রাজশাহীর সিপাইপাড়ার অবস্থান এই এলাকাকে রাজশাহী অন্য যে কোন স্থান এর থেকে নিজেকে কিছুটা এগিয়ে রাখে । পরিবেশ শান্ত ও কোলাহলমুক্ত, যা একটি আরামদায়ক জীবনযাপনের জন্য উপযুক্ত । ২০১০-এর পর থেকে রাজশাহী শহরে উচ্চতর আবাসন ও ফ্ল্যাট নির্মাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ থেকে ২২ তলা পর্যন্ত নতুন বহুতল ভবন নির্মাণ হয়েছে, এছাড়া নানান আবাসনিক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে, মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য উপযোগী মূল্য এবং মান বজায় রেখে ফ্ল্যাটের চাহিদা বাড়ছে।
রাস্তা এবং ড্রেনেজ সিস্টেম
সিপাইপাড়ার এলাকার তিন দিক দিয়ে প্রসস্ত রাস্তা বিদ্যমান ।এর উত্তর দিকে ঘোষপাড়া থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এর সামনে দিয়ে লক্ষীপুর পর্যন্ত সুপ্রস্থ চার লেন রাস্তা বিদ্যমান। সিপাইপাড়ার দক্ষিনেও চার লেন রাস্তা বিদ্যমান যা ঘোষ পাড়া হতে ফায়ার সার্ভিস এবং ফায়ার সার্ভিস হতে সিএন্ডবি পর্যন্ত বিস্তৃত। এছাড়া রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এর সামনে দিয়ে সিপাইপাড়ার ভেতর দিয়ে ১২ ফিট এর রাস্তা জেলখানার সামনে দিয়ে বের হয়েছে। চারিদিকে প্রশস্ত রাস্তা থাকার কারনে এখানে খুব একটা বেশী যানজট এর দেখা মিলে না । পাশাপাশি রয়েছে আধুনকি ড্রেনেজ সিস্টেম এই এলাকায় সাধারনত জলাবদ্ধতা লক্ষ করা যায়না। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে এই এলাকার চারিদিকে বড় ড্রেন থাকার কারনে পানি জমে থাকেনা । এলাকার ভিতরে কিছু পুরোনো এবং ছোট ড্রেন থাকার কারনে কিছু যায়গায় পানি নিস্কাসনে কিছুটা সময় লেগে থাকে ,তবে এই সমস্যা এলাকার সব জায়গায় নয়।
সামাজিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ
সিপাইপাড়া এর পাশে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হত্তয়ার কারনে প্রতিদিন এই অত্র এলাকায় চিকিৎসার জন্য রাজশাহীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক মানুষ আসে এবং এদের অনেকেই অত্র এলাকায় কিছুদিন থাকার মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে এর জন্য অত্র এলাকায় বাড়ি বা ফ্ল্যাট এর চাহিদা বেশি। সিপাই পাড়া রাজশাহী শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান হওয়ার কারণে এই জায়গার সামাজিক নিরাপত্তার দিকেও প্রশাসনের যথেষ্ট খেয়াল আছে সামাজিকভাবে এই এলাকা এখনো যথেষ্ট নিরাপদ হিসাবেই দেখা হয়। যার কারনে সকলের মধ্যে এই এলাকায় ফ্ল্যাট কেনার আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়।এলাকাটি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও সামাজিকভাবে স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ । পারিবারিক পরিবেশ, প্রতিবেশীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং কম জনসংখ্যার চাপ – সব মিলিয়ে এক আদর্শ আবাসন এলাকা।এলাকাটি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও সামাজিকভাবে স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ।
বাজার ও কেনাকাটার সুবিধা
সিপাইপাড়া থেকে, রাজশাহীর অনেক গুরুত্বপূর্ন স্থান যথেষ্ট কাছে অবস্থিত কাচা বাজার এর জন্য এখান থেকে রাজশাহী সাহেব বাজার , লক্ষ্মীপুর কাচাবাজার যথেষ্ট কাছে। এখানে বিভিন্ন ধরনের বাজার ও দোকান রয়েছে, যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থেকে শুরু করে সকল ধরনের জিনিস পাওয়া যায়। এছাড়াও, এখানে শপিংমল ও সুপারশপও রয়েছে, যা কেনাকাটার জন্য একটি আধুনিক পরিবেশ দেয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
সিপাইপাড়ার আশে পাশে বেশ কিছু ভালো মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেমন_
গভঃ ল্যাবরেটরী হাই স্কুল, নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, এমন কি রাজশাহী কলেজ এর দূরত্ব এখান থেকে ৫ মিনিটের হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পায়ে হাটা দূরত্বে ,রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ঠিক সিপাইপাড়ার উত্তর পাশে ফলে, এখানকার বাসিন্দারা তাদের সন্তানদের ভালো শিক্ষা দিতে পারেন।বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই এলাকার খুব কাছাকাছি হওয়ার কারণে অভিভাবকগণের এই এলাকায় ফ্ল্যাট কেনা এবং বসবাসের এক বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।
পার্ক-মাঠ ও বিনোদন
সিপাইপাড়া হতে ১০ মিনিট এর দূরত্বে রাজশাহী কন্দ্রেীয় পার্ক অবস্থিত যা বাচ্চাদের খুব পছন্দের। এছাড়াও সিপাইপাড়া এর দক্ষিনে হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এর মাঠ যা খেলাধুলার জন্য খুব সুন্দর পরিবেশ। এছাড়াও সাত মিনিটের দূরত্বে রাজশাহী কলেজের খেলার মাঠ অবস্থিত এখানে প্রতিদিন রাজশাহীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাচ্চারা এবং বড়রা খেলাধুলার জন্য আসে অনেকে মানুষ বিকালে বা সকালে হাটাহাটির জন্য রাজশাহী কলেজ বেছে নেয় এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজর মাঠ অন্যতম প্রিয় খেলাধুলার স্থান হিসাব বিবেচিত হয় আশেপাশে সবাই বিকেলে ফুটবল অথবা ক্রিকেট খেলায় মত্ত থাকে। সিপাই পাড়ার দক্ষিণ পাশে পদ্মা নদী অবস্থিত নদীর তীরবর্তী এলাকায় হাটাহাটি মানুষের প্রথম পছন্দের তালিকায় এবং অত্র এলাকার পরিবেশে মনোমুগ্ধকর এবং নিরাপদ।
জরুরী সেবা
সিপাইপাড়ায় সার্বক্ষনিক যে কোন রকমের জুরুরী সেবার নিশ্চয়তা রয়েছে এখানে সার্বক্ষনিক পুলিশি টহল বিদ্যমান, এছাড়া পেট্রল ডিউটিতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকে, এই এলাকা রাজপাড়া থানার খুব কাছাকাছি হওয়ার কারনে আইনগত যে কোন সমস্যার সমাধান অতি দ্রুত সম্ভব। সিপাইপাড়ার অতি নিকটে ফায়ার সার্ভিস হ্ওয়ার কারনে যে কোন খারাপ পরিস্থিতে খুব কম সময়ে এর মোকাবেলা করা সম্ভব। ফায়ার সার্ভিস এই এলাকার জন্য এক বিশেষ আশীর্বাদ । সিপাইপাড়ার ঠিক উত্তর দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,যা রাজশাহীর সর্বচ্চ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে পুরো রাজশাহী বাসীর এছাড়া রাজশাহী ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন জেনারেল হাসপাতাল রাজশাহী জেলায় একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠান। চিকিৎসা খাতে খ্রিস্টান মিশন হাসপাতাল এক বিশেষ ভূমিকা রাখে আসছে এবং বেশ কিছু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে যা এই এলাকার চিকিৎসা ব্যাবস্থাকে আরও উন্নত করেছে।
ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন
সিপাইপাড়া এলাকায় আধুনিক রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নতুন ফ্ল্যাট কমপ্লেক্স নির্মিত হচ্ছে।রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (RCC)-এর অধীনে এই এলাকা ইতিমধ্যে উন্নয়নের ধারায় যুক্ত হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যাবস্থা
সিপাইপাড়া রাজশাহীর যে কোন প্রান্তের যোগাযোগ ব্যবস্থা অসাধারন এই এলাকার রাস্তা প্রশস্ত এবং এখানে বলাই বাহুল্য ২৪ ঘন্টা যে কোন যানবাহন পাওয়া যায় রিক্সা অটো সব সময় পাওয়া যায় এবং এইখান থেকে এয়ারপোর্ট এর দূরত্ব পনেরো থেকে আঠারো মিনিট, সিপাহীপাড়া হতে রেল স্টেশনের দূরত্ব ১২ মিনিটের, বাসস্ট্যান্ডের দূরত্ব একই রকমের। অত্র এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার কোন সমস্যা কখনোই পরিলক্ষিত হয়নি যে কারণে এই এলাকায় ফ্ল্যাটের চাহিদা সব সময় বেশি থাকে। এলাকায় বসবাসের নাগরিক সুবিধার সকল সুবিধাগুলোই দেখা যায়।
বিনিয়োগের সুযোগ
আবাসন প্রকল্পের কারণে সিপাইপাড়া বর্তমানে একটি আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে এবং এখানে ফ্ল্যাট কেনা ভবিষ্যতে একটি ভালো বিনিয়োগ হতে পারে। কিছু বিশেষ দিক মাথায় রেখে রাজশাহীর সিপাইপাড়াতে কেন ফ্লাট এ বিনিয়োগ সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে সে বিষেয়ে কিছু কারন খুজে দেখা যাকঃ
সংক্ষেপে বললে-
• এলাকাটি শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত
• সকলদিকে সুপ্রশস্ত ৪ লেনের রাস্তা ও সার্বক্ষনিক যাতায়াতের সুবিধা
• একেবারেই হাতের নাগালে জরুরী সেবা(হাসপাতাল/ফায়ারসার্ভিস/থানা)
• এলাকা সংলগ্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
• এলাকা সংলগ্ন একাধিক মাঠ ও পদ্মানদীর পাড়
• দুটি বড় কাচাবাজার ও শপিংমল
• এলাকার ভেতরের বাড়ি গুলা অধিকাংশ দ্বিত্বল হ্ওয়ার কারনে ফ্লাট গুলোতে পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সুবিধা রয়েছে।
সিপাইপাড়া একটি উন্নয়নশীল, সুশৃঙ্খল ও বাসযোগ্য আবাসিক এলাকা, যেখানে বিনিয়োগ করে ফ্ল্যাট কেনা আপনার এবং পরিবারের জন্য দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক ও ভবিষ্যতে ভাল রিটার্ন পাবার সুনিশ্চিত সুযোগ হতে পারে।
নিজস্ব একটি ফ্ল্যাট শুধু একটি স্থায়ী ঠিকানা নয়, বরং এটি নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও ভবিষ্যতের নিশ্চয়তার প্রতীক। রাজশাহী পদ্মা আবাসিক এলাকা(ভদ্রা আবাসিক নামেও পরিচিত) শহরের অন্যতম পরিকল্পিত ও আধুনিক এলাকা, যেখানে আরামদায়ক জীবন যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।
এরিয়া পরিচিতি
রাজশাহী পদ্মা আবাসিক প্রকল্পটি শহরের কেন্দ্র থেকে সহজে যাতায়াত যোগ্য এবং শান্ত, নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থিত। প্রকল্পের নকশা এমন ভাবে করা হয়েছে যাতে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা, সবুজ গাছপালা এবং পরিষ্কার বাতাস নিশ্চিত হয়। পদ্মা আবাসিক এর অবস্থান রাজশাহী শহরের পূর্বদিকে, এই এলাকার অবস্থান এক সুবিশাল এলাকা নিয়ে। এর উত্তর দিকে রয়েছে বারিন্দ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও প্যারামাউন্ট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এর দক্ষিনে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত । পদ্মা আবাসিক এলাকা রাজশাহীর প্রথমদিকের একটি আবাসিক এলাকা, রাজশাহীবিশ্ববিদ্যালয় এর কাছে এর অবস্থান হওয়ায় এই এলাকার ফ্লাট এর গুরুত্ব অপরিসীম । এই এলাকায় আধুনিক জীবন এর সকল রকম সুবিধা খুব সহজেই পাওয়া সম্ভব।
রাস্তা এবং ড্রেনেজ সিস্টেম
এখানে প্রশস্ত ও সুপরিকল্পিত রাস্তা রয়েছে যা যানজট মুক্ত চলাচল নিশ্চিত করে। এই অঞ্চল এ প্রায় সকল রাস্তা প্রসস্ত এবং সুপরিকল্পিত এ সকল রাস্তায় যানজট এর দেখা মেলেনা বললেই চলে ।রাজশাহী পদ্মা আবাসিক এর সকল দিকে একাধিক প্রসস্ত রাস্তা দৃশ্যমান। এই এলাকায় সকলের সুবিধার্থে ফ্লাই ওভার ও নির্মান করা হয়েছে।
আধুনিক ড্রেনেজ সিস্টেমের কারণে বর্ষাকালেও পানি জমেনা যা রাজশাহীর অন্যান্য অনেক এলাকায় এখনো চ্যালেঞ্জ। এই আবাসিক এলাকার ড্রেনেজ সিস্টেম অনেক সুন্দর এইদিকে কখন ও পানি জমে থাকতে দেখা যায়না, বড় রাস্তার পাশে বড় ছোট উভয় রকমের ড্রেন লক্ষনীয় । এই সকল ড্রেন নিয়মিত পরিস্কার ও তত্বাবধন এ রয়েছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ।
সামাজিক নিরাপওা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ
পদ্মা আবাসিকে রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা, সিকিউরিটি গার্ড এবং গেটেড কমিউনিটি সিস্টেম, যা পরিবার ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এই এলাকাটি খুবই শান্ত এবং সবুজে ঘেরা । এ এলাকায় বসবাসরত মানুষ সকলেই নিজের মত করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে যাচ্ছেন ।এখান থেকে চন্দ্রিমা থানা খুব কাছে হওয়ায় প্রায় সবসময় পুলিশি টহল ও পেট্রল ডিউটিতে যে কোন টিম থাকে।এই এলাকার শান্তিপূর্ন পরিবেশ এর কারনে এই এলাকার ফ্লাট এর চাহিদা শীর্ষে তবে মাঝে মাঝে গভীর রাতে রাস্তায় কিছু বখাটে উৎপাত লক্ষ করা যায় । এ সমস্যা বর্তমানে কিছুটা কমে এসছে । এখানে প্রতিবেশী হিসাবে শিক্ষিত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের বসবাস আশে পাশে শিক্ষিত এবং এলিট শ্রেনীর মানুষের বসবাস এর কারনে এই এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে । যে কারনে এই এলাকায় ফ্লাট এর চাহিদা সব সময় বেশী থাকে ।
বাজার ও কেনাকাটার সুবিধা
এলাকার ভেতরে ও আশে পাশে সুপারশপ, কাঁচাবাজার, ফার্মেসি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় সব দোকান রয়েছে, ফলে বাসিন্দাদের দৈনন্দিন কেনা কাটায় কোনো অসুবিধা হয় না। নিত্য প্রয়োজনীয় সকল কিছু এখানে সহজেই পাওয়া যায় ।এই খানে ভদ্রা মোড়ে বড় কাচাবাজার আছে যা সপ্তাহে প্রতিদিন খোলা থাকে তাছাড়া এইখান কার দোকান পাট অনেক রাত অব্দি খোলা থাকে ওষধ এর দোকান প্রয়োজনে যে কোন সময় খোলা পাওয়া সম্ভব ।এছাড়া এখান থেকে রাজশাহী সাহেব বাজার এর দূরত্ব মাত্র ২ কিমিঃ । তাছাড়াও এখানে সকল রকমের প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া সম্ভব কারন এখানে রয়েছে সুপার শপ ব্রান্ড শপ যা আধুনিক কেনাকাটাকে সহজ করেছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
পদ্মা আবাসিক এর ভেতরে বেশ কিছু স্কুল কলেজ বিদ্যমান এ এলাকায় মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখা যায়।এলাকার আশে পাশে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বারিন্দ মেডিকেল কলেজ এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেশ কিছু নাম করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক এলাকা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় যথেষ্ট কাছে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের এই এলাকার প্রতি এক অন্যরকম আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়। বাচ্চাদের সুশিক্ষিত করার জন্য অনেক অভিভাবক স্বপরিবার এ পদ্মা আবাসিক এলাকায় বসবাস শুরু করেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর কারনে পদ্মা আবাসিক এ ফ্লাট এর চাহিদা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে ।
পার্ক-মাঠ ও বিনোদোন
এখানে রয়েছে শিশুপার্ক, খেলার মাঠ ও হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে, যা পরিবার ও শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও আনন্দময় পরিবেশ তৈরি করে। এখানে খুব কাছে রয়েছে ক্যাপটেন মুনসুর আলী পার্ক (ভদ্রাপার্ক) যেখানে বাচ্চা ও অভিভাবক সকলই তাদের সুস্থ চিত্তবিনোদন এর কারনে যায়। এছাড়া আবাসিক এর খুব কাছে রয়েছে ভদ্রা লেক যেখানে প্রতিদনি বিকেলে সবাই আড্ডায় ব্যাস্ত হয় এবং সাথে থাকে হালকা খাবার, পার্শে বেশ কিছু ফুড কার্ট এর ব্যাবস্থা রয়েছে যার কারনে এইখানে প্রতিদিন বিকেলে এখানটাই ভিড় লক্ষ্য করা যায় ।
জরুরী সেবা
পদ্মা আবাসিক এর ভেতরে বেসরকারি বারিন্দ হাসপাতাল রয়েছে যে কোন প্রয়োজনে ২৪ ঘন্টা খোলা পাওয়া যায়। এছাড়া বেশ কিছু ক্লিনিক এবং ডাক্তার এর চেম্বার রয়েছে যা এইখান কার মানুষের জন্য এক বিশেষ পাওয়া।পদ্মা আবাসিক থেকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এর দূরত্ব ৪ কিঃমিঃ যে কোন প্রয়োজনে অতি দ্রুততম সময় এর মধ্যে ব্যাবস্থা নেয়া সম্ভব। এখান থেকে থানার দূরত্ব মাএ ২ কিঃমিঃ ফলে জরুরী পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা পাওয়া সম্ভব।
যোগাযোগ ব্যাবস্থা
পদ্মা আবাসিক থেকে রাজশাহী বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও শাহমখদুম বিমান বন্দর সহজেই পৌঁছানো যায়। মূলত এখান থেকে এয়ার পোর্ট এর দূরত্ব ৮ কি মিঃ কিন্তু সকল রাস্তা আধুনিক হওয়ায় ১২ থেকে ১৩ মিনিটের মধ্যে পৌঁছানো সম্ভব ।এখান থেকে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন এর দূরত্ব মাএ ২ কিমি যা অতি দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব ।এই এলাকার রাস্তা গুলা আধুনিক হওয়ার কারনে রাজশাহীর যে কোন এলাকার দূরত্ব অনেক অংশে কমিয়ে এনেছে ।
ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন
রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) ও সরকারি উদ্যোগে এই এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে ফ্ল্যাটের মূল্য ও ভাড়ার চাহিদা আরও বাড়বে যা বিনিয়োগের জন্য আদর্শ। এই এলাকা সংলগ্ন একাধিক ফ্লাইওভার নির্মান ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে । যা এই এলাকাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এই এলাকার রাস্তা এই এলাকার সাথে শহরের যে কোন অংশের দূরত্ব একে বারেই কমিয়ে এনেছে।
বিনিয়োগের সুযোগ
পদ্মা আবাসিক এলাকাটি সুন্দর ভাবে পরিকল্পিত এবং পরিচ্ছন্ন; এটি ঢাকা শহরের "বনানী" মতো অভিজাত আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। শহরের কেন্দ্র থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরত্বে হওয়ায় যাতায়াত ও শহরের সাথে সংযোগ খুবই সহজ একারনে এই এলাকায় ফ্লাট এবিনিয়োগ খুবই অসাধারন হতে পারে রাজশাহী পদ্মা আবাসিক একটিআধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক বসবাসের স্থান। উন্নত অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সব সুবিধা এক সাথে পাওয়ার জন্য এখানে ফ্ল্যাট কেনা শুধু আপনার পরিবারের জন্যসুখময় জীবন নিশ্চিত করবেনা, বরং এটি একটি লাভজনক বিনিয়োগ ও হবে।
সংক্ষেপে বলল-
•এলাকাটি রাজশাহী শহরের সর্ব প্রথম দিকের একটি আবাসিক এলাকা।
•এলাকার সকল দিকে প্রশস্ত রাস্তা ও সার্বক্ষনিক যাতায়াতের সুবিধা।
•অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে জরুরী সেবা সমুহ এই এলাকায় পা্ওয়া সম্ভব(হাসপাতাল/ফায়ার/পুলিশ)
•এলাকা সংলগ্ন একাধিক বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বেশ কিছু ইংলিশ মিডিয়াম ও কিন্ডার গার্ডেন রয়েছে ।
•এলাকার ভেতরে একাধিক মাঠ ।
•এলাকায় সিসিটিভি থাকায় নিরাপওা ব্যাবস্থা যথেষ্ঠ সুন্দর।
• এখানে বড় বড় ব্রান্ড শপ ও একধিক সুপার শপ এর দেখা মেলে।