লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য
লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য
দৃষ্টি/ভিশনঃ সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ এবং একটি ইতিবাচক বিশ্ব তৈরি করা।
উদ্দেশ্য/মিশনঃ ইতিবাচক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্মার্ট সমাজ গঠন করার উদ্দেশ্যে “ইয়ুথ মাল্টি অ্যাক্টর পার্টনারশিপ গ্রুপ” সরকার, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সাথে কাজ করবে।
লক্ষ্য/গোল: ১। যুব শক্তিকে কাজে লাগিয়ে "আধুনিক বাংলাদেশ” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করা।
২। জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত SDG-17, মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা, শান্তি ও স্বাধীনতা অর্জন, গণতন্ত্রের উন্নয়ন, জাতিগত-সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই, বিশ্বব্যাপী সামাজিক সমস্যা সমাধানে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করে উক্ত বিষয়ে সচেতনতার সাথে জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।
৩। সংশ্লিষ্ট সুশীল সমাজ সংস্থা এবং সম্প্রদায়ের প্রতিভাকে কাজে লাগাতে তাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে “ইয়ুথ মাল্টি অ্যাক্টর পার্টনারশিপ (ম্যাপ) গ্রুপ” তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য সরকার, স্থানীয় সংস্থা, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সাথে কাজ করা বা সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৪। সরকারি “সোশ্যাল একাউন্টিবিলিটি টুলস” (তথ্য অধিকার আইন, সিটিজেন চার্টার, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা ও জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল) সম্পর্কে যুব সমাজকে অবগত করা এবং উক্ত টুলস ব্যবহারে সহযোগিতা করা।
৫। সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধা প্রদান করা এবং সমাজের বঞ্চিত শ্রেণীর অধিকারের পক্ষে কথা বলা।
৬। সামাজিক সম্প্রীতির উপর গঠনমূলক সংলাপ প্রচার।
৭। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা/পরিবেশ সুরক্ষার জন্য কাজ করা।
৮। যুব সমাজকে সামাজিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা, পিছিয়ে পড়া যুব সমাজকে একত্রিত করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা এবং যুব সমাজকে নিয়ে মাদক-সন্ত্রাস-সমস্ত অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যক্রমকে দমন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ।
৯। বিভিন্ন দরিদ্র জনগোষ্ঠির মৌলিক চাহিদা (অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা) পূরনের কর্মসূচী গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।
১০। সামাজিক উন্নয়নে সকল প্রকার সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সার্বিক সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান এবং অংশীদার হয়ে কাজ করা।
১১। সকল প্রকার সামাজিক আনাচার, অবিচার ও কুসংস্কার দূরীকরণের লক্ষ্যে গণসচেতনতা সৃষ্টি।
১২। ক্রীড়া চর্চা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক ধারা বিকাশে উপযোগী কার্যক্রম গ্রহণ।
১৩। নারী নির্যাতন, যৌতুক প্রথা, বাল্য-বিবাহ ও ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং নারী উন্নয়নে কাজ করা।
১৪। বিশেষ চাহিদাপূর্ণ ব্যক্তিদের উন্নয়নকল্পে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।
১৫। বিভিন্ন সংক্রামক রোগ সম্পর্কে জনসাধারনের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
১৬। সাম্য, সম্প্রীতি, আত্ম ও ঐক্যের বন্ধন গড়ে তোলা।
১৭। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন, পুনর্মিলনী ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ন অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করা।
১৮। সামাজিক বনায়নে কর্মসূচী গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।
১৯। যুবদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব তৈরিতে কাজ করা।
২০। শিশুদের নিয়ে কাজ করা।