শীতকাল মানেই খুশকি, দূর করতে কী করবেন ?


শীতকাল মানেই খুশকির বিড়ম্বনা। চুল আঁচড়ানোর সময় চিরুনিতে খুশকি, এর হাত থেকে রেহাই পায় না জামাকাপড় বা বালিশও। দেখতে খারাপ লাগার পাশাপাশি ব্যাহত হয় চুলের স্বাস্থ্যও। পড়তে হয় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে।


কেন হয়


খুশকি হওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মাথার ত্বক বা স্কাল্পের মৃত কোষগুলো নিয়মিতই ঝরে যায়। এগুলোই হলো খুশকি। শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় খুশকি বেশি হয়।


শীতকালে শুষ্কতার কারণে চামড়া শুকিয়ে যায়, পুরোনো চামড়া উঠে নতুন চামড়া তৈরি হতে থাকে। আর এ মৃত চামড়া বা কোষগুলোকে আমরা খুশকি হিসেবে দেখতে পাই।

খুশকি সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে-


১. বড় আকারের খুশকি

২. ছোট আকারের খুশকি

৩. রক্তদানার মতো খুশকি


কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে খুশকি সমস্যায় দূর করা যায়।


১ .মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে ছেঁকে নিয়ে ভালো করে বেটে নিন। ছেঁকে নেয়া পানি ফেলে দেবেন না। এবার বেটে নেয়া মেথি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ঘণ্টাখানেক রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। 


২ .নারিকেল তেল খুশকির প্রকোপ। চুলের গোড়া ময়েশ্চারাইজ করে খুশকি এবং স্ক্যাল্প ইনফেকশন কমায়। সপ্তাহে দুবার চুলের গোড়ায় নারিকেল তেলের মালিশ করলে দ্রুত উপকার পাবেন। 


৩. দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস অল্প পানির সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ২-৫ মিনিট ম্যাসাজ করার পর চুল ধুয়ে নিন।


৪. চুলে পেঁয়াজের রস ব্যবহার করতে পারেন। দুটো পেঁয়াজ ভালো করে বেটে এক মগ পানি মিশিয়ে নিয়ে মাথায় এই রস ভালো করে লাগিয়ে মালিশ করুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে দুবার পেঁয়াজের রস মাথায় মাখলে খুশকি দূর হবে।


৫. খুশকির সমস্যায় টকদই ব্যবহার করতে পারেন। টকদই মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।


উপরের ঘরোয়া উপাদান গুলো ব্যবহার করে সহজেই খুশকি থেকে মুক্তি পেতে পারেন।


বিভিন্ন বিউটি টিপস পেতে আমাদের সাথেই লাইক দিয়ে থাকুন।