কিভাবে আসুন দেখি?
বাংলাদেশকে বদলাতে হলে আমাদের নির্দিষ্ট কিছু জায়গা পরিবর্তন আনতে হবে
যে বিষয় গুলা হলো-
অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, যোগাযোগ-যাতায়াত, আইনের শাসন
অন্ন আর বস্ত্রের চাহিদা কিভাবে পুরন হবেঃ
বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার সরকারী আমলা/ চাক্রিজীবি, মন্ত্রী- মিনিস্টার, প্রাইম মিনিস্টার, সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে তাদের ছেলে পর্যন্ত দেশের বাইরে কোন প্রকার ব্যাংক একাউন্ট থাকা যাবে না, তার মানে দেশের একটা টাকা দেশের বাইরে তারা নিতে পারবে না, নিজে নিতে না পারলে অন্যদেরও বাধা দিবে, তাহলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে সরকার দরিত্রতা নিরসনে কাজ করতে পারবে। তার মানে অন্ন, বস্তের অভাব থাকবে না।
যে পরিবারে সরকারী আমলা/ চাক্রিজীবি, মন্ত্রী- মিনিস্টার, প্রাইম মিনিস্টার, সংসদ সদস্য আছে তাদের পরিবার এর কেউ দেশের বাইরে পড়ালেখা করতে যেতে পারবে না, তাহলে শিক্ষা ব্যাবস্থা নিমিশেই উন্নত মানের হয়ে যাবে, কারন তখন সব রাঘব বোয়ালদের ছেলে মেয়ে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, লন্ডন গিয়ে পড়ালেখা করতে পারবে না, বাধ্য হয়ে শিক্ষা ব্যাবস্থার উন্নয়ন সাধন করবে।
বাংলাদেশ থেকে কোন ব্যাক্তি চিকিতসার জন্য অন্য কোন দেশে যেতে পারবে না, বিশেষ করে যারা সরকার এর সাথে আছেন, তাহলে বাংলাদেশের চিকিতসা ব্যাবস্থা হয়ে যাবে আজকের সিঙ্গাপুর এর মত।
এদেরকে বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোন দেশে স্থায়ী ভাবে বসবাসের উপরে আজন্ম নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে , তাহলে আজকের ঢাকা সিটির এমন দশা আর কোন দিন হবে না, ঢাকা সিটি হবে স্বপ্নের সিটি।
বাংলাদেশের রাস্তায় চলাচলএর সময় কোন ভি আই পি থাকবে না, সে যেই হোক না কেন, সবার সাথে চলতে হবে, তাহলে যান জট রাস্তাহঘাট সব ধরনের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে…।
যদি এসব গুলা আইন পাশ করা যায় , তাহলে আইনের শাসন এমনি প্রতিষ্ঠাহয়ে যাবে
এসব মন্ত্রী মিনিস্টার , অফিসার রা নিজের দেশটা কে মনে করে কর্ম ইনকাম সোর্স, যত দিন সুযোগ আছে ইনকাম করে নাও,
আর ইউরোপ আমেরিকা কে মনে করে বাপের ভিটা,
দেশ থেকে ইনকাম করে বিদেশে বাপের দেশে জমা করে ,ক্ষমতা হারালে বাপের দেশে ফিরে যাবে
প্রবাসি রা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশে পাঠাই আর ওরা গদি চেয়ারে বসে, তার থেকে ৩ গুন টাকা বিদেশে পাঠায় ।
হয়তো আমার যুক্তি গুলো বাস্তবে রুপ নেওয়া কোন দিন সম্ভব না, তবুও স্বপ্ন দেখি।
১৯৫১ সালের ছবিঃ সংগৃহীত
মাত্র ৮ হাজার টাকায় বাসে ভ্রমন লন্ডন- কলকাতা- লন্ডন,
কি অবাক হচ্ছেন?
অবাক হবার কোন কারন নেই, কারল বর্তমানে এমন কোন সুযোগ নেই।
শুনতে অবাক লাগলেও এটিই সত্যি যে, ১৯৫০ এর দশকে লন্ডন-কলকাতা রুটে চালু ছিলো এমনি একটি বাস পরিষেবা। যার মাধ্যমে অভিজাত ব্রিটিশ নাগরিকরা লন্ডন থেকে কলকাতায় আসতেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সম্পর্কিত একটি ছবি ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায়, লন্ডনের ভিক্টোরিয়া কোচ স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে একটি বাস। যার গায়ে লেখা রয়েছে- লন্ডন-কলকাতা-লন্ডন। আর সেই বাসেই উঠছেন অভিজাত ব্রিটিশ নাগরিকরা।
প্রথম দেখায় অনেকে ভেবেছিলেন ছবিটি ভুয়া বা ফটোশপের কারসাজি। কিন্তু পরে জানা যায়, লন্ডন-কলকাতা রুটে সত্যিই এমন একটি বাস সার্ভিস চালু ছিল। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাসটির একটি টিকেটের ছবিও ভাইরাল হয়। যেখানে বাসটি কোন পথে লন্ডন থেকে কলকাতায় আসতো সেই রুটও লেখা রয়েছে।
টিকেটের দেওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, বাসটি লন্ডন থেকে যাত্রী নিয়ে প্রথমে যেত বেলজিয়াম। তারপর সেখান থেকে পশ্চিম জার্মানি-অস্ট্রিয়া-যুগোস্লোভিয়া-বুলগেরিয়া-তুরস্ক-ইরান-আফগানিস্তান-পাকিস্তান হয়ে আসতো ভারতে। তারপর দিল্লি-আগ্রা-এলাহাবাদ-বারাণসী হয়ে পৌঁছতো পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়। এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বাসটির সময় লাগতো মোট পাঁচ দিন।
তবে চাইলেই যে কেউ বাসটিতে চড়তে পারতেন না। কারণ এর টিকেটের মূল্য ছিলো আকাশ ছোঁয়া। তখনকার সময়ে বাসটির শুধু টিকেটের মূল্য ছিলো ৮৫ পাউন্ড। যা বর্তমান বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার ৯৮০ টাকা। আর শুধু একবার যাওয়ার ক্ষেত্রে থাকা-খাওয়াসহ অভিজাত সকল সুবিধাসহ টিকেটের মূল্য ছিলো ১৪৫ পাউন্ড। যা বর্তমান বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫ হাজার ৩২০ টাকা।
বর্তমান টাকার অংকে টিকেটের মূল্য খুবই কম মনে হলেও তখনকার সময়ে এটি বিরাট অংকের অর্থ ছিলো। যা শুধু অভিজাত ব্যক্তিরাই বহন করতে পারতেন। অভিজাত এ বাস সার্ভিসটির ট্যাগ লাইন ছিলো- 'ভ্রমণে সম্পূর্ণ বাড়ির স্বাদ (Your complete home while you travel)’।
শাটারস্টকের আর্কাইভের একটি ছবিতে দেখা যায়, ১৯৭৫ সালে ২০ জনের মতো ব্রিটিশ নাগরিক লন্ডন থেকে কলকাতায় যাচ্ছিলেন। তারা যাত্রা পথে যুগোস্লোভিয়ায় একটি নদীর ধারে পিকনিক করে বাসে উঠছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, দীর্ঘ লন্ডন-কলকাতা-লন্ডন রুটে মাত্র ১৫ বারই বাস পরিষেবা সম্পন্ন করেছিল 'অ্যালবার্ট ট্র্যাভেল'।
সংগৃহীত