(১)
শাসন করা তারই সাজে সোহাগ করে যে
(২)
(৩)
এ জগতে হায় সেই বেশি চায় আছে যার ভুরি ভুরি
রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি
(৪)
(৫)
(৬)
সবলের পরিচয় আত্মপ্রসারে, আর দুর্বলের স্বস্তি আত্মগোপনে
(৭)
জাল কহে, “পঙ্ক আমি উঠাব না আর”
জেলে কহে, “মাছ তবে পাওয়া হবে ভার”
(৮)
মিথ্যা শুনিনি ভাই এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোন মন্দির কাবা নাই
(৯)
অর্থ সম্পদের বিনাশ আছে, কিন্তু জ্ঞান সম্পদ কখনও বিনষ্ট হয় না
(১০)
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময় পূর্ণিমা চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি
(১১)
ভোগে সুখ নাই, কর্ম সম্পাদনেই প্রকৃত সুখ
(১২)
(১৩)
(১৪)
অথাব,
ভোগে প্রকৃত সুখ নাই, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের প্রকাশ
(১৫)
বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু
(১৬)
বন্যেরা বনে সুন্দর; শিশুরা মাতৃক্রোড়ে
(১৭)
প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয়, কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় না
(১৮)
(১৯)
প্রয়োজনে যে মরিতে প্রস্তুত বাঁচিবার অধিকার তাহারই
(২০)
দুঃখের মত এত বড় পরশপাথর আর নেই
(২১)
(২২)
তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?
(২৩)
(২৪)
(২৫)
অথবা,
(২৬)
নাম মানুষকে বড় করে না, মানুষই নামকে বড় করে তোলে
(২৭)
দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য
(২৮)
চরিত্র জীবনের অলংকার ও অমূল্য সম্পত্তি
(২৯)
কর্তব্যের কাছে ভাই-বন্ধু কেউ নেই
(৩০)
রাত যত গভীর হয়, প্রভাত তত নিকটে আসে
(৩১)
বৃহৎ জগৎ হতে, সে কখনো শেখে নি বাঁচিতে
(৩২)
কে বলে মানুষ তারে, পশু সেই জন।
(৩৩)
(৩৪)
(৩৫)
(৩৬)
শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করে শির,
লিখে রেখো, এক ফোঁটা দিলেম শিশির।।
(৩৭)
রাত্রে যদি সূর্যশোকে ঝরে অশ্রুধারা, সূর্য নাহি ফেরে, শুধু ব্যর্থ হয় তারা।
(৩৮)
যত বড় হোক ইন্দ্রধনু সে সুদূর আকাশে আঁকা আমি ভালোবাসি মোর ধরণীর প্রজাপতিটির
(৩৯)
মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয় আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারাশশীর হারা হাসি অন্ধকারেই
(৪০)
মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে মানুষের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।
(৪১)
নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস ওপাড়েতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস
(৪২)
ধ্বনিটিরে প্রতিধ্বনি সদা ব্যঙ্গ করে, ধ্বনি-কাছে ঋণী সে যে গাছে ধরা পড়ে
(৪৩)
দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি সত্য বলে, আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?
(৪৪)
দণ্ডিতের সাথে দণ্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে সর্বশ্রেষ্ঠ যে বিচার
(৪৫)
জগৎ জুড়িয়া এক জাতি আছে, সে জাতির নাম মানুষ জাতি। একই পৃথিবীর স্তন্যে লালিত,
(৪৬)
চন্দ্র কহে, বিশ্বে আলো দিয়েছি ছড়ায়ে, কলঙ্ক যা আছে তাহা আছে মোর গায়ে।
(৪৭)
গ্রন্থগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন নহে বিদ্যা, নহে ধন, হলে প্রয়োজন
(৪৮)
(৪৯)
কত বড়ো আমি, কহে নকল হীরাটি- তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি অথবা দেখিতে যা ব
(৫০)
আলো বলে, ‘অন্ধকার, তুই বড় কালো, অন্ধকার বলে, ’ভাই, তাই তুমি আলো!
(৫১)
অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা যেন তারে তৃণ সম দহে
(৫২)
উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে, তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে
(৫৩)
কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? অথবা, কাঁট
(৫৪)
বিশ্রাম কাজের অঙ্গ একসাথে গাঁথা নয়নের অংশ যেন নয়নের পাতা।
(৫৫)
সেই ধন্য নরকুলে লোকে যারে নাহি ভুলে মনের মন্দিরে নিত্য সেবে সর্বজন
(৫৬)
সংসার সাগরে দুঃখ তরঙ্গের খেলা আশা তার একমাত্র ভেলা
(৫৭)
যে জাতি জীবন হারা অচল অসার, পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার
(৫৮)
নানান দেশের নানান ভাষা বিনা স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা?
(৫৯)
যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই, পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন
(৬০)
পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন
(৬১)
বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার
(৬২)
স্পষ্টভাষী শত্রু নির্বাক মিত্র অপেক্ষা ভাল অথবা নির্বাক মিত্র অপেক্ষা স্পষ্
(৬৩)
বিদ্যা বিনয় দান করে, বিনয় দ্বারা জগৎ বশীভূত হয়
(৬৪)
স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন
(৬৫)
আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য
(৬৬)
(৬৭)
দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ। অথবা যে একা সে-ই সামান্য, যাহার ঐক্য
(৬৮)
সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা বা নীতি
(৬৯)
কীর্তিমানের মৃত্যু নেই অথবা মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়
(৭০)
পথ পথিকের সৃষ্টি করে না, পথিকই পথের সৃষ্টি করে
(৭১)
দুর্নীতি জাতীয় জীবনে অভিশাপস্বরূপ অথবা দুর্নীতি জাতীয় সকল উন্নতির অন্তরায়
(৭২)
(৭৩)
কর যুদ্ধ বীর্যবান যার যাবে যাক প্রাণ মহিমাই জগতে দুর্লভ
(৭৪)
সুজনে সুযশ গায় কুযশ চাপিয়া কুজনে কুরব করে সুরব নাশিয়া
(৭৫)
অভাব অল্প হলে দুঃখও অল্প হয়ে থাকে
(৭৬)
অদৃষ্টেরে শুধালেম, ‘চিরদিন পিছে অমোঘ নিষ্ঠুর বলে কে মোরে ঠেলিছে? সে কহিল, ‘
(৭৭)
অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান। অথবা, অসির চেয়ে মসী বড়।
(৭৮)
অতি বাড় বেড়ো না, ঝরে পড়ে যাবে, অতি ছোট থেকো না, ছাগলে মুড়ে খাবে।
(৭৯)
অধিকার পাওয়া এবং অধিকারী হওয়া এক বস্তু নয়
(৮০)
অতি দীন ও অশক্ত লোকেরাই দৈবের দোহাই দিয়ে থাকে
(৮১)
(৮২)
অন্যের পাপ গণনার আগে নিজের পাপ গোণ
(৮৩)
অনেক কিছু ভাবার চেয়ে অল্প কিছু করাই শ্রেয়
(৮৪)
অনুকরণের দ্বারা পরের ভাব আপন হয় না অর্জন না করলে কোন বস্তুই নিজের হয় না
(৮৫)
আপনা রাখিলে ব্যর্থ জীবন সাধনা জনম বিশ্বের তরে পরার্থে কামনা।
(৮৬)
(৮৭)
আপনারে বড় বলে বড় সেই নয় লোকে যারে বড় বলে বড় সেই হয়
(৮৮)
আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা, তরিতে পারি শকতি যেন রয়
(৮৯)
আলো ও অন্ধকার পাশাপাশি অবস্থান করে, একটিকে বাদ দিলে অন্যটি মূল্যহীন
(৯০)
আকর্ষণ গুণে প্রেম এক করে তোলে শক্তি শুধু বেঁচে রাখে শিকলে শিকলে
(৯১)
(৯২)
উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয়
(৯৩)
উপকার যেন মধুর পাত্র হজম করতে জ্বলে যে গাত্র
(৯৪)
এ জগতে মানুষ আপনার ঘর আপনি রচনা করে
(৯৫)
এই খেয়া চিরদিন চলে নদী স্রোতে কেহ যায় ঘরে, কেহ আসে ঘর হতে
(৯৬)
এমন অনেক দুঃখ আছে যাকে ভোলার মত দুঃখ আর নেই
(৯৭)
এমন মানব জমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলতত সোনা
(৯৮)
কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে, ‘ভাই বলে ডাক যদি দেব গলা টিপে। হেনকালে গগনে
(৯৯)
কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক মানুষেত
(১০০)
কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ?