করোনা ভাইরাস পরবর্তী সময়ে কি করবেন ভেবেছেন কিছু ?
করোনা ভাইরাসের কারনে সারা বিশ্বের অর্থনীতির চালিকা শক্তি থমকে আছে। বিশেষ করে কানাডা, আমেরিকা, ইউকে, ইউরোপ ও অন্যান্য উন্নত দেশগুলো তাদের অর্থনীতি গতিশীল করতে ব্যপক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে নিয়ে রেখেছে। উন্নত দেশগুলোর অর্থনীতির প্রধান যেসব চালিকা শক্তি তার মধ্যে- ইমিগ্রেশন একটি শক্তিশালী মাধ্যমে। হোম অফিস বা ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে তারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর পরিমান স্টূডেন্ট, পর্যটক, ব্যবসায়ী, অফিস,কলকারখানা সহ বিভিন্ন পেশাজীবিদের তাদের দেশে প্রবেশের সুযোগ করে দেয়ার মাধ্যমে প্রচুর পরিমান রাজস্ব ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে থাকে। এর যদি একটা সমিক্ষা চালান ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে প্রমান পেয়ে যাবেন।
নিশ্চই আপনারা শুনেছেন ইউরোপে করোনা প্রকোপ এখনো পুরোপুরি নির্মুল না হলেও তারা মাত্র ১৪ টি দেশ বাদে বিশ্বের সকল দেশকে ইউরোপের ভ্রমনের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এর একটাই কারন বিদেশি পর্যটকদের মাধ্যমেই এই মুহুর্তে অর্থনৈতিক মন্দা থেকে কাটিয়ে উঠা।
এও নিশ্চই মনে আছে ইংল্যান্ড বা ইউকে ২০০৮ সালে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে টায়ার-৪ (Tier- 4 ) এ IELTS ছাড়া স্টূডেন্ট ভিসা সিস্টেম চালুর মাধ্যমে গনহারে ভিসা দেয়া শুরু করে।
মালয়শিয়ার কথাই ধরুন নুন্যতম যোগ্যতায় তাদের দেশে স্টূডেন্ট ভর্তি ব্যবসা শুরু করে। সত্যিকার অর্থেই এই মাধ্যম একটা বিরাট ব্যবসা।
যাইহোক, এমন উদাহরন প্রায় সকল উন্নত দেশের বেলায় দেয়া যাবে, সেদিকে আর নাই গেলাম।
যদি এনালাইসিস করে দেখেন, ২০০৮ থেকে ২০১০/২০১২ পর্যন্ত অর্থনৈতিক মন্দা চলাকালীন ইউরোপ, আমারিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এসব দেশে যে পরিমান পর্যটক, স্টুডেন্ট , মাইগ্রান্ট ভিসা নিয়ে গিয়েছে তা বিগত কয়েক দশকেও যেতে পারেনি বা তারা পূর্বে কখনও এমন সুজোগ দেয়নি। ইতালি, ইংল্যান্ড স্পেন তো বাংলাদেশি, ইন্ডিয়ান দের দিয়ে ভরে ফেলেছে।
একবার চিন্তা করুন ১৯৯০-১৯৯৩, ১৯৯৮, ২০০১-২০০২ এবং সর্বশেষ ২০০৮-২০০৯ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারনে আমেরিকা, ইউরোপের দেশগুলো, বিশেষ করে যুক্ত্ররাজ্যে যে অর্থনৈতিক অস্থিশীলতা তৈরি হয়েছিল তা কাটিয়ে উঠতে কি পরিমান পদক্ষেপ তারা নিয়েছিল। অথচ তা ছিল স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বা মানুষের প্রভাবে সৃষ্ট সঙ্কট।
কিন্তু করোনা ভাইরাস এক মহামারির নাম যা আল্লাহ প্রদত্ত গজব সরূপ। সারা বিশ্ব দুমড়ে মুচড়ে দিচ্ছে অরথনৈতিক পরিস্থিতিকে।
তাহলে ভাবুন একবার কি পরিমান সুযোগ তৈরি হতে পারে এবাবের পরিস্থিতিতে উল্লেখিত উন্নত দেশগুলোতে ভিসা পাওয়ার জন্য, যার কিছুটা হলেও আইডিয়া পেয়েছেন ইতালি সহ ইউরোপের পর্যটন খাতের প্রস্তুতি দেখে
এতগেল বিভিন্ন দেশের প্রস্তুতির কথা, এবার ভাবুন আপনি কতটুকু প্রস্তুতি নিয়েছেন বা নিচ্ছেন পরবর্তী গন্ত্যব্যের জন্য। আপনার জীবনের লক্ষ্য কি ?
আপনার যদি স্বপ্ন থাকে বা লক্ষ্য হয়ে থাকে উন্নত শিক্ষা বা উন্নত জীবন ও জীবিকা তাহলে ইউরোপ, আমেরিকা বা কানাডা হতে পারে আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান।
স্বপ্ন বা লক্ষ্যই যদি বিদেশ যাবার তাহলে উন্নত দেশের কথাই ভাবা বুদ্ধিমানের কাজ হবে যেখানে অর্থকরি , নিশ্চিত উন্নত জীবনের পাশাপাশি পাবেন স্থায়ী হওয়ার সুযোগ।
যদি এসব উন্নত দেশের এই সুযোগ নিতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই IELTS জানা আবশ্যক।
আর যদি এই মুহুর্তে IELTS করা না থাকে তাহলে সুযোগ আসলেও সময়টা কাজে লাগাতে পারবেন না। তখন একটা প্রতিযোতা শুরু হয়ে যাবে। তাই এই প্রতিযোগিতায় আপনাকে এগিয়ে রাখলে আপনার জীবিনে একটি সাফল্য বয়ে এনে দিতে পারে।
আপনাকে প্রতিটি ধাপে এগিয়ে রাখতে আমাদের যা কিছু করনীয় সকল কিছুই আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি ।
আপনার কাজ শুধু আমাদের কাছে আসা আর বাকি কাজটা আমাদের।
তাই একবার আসুন আমাদের যাচাই করতে কি করতে পারি আপনার জন্য।
১. রেগুলার প্যাকেজ # তিন মাসের প্রোগ্রাম – সপ্তাহে ৩ দিন + ২৪ ঘন্টা কেয়ার
২. স্পেশাল প্যাকেজ কোর্স # তিন মাস বা তার অধিক – এই প্যাকেজ মূলত ইংরেজীতে দুর্বল স্টুডেন্টদের জন্য। আপনার কাঙ্খিত স্কোর না পাওয়া পর্যন্ত ক্লাস চলতে থাকবে সপ্তাহে ৭ দিনই + ( ২৪ ঘন্টা কেয়ার)
কোর্স ফিঃ
রেগুলার প্যাকেজঃ ১০,০০০ /- ( দশ হাজার টাকা মাত্র ) + প্রতিমাসে ৫,০০০ ( হাজার টাকা ) সার্ভিস চার্জ
স্পেশাল প্যাকেজঃ ৩০,০০০ /- ( ত্রিশ হাজার টাকা মাত্র) + প্রতিমাসে ৫,০০০ ( হাজার টাকা ) সার্ভিস চার্জ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ড সহ প্রায় সকল দেশে উচ্চতর শিক্ষার জন্য ইংলিশ ভাষা দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে ইএলটিএস স্কোর স্বীকৃত। সর্বোচ্চ ব্যান্ডের স্কোর 9.0; বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক ভর্তির জন্য 5.5 - 6.0 এবং স্নাতকত্তর ভর্তির জন্য 6.0-7.0 স্কোর গ্রহণ করে। আইইএলটিএস (IELTS) পরীক্ষার দুটি সংস্করণ রয়েছে। একাডেমিক মডিউল এবং জেনারেল ট্রেনিং বা সাধারণ প্রশিক্ষণ মডিউল।
আইইএলটিএস ( IELTS ) একাডেমিক মডিউল পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার কাছে ডিগ্রি কোর্স করার বা পেশাদার প্রশিক্ষণের পর্যাপ্ত ইংরেজি ভাষা দক্ষতা আছে কিনা তা নির্ধারণ করে। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বা উচ্চ শিক্ষার একটি প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের বা এডমিশনের জন্য শিক্ষার্থীদের একাডেমিক মডিউল নেওয়া উচিত।
"সাধারণ প্রশিক্ষণ মডিউলটি " একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রবেশের জন্য বা সংক্ষিপ্ত কোর্স / বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কোর্সে বা অভিবাসন খুঁজছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। আমাদের দেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিদেশে অভিবাসনের বা চাকুরী নিয়ে যাওয়ার দরকার হয়।
চারটি প্যাটার্নে পরীক্ষা হয়ে থাকে। শোনার দক্ষতা, পড়া দক্ষতা, লেখার দক্ষতা এবং কথা বলার দক্ষতা যাচাই করা হবে।
Part1: Listening (4 sections; 30 minutes)
Part 2: Reading (3 passages; 60 minutes)
Part 3: Writing (2 tasks; 60 minutes)
Part 4: Speaking (Interview; 10-15 minutes)