অন্যদের ভালো হতে না দিলে নিজের অশান্তি বেশী;
আজকের টপিকস একটু ভিন্ন, নিজের ভালো থাকতে হলে অন্যের ভালো দিক দেখলে সাপোর্ট না দিয়ে বাধাগ্রস্ত করলে সবার আগে নিজের ক্ষতিটাই বেশী হবেই। যেমন ১০ জনের মধ্যে ৮জন অসৎ অফিসার থাকলে দেখবেন দুইজন সৎ লোককে কোন না কোনভাবে অসৎ হিসেবে প্রকাশ করা হয় অথচ এখানে সংখ্যা গরিষ্ঠ আট জন বেশ ভালোই অবস্থান তৈরী করে নেয়। কিন্তু দিনশেষে এদের ৮জনের মধ্যে সবাই কোন না কোনভাবে একদিন অন্যের কাছেই ঠকতে হবেই, হোক তা প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে।
উদাহরণ দিবে বলি, যারা ফলমূলে বিষ মেশায়, একসময় দেখবেন তাদের কাছে লোকই এই বিষাক্ত ফরমালিন কিংবা কীটনাশকে আক্রান্ত হয়েছে। তার রিলেটিভ, যেমন চাচা, খালু, মামা কিংবা শ্বশুর বাড়ীর কেউ, বা ভবিষ্যতে যিনি নিজের পরিবারের সদস্য হবেন এমন কেউ যা অজানা ভেজাল মিশ্রিত খাবার পরিবেশ করার কারণে বয়য় শেষে বড় রোগে আক্রান্তের স্বীকার হয়ে থাকেন। চোখে দেখা যায় আমি তো এভাবে রাইজ করে নিলাম, কিন্তু দুই চার বছর কিংবা দুইতিন যুগ পরে হলেও এর নেতিবাচক প্রভাব নিজের মধ্যে বর্তাবে।
আর দূর্নীতি করলে, দেখা যাবে নিজের স্ত্রী সন্তান কিংবা ভাই ভাতিজা অসতের দিকে দাবিত হচ্ছে ফলে নীতি নৈতিকতা হারানোতে সবার আগে নিজেই ভুক্তভোগী হতে হবে। চোখে দেখা না গেলেও অদৃশ্যভাবে তার প্রতিদিন পাবেনই।
এভাবেই টাকার মালিক হয়ে গেলেন কিন্তু প্রবীণ বয়সে ১৫-২০ লাখ টাকা চিকিৎসা ব্যয় হয়ে গেলো এর চেয়ে বেশিও যেতে পারে, এভাবে সবাই এরকম খরচের প্রস্তুতি নিতে হবে, এর চেয়ে সবাই এমন রোগ বালাই যেন না হয় সেজন্য দেশের সার্বিক পরিবেশ পরিস্থিতি উন্নতি করতে পারলেই তো জীবন মানের উন্নতি হয়ে যায়। রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন বা বাড়ির পাশে ড্রেনেজ অবস্থা খুবই ভয়াবহ, তাহলে কি দাড়ালো, এখানে বহু টাকার মালিক ২০% লোক হয়ে গেলেন কিন্তু নিজের বসবাসের এলাকা উন্নত নয় তাহলে এভাবে একে অন্যকে ঠকিয়ে কি ফায়দা হলো? এতে সবাই অন্তর থেকে একে অন্যকে প্রকৃত সহযোগিতা না করতে পারলেও অসৎ উপায়ে কামাই না করে সৎ পথে অল্প রুজিও অনেক প্রশান্তি দিবে।
আজ আর বাড়াচ্ছি না, এখানে রাখছি। কথা হবে নতুন কোন পর্বে, নতুন বিষয় নিয়ে। ভালো থাকুন, ভালো রাখুন। যাবার আগে নিজের ব্যক্তিগত কিছু ইনফরমেশন দিয়ে যাই, আমি বর্তমান সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় বসবাস করছি, বিজনেস সম্প্রসারণে কোন এক সময় সিলেট সিটি করপোরেশনে যাবার প্রত্যাশায় এখানেই বিদায়, সবার জন্য শুভ কামনা।
এককভাবে সম্পদশালী হয়ে সুখের মাত্রা বাড়ানো অসম্ভব;
সালাম, আদাব ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। আজ যদি আপনি একা অনেক সম্পদের মালিক হয়ে যান আর আশেপাশের লোক অবহেলিত, দারিদ্রতা স্বীকার হোন তাহলে কোন ভাবেই হ্যাপিনেস বাড়ানো সম্ভব না। বিষয়টি বুঝানো বেশ কমপ্লেক্স হবে তবুও মনোযোগ সহকারে পড়লে স্বচ্ছ ধারণা নেয়া সম্ভব।
ধরুন, সরকার কিভাবে চলে? টেক্স ভ্যাট ও অন্যান্য কিছু মাধ্যম অবলম্বন করে দেশ পরিচালনা করে থাকে৷ এখানে আপনার আমার আশে পাশের সকল উন্নয়নমূলক কাজ আমাদের কাছে থেকে টাকা নিয়ে করা হয়, সেই ক্ষেত্রে সবার সম্পদ না থাকলে নিজে একাই অতিরিক্ত TAX-VAT প্রদান করতে হবে এটা স্বাভাবিক।
তাছাড়া একই বাড়িতে অনেক পরিবার আছে, হঠাৎ ভাবলেন, নিজ টাকায় রাস্তা বা বিদ্যুৎ উন্নয়ন এমন কিছু উদ্যোগ নিলেন যেখানে সমপরিমাণ জনপ্রতি টাকা তুলার প্লান করলেন। এখানে অতি দরিদ্র যিনি সেই টাকা কিভাবে কাভার দিবে এতে এমন সুন্দর উদ্যোগে ব্যাঘাত ঘটবেই।
তাছাড়া গ্রামের উন্নয়ন হলে দেখতে আকর্ষণীয় হয়, এখন কোন গরীব পরিবার খোলা টয়লেট ব্যবহার করলে নিজেই স্বাস্থহানীর পাশাপাশি বাহিরের কোন মেহমান এলাকায় আসলে সম্মানে ধরতে পারে। এতে নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে এই কারণে যে যিনি সম্পদশালী তিনি নিজ স্থানে দানখয়রাত না করে বাহিরে দিচ্ছেন বা হয়তো কোন জায়গায়ও অনুদান দিচ্ছেন না।
তাছাড়া, দেশের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত করতে রাস্তাঘাটের বেহাল দশা নিজের আরামদায়ক যাত্রায় বিঘ্নতা ঘটে। এতে দেশের সবাই আর্থিক ভাবে স্বচ্ছ হলে নিজ দেশ উন্নত হয়, কারণ জনগণের টাকায়তো দেশ চলে। একা নিজে টাকায় কি দেশ চালানো সম্ভব?
গ্রামে বা শহরে প্রাইভেট স্কুল প্রতিষ্ঠান মানুষের টাকায় চলে, সেখানে বিভিন্ন ফি সংগ্রহ করে সংস্থা বা ইনস্টিটিউট চলে, এখানে দরিদ্রের হার বেশী হলে প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সেবার মানও কমতে থাকে।
এতে শিক্ষা, সচেতনতা, জ্ঞান ও সামাজিক মূল্যবোধ বৃদ্ধি করা অসম্ভব। তাই দেশের সম্পদ বাড়ানোর চেষ্টা এবং সবাই যৌথ উদ্যোগে সম্পদের মাত্রা বাড়াতে না পারলে সুখের মাত্রাও বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে। প্রাইভেট ক্লিনিক বা হাসপাতালে যাদের বেতন ভাড়া চলে সেগুলো রুগীর টাকায়, আর রোগী আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল হলে সেই বিল কিভাবে দিবে বা কাদের সার্ভিস দিয়ে পয়সা কামাবেন?
আপনি কাপড় বা রড সিমেন্ট, টাইলস বা ব্যাংকিং সেবা দিবেন? গ্রাহকের কাছে টাকা পয়সা না থাকলে এগুলো সেল দিবেন কিভাবে? ভেবে দেখেছেন? ভাবছেন উনার টাকা না থাকলেও অন্য গ্রাহক আছে তিনি ব্যাংকে টাকা রাখবেন, কিন্তু সবার গতি এমন হলে দিন শেষে কারা সেবা নিবেন? এতে উৎপাদন বৃদ্ধি হলে কর্মসংস্থান হওয়ার পাশাপাশি নিজে ও অন্যান্য সকলে মিলে ফায়দা হাসিল করা সহজতর হয়।
আর এ থেকে রেহাই পেতে গেলে অন্যের উন্নতিতে মন খারাপ না করে নিজে নিরাপদ থেকে সাপোর্ট দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই বললে চলে। আজকে এখানে রাখছি, তার আগে আমার ব্যক্তিগত কিছু তথ্য জেনে নিন, আমার বাবা হাজী মোঃ চাঁন মিয়া যিনি ৯৫ বছরে এখনো আপনার দোয়ায় ভালোভাবে হাটা চলা করছেন, দোয়া করবেন এবং মা ৮৫ বছর বয়সে এখন নিজে নিজে চলা ফেরা করার সৃষ্টিকর্তা তৌফিক দিয়েছেন, শুকরিয়া। আপনিও ভালো থাকুন, যত্নে থাকুন সেই কামনায় বিদায়।
নিজ পেশার পাশাপাশি মাল্টিপল ইনকাম, লিখালিখিতে বাড়তি আয়;
এই মূহুর্তে যে বিষয় নিয়ে লিখতে বসেছি তা হচ্ছে, কিভাবে অবসর টাইম কাজে লাগিয়ে নিজের মেধা ও মনন দিয়ে আপনার লিখনি শক্তি দ্বারা সমাজের অবদানের পাশাপাশি বাড়তি আয় করার পথ বের করা সম্ভব, এ সম্পর্কে খুটিনাটি বিষয় তুলে ধরছি।
ভাবছেন, ফ্রি টাইম! কি করবো? সময় যাচ্ছে না। খুলে নিন একটি ওয়েব পোর্টাল বা গুগল সাইট, যেখানে অনলাইন বা গুগলের মাধ্যমে অধিকাংশ দর্শক বিভিন্ন বিষয় জানার আগ্রহ থাকে, আপনি সহজ সাবলীল ভাষায় কোন কিছু বুঝাতে পারলে এবং নিজের চিন্তা শক্তি লেখার উপস্থাপন করতে সক্ষম হলে এমন ওয়েব সাইট খুলে সেখানে ৩-৪ মাস লিখালিখির পর ডট কম বা ডট নেটে স্থানান্তর করে নিয়ে পারেন Site টি।
কথা হচ্ছে প্রথম কেন বড় ধরনের সাইট খুলতে অনিহা দেখাচ্ছি, কথা হচ্ছে এই তিন চার মাসে বুঝতে পারবেন আপনার লিখা মানুষ পড়ছে কিনা, সেগুলো গুগল এনালাইটিকসের মাধ্যে সব কিছু জানা বা দেখা যায়।
যদি সাড়া পান এবং লেখা কন্টিনিউস চালাতে পারবেন মনে করেন, তাহলে Domain এবং Hosting কিনে Full একটি ওয়েব সাইটের রুপান্তর করে নিবেন। তার আগে জেনে নিই, ডোমেইন ও হোস্টিং কি? Domain হচ্ছে URL বা আপনার ওয়েব সাইট যে নামে মানুষ খুঁজে পাবে আর Hosting হলো আপনার সাইটের সকল ডাটা কোন না কোন স্থানে স্টোরেজ থাকবে, এল ধরনের হার্ড ডিস্ক বা মেমোরির মতো কিন্তু এই সেবা প্রদান করে বিভিন্ন কোম্পানি, যাদের সার্ভার সেবা প্রধান করে প্রতি বছর একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি নিয়ে থাকে।
তাই এগুলো কেনার পর প্রতি বছর রিনিউ করতে হয়, একটা খরচ যায় সেজন্য শুরুতেই ফ্রি ওয়েব পোর্টাল খুলে প্রাথমিক কাজ শুরু করতে আগ্রহ দেখাচ্ছি। এতে নিজের সাইটটি কাস্টমাইজ ও অন্যান্য সেটিংস রিলেটেড পারদর্শিতা বাড়ার ফলে দক্ষ হয়ে অনলাইন জগতে পা দিলে লাভবান হওয়া সহজ।
এখানে কিছু বিষয় খেয়াল করতে হবে, কেন সেই সেক্টরকে Full Time হিসেবে না নেয়াই ভালো, এগুলোতে একটা অবস্থানে যেতে দুই এক বছর লাগে, সেই সময় নিজে টিকতে পারলে ও আয়-ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য দেখতে পারলে সেখানে স্থীর থাকবেন না অন্য পেশায় যাবেন সেগুলো সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলেন। প্রথমেই না বুঝে, কাজ জানা না থাকলে মাঝখানে বছর দুই এক সময় লস যাবার সুযোগ থাকলো না। তাই ভালো ভাবে জেনে বুঝে এ পথে আসাই শ্রেয়।
শুধু লেখালেখি নয়, জানতে হবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, পাওয়ার পয়েন্ট ও ফটোশপের কাজ ভালো ভাবে আয়ত্তে থাকলে এবং নিজের কম্পিউটার থাকলে বেস্ট হয়। ইংলিশেও দক্ষ থাকার প্রয়োজন রয়েছে। এখন ভাবতে পারেন তাহলে কম্পিউটার শেখার জন্য কোচিংয়ে ভর্তি হয়ে যাই, তাহলেও তেমন ফলপ্রসূতা পাবেন না। এগুলো যে অবস্থানে আছেন, ইউটিউব দেখে দেখে ফ্রি শিখে নিতে পারেন। কোন এক সময় বেসিক স্ট্রং হয়ে গেলে পরবর্তী সময় বুঝতে পারবেন আসলে কোন কোর্স করা উচিৎ কিনা। নতুবা মাঝখানে যাতায়াত, কোচিং ফি ও Time waste হবে।
আজকে আর কথা বাড়াচ্ছি না, শেষ করার আগে বলে নিই, এই কাজ গুলোর কারণে সাইট থেকে কিভাবে টাকা আসবে? এগুলো নানা উপায়ে ইনকাম করা যায় যার অন্যান্য একটা মাধ্যম হচ্ছে এডসেন্সের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে টাকা আসবে। কিন্তু সেখানে প্রচুর ভিউ হলে এবং বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হলে প্রতি এক হাজার View এ ডলার বা সেন্ট পাওয়া যায়, সেগুলো Adsense একাউন্টে যুগ হয়ে এক সময় ১০০ ডলার হলে ব্যাংকে ট্রান্সফার হয়ে থাকে। এগুলো অনেক সময় সাপেক্ষ বিষয়। অনেক মেধা ও শ্রম ও সময় দিতে হয়। কিন্তু মূল পেশা কাজে বিঘ্নতা ঘটার সম্ভাবনা থাকলে এড়িয়ে চলাই ভালো। আজ বিদায় নিচ্ছি সেই সিলেটের বৃহত্তর হাকালুকি হাওরের দক্ষিণ সীমান্ত থেকে, কথা হবে অন্য কোন টিপকস নিয়ে, সেই সময় পর্যন্ত ভালো থাকুন। Good byee
About Me
Educational Qualifications;
BBA/MBA: Management, Madan Mohan University College Under National University of Bangladesh).
HSC : Sylhet Commerce College, Sylhet. (Business Studies)
মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান
Md Shiddiqur Rahman
SR Shiddiq
এস আর ছিদ্দিক
আমি যেভাবে প্রত্যেকটা সেকেন্ড আনন্দে থাকি;
মানুষের মৌলিক চাহিদা মোট ৫টি, তার মধ্যে অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থান। এইগুলো যার আছে তার চেয়ে সুখী মানুষ দুনিয়াতে নাই। যদি অন্য কোন চাহিদা বৃদ্ধি পায় তাহলে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। এগুলো থাকলে পুরো দুনিয়া জয় করা যায়। যদি নিজ লক্ষে কেউ কাজ করতে সক্ষম হয়।
কারো বাবা নাই, মা নাই কিংবা ভাই-বোন নাই, এইটা ভিন্ন বিষয়, মনের সুখ যদি ধরে রাখতে জানে তাহলে পৃথিবীর সেরা সুখী ভাবনায় নিয়ে আসা সম্ভব। তবে সমাজের জন্য কে কতটুকু প্রকৃতপক্ষে করতে পেরেছেন সেটা মূখ্য বিষয় কিন্তু লোক দেখানো কাজ বেশিদিন টেকসই হয় না। এতে নিরপেক্ষ থেকে বসে থাকাই শ্রেয়। আমার নিজের অবস্থান শক্ত না করে সমাজকে দিতে গেলেই উলটা সমাজ প্রভাবিত করে ফেলা হবে, তাই ১০-২০ বছরের কথা চিন্তা করে ধীর গতিই হোক, নিজের জীবনের প্রত্যেকটা মুহুর্ত উপভোগ করা অসম্ভব নহে।
সমাজকে সবচেয়ে বড় কিছু দেয়া হচ্ছে, কারো ক্ষতি না করা, এর মধ্যে হাজার টা অপরাধ থেকে বাঁচা সম্ভব এই এক আমল করতে পারা। যেমন জেদ, হিংসা, ঘৃণা, অহংকার, কুৎসা রটনা না করা, মিথ্যা এড়িয়ে চলা, মানুষকে হেয় না করা, কথায় আর বাস্তবতায় মিল থাকা, ফাঁকিবাজি না করা, নিজ দায়িত্ব যথাসময়ে সম্পন্ন করা।
মানুষকে ভুল না বুঝা, সন্দেহ না করা, হক্ না মারা, ডিস্টার্ব না করা, ছোট না করা, সময়ের অপচয় না করা, রাত জেগে অন্যদের প্রভাবিত না করা এমনটা হাজার অপরাধ থেকে বিরত মানেই অন্যের ক্ষতি না করা। অন্যদের সাহায্য করে যতটুকু উপকার করা সম্ভব তার চেয়ে হাজার গুণ বেশী ভালো করা সম্ভব শুধু নিজেকে কারো মন্দের কারণ যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখলেই হলো।
এগুলো করতে পারলে মনের সুখের মাত্রা এমন ভাবে বৃদ্ধি হতে থাকবে যা কল্পনাকেও হার মানাবে। লোক দেখানো সুখে থাকার চেয়ে অন্যকে অসুখী না করাই হচ্ছে আনন্দের পূর্ব সুত্র।
ভালো লোক, ভালো মন মানেই শুধু দান সাদকা নয়, সবাইকে মনোবল বৃদ্ধি করা, অনার্থিক প্রেষণা দিয়ে আর্থিক সাপোর্টের মতো উপকার করা সম্ভব। তবে অর্থ দিয়ে অনেক অনেক উপকার করা গেলেও এই অর্থ নিজের অসুখ যেন বাড়িয়ে না দেয় সেদিকে লক্ষ রেখেই চলতে পারলেই মহা সুখী হওয়া পসিবল। আজ আর লিখছি না, যাবার আগে ব্যক্তিগত কিছু ডাটা জেনে নিন, আমার/আমাদের বিজনেস প্রতিষ্ঠান এসআর ছিদ্দিক ট্রেডার্স রয়েছে যা কুলাউড়া দক্ষিণ বাজার ব্যাংকের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। সবাই দোয়া করবেন, যেন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ভালো থালুন, ভালো রাখুন। শুভ বিদায়।
কর্মস্থলের ব্যয় বেশী হলে আয় বেশী হয়েও লাভ নাই! খরচ কম হলে, ইনকাম অল্প হলেও অনেক ভালো;
এইবারের টপিকস বুঝাতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, ধৈর্যসহকারে এগুতে থাকেন। ধরেন ঢাকায় জব করেন, বেতন পান ৫০,০০০/- আর আপনার উপজেলায় জব করেন সেলারি পান ২০,০০০ টাকা বা অন্য বিভাগে চাকরি করছেন Salary ৪০,০০০ টাকা। এই বেতনকে আমি সমান মনে করি কিন্তু কিছুটা সুবিধা অসুবিধা নিয়ে ব্যাখ্যা করার ট্রাই করবো।
জীবনের জন্য আয় মূলত নিজের ও পরিবারের জন্য করা হয়। টাকা রোজগারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় খেয়ে বেঁচে জিন্দেগী পার করার পাশাপাশি আনন্দ প্রমোদ করে লাইফ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বর্তমান ট্রেন্ড। আর সেই আনন্দের মাত্রা বেড়ে যায় যখন সন্তান, বাবা-মা কিংবা সহধর্মিণী পাশে থাকেন। কিন্তু জীবনে অর্থের তাগিদে বাড়ি ছেড়ে যেতে হয়, কর্মস্থল যখন অতিরিক্ত দূর হয়, তখন প্রতি সপ্তাহ কিংবা মাসে স্থায়ী বাসায় আসতে যাতায়াত খরচ বাদই দিলাম, সেখানে যে আসা যাওয়া ভোগান্তি বা পরিশ্রম সেগুলো দেশের ট্রান্সপোর্ট সেক্টরের কথা সবারই ভালো জানা। আর প্রতিদিনের জ্যামে যে সময় বিনষ্ট হয় তা পরিসংখ্যানে আর্থিক ক্ষতির কথা উল্লেখ আছে।
সেই Financial ক্ষতি শুধু সরকারের নিয়, সেখানে জনগণের প্রতিও বর্তায়, মুদ্রাস্ফীতিতে প্রভাব পড়ে, যার ফলে বেতন ভাতার উপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে থাকে।
বিশেষ করে ঢাকা শহরে চিকিৎসা ব্যয়, যানবাহন খরচ, দৈনিক ব্যয়, বাসা ভাড়া ও অন্যান্য মিলে জেলে বা উপজেলার ৩০% বেশী খরচ যে কেউ মেনে নিবেন। আবার বায়ূ দূষণ, সাউন্ড পলিউশন জনিত কারণে রোগ বালাই বৃদ্ধি যা নবীন বয়সে বাড়তি ব্যয় ঘটবেই যেখানে গ্রামের মানুষের এতো ভয়াবহ রোগ বালাই দেখা গেলেও কম দেখা যায়।
সেজন্য জীবনের ৩০-৪০ বছরের ইনকাম, শহরের ইট পাথরের দেশে থেকে যে বিঘ্নতা ঘটে যা শেষ বয়সে প্রভাবিত করে। সেজন্য দ্রুত সব ক্ষেত্রে বিকেন্দ্রীকরণের ভূমিকা অপরিসীম। ফলশ্রুতিতে জীবন যাত্রার মান বাড়বে, যেখানে সর্বক্ষেত্রে লাভবান হওয়া সম্ভব।
এদিকে গ্রামে পরিবার, আর শহরে নিজে থাকার কারণে, স্ত্রী সন্তানেরা বাজার খরচ থেকে শুধু করে চিকিৎসা গ্রহণ অভিভাবক ছাড়া চলতে হচ্ছে এতে যে সরাসরি স্নেহ ভালোবাসা পাওয়ার কথা, তা থেকে পরিবার সবাই কিছুটানা হলেও বঞ্চিত হচ্ছেন। সেজন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস করে প্রত্যেকে নিজ নিজ জেলায় যেন পেশাজীবন কাটাতে পারেন ফলে জনগণের পাশাপাশি সরকারও লাভবান হবেন। অনেক যুক্তি রয়েছে, শহরের উপর চাপ কমবে, বাড়তি জ্বালানি খরচ কমবে, নানাভাবে পরিবেশ দূষণ থেকে দেশ রেহাই পাবে।
পরিবারের সবাই একত্র বাস করলে জীবন ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি বাজার স্থিতিশীল থাকবে। নিজ নিজ জেলার উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। আত্মীয় স্বজনদের সাথে অবসর টাইম স্পেন্ড করার সুযোগ বাড়বে। বন্ধ বা ছুটির দিনে অতিরিক্ত কিছু করার সুযোগ সৃষ্টি হবে কারণ এই সময় গ্রামে যাতায়াত টাইম বেঁচে যায়।
আর প্রবাসীদের নিয়ে ভিন্ন কোন টপিকসে তুলে ধরবো, সে সাথে বিদায় নিতে হচ্ছে, আপাতত আমাদের সাইটে হয়তো কমেন্ট করার অপশন বন্ধ দেখাচ্ছে, আপনার লিংক শেয়ার করে নিজের পরিচিত-জনদের জানানোর সুযোগ করে দিবেন। যাবার আগে একটু পরিচিত তুলে ধরছি। আমি ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীর এমবিএ সম্পন্ন করে বিজনেস সেক্টরে ইন করি যা Banking Sector এজেন্ট ব্যাংকে স্বচ্ছ ধারণা দিতে ইউটিউবে বৃহৎ আকারে সহজে সেবা প্রদান ও গ্রহণে ভূমিকা রাখতে পারছি। ভালো থাকবেন, ভালো রাখবেন, সেই প্রত্যাশায় বিদায় নিচ্ছি। সবার প্রতি শুভ কামনা রইলো।