Rangamati, nestled in the Chittagong Hill Tracts of Bangladesh, is a haven of natural beauty and cultural diversity. Home to the enchanting Kaptai Lake, this picturesque district boasts a rich history, vibrant tribal cultures, and unique heritage. Must-visit attractions include the Hanging Bridge, Rajban Vihara, and Shuvolong Waterfalls. Explore the serene landscapes, traditional handicrafts, and warm hospitality that make Rangamati a captivating destination for travelers.
দিনলিপি : শিক্ষাসফরের আদ্যপ্রান্ত
তারিখ : ৬ -১০ মার্চ ২০২৪
নানা মতবাদ, রিসার্চ , সিদ্ধান্ত, প্ল্যানিং ও বাস্তবায়ন দিনশেষে সুন্দর স্মৃতি যুক্ত হলো জীবন নামক এলবামে।
শুরতেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সম্মানিত শিক্ষকদের।
দিনটা ছিলো ভ্রমণের আগের রাত অর্থাৎ ৬ মার্চ । আমারা স্যারের সাথে আলোচনা শেষে বেড়িয়ে পড়লাম কাজে, প্রথমেই ভয়ংকর মুহূর্তের সম্মুখীন হলাম।
দরদাম করে সকালের নাস্তার বায়না হলো, অনেক চালাকি আর কথার ছলে এক প্যাকেট টেস্ট করার জন্য নিলাম। বন্ধুর পথ ধরে সবাই হাত ধুতে গেলাম, সম্ভবত দোকানীর বদদোয়ায় হাত ধুতে গিয়ে প্রথমেই বড়ভাই, তাকে বাচাতে গিয়ে আমি সহ আরেক বন্ধু পুকুরে পড়ে গেলাম আমরা তিনজন পুরো শেষ। হুডি আমার তিনকেজি একপা খালি বন্ধু আমার অট্ট হাসি, বিধাতার সহ্য হলো না, আমার জুতা উদ্ধার করতে সেও আমাদের পরিনতি বরণ করে নিলো।
কি আর করার ভাগ্যের লিখন আর স্মৃতির পাতায় আরো দুটি লাইন।
★ ৭ মার্চ প্রভাতেই শিক্ষাসফরের জন্য যাত্রা শুরু করলাম।
বন্ধুর গিটারের আওয়াজ, সবাই মিলে গলা ছেড়ে গান , হাসি ঠাট্টা, রসিকতা, সিনিয়র - জুনিয়র, সখা - সখী বানানোর লীলা করতে করতে গোধূলিতে মধ্যাহ্ন ভোজ সেরে পাহাড়ি রাস্তায় দোল খেয়ে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা দিয়ে অবশেষে রাঙ্গামাটি আমাদের বরণ করে নিলো।
★ ৮ মার্চ, সফরের মহেন্দ্রক্ষন কাপ্তাই লেক দর্শন।
নাস্তা সেরে স্বপ্ন ও কল্পনার বাস্তব চিত্র দর্শনের জন্য ট্রলারে করে দলেবলে বেড়িয়ে পড়লাম।
কাপ্তাইয়ের বুকে ছোট ছোট দ্বীপ, ঐতিহ্যবাহী স্থান, আদিবাসী, পাহাড় - পর্বত, সবুজ জলরাশি, উচু - নিচু টিলা, পাহাড়ী আনারসে তৃষ্ণা নিবারণ, সবুজের সমারহ, এ যেন এক স্বর্গ।
এতোকিছুর মাঝে মানব সৃষ্টি নান্দনিকতা কোনো অংশে কম ছিলো না।
এই আনন্দের বাজারে একটু মন খারাপ ছিলো কারণ সেই রাতের ঘটনায় মোবাইল টা আমার কবিরাজের কাছে, সঙ্গ দিতে পারলো না। স্মৃতি ধারণ করা তার দায়িত্ব ছিলো প্ল্যানও করা ছিলো তার কিন্তু ঐযে সব উপর থেকে ঠিক করা।
সারাদিন সৌন্দর্য উপভোগ করে মধ্যাহ্ন ভোজন সেরে রাতে আমরা ৫ সিটে ৭ জন বসলাম ব্যাম্বো চিকেন ও বড়ভাইয়ের বাশ কোড়লের জন্য, যা বনরুপাও দিতে পারলো না। কি আর করার টুকটাক ঘুরেফিরে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়ে চলে আসলাম।
রাতে আবারও গানের আসর, হাসি ঠাট্টা, শিক্ষাদান পর্ব, ইত্যাদি শেষে কোনো রকম ঘুম দিয়ে পরের দিন সকালে রওনা হলাম মাতৃঅঙিনার উদ্দেশ্যে।
★ কি ভাবছেন সফর শেষ, আপনার মতো আমরাও ভেবেছিলাম।
আমাদের অজান্তেই বিধাতা আমাদের জন্য আরেক রাত বরাদ্দ করেছিলো, এডভেঞ্চারের অন্যরকম স্বাদ দেয়ার জন্য। নদীমাতৃকা তার কারাগারে সারারাত আটক করে রাখলো । জাহাজ ফেরির সংঘর্ষ হঠাৎ টাইটানিকের কথা মনে করিয়ে দিলো। কারো কারো কপালে চিন্তার ভাজ। সব প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে রাতে নদীমাতৃকার সৌন্দর্য উপভোগ করে সূর্য অস্ত থেকে সূর্য উদয় পুরো সময়টা আমাদের কীভাবে যে কেটে গেলো টেরই পেলাম না।
পুরো সফরের গল্প বলা শুরু করলে হয়তো আর শেষ হবে না। তাই এই পর্যন্ত থাক।
অবশেষে আমরা আমাদের শিক্ষাসফরে সুন্দর এক সমাপ্ত