জীবনটা অনেক বড়। জীবনে চলতে চলতে বহু মানুষের সাথেই পরিচয় হয় অনেকে অনেক ক্লোজ ও হয়ে যায়। আজকের এই ইন্টারনেট এর যুগে এটা অস্বাবাভিক কিছু না।কিন্তু এতগুলো মানুষের মধ্যে যদি কাউকে মনে গেথে যায়, তবে একটা মেয়ের জন্য অস্বাভাবিক ই বটে। হ্যা মেয়ের জন্য অস্বাবাভিক, কিন্তু একটা ছেলের জন্য না ।একটা ছেলের যখন কাউকে ভালো লাগে, তখন সে সেই মেয়েটিকে যেয়ে বলতে পারে :আমি তোমায় ভালবাসি। " কিন্তু এই জিনিষটা যখন একটা মেয়ের সাথে ঘটে তখন কিন্তু মেয়েটা কিছুই বলতে পারেনা। মুখ বুজে তাকে দিনের পর দিন পার করতে হয় ,স্বপ্ন বুকে আকড়ে ধরে বাঁচতে হয়, অপেক্ষায় থাকতে হয় ,কবে তার মনের মানুষটা তার মনের কথাগুলো বুঝবে; কবে তার হাত দুটো ধরে বলবে," আমি এসেছি তোমার হতে, ফিরে এসেছি ভালোবেসে তোমাতে "অপেক্ষা!!! এটার কালো দিকটা একজন প্রেমে পরা মেয়ে ছাড়া কেউ বুঝবেনা। এটা নিঃস্বন্দেহে অনেক কষ্টদায়ক একটা মেয়ের জন্য।রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কথা আছে "বালিকার প্রথম প্রেমের মত সর্বগ্রাসী প্রেম আর নাই" আসলেই তাই। প্রথম প্রেম ভোলা যায় না। একটা মেয়ে যদি জোরে চিত্কার করে কাঁদতে পারত তাহলে হয়ত তার কষ্টটা অনেকাংশে কমে যেত। কিন্তু দুনিয়াটা তো মেয়েদের জন্য বরই নিষ্ঠুর। একটা মেয়ে কখনই মন খুলে কাঁদতে পারেনা। একটা মেয়ে কোনো কিছুই স্বাধীনভাবে করতে পারবে না। এইটাই নিয়ম।তাইত ভালবাসি তারপর বলতে পারিনা তোমায় ,জীবনে পদে পদে বাধা প্রাপ্ত হতে হতে মন মানসিকতাই কেমন জানি কুকড়ে যায়। ছোট হয়ে আসে চারপাশের পৃথিবীটা। মানুষের সাথে মিশতেও কেমন জানি ভয় লাগা শুরু করে। আবার যদি আগের কাহিনীর পুনরাবৃত্তি ঘটে!সেই দুর্ভাগ্য দেখো ,মেয়েটা শত চেষ্টায় ও আটকাতে পারেনা সেটিকে। আবার তার জীবনটাকে কুরে কুরে খেতে শুরু করে কষ্টগুলো। তবুও বোঝেনা।আর হয়ত বুঝবেও না।খালি বলব "রক্তের সম্পর্ক ছাড়া কেউ যদি তোমার জন্য কেঁদে থাকে তাঁকে ফেলে যেও না, তবে তা হবে পাপ।"