এবং ময়ূরাক্ষী-শুভব্রত বসু
সামাজিক, ঐতিহাসিক, গবেষণাধর্মী, তথ্যকেন্দ্রিক, ভৌতিক, অলৌকিক ইত্যাদি সাহিত্যর পাশাপাশি যে ধারাটি ফল্গু নদীর মত বয়ে চলেছে তার নাম – সাব অল্টার্ন সাহিত্য।
সঠিক ব্যকরণসম্মত অর্থ না থাকলেও, মাটির কাছাকাছি যে মানবসমাজ – তাদের দিনলিপি, তাদের লড়াই, তাদের সমান্তরাল জীবন যাপন যে শব্দবন্ধ সৃষ্টি করে, তার পরিবেশনাকে সাব অল্টার্ন সাহিত্য বলা যায়। শুভব্রত বসুর কলমে এমনই চারটি গল্প ও একটি নভেলা নিয়ে এই বই।
মাটির গন্ধ মাখা চরিত্ররা যখন উঠে আসে, কাগজের আখরে চোখের সামনে এসে দাঁড়ায়- বসত করে কলজে পাঁজর বুকের ভেতর তখন তৈরি হয় কাহিনি। আইলি আম্মা, মিবালি বা শশীমণি দাসীর চোখের জল পাঠকের সামনে ঝরে পড়ে। শুভব্রতর প্রচেষ্টা এই মাটির কাছাকাছি বসত করা মানুষগুলোর গল্প পাঠকের দরবারে পৌঁছে দেওয়া।
শুভব্রত বসু, বর্তমানে বাংলা সাহিত্যের পরিচিত মুখ। পেশা: ঔষধ বিপনন। নেশা: গল্পের বই পড়া, আঁকা, ভ্রমণ ও আড্ডা। পূর্ব প্রকাশিত -আইলি আম্মা ও এক বেচুর গল্প, হার না মানা হার, চন্দ্রজাতক।