শেষ মৃত পাখি-শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
পঁয়তাল্লিশ বছর আগে দার্জিলিঙের এক সম্ভাবনাময় কবি, অমিতাভ মিত্র খুন হয়েছিলেন। অভিযোগের তীর ছিল তাঁরই ঘনিষ্ঠ বন্ধু রহস্য-ঔপন্যাসিক অরুণ চৌধুরীর দিকে। কিন্তু নানা পরস্পর বিরোধী প্রমাণে সে অভিযোগ দাঁড়ায়নি।
তনয়া একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক। অমীমাংসিত খুনের কাহিনী নিয়ে ধারাবাহিক লিখছেন পত্রিকায়। অমিতাভ মিত্রের হত্যা-রহস্য নিয়ে লেখার জন্য দার্জিলিঙে এলেন তনয়া। তনয়া কি খুঁজে পেলেন এই হত্যারহস্যের সমাধান?
অমিতাভ হত্যায় এখনও অন্ধকারে পুলিশ
দার্জিলিং, ১৭ জুন: তরুণ সাহিত্যিক অমিতাভ মিত্রর মৃতদেহ আবিষ্কারের পর চারদিন কেটে গিয়েছে, কিন্তু দার্জিলিং পুলিশ স্বীকার করেছে যে তারা এখনও মীমাংসার দিকে অগ্রসর হতে পারেনি। তারা হেফাজতে নিয়েছে জনৈক অরুণ চৌধুরীকে, যিনি নিজেও লেখক এবং অমিতাভর বাল্যকালের বন্ধু। কিন্তু তার পরেও এই হত্যার পদ্ধতি ও মোটিভ বিষয়ে বিশেষ কোনো সূত্র মেলেনি। প্রসঙ্গত, গত বছর একটি সাক্ষাৎকারে অরুণ চৌধুরী বিষয়ে অমিতাভ মিত্র একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছিলেন, যা নিয়ে সাহিত্যজগতে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। সেই ঘটনাই আজকের রহস্যের মূলে কিনা, সে বিষয়েও জল্পনা চলছে। মূল তদন্তকারী অফিসার, চকবাজার থানার ইনচার্জ ড্যানিয়েল লামাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন।