জোনাকির রং-সায়ক আমান
-"সত্যির উলটোদিকে মিথ্যে থাকে, তুই তো আমাকে ঠিক মিথ্যে বলবি না, বলবি গল্প... গল্পের উলটোদিকে কে থাকে?"
-"আচ্ছা, ধর, গল্পের উলটোদিকে থাকে জোনাকি...",
-"তুই একটা একটা করে সত্যিকারের গল্প
বলবি আর আমি তার উলটোদিকে হেঁটে এক-একটা করে জোনাকি খুঁজে পাব, কেমন?"
লেখক কাম স্টোরিটেলার শতরূপ ঘোষের কাছে আসে এক অদ্ভুত প্রস্তাব। গল্প শোনাতে হবে তাকে, মোটা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে, তবে শ্রোতা এখানে কেবল একজন। কাজটা কঠিন কিছু নয়। খানিকটা উপন্যাস লেখার মতোই। কেবল তফাত হল যে উপন্যাসটা সে লিখবে, সেটা কেউ সত্যি বলে বিশ্বাস করবে। কারও জীবনের গল্প লিখতে হবে তাকে। যে ছবিগুলো ডার্ক আর গ্রে কালারে আছে, সেগুলোতে প্যালেটের যে-কোনও ব্রাইট রং লাগিয়ে নিজের ইচ্ছামতো সাজিয়ে নিতে হবে সেই একজনের অতীত। কিন্তু গল্প লেখা কি সত্যিই এত সোজা?
নর্থ বেঙ্গলের গভীর জঙ্গলের মধ্যে এক পরিত্যক্ত ভাঙা মন্দিরে খোদাই করা রয়েছে মায়ান সভ্যতার সুইসাইডের দেবতা 'ইক্সট্যাব'-র ছবি। কিন্তু কেন? কেন বিনির চোখের দিকে তাকিয়ে থাকা যায় না 'বেশিক্ষণ? সত্যি কি ন্যাচারাল হিলিঙের ক্ষমতা রয়েছে বিনির? আর ইলোরা... সে কি সত্যিই এসেছিল পৃথিবীর বাইরের অন্য কোনও জগৎ থেকে? ইলোরার হাতের জার কি কোনোদিনও পুরোপুরি ভরতি হবে জোনাকি দিয়ে?