এ রোগের আক্রমণে পাতায় ,ফলে ও কান্ডে কাল ময়লা জমে।জাব পোকা ও মিলিবাগের আক্রমণ এ রোগ ডেকে আনে।
জাব ও মিলিবাগ দমনঃ
ডায়াজিনিন, ইমিডাক্লোপ্রিড, এসিটামিপ্রিড অথবা ম্যালাথিয়ন জাতীয় কীটনাশক সাথে কার্বেনডাজম জাতীয় ছত্রাকনাশক একসাথে ৭ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে।
ক্ষতির ধরণ : প্রথমে পাতায় সবুজ রঙের দাগ পড়ে, পরে এই দাগ লালচে বাদামি রঙ ধারন করে, দাগ গুলি গোলাকার এবং উচু মনে হয়। কয়েকটি দাগ একত্রিত হয়ে বড় দাগের সৃষ্টি করে।
টেবুকোনাজল, হেক্সাকোনাজল, কপার অক্সিক্লোরইড জাতীয় ছত্রাকনাশক ১০ মিলি প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর আক্রমণের শুরু থেকে মোট ২-৩ বার প্রয়োগ করুন। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ক্ষতির ধরণ : গাছের বয়স্ক পাতার এ রোগের লক্ষণ প্রথম দেখা যায়। আক্রান্ত গাছের পাতার উপর কাল বা বাদামী রংয়ের বৃত্তাকার দাগ পড়ে। ক্ষত স্থানটি অনেক গুলি ছোট বড় বৃত্তের সমষ্টি। পাতার মত কাণ্ডে ও ফলে বৃত্তাকার দাগ দেখা যায়।
পূর্ব-প্রস্তুতি :
বীজ শোধন করা, পরিমিত ও সময় মত সার ব্যবহার করা, পাতায় ২/১ টা দাগ দেখা গেলে ইনিডাক্লোপ্রিড + থিরাম ২ গ্রাম / ১ মিলি পানিতে মিশিয়ে ১২ দিন পরপর স্প্রে করা।
আক্রান চাড়ার চিকিৎসা :
আক্রান্ত গাছ সংগ্রহ করে ধ্বংস করা। পাতায় ২/১টি দাগ দেখার সাথে সাথে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম আইপ্রোডিয়ন বা মেনকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: ইন্ডোফিল , কমপ্যানিয়ন, তুন্দ্রা ২০ গ্রাম ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করুন। স্প্রে করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন।
সালফার, মেনকোজেব (৬৪%) +
মেটালেক্সিল (৮%) জাতীয় ছত্রাকনাশক ৪০ গ্রাম ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৭ দিন পর পর ২-৩ বার শেষ বিকেলের দিকে স্প্রে করুন। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।