নামাজ-রোজার স্থায়ী সময়-সূচী
ডাউনলোড করার আগে আপনার মোবাইলের ফাইল ম্যানেজারে গিয়ে Permanent Timetable of Salah নামে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন।
এবার সালাতের সময়সূচীর ১২টি ফাইল ডিসেম্বর, নভেম্বর, ..... জানুয়ারি এভাবে উল্টো দিক থেকে ডাউনলোড করুন। এতে ফাইলগুলো নাম বা ডাউনলোডের সময় যেকোনোটি অনুসারে এ্যারেঞ্জমেন্ট করলেও সিরিয়াল ঠিক থাকবে। (মূল ডিজাইন ফাইল ডাউনলোড করতে প্রতি মাসের ইমেজের উপর ক্লিক করুন)
ডাউনলোড করা ফাইলগুলো সিলেক্ট করে তৈরী করা ফোল্ডারে Moove করুন।
মসজিদের আজান ও জামায়াতের স্বাভাবিক সময়ের চার্ট
প্রতিদিনের জরুরী গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে ক্ষেত্রে ভুল হলে বড় ক্ষতি/ গুনাহ হয়
দৈনন্দিন জীবনে জরুরি
১। খাওয়া ও যেকোনো কাজের সময় বিস্মিল্লাহ বলা, না হলে খাবারে শয়তান অংশগ্রহণ করে বরকত নষ্ট করে এবং ক্ষতি করে।
২। গোসলখানায় বা প্রস্রাব-পায়খানায় ঢোকার সময় বিশেষ দোয়া পড়া, না হলে শয়তান সব দেখে ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি করে।
৩। স্বামী-স্ত্রী একান্তে মিলিত হওয়ার সময় বিস্মিল্লাহ বলে শুরু করা, না হলে শয়তান কাজ সমূহে অংশগ্রহণ করে, মারাত্মক ক্ষতি করে, সন্তান আসলে তাতে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে ও শয়তানির প্রভাব থাকে, বরকত নষ্ট করে।
৪। সন্তানদের মাগরিবের ওয়াক্ত থেকে এশার ওয়াক্ত শুরু পর্যন্ত সন্তানদের ঘরের বাইরে যেতে না দেয়া, না হলে এই সময় শয়তান বিচরণ করে সন্তানদের মারাত্মক ক্ষতি করে।
নামাজের ক্ষেত্রে
১। নামাজের কাতারের মাঝখানে ফাঁকা না রাখা ও ফাঁকা পেলে বন্ধ করা, না হলে ফাঁকা স্থানে শয়তান দাড়ায়, বিভেদ সৃষ্টি করে, আল্লাহ শাস্তি হিসেবে বিভেদকে বাড়ি দেন, মর্যাদা কমিয়ে দেন এভাবে আরো বিভিন্ন রকমের ক্ষতি হয়।
২। তুলনামূলক যোগ্যকে ইমাম বানানোঃ যখন নির্ধারিত ইমাম না থাকে তখন উপস্থিত নামাজিদের মধ্য থেকে আলেম না থাকলে জিজ্ঞাসা করা যে “কেউ মাদ্রাসায় পড়া বা সূরা, তেলাওয়াত, রুকন ঠিক থাকলে ইমামতি করেন” এরকম বলার প্রচলন রাখা। না হলে প্রভাবশালী, পদমর্যাদা, মুরব্বি ইত্যাদি দেখে ইমামতি করলে বড় কোনো ভুল বা `লাহনি জলি’ করলে আর তা ধরতে পারেন এরকম কেউ পিছনে নামাজ পড়লে সবার নামাজ ভঙ্গ হয়ে যেতে পারে! (ফাতাওয়া ইবনে উষাইমীন: ১/৩৬৯, মাজাল্লাতুল বুহূসিল ইসলামিয়্যাহ্: ২০/১৪৮, ফতোয়ায়ে শামি: ২/৩২৪, ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া: ১/১৪৩-১৪৪, ফতোয়ায়ে তাতারখানিয়া: ২/২৫৬)
৩। জামার হাতা ভাঁজ করে বা গুটিয়ে নামাজ থেকে সতর্ক থাকাঃ পড়তে রসুল সাঃ এভাবে করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। আরো জানতে ভিজিট করতে পারেন।
৪। কাতারের পিছনে একাকী ছালাত আদায় থেকে বিরত থাকাঃ শেষ কাতারে বা যেকোনো স্থানে কাতার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী দাড়ানো যাবে না। রসুল সাঃ এরকম করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। যদি এরকম দেখা যায় যে আর কারো আসার সম্ভাবনা কম তখন সামনের কাতারের ডান দিক পুরা করে বাম দিক থেকে একজন পিছনে এসে দুইজন মিলে পিছনে দাড়ানো উত্তম। পরবর্তীতে কেউ আসলে সে সামনের কাতারের বাম পাশের খালি যায়গায় দাড়াবে। এ সম্পর্কে হাদিসের ভাষ্য
عَنْ وَابِصَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ رَأَى رَجُلاً يُصَلِّى خَلْفَ الصَّفِّ وَحْدَهُ فَأَمَرَهُ أَنْ يُعِيْدَ.
ওয়াবেছা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একদা রাসূল (ছাঃ) এক ব্যক্তিকে কাতারের পিছনে একাকী ছালাত আদায় করতে দেখলেন। অতঃপর তাকে পুনরায় ছালাত ফিরিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন।
আবুদাঊদ হা/৬৮২, ১/৯৯ পৃঃ; তিরমিযী হা/২৩০, ১/৫৪ পৃঃ; ইবনু মাজাহ হা/১০০৪; ইরওয়া হা/৫৪১; মিশকাত হা/১১০৫; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১০৩৭, ৩/৬২ পৃঃ, ‘ছালাতের কাতার ঠিক করা’ অনুচ্ছেদ। আরো জানতে ভিজিট করতে পারেন।
৫। সামনের কাতারের খালি স্থান রাখা থেকে বিরত থাকাঃ পিছনের কাতারে দাড়াতে রসুল সাঃ নিষেধ করেছেন।
৬। ফজরের জামাতে শরীক না হয়ে সুন্নত পড়া থেকে বিরত থাকাঃ ফজরের সুন্নত পড়ার ছওয়াব ও উত্তম হওয়ার হাদিস আছে কিন্ত ফরজ নামাজের জামাতে শরীক হওয়া যেমন সওয়াব ও উত্তম তার পাশপাশি জামাতে শরীক হওয়া অত্যন্ত জরুরী, বাধ্যতামূলক হিসেবে বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। এমনকি যুদ্ধাবস্থায় ও অসুস্থ অবস্থায়ও (যতক্ষণ সম্ভব হয়) জামাতে শরীক হওয়া জরুরী বলা হয়েছে। আরো জানতে ভিজিট করতে পারেন ১, আরো ভিজিট করতে পারেন ২, ও ভিজিট করতে পারেন ৩।