নিরাময় হিজামা কেন্দ্র
সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত হিজামার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান
নিরাময় হিজামা কেন্দ্র
সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত হিজামার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান
হযরত আনাস রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, মেরাজের রাতে যে ফেরেস্তাদের পাশ দিয়েই আমি যাচ্ছিলাম। তারা বলছিলেন, হে মুহাম্মাদ! আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করুন। (সুনানে ইবনে মাজাহ ২/১১৫২ শামেলা)
হিজামা (আরবি: حجامة) একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি। এর মূল অর্থ হলো "চোষা" বা "টেনে নেওয়া"। এই পদ্ধতিতে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থান থেকে দূষিত রক্ত (Toxin) বের করে নেওয়া হয়।
হিজামা প্রায় ৩০০০ বছরেরও বেশি পুরনো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ এতে উপকৃত হয়ে আসছে। আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও হিজামা গ্রহণ করেছেন। হিজামার উপকারীতা বর্ণনা করেছেন। হিজামা করতে উৎসাহিত করেছেন।
হিজামা মূলত প্রাচীন শিংগা এর আধুনিক রূপ। তবে বর্তমান যারা শিংগা লাগান তারা সাধারণত হিজামার আসল নিয়ম মেনে চলেন না। তাই বলা যায় বর্তমান শিংগা ও হিজামা এক নয়।
হিজামাতে সাধারণত কাঁচ বা প্লাস্টিকের তৈরি বিশেষ কাপ ব্যবহার করা হয়। ত্বকের নির্দিষ্ট অংশে ছোট ছোট আঁচড় বা ছিদ্র করা হয়, এরপর সেই স্থানে কাপ বসিয়ে ভ্যাকুয়াম বা বায়ুশূন্যতা তৈরি করা হয়। এর ফলে ত্বকের নিচে থেকে দূষিত রক্ত কাপের মধ্যে চলে আসে। এই প্রক্রিয়া শরীরের মাংসপেশিতে রক্তপ্রবাহ দ্রুততর করে এবং পেশি, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, যার ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।
মূল চিকিৎসা হিসেবে যেসব রোগে কাজ করে,
মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন: পূর্ণ মাথা ব্যথা বা আংশিক মাথার ব্যথায় হিজামা অসাধারণ ভালো কাজ করে। দীর্ঘ মেয়াদী মাথা ব্যথা, যা বিভিন্ন চিকিৎসা করেও ভালো হচ্ছে না। এমন মাথা ব্যথাও ভালো হয়।
উদ্বেগ ও মাথা চাপ ধরা: মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং বিষন্নতা, মাথা চাপ ধরে থাকা, মাথা ভারী হয়ে থাকা। হিজামা করালে মাথা হালকা হয়, মানসিক চাপ, বিষন্নতা দূর হয়।
ঘাড় ও পিঠের ব্যথা: ঘাড়, কাঁধ এবং পিঠের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, বিশেষ করে পেশী সংক্রান্ত ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
কোমর ব্যথা: কোমর ব্যথা, রানের ব্যথা, হাটুর নীচের পেশীতে (থোরা) ব্যথা ইত্যাদী।
জয়েন্টের ব্যথা ও আর্থ্রাইটিস: বাত, গেঁটে বাত (রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস), হাঁটুর ব্যথা সহ বিভিন্ন জয়েন্টের ব্যথা উপশম করে।
আঘাত জনিত ব্যথা: আঘাতজনিত ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
উচ্চ রক্তচাপ: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা মধু ও হিজামার মধ্যে আরোগ্য রেখেছেন। তোমরা হিজামা করাও কেননা মানুষের রক্ত এত দ্রুত চলতে শুরু করে (অর্থাৎ উচ্চ রক্তচাপ হয়) যে, তাকে হত্যা করে ফেলে। (আল-ইলাজ বিল আ’শাব, মাকতাবুশ শামেলা।)
সুস্থতা ধরে রাখার জন্য: সুস্থতা ধরে রাখার জন্য সুস্থ শরীরে হিজামা নেওয়া যায়।
শরীর হালকা হয়: হিজামা করালে শরীর অনেক হালকা হয়। কর্মস্প্রীহা বৃদ্ধি পায়।
সুন্নাহ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজামা করিয়েছেন। তাই সুন্নাহ হিসেবেও হিজামা করা যায়।
সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে যেসব রোগে কাজ করে,
রক্ত পরিষ্কার করা: শরীর থেকে দূষিত রক্ত (Toxins) এবং অপ্রয়োজনীয় পদার্থ বের করে রক্তকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি: আক্রান্ত স্থানে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়, যা কোষের নিরাময় প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং টিস্যুতে পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ উন্নত করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
অ্যাজমা ও ব্রঙ্কাইটিস: শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস এবং অন্যান্য ফুসফুসের রোগের চিকিৎসায় সহায়ক হয়।
দীর্ঘস্থায়ী কাশি ও সাইনোসাইটিস: দীর্ঘস্থায়ী কাশি এবং সাইনাসের সমস্যায় উপশম হয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপা: হজমতন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা এবং ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) এর মতো সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
সায়াটিকা (Sciatica): সায়াটিক স্নায়ুর ব্যথায় এটি কার্যকর হতে পারে।
পেশী ব্যথা ও স্ট্রেন: পেশী টান এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
ব্রণ, একজিমা ও সোরিয়াসিস: ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ব্রণ, একজিমা এবং সোরিয়াসিসের চিকিৎসায় এটি উপকারী হয়।
চুল পড়া: চুল পড়ার চিকিৎসায় এটি কার্যকর হয়।
এলার্জি: বিভিন্ন প্রকার এলার্জি কমাতে সাহায্য করে।
অনিদ্রা: ঘুমের সমস্যা বা অনিদ্রার চিকিৎসায় এটি কার্যকর হয়।
স্ট্রোক পুনর্বাসন: স্ট্রোকের পরে পুনর্বাসনে সাহায্য করে।
থাইরয়েড সমস্যা: থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা উন্নত করতে সহায়ক হয়।
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে হিজামা নেওয়া যাবে না
বিগত ৩ মাসে অন্যকে রক্ত দেওয়া হলে।
বিগত ৩ মাসে বড় কোন অপারেশন করালে।
শরীর খুবই দূর্বল থাকলে।
হঠাৎ দেখা দেওয়া কোন সমস্যায়।
শরীরে জ্বর থাকলে।
বার্ধক্যের কারণে শরীর ভেঙে পড়লে।
৩ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের।
রক্ত স্বল্পতায়।
সকালে খালি পেটে বাসী মুখে হিজামা করা সবচেয়ে ভালো।
হযরত নাফে রহমাতুল্লাহি আলাইহি হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি হিজামা গ্রহণ করে সে আল্লাহ তায়ালার বরকতে থাকে। হিজামা বাসি মুখে (ঘুম থেকে উঠার পর খাওয়া ও পান করার আগে) করা বেশি উত্তম। তা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে ও বলগম (শ্লেষ্মা) দূর করে দেয়। (আল-ইলাজ বিল আ’শাব, মাকতাবুশ শামেলা।)
উত্তম দিন ও তারিখ
দিন হিসেবে সোমবার ও বৃহস্পতিবার হিজামার জন্য বেশি ভালো।
আরবী মাসের ১৭, ১৯, ২১ তারিখে হিজামা করা খুবই উপকারী। এ দিনগুলোকে সুন্নাহ তারিখ বলা হয়।
প্রয়োজনে যেকোন সময়ই হিজামা করা যায়
প্রয়োজন অনুসারে যে কোন দিন, যে কোন সময় হিজামা করা যায়। তবে যেহেতু বুধবার হিজামা করা ইসলামের দৃষ্টিতে ভালো ধরা হয় না, তাই আমরা বুধবার হিজামা করি না। বুধবার আমাদের হিজামা সেন্টার বন্ধ থাকে।
কম ধরচে উন্নত সেবা
আমরা কম খরচে ভালো মানের হিজামা সেবা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করি । সাধারণত আমরা ১০/১২ পয়েন্টের মধ্যেই হিজামা করে দিই। খুব বেশি পয়েন্টে হিজামা লাগানো ঝুকিপূর্ণ। তাই আমরা এর বেশি পয়েন্টে একবারে হিজামা করি না।
হিজামা ফি ১২০০ - ১৫০০ টাকা।
আমাদের এখানে যে জন্যই হিজামা করান। সাধারণত ১২০০ টাকায় হিজামা হয়ে যায়। তবে যদি উভয়পাশে হিজামা করাতে হয়, অথবা চুল না ফেলে মাথায় হিজামা করাতে হয় তাহলে হিজামা ফি ১৫০০ টাকা রাখা হয়।
পুরাতন সরঞ্জম ব্যবহার করা হয় না
আমাদের এখানে হিজামার জন্য প্রতি রোগীর জন্য নতুন কাপ, নতুন ব্লেড ও অন্যান্য সামগ্রী নতুন ব্যবহার করা হয়। ব্যবহারিত জিনিস পুনরায় ব্যবহার করা হয় না।
হিজামা প্রতিদিন করার জিনিস নয়
সুস্থ শরীরে বছরে ১/২ বার হিজামা করানো যেতে পারে।
কোন রোগের জন্য হিজামা করালে, ১ম বার হিজামার পর উপকার বোধ করলে রোগীভেদে ৪০/৬০ দিন পর পর ২/৩ বার হিজামা করানোর দরকার হতে পারে। কিন্তু ১ বার হিজামা করালে বারবার করাতেই হবে, না হলে ক্ষতি হবে এমন নয়।
হিজামার কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই
হিজামা করাতে শরীরে কোন প্রকার ঔষধ প্রবেশ করানো হয় না। শুধুমাত্র ত্বকের বাইরে জীবাণুনাশক ব্যবহার করা হয়। এটি একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক চিকিৎসা। এতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
এজন্যই হিজামা হাজার বছরের পুরাতন চিকিৎসা
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলে মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে এটা ব্যবহার করে আসতো না। বর্তমানে আরববিশ্ব ছাড়াও চীন, ইউরোপ, আমেরিকায় এটি একটি জনপ্রিয় চিকিৎসা।
বাসি মুখে বা খালি পেটে আসার চেষ্টা করুন।
হিজামা করাতে আসার সময় সকালে বাসি মুখে কিছুই পানাহার না করে আসার চেষ্টা করুন। যদি কষ্টকর হয়ে যায়। তাহলে খেয়ে আসুন। তবে চেষ্টা করবেন, যেন হিজামার সময় পেট খালি থাকে। খালি পেটে হিজামা করা ভালো।
একটি লুঙ্গি, টুপি/ক্যাপ নিয়ে আসুন।
সঙ্গে একটি লুঙ্গি নিয়ে আসুন, তাহলে হিজামা করতে সুবিধা হবে। মাথায় হিজামা করাতে চাইলে টুপি/ক্যাপ নিয়ে আসুন।
সুস্থভাবে ফিরে যাবেন
আমরা এমনভাবে হিজামা করানোর চেষ্টা করি যেন হিজামার কারণে শরীরে চাপ না হয়। তাই আমাদের কাছে হিজামা করিয়ে সুস্থভাবে ফিরে যাবেন। কোন অসুবিধা হবে না ইনশাআল্লাহ।
কোন বিধি-নিষেধ নেই
হিজামার পর পানি/স্যালাইন পানি/লেবু পানি ইত্যাদী পান করুন। কমপক্ষে ৫০০ মি:লি।
হিজামার পর স্বাভাবিক সকল কাজ করতে পারবেন, খেতে পারবেন। কোন বিধি-নিষেধ নেই। তবে হিজামার পর বিশ্রাম করাটা ভালো। তাই সেদিন ভারী কোন কাজ রাখবেন না। হিজামা করানোর পর খুব ভালো ঘুম হয়।
হিজামার পর গোসল করতে চাইলে ৪ ঘন্টা পর গোসল করুন। কিন্তু পয়েন্টগুলোতে ঘষা দিবেন না। পয়েন্টগুলোতে কোন ঔষধ প্রয়োজন হয় না, তবে কোন জীবাণূ নাশক যেমন হেক্সিসল, ভায়োডিন ইত্যাদি দিতে পারলে ভালো। কিছু না দিলেও কোন অসুবিধা নেই।
পয়েন্টগুলো যদি চুলকায়/চুটচুট করে, তাহলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন।
৩ মাস রক্ত দিবেন না
হিজামার পর ৩ মাস রক্ত দেওয়া যাবে না।
সিরিয়াল নিন
আমাদের এখানে হিজামা করাতে চাইলে কমপক্ষে আগেরদিন সিরিয়াল নিতে হবে। অনেক আগে সিরিয়াল নিয়ে থাকলে আগেরদিন কনফার্ম জানাতে হবে। কারণ, আমরা প্রতিদিন ২/৩ জনের বেশি রোগী নিই না। অল্প রোগী নিই, ভালোভাবে হিজামা করার চেষ্টা করি।
সময় সূচি
শনি থেকে মঙ্গলবার :
সকাল ১০ থেকে দুপুর ১২.০০ টা।
(১০ টার আগেই উপস্থিত হতে হবে)
শুক্রবার
সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১১ টা
(৮ টার মধ্যে উপস্থিত হতে হবে)
বুধবার : বন্ধ
এয়ারপোর্ট বা কাওলা রেলগেট আসুন
ঢাকা হযরত শাহ জালাল রহ আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট এর পূর্ব পাশে হাজী ক্যাম্প এসে অথবা
কাউলা বাস স্টেশন রেল লাইনের পূর্ব পাশে এসে
অটো রিকশাকে বলবেন, "লঞ্জনীপাড়া মোড়ে" যাবো।
লঞ্জনীপাড়া মোড় আসুন
📞 এখানে এসে আমাদের কল করতে পারেন।
রিকশা থেকে নেমে (রিকশা নিয়েও আসা যায়) উত্তর দিকের রাস্তা ধরে ৩ মিনিট হেটে আসলে রাস্তার ডান পাশে "মসজিদে মাহমুদ সাইনবোর্ড" পাবেন।
সাইনবোর্ডের নীচ দিয়ে এগিয়ে আসলেই পেয়ে যাবেন “নিরাময় হিজামা সেন্টার”
রিক্সা ভাড়া ৫০-৬০ ৳, বড় অটোতে ২৫৳
কোন প্রয়োজন হলে: 01710-724343
গুগল ম্যাপে দেখতে ক্লিক করুন
জেনে রাখা ভালো
এয়ারপোর্ট থেকে আমাদের দূরত্ব ৩.৫ কিলোমিটার।
এটি ঢাকা উত্তরসিটি কর্পোরেশন এর ৪৮ নং ওয়ার্ড। কিন্তু এখনো গ্রামের মত, রাস্তা-ঘাট ততটা সুবিধাজনক নয়, উন্নয়নের কাজ চলছে। ঢাকা সিটিতে এমন কোলাহলমুক্ত গ্রামীণ পবিবেশ সবার মন ছুয়ে যায়।
ইশার পর থেকে সকাল ৯.৩০ পর্যন্ত আমাদের যোগাযোগ নম্বর বন্ধ থাকে। এজন্য যা কিছু জানার আগেই জেনে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
অনলাইনে সিরিয়াল নিতে পারেন :
সরাসরি কল করতে পারেন : (ইশার পর থেকে সকাল পর্যন্ত মোবাইল বন্ধ থাকে)
সিরিয়াল নেওয়ার জন্য সরাসরি কল করুন 01710-724343
হোয়াটসএপে মেসেজ করতে পারেন :
হোয়াটসএপ মেসেজ করুন 01710-724343
নিচের বাটনে ক্লিক করেও মেসেজ করতে পারবেন।
নিরাময় হিজামা কেন্দ্র
মসজিদে মাহমুদ সংলগ্ন, লঞ্জনীপাড়া মোড়, এয়ারপোর্ট, ঢাকা।