সোজা ভাবে বললে, গ্রাফিক ডিজাইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আমরা নিজের ধারণা, শিল্প (art) এবং দক্ষতা (skills) ব্যবহার কোরে ছবি (pictures), শব্দ (words), পাঠ (text) এবং ধারণার মিশ্রণ (combine) কোরে একটি আলাদা এবং নতুন ছবি (picture) তৈরি করি।
Text, pictures এবং ধারণার মিশ্রনের দ্বারা তৈরি হওয়া এই নতুন ছবি বা গ্রাফিক বিভিন্ন advertisements, magazine, books, website বা logo সাজানোর জন্য বা ডিজাইন এবং তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর মাধ্যমে আমরা অনেক রকমের visual concepts তৈরি করতে পারি। আসলে এর মাধ্যমে বিভিন্ন রকমের আইডিয়া এবং জ্ঞান আমরা ছবির মাধ্যমে প্রকাশ করি।
এই Graphics design এর কাজ আমরা, নিজের হাত দিয়েও করতে পারি বা বিভিন্ন কম্পিউটার সফটওয়্যার (computer software) বা এপ্লিকেশন (application) এর মাধ্যমেও করে নিতে পারি।
কিন্তু, অ্যাডভান্সড (advanced) এবং প্রফেশনাল ভাবে ডিজাইন তৈরি করার জন্য, আমাদের একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার ব্যবহার করাটা জরুরি।
এখন এক কথায় বললে, গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে, আমরা বিভিন্ন ধরণে চাক্ষুষ ধারণার (visual concept) তৈরি বা ডিজাইন করতে পারি, এই বিষয়ে থাকা নিজের দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাধ্যমে। পুরোটাই, আপনার হাথের শিল্প, জ্ঞান এবং ধারণার ওপরে নির্ভর।
ডিজিটাল মার্কেটিং মানে অনলাইনে পন্য বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন প্রচার করাকেই বুঝায়। এখন সেটা হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে, আবার হতে পারে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে।
আবার ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া যেমন, টিভি, রেডিও ইত্যাদির মাধ্যমে পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করাটাও এক ধরণের ডিজিটাল মার্কেটিং। এছাড়া মোবাইলে ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জিং, ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড, মোবাইল এপ্লিকেশনের মাধ্যমে পণ্যের প্রচারণাকেও ডিজিটাল মার্কেটিং বলা যেতে পারে।
বুঝতেই পারছেন, আধুনিক বিশ্বে নিজেকে ও নিজের ব্যবসার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার কোনো বিকল্প নেই।
এতো গেল ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে আমরা কি বুঝি। কিন্তু এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধাপগুলো কি কি? কখনো কি ভেবে দেখেছেন, এই ধাপগুলো কি হতে পারে? আসুন আমরা এবার এই ধাপগুলো সম্পর্কে জেনে নেই।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেকগুলো ধাপ আছে। যেগুলো প্রয়োগ করে মূলত ডিজিটাল মার্কেটাররা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল মার্কেটিং করে থাকেন। নিচের লিস্টে আপনি সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কতগুলো ধাপ সম্পর্কে জানতে পারবেন। আসুন লিস্টটা দেখে নেই।
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
এসইএম বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
কন্টেন্ট মার্কেটিং
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা এসএমএম
এফিলিয়েট মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং
ই-কমার্স প্রোডাক্ট মার্কেটিং
সিপিএ মার্কেটিং
ডাটা এন্ট্রি কাজটা কি, এবিষয়ে স্পষ্ট করে বোঝার জন্যে আপনাকে ডাটা এন্ট্রি মানে কি সেবিষয়ে আগে বুঝে নিতে হবে।
Data entry মানে, একজন টাইপিস্ট (typist) এর সাহায্যে টাইপিং এর মাধ্যমে যেকোনো হার্ড কপি থেকে ডাটা গুলোকে সফ্ট কপিতে কনভার্ট করা এবং ডাটা গুলোকে তাদের যথাযত স্থানে সংগ্রহ করা বা জমা করা।
মূলত, ডাটা গুলোকে একটি কম্পিউটারের মাধ্যমে কিছু সফটওয়্যার এর সাহায্যে যোগ বা আপডেট করা হয়।
ডাটা (DATA) বলতে যেকোনো ধরণের object, file, information বা media ইত্যাদি হতে পারে।
যেমন, audio, video, document, image, numbers, text ইত্যাদি।
ডাটা এন্ট্রির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের ডাটা গুলোকে একটি physical paper document থেকে দেখে কীবোর্ড এর দ্বারা কম্পিউটারে টাইপ করে digital কপিতে রূপান্তর করা হয়।
আর, এই ধরণের ডাটা এন্ট্রির কাজ যেই ব্যক্তির দ্বারা করানো হয় তাকেই বলা হয় “ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (data entry operator)“.
একজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আপনিও হতে পারবেন তবে কেবল তখন যদি আপনার মধ্যে basic computer knowledge এবং typing skills রয়েছে।
ডাটা এন্ট্রির কাজে, একজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর দ্বারা কম্পিউটারের একটি নির্ধারিত সফটওয়্যার এর মধ্যে ডাটা গুলোকে এন্টার / টাইপ করতে হয়।
যেমন, MS-office, MS-excel, Word Pad ইত্যাদি এরকম বিভিন্ন সফটওয়্যার গুলোতে ডাটা গুলোকে অপারেটর দ্বারা ফিড করানো হয়।
আবার সোজা ভাবে বললে, কম্পিউটারের মধ্যে কীবোর্ড (keyboard) এর মাধ্যমে টাইপিং করে যেকোনো ধরণের ডাটা গুলোকে প্রবেশ করানোর প্রক্রিয়াকেই ডাটা এন্ট্রি বলা হয়।
Data entry হলো এমন একটি industry যেখানে কর্মচারীদের (employees) দ্বারা data গুলোকে add, edit এবং verify করানো হয়।