শিক্ষকতাকে একটি মহৎ ও মানবিক পেশা হিসাবে গণ্য করা হলেও শিক্ষণ-শিখন প্রক্রিয়া অনেক জটিল কাজ। শিক্ষকের অর্জিত বিদ্যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কাঙ্খিত মান অনুযায়ী সঞ্চারিত করা খুব সহজ কথা নয়। এজন্য শিক্ষককে যেমন দায়িত্ব সচেতন হতে হবে তেমনি শিক্ষার্থীদেরও শিক্ষাগ্রহণে যথাসম্ভব আগ্রহী করে তুলতে হবে। যেসব শিক্ষার্থী নিজের বিদ্যাবুদ্ধির উত্তরোত্তর উন্নতি ঘটাতে আপনা থেকেই প্রয়াসী তাদের মেধা দ্রুতই বিকশিত হয়। কিন্তু যাদের মাঝে শিক্ষাগ্রহণে অনাগ্রহ পরিলক্ষিত হয় তাদের মাঝে প্রেষণা সৃষ্টিতে শিক্ষকের ভূমিকা অগ্রগণ্য। তাই শিক্ষককে তার নিজের মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্য যেমন জানা দরকার, তেমনি শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠদানের ফলপ্রসূ পদ্ধতিও জানা দরকার।
শিক্ষণ-শিখনকে অধিকতর ফলপ্রসূ করতে পাঠের আচরণিক উদ্দেশ্য ও শিখনফল সামনে রেখে পাঠদান করা কর্তব্য বলে বর্তমান শিক্ষাবিদরা মনে করেন। ঈপ্সিত শিখনফল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটিয়ে তুলতে পারলে শিক্ষকের পাঠদান আশানুরূপ হচ্ছে বলে আশা করা যায়। প্রত্যেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চায় মানসম্মত পাঠদানের মাধ্যমে তাদের শিক্ষার্থীদের সার্বিক মানের অগ্রগতি।
প্রধান শিক্ষক
ফুলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, পুঠিয়া, রাজশাহী
মোঃ আশরাফুল আলম (স্বাস্থ্য সুরক্ষা) স্যার বলেন "নতুন শপথ বাক্যটি সকলের হৃদয়ে ধারন করতে হবে। এটা শুধুমাত্র কয়েকটা লাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে তা মূল উদ্দেশ্য চরিতার্থ করবে না।"
আমাদের নতুন শপথ বাক্যটি---
আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। দেশের প্রতি অনুগত থাকিব। দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখিবার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব। অন্যায় ও দুর্নীতি করিব না এবং অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিব না। হে মহান আল্লাহ-মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে শক্তি দিন, আমি যেনো বাংলাদেশের সেবা করিতে পারি এবং বাংলাদেশকে একটি আদর্শ, বৈষম্যহীন ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসাবে গড়িয়া তুলিতে পারি। আ-মী-ন।
▶️ Puthia P.N Government High School
▶️ Pochamaria Di-Mukhi High School Puthia Rajshahi
তারেক রহমান হলেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান। সাধারণত তিনি তারেক জিয়া নামে বেশি পরিচিত; যার শেষাংশটি এসেছে তার পিতা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম থেকে। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র।
তারেকের অল্প বয়স থেকেই রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় এবং ২০০০ সালের শুরুর দিকে তার মা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বিএনপিতে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তবে এই সময়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে নানা বিতর্কেরও জন্ম দেন। বিশেষ করে ‘হাওয়া ভবন’-কে রাষ্ট্রের একটি সমান্তরাল ক্ষমতাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ এবং দুর্নীতি, ঘুষ ও অর্থপাচারের বিভিন্ন ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সমালোচিত হন। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তিনি গ্রেপ্তার হন এবং ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জেল থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সেই দিনই পরিবার-সহ লন্ডনে স্বেচ্ছা নির্বাসনে যান।
দুর্নীতি, ঘুসগ্রহণ, মানি লন্ডারিং, অবৈধ সম্পদ অর্জন, গ্রেনেড হামলাসহ একাধিক মামলায় তিনি আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত হন। ২০০৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তার বিরুদ্ধে মোট ৮৪টি মামলা হয়। তার দল বিএনপি দাবি করে যে এগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা। পরবর্তীকালে ২০২৪ সালে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর, আদালত তাকে দণ্ডপ্রাপ্ত সকল মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে সাজা বাতিল করে। বর্তমানে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বিচারাধীন নেই।
২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসে এবং ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিজয় অর্জন করে। অতঃপর ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন। ২০২৬ সালের এপ্রিলে তিনি টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ জন ব্যক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন।
Source: Wikipedia
আবু নাসের মুহাম্মদ এহসানুল হক মিলন
(আবু নাসের মুহাম্মদ এহসানুল হক মিলন) (জন্ম ১ জানুয়ারী ১৯৫৭)
এহসানুল হক মিলন হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) -এর সাথে যুক্ত একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ । তিনি চাঁদপুর-১ আসনের বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য এবং ফেব্রুয়ারী ২০২৬ থেকে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত একই আসনের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অধীনে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন ।
মিলন নাজমুন নাহার বেবির সাথে বিবাহিত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় এবং সিটি ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্ক (CUNY) থেকে কম্পিউটার ইনফরমেশন সায়েন্সে (CIS) স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । তাদের তানজিদা নাহার হক নামে এক কন্যা রয়েছে, যিনি জন জে কলেজ অফ ক্রিমিনাল জাস্টিস থেকে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন ।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর , মিলন ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর, তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং এর শিক্ষাগত মান পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, মিলন জনসমক্ষে আলোচনা এবং শিক্ষা উদ্যোগে জড়িত থাকা অব্যাহত রেখেছেন। ফেব্রুয়ারী 2025-এ, ADUST দক্ষতা উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে, তিনি একটি কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন যেখানে তিনি জাতি গঠনে যুবকদের প্রযুক্তি এবং উদ্যোক্তা গ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান।
২০২৫ সালের মে মাসে, তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতার প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন এবং দ্রুত নির্বাচনের আহ্বান জানান। ছাত্রদের উদ্দেশে ভাষণে, তিনি সক্রিয়তার সাথে একাডেমিক এবং নৈতিক বিকাশের ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্বের উপর জোর দেন।
Source: Wikipedia
ববি হাজ্জাজ
(জন্ম ৭ এপ্রিল ১৯৭৪)
একজন বাংলাদেশী দার্শনিক, গবেষক, রাজনীতিবিদ এবং বর্তমান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী।[ হাজ্জাজ হলেন রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেছেন।
পড়ালেখা ও কর্মজীবন
তিনি ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করেছেন। তিনি বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন, নব্বইয়ের দশকে অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।স্নাতকোত্তর পড়ার সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পত্রিকার জন্য লিখেছিলেন, তিনি একাধিক রাজ্য সিনেট এবং গর্ভনারেটাল নির্বাচনী প্রচারণায়ও কাজ করেছিলেন। স্নাতক শেষে তিনি বাংলাদেশে ফেরার আগে এক বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আর্থিক শিল্পে কাজ করেছিলেন। ফিরে আসার পরে তিনি ব্যবসায়ের বিকাশে কাজ শুরু করেন এবং কয়েকটি জাতীয় ইংলিশ দৈনিকের নিয়মিত পত্রিকায় লেখতেন, যার মধ্যে ডেইলি স্টার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০০৩ সাল থেকে তিনি তিন বছরের বেশিরভাগ সময় আমেরিকা, ইউরোপ এবং মধ্য প্রাচ্যে ব্যবসায়ের বিকাশ এবং কৌশল পরামর্শে নিযুক্ত ছিলেন। হাজ্জাজ দু'বছর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটিয়েছিলেন, যেখানে তিনি প্রথমে এমবিএ করেন (২০০৬) এবং পরে কৌশল বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর গবেষণা চালিয়েছিলেন।
২০০৯ সালের শেষের দিক থেকে, হাজ্জাজ বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। ফিরে আসার পরে তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায়িক কৌশলতে প্রভাষক এবং গবেষক হিসাবে কাজ করেছেন, ২০১৩ সালের শেষ হতে ডেইলি ইন্ডিপেন্ডেন্টের সাথে কলামিস্ট হিসাবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা ট্রিবিউনে পত্রিকায় কাজ করেন, সামাজিক ভাষণে এবং রাজনৈতিক সমস্যা। ২০১৫ সালের শেষের দিকে, তিনি স্বপ্নের দেশের একটি নাগরিক ক্ষমতায়ন আন্দোলন শুরু করেছিলেন যার মাধ্যমে তিনি সারা দেশের যুবকদের সাথে শিক্ষা, গণ নগরায়ন এবং যুব সমাজের উগ্রবাদসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করেছিলেন[১১]।
রাজনৈতিক জীবন
২০১২ সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ বিশেষ উপদেষ্টা হিসাবে নিয়োগ।
২০১৩ জাতীয় পার্টি এবং এরশাদ হজ্জাজকে বিশেষ উপদেষ্টার ভূমিকার বিষয়টি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেছেন।
২০১৪: ২০১৪ সালের বিতর্কিত সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রাথমিক বিরোধী দল বিএনপি অংশ নেয়নি বলে সমালোচনা করার জন্য হাজ্জাজ অনেক গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ২০১৩ সালের শেষদিকে তাকে ২০ ঘণ্টা ধরে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কর্মকর্তারা আটক করেছিলেন; ঠিক ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগেই। হাজ্জাজের মতে, এরশাদ তার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন তবে তা কোনও স্পষ্ট কারণ ছাড়াই গৃহীত হয়েছিল।
২০১৫: ২১ শে মার্চ ২০১৫ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন মেয়র নির্বাচনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থিতায় লড়েছেন।
২০১৭: এপ্রিল ২০১৭ এ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন।
Source: Wikipedia
ফুলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড
১।
নিচের মতামত বাটন টিতে ক্লিক করুন এবং ফরমটি যথাযথ ভাবে পুরুন করুন